ICT Academy
বর্তমানে বাংলাদেশের স্মার্ট শিক্ষাব্যবস্থাই যা শিখানো হয়।
গীবতকে অনেক মানুষ গুনাহ বলে মনেই করে না, অথচ এটা ইসলামে মহা গুনাহ।
গীবত (غيبة) অর্থ হচ্ছে — কারো অনুপস্থিতিতে তার এমন কোনো অবমাননাকর বা দোষপূর্ণ কথা বলা, যা সে শুনলে অসন্তুষ্ট বা কষ্ট পেত। যদিও সেই দোষ বা বিষয়টি সত্য, তবুও তা বললে গীবত হয়। আর যদি মিথ্যা হয়, তবে সেটা মিথ্যা অপবাদ হয় — যা গীবতের চেয়েও বড় গুনাহ।
🧠 কেন মানুষ গীবতকে গুনাহ মনে করে না?
1. অত্যন্ত সাধারণ হয়ে গেছে — মানুষ মনে করে, "সবার সাথেই তো এমন কথা হয়!"
2. মজা বা গল্পের ছলে বলে — গীবতকে অনেক সময় ‘গসিপ’ বা আড্ডা মনে করা হয়।
3. আত্মপক্ষ সমর্থনের ছুতোয় — “আমি তো সত্য বলেছি!” — এই ভুল ধারণা।
4. ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব — অনেকেই জানেই না গীবত কী, বা এটা কত বড় গুনাহ।
ইসলামী সংজ্ঞা:
📖 আল্লাহ তায়ালা গীবত সম্পর্কে কী বলেছেন?
"তোমাদের কেউ কি চায়, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাবে?"
– (সূরা হুজুরাত: ১২)
এটা দিয়ে বোঝানো হয়েছে — গীবত করা মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়ার মতোই জঘন্য কাজ।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"তুমি তোমার ভাইয়ের সেই কথা উল্লেখ করো, যা সে অপছন্দ করে।"
সাহাবারা বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! যদি সে দোষটি তার মধ্যে থাকে?”
তিনি বললেন,
"যদি তার মধ্যে থাকে, তবে তুমি গীবত করেছো, আর না থাকলে তুমি তার প্রতি অপবাদ দিয়েছো।"
(সহীহ মুসলিম: হাদীস ৪৬৯০)
🚫 বাস্তব উদাহরণ:
কেউ বলে: "ও তো এমনিতেই খারাপ লোক!"
"ওর বউ তো অতটা ভালো না..."
"তুই জানিস না, ওর কি কি কাহিনি!"
🛑 গীবতের ক্ষতি:
1. পাপ হয় — বড় গুনাহ।
2. নেকি নষ্ট হয়, গীবতের শিকার ব্যক্তির আমলে জমা হয়।
3. সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট হয়।
4. আখিরাতে বিচার হবে, আল্লাহর শাস্তি পেতে পারে
✅ কী গীবত নয়:
কারো অন্যায় কাজ থেকে সতর্ক করার জন্য সৎ উপায়ে কাউকে জানানো।
বিচার চাওয়ার জন্য তথ্য প্রকাশ করা (উদাহরণ: আদালতে)।
জরুরি উপদেশ বা নিরাপত্তার জন্য তথ্য দেয়া (যেমন: প্রতারণা রোধে সতর্কতা)।
❤️ কী করা উচিত?
1. গীবত রোধ করতে পারলে করো।
2. নিজে থেকে কখনো না বলো।
3. যারা গীবত করছে — আদবের সাথে থামাতে চেষ্টা করো।
4. তাওবা করো – গীবত হয়ে গেলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও, আর সম্ভব হলে সেই ব্যক্তির কাছেও।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kulshi
Chittagong
4225