Gamca Madical Slip
07/07/2024
জার্মানিতে আসার পর অটোমোটিভে জব করার সুবিধাগুলো বলি?
প্রথম কথা হচ্ছে যে কোম্পানিতে জব করবেন, সে কোম্পানির সব লেটেস্ট মডেলের পার্সোনাল কার পাবেন। জেনারেলি যে কার ড্রাইভ করতে ৫০ হাজার ইউরো লাগবে, সে কার আপনি নামমাত্র খরচে পার্সোনালি ব্যবহার করতে পারবেন। ৬ মাস পর এই কার ভালো লাগছে না? জাস্ট কোম্পানির পোর্টালে ঢুকে নতুন কারের রিকোয়েস্ট দিয়ে নতুন কার নিয়ে নিবেন। যারা কার Enthusiast তাদের জন্যে মার্কেটের নতুন কার ড্রাইভ করা একটা ক্রেজ, এবং এই সিস্টেমে অলঅয়েজ আপনি লেটেস্ট কারগুলো ড্রাইভ করতে পারবেন।
দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, হোম অফিস। বেশিরভাগ কোম্পানিতেই হোম অফিস। বাসায় বসে, ঘরের খাবার খেয়ে, ট্রাফিকের প্যারা আর বরফের দিনে ওই ঠাণ্ডার কষ্ট ছাড়া জব করার শান্তি যারা হোম অফিস করে শুধু তারাই বোঝে।
তৃতীয় হচ্ছে, ইংরেজি মাধ্যম। জার্মানির নাম শুনলেই অনেকে এখনো ভয় পায় জার্মান ভাষা শিখার নাম শুনে। কিন্তু অটোমোটিভ কোম্পানিতে হাজার হাজার জব আছে ইংরেজিতে। কিন্তু শুধু মার্সেডিজ-ব্যাঞ্জেই যতগুলো ইংরেজি জব, সেগুলো এপ্লাই করে শেষ করতে করতে আপনার এক-দেড় মাস লেগে যেতে পারে।
চতুর্থ হচ্ছে, ইন্টার্নেশনাল কালচার। একটি টিমে বিভিন্ন দেশের মানুষ পেয়ে যাবেন। সবার থেকে তাদের কালচার, খাবার-দাবার, এবং ভাষা সম্পর্কে জানতে পারবেন। আর ইন্টার্নেশনাল কালচারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনাকে কিছুর জন্যে জাজ করা হবেনা। আপনি চুল বড় রাখেন, বা হাফ প্যান্ট করে অফিসে জান, কারো কিছুই যায় আসে না।
পঞ্চম হচ্ছে, জার্মান ভাষা ফ্রীতে শেখার সুযোগ। জার্মানিতে জার্মান ভাষা শিখতে সাধারণত মাসে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। কিন্তু কোম্পানিতে জার্মান ভাষা ফ্রীতেই শেখানো হয়, তাও আবার অনলাইন বা অফলাইন - আপনার যেভাবে সুবিধা। কোর্স এবং পরীক্ষার সব খরচ কোম্পানির - তাতে আপনার যতদিনই লাগুক না কেনো।
ষষ্ঠ হচ্ছে, ক্যারিয়ার গ্রোথ। সাধারণত ভার্সিটির পর, ক্যারিয়ার গ্রোথের জন্যে বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্স এবং সার্টিফিকেশনের দরকার পর। প্রতিটা কোম্পানিতে সবাইকে প্রায় ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকার লার্নিং বাজেট দেওয়া হয়। এই টাকা দিয়ে আপনি যা ইচ্ছা শিখতে পারেন এবং সার্টিফিকেশন নিতে পারেন।
সপ্তম হচ্ছে, কোম্পানির টাকায় ঘুরাঘুরি, ঐ যে লার্নিং বাজেটের কথা বললাম? এটা দিয়ে অনেকে বিভিন্ন দেশ ঘুরেও আসে। কিভাবে? লার্নিং বাজেট হচ্ছে প্রায় ৩ লাখ টাকা। কোন কোর্স করতে এতো টাকা লাগে? কোর্স নেয়া যায় অন্য একটা দেশে, তাতে করে সেই দেশে যাওয়া, থাকা, কোর্স করা, এবং আনুষঙ্গিক সব খরচ এই টাকা দিয়ে কাভার করা যায়। আমার মনে হয় ২৫০০ ইউরো দিয়ে ইউরোপ, সুইজারল্যান্ড, বা ইউকে থেকে কোর্স করে আসতে এর চেয়ে বেশি খরচ লাগার কথা না। আর বাড়তি কিছু লাগলে আপনি নিজে কাভার করতে পারবেন।
অষ্টম হচ্ছে, প্রতি মাসেই আলাদা কিছু টাকা দেওয়া হয় Health Coverage এর জন্যে। যেমন জিম, Yoga - বা এমন স্বাস্থ্য বিষয়ক খাতে এই টাকা আপনি ব্যয় করতে পারেন।
নবম হচ্ছে, জব সিকিউরিটি। জার্মান অটোমোটিভ কোম্পানিগুলোতে জব সিকিউরিটি অনেক হাই। ম্যাক্সিমাম কোম্পানিত IG Metall - এর আওতাভুক্ত। তাই জব সিকিউরিটি অনেক বেশি। এ ব্যপারে আরও জানতে 'IG Metall' দিয়ে গুগলে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।
দশম হচ্ছে, জার্মানির বাইরে থেকেও জব করার সুযোগ। জার্মানির নিয়ম হচ্ছে, জার্মানিতে রিমোট জব করতে হলেও জার্মানিতে অবস্থান করতে হয়। তবে বেশিরভাগ কোম্পানিতে বছরে অন্তত ৩০ দিন জার্মানির বাইরে থেকেও জব করার পার্মিশন দেয়।
পরিশেষে একটা পয়েন্ট যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হচ্ছে আত্মতৃপ্তি। ঘরে বসে বসে কোন ফিচারে কাজ করছেন, কিন্তু বাইরে বেরুলেই যখন দেখবেন এই গাড়িগুলোতে আপনার কন্ট্রিবিউশনগুলো হাতছানি দিয়ে আপনাকে অভিবাদন জানাচ্ছে, এই অনুভূতিতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আর ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স অনন্য। সারা জার্মানিতেই ওভারটাইম বা উইকেন্ডে কাজ করা তেমন একটা এপ্রিশেয়েট করা হয়না। ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স খুবই ভালো।
উল্লেখ্য শুধু অটোমোটিভ নয় জার্মানিতে অন্যান্য ইন্ড্রাস্ট্রিও এই সুবিধাগুলোর অনেকগুলোই দিয়ে থাকে। তবে আমি যেহেতু অটোমোটিভ আছি, তাই এই ইন্ড্রাস্ট্রি নিয়ে লিখলাম।
লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করবেন। আর কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। ❤
স্কেচ: এই পোস্টের জন্যেই স্কেচটি করেছি 😊
11/06/2024
► #কলকাতা মেট্রো রেলের A to Z ◄
কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরছ করছেন । যারা ওই অতিরিক্ত খরছ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল । এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি । মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায় । আপনি যদি টাকা কে পাইলটের মত উড়াতে ভালোবাসেন তবে আমার এই পোস্ট টি আপনাদের জন্য নয় :)
অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন । এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে । আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জং এ এসে নামবেন ( দম দম জং এবং দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না ) । এখান থেকে মাত্র ১০ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন ।
কলকাতা মেট্রো রেলের রুট
=====================
দম দম > বেল গাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবিন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতিন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবিন্দ্র সরোবর > টলিগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস
ভাড়া ৫, ১০ , ১৫ , ২০ । আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত । চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লিখা আছে । আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন ।
এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।
=====================================================
╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন
╚►রাম মন্দিরঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►মার্বেল প্লেসঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন
╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন
╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো
╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বড় বাজারঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন
╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন
আমরা অনেকেই নিউমার্কেট এরিয়ায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকি । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন । এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এরিয়া ।
নোটঃ মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না :) মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলো তে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না । সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ , অফিস ব্যাগ , শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন । ভালো থাকবেন ..... Happy Travelling
30/01/2024
আগামী ২৬ মার্চ থেকে ঢাকা🇧🇩-রোম🇮🇹 সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস 🇧🇩✈️
এবং আগামী ডিসেম্বরে ফিলিপাইনের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান🇧🇩✈️
চট্টগ্রাম টু মাস্কেট (ওমান)
সালাম এয়ার
মাত্র ২৯,০০০ টাকা!
চলেন ঘুরে আসি হিমালয় কন্যা নেপাল থেকে..........✈️✈️✈️✈️✈️
13/11/2023
চট্টগ্রাম কক্সবাজার রুটের ট্রেন ফাইনালি চালু হয়েছে। জেনে নিন চট্টগ্রাম কক্সবাজার রেলপথের ভাড়া ও টাইমটেবিল।
♦️চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ভাড়া
👉 শোভন ১৮০৳
👉শোভন চেয়ার ২২০৳
👉স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) ৪১৪৳
👉প্রথম চেয়ার/সিট ৩৩৪৳
👉প্রথম বার্থ ৫০১৳
👉এসি সিট ৫০১৳
👉এসি বার্থ ৭৪৮৳
__________________________
১.♦️ চট্টগ্রাম কক্সবাজার♦️
চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে সকাল ৬.৩০ টায়
কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ১০ টায়
ট্রেনের নাম চট্টলা এক্সপ্রেস 🔥
২.♦️চট্টগ্রাম কক্সবাজার♦️
চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে দুপুর ৩.১৫
কক্সবাজার পৌছাবে সন্ধ্যা ৭ টায়
ট্রেনের নাম চট্রলা এক্সপ্রেস 🔥
৩.♦️চট্টগ্রাম কক্সবাজার ♦️
চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে সন্ধ্যা ৭:৩০
কক্সবাজার পৌঁছাবে রাত ১১ টায়
ট্রেনের নাম দোহাজারী কমিউটার।
৪.♦️চট্টগ্রাম কক্সবাজার ♦️
চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে সকাল ৯.৩০ টায়
কক্সবাজার পৌছাবে দুপুর ১ টায়
ট্রেনের নাম কক্সবাজার কমিউটার
৫.♦️কক্সবাজার চট্টগ্রাম♦️
কক্সবাজার ছেড়ে যাবে সকাল ১০ঃ৩০
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর ২.৩০ টায়
ট্রেনের নাম চট্রলা এক্সপ্রেস 🔥
৬.♦️কক্সবাজার চট্টগ্রাম♦️
কক্সবাজার ছেড়ে যাবে সন্ধ্যা ৭:৩০ টায়
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১১ টায়
ট্রেনের নাম চট্টলা এক্সপ্রেস
৭.♦️কক্সবাজার চট্টগ্রাম♦️
কক্সবাজার ছেড়ে যাবে সকাল ৫ টায়
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে ৮.৫০ টায়
ট্রেনের নাম দোহাজারী কমিউটার
৮.♦️কক্সবাজার চট্টগ্রাম♦️
কক্সবাজার ছেড়ে যাবে দুপুর ১ঃ৩০
চট্টগ্রাম পৌঁছাবে বিকাল ৫ টায়
ট্রেনের নাম কক্সবাজার কমিউটার।
ধন্যবাদ সবাইকে ❤️
সংগৃহীত
27/08/2023
🇮🇹 ইতালির মিলান কন্স্যুলেটে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু 🇮🇹
প্রবাসীদের আরও একটি স্বপ্ন পূরণ হলো। ইতালির রোমের পরে এবার মিলান থেকে শুরু হলো বহুল প্রতিক্ষিত ই-পাসপোর্ট সেবা ।
মিলান কনস্যুলেটে ই-পাসপোর্ট সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান ।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুলাই ইতালি সফরকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেওয়া নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটিতে ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর ঘোষণা দেন। এরই ধারবাহিকতায় মিলানে ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় প্রবাসীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মিলানের মতো বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট চালুর মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন প্রবাসীরা।
সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Room # 50, Alanker Shopping Complex (3rd Floor), Pahartali
Chittagong
4216
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 20:00 |
| Tuesday | 10:00 - 20:00 |
| Wednesday | 10:00 - 20:00 |
| Thursday | 10:00 - 20:00 |
| Friday | 15:00 - 20:00 |
| Saturday | 10:00 - 20:00 |