MD KAMAL
Good morning everyone
Good night
Good morning
☕
22/05/2023
স্বপ্নের টাইটানিক 💞
আপনারা হয়তো ইতোমধ্যেই আলোচিত ও রোমান্সকর টাইটানিক মুভিটা দেখে ফেলেছেন। আমিও বেশ কয়েকবার দেখেছি।
সত্যিই অসাধারণ 💝
কিন্তু এই টাইটানিকের প্রকৃত বা আসল ছবিটি হয়তো অনেকে দেখেননি। যদিও দেখার কথা নয়। কারণ, ১৯৬৫ সালে টাইটানিকের প্রথম ধ্বংসাবশেষটি খুঁজে পাওয়া যায়।
জানা যায়, টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে উত্তর আটলান্টিকের তলদেশে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ১২৩ ফুট গভীরে। এটি কানাডার উপকূল থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরের স্থান।
দেশীয়-আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, ১৯১২ সালে ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে যাচ্ছিল টাইটানিক। সেটি ছিল জাহাজটির প্রথম যাত্রা। পথে ১৫ এপ্রিল এক হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় স্বপ্নের টাইটানিক। আর তাতে মৃত্যু হয় জাহাজে থাকা প্রায় ১ হাজার ৫০০ যাত্রীর।
সে সময় ❝বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী জাহাজ❞ ছিল টাইটানিক ❣️
আটলান্টিকের তলদেশে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা টাইটানিকের পুরো ধ্বংসাবশেষ এতোদিন একসঙ্গে ক্যামেরায় ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
তবে, ২০২২ সালের দিকে ত্রিমাত্রিক স্ক্যানের মাধ্যমে টাইটানিকের পুরো ধ্বংসাবশেষের ছবি তৈরি করতে মাঠে নামেন গবেষকেরা। সে বছর গ্রীষ্মে ছয় সপ্তাহ ধরে সাগরের তলদেশে ধ্বংসাবশেষের তথ্য সংগ্রহ করে রোমিও ও জুলিয়েট নামের দুটি যান। মোট ১৬ টেরাবাইট তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকেই তৈরি করা ছবিটি (আপলোড করা) গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।।
ত্রিমাত্রিক ওই স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের ছবি তৈরির কাজটি করেছে ম্যাগেলান লিমিটেড ও আটলান্টিক প্রোডাকশন নামের দুটি প্রতিষ্ঠান। ওই কাজের সাথে জড়িত গবেষকরা বলছেন, ❝এটি টাইটানিকের ধ্বংস হওয়া নিয়ে ধারণা পুরোপুরি বদলে দিতে পারে❞।
শেষ পর্যন্ত থ্রিডি বা ত্রিমাত্রিক স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো টাইটানিকের পুরো ধ্বংসাবশেষের একটি ছবি বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে গবেষক দল।
শেয়ার করে ফেসবুকে রেখে দিতে পারেন-https://www.facebook.com/profile.php?id=100083439584921&mibextid=ZbWKwL
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong