Chandpur Polytechnic Institute
04/06/2015
কোথায় পড়বেন?
কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে পড়তে হবে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটগুলোতে। দেশে সরকারি এবং বেসরকারি বিপুলসংখ্যক পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসব প্রতিষ্ঠান চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলো পরিচালনা করে থাকে। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেক জেলাতেই বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। দেশে এখন সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সংখ্যা ৪৯টি। আর বেসরকারি পলিটেকনিকের সংখ্যা কয়েক হাজারেরও অধিক। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ছাত্রছাত্রী কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে নেবেন।
অন্তর্ভুক্ত কোর্সগুলো
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পড়াশোনা করানো হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হল- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার সাইন্স, ইলেকট্রোমেডিক্যাল, পাওয়ার, অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। এছাড়া মেরিন, গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকস, কেমিক্যাল, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গার্মেন্টস অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং, আর্কিটেকচার, ফুড টেকনোলজি, এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রভৃতি বিষয়ের ওপর পড়াশোনা করানো হয়। সেমিস্টারভিত্তিক এ পড়াশোনা করে বেকার হয়ে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
ভর্তির যোগ্যতা:
ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে এসএসসি, দাখিল বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ভর্তির ক্ষেত্রে আপনার জিপিএ কমপক্ষে ৩.৫০ থাকতে হব। সেই সঙ্গে গণিতে ৩.০০ এর ওপর পেতে হবে। তবে বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ভর্তির ক্ষেত্রে গণিতে ২.০০ হলে চলবে।
ভর্তি পরীক্ষা:
সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ভর্তির জন্য আপনাকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মাঝে এসএসসি বা সমমানের রেজাল্টের ওপর ভিত্তি করে থাকবে ৫০ নম্বর। আর বাকি ৫০ নম্বরের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষা নৈর্ব্যত্তিক পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ৫০ নম্বরের পরীক্ষার মানপত্র হবে বাংলা ৭ নম্বর, ইংরেজি ৭, গণিত ১৫, পদার্থ ও রসায়ন ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞানের জন্য ৬ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলের ওপর পছন্দের বিষয় বরাদ্দ দেয়া হবে। সে ক্ষেত্রে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ভর্তির জন্য জিপিএ যেমন জরুরি, বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর ওপর দক্ষতাও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফরম, ফলাফল এবং ভর্তি সব কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
আছে উচ্চশিক্ষার সুযোগ:
যে কোনো পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে রয়েছে উচ্চশিক্ষার সুযোগ। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে। আপনি চাইলে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) থেকে বিএসসি, এমএসসি করতে পারবেন। দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের বাইরের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
সময়োপযোগী:
হাতে-কলমে বাস্তবধর্মী শিক্ষার নাম কারিগরি শিক্ষা। কারিগরি শিক্ষা সময়োপযোগী শিক্ষা। আধুনিক যুগে উন্নত বিশ্ব যখন কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে উন্নতি সাধন করছে, আমাদের দেশ সেখানে অনেক পিছিয়েছে। এখনই সময় দেশকে এগিয়ে নেয়ার। দেশের উন্নয়নে দক্ষ জনশক্তির যোগান দেবে কারিগরি শিক্ষা। তাছাড়া এ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বেকার থাকতে হয় না। তাই ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়ে গড়তে পারেন আপনার সোনালি ক্যারিয়ার।
পড়াশোনার খরচ:
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক পড়াশোনার খরচ অত্যন্ত কম। সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে চার বছরে আট সেমিস্টার পড়াশোনা করতে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা খরচ পড়বে। এখানে ভালো ফলাফলের জন্য সেমিস্টারভিত্তিক বৃত্তি দেয়া হয়। এছাড়াও বিশ্বব্যাংক ও কানাডার যৌথ উদ্যোগে গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সেমিস্টারে ৪ হাজার ৮০০ টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়। বেসরকারি পলিটেকনিকগুলোতে পড়তে হলে আপনাকে চার বছরে ৯৬ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হবে।
চাকরির বাজার:
পেশাগত জীবন ও ক্যারিয়ারের আয়-রোজগারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল কর্মদক্ষতা। সেই সঙ্গে অভিজ্ঞতা আর কাজের মনযোগের ব্যাপার তো আছেই। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করে শুরুতেই ৮ হাজার টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন। এখানে পড়াশোনা করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী থেকে সর্বোচ্চ পদ প্রধান প্রকৌশলী পর্যন্ত অধিষ্ঠিত হতে পারবেন। কারিগরি শিক্ষায় রয়েছে বহুমুখী স্বপ্নে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রয়েছে বিস্তর কর্মক্ষেত্র। পাওয়ার হাউস, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি, টেক্সটাইল, সিরামিক, বিভিন্ন কলকারখানা, টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানিতে চাকরির সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রাইমারি ও হাই স্কুলে শিক্ষকতাও করতে পারবেন। এখানে রয়েছে সফল ক্যারিয়ারের হাতছানি।
কারিগরি শিক্ষায় উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কোথায় পড়বেনকারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে পড়তে হবে পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটগুলোতে। দেশে সরকারি এবং বেসরকারি বিপুলসংখ্যক পলিটেকনিক ইন
২০১৫ সনের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের ২য়, ৩য়, ৫ম, ৭ম (২০১০ প্রবিধান) পর্ব নিয়মিত পরীক্ষা ও ৪র্থ, ৬ষ্ঠ পর্ব (২০১০ প্রবিধান), ২য়, ৪র্থ, ৬ষ্ঠ পর্বের অকৃতকার্য বিষয়ের পরীক্ষা এবং ৮ম পর্ব অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর পরীক্ষার সময়সূচি:
http://www.cpi.edu.bd/adminpanel/uploads/476.pdf
13/05/2015
Result Book 4th Sem 2015 (Regular)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Address
Chandpur
3630