Tasty Food Blog
28/11/2022
#সামাজিক_মূল্যবোধ_কী?
মূল্যবোধ কথার অর্থ মূল্যবান, মর্যাদাবান বা শক্তিশালী হওয়া। মূল্যবোধের কতগুলো সংজ্ঞা নিচে উল্লেখ করা হলো: ⬇️
ব্যক্তির জানা, পরিচিত বা নিজের আয়ত্তে যা কিছু আছে, তার চেয়েও অধিকতর মূল্যবান, যা কিছু সঞ্চয় করে রাখার মতো তা হলো মূল্যবোধ।
মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ডকে মূল্যবোধ বলে।
কতগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিস্বাসকে মূল্যবোধ বলে।
সমাজবিজ্ঞানী ডেভিড পোপেনো (David Popenoe) বলেছেন, “ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক, কাঙ্ক্ষিত-অনাকাঙ্ক্ষিত সমাজের সদস্যদের যে ধারণা, তার নামই হলো মূল্যবোধ।”
সমাজবিজ্ঞানী এফ. ই. স্পেন্সার বলেছেন, “মূল্যবোধ হলো একটি মানদণ্ড, যা আচরণের ভালো-মন্দ বিচারের এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন লক্ষ্য হতে কোনো একটি পছন্দ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।”
সমাজবিজ্ঞানী এফ. ই. মেরিল (F. E. Merril)-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হলো বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরন যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।”
আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মুল্যবোধ শিক্ষা। মূল্যবোধ হলো সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি। এটি মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি। একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র,অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।
জন্মের পর থেকে শিশুর জীবনের বহুমুখী বিকাশ হয়। এই বিকাশের লক্ষণ প্রকাশ পায় ব্যক্তির আচরণের মধ্যে। আচরণবাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বলা যায়, শিশুর বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তার জন্মগত আচরণের মধ্যে পরিবর্তন আনতে থাকে; এই পরিবর্তিত নতুন আচরণকে বলা হয় অর্জিত আচরণ। এই অর্জিত আচরণগুলো সৃষ্টি করে, শিশু বা ব্যক্তির অন্তর্নিহিত কতগুলো অর্জিত জৈব-মানসিক প্রবণতা।
যেমন: বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে শিশু কতগুলো অভ্যাস গঠন করে। পরবর্তী পর্যায়ে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতগুলো স্থায়ী অনুরাগ গড়ে ওঠে। আরও পরে সেন্টিমেন্ট, মনোভাব ইত্যাদি জৈবমানসিক প্রবণতাগুলো গড়ে ওঠে। পরিণত বয়সে এসব জৈব-মানসিক প্রবণতাগুলোর অভিজ্ঞতার ফলে সমন্বয় ঘটে। এ ধরনের সমন্বয়ের ফলে, যে সর্বশক্তিসম্পন্ন জৈব-মানসিক সংগঠন গড়ে ওঠে, তা ব্যক্তির সবরকম আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এই জৈব-মানসিক সংগঠনই হলো মূল্যবোধ।
24/11/2022
#সমাজে_নারীদের_ভূমিকা
অতীতে নারীরা আমাদের সমাজে কোনাে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারত না । পরিবারে তাদের অবস্থান ছিল অত্যন্ত অসম্মানজনক। আমাদের সমাজে নারীদের ভূমিকা মাতা, বধূ এবং গৃহকর্ত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ ছিল। তাছাড়া তারা সন্তান-সন্ততি জন্ম দিত এবং লালন-পালন করত। তারা কোমল, নরম, দুর্বল বিনীত এক তত্ত্বাবধানের জন্য পুরুষের ওপর নির্ভরশীল বলে বিশ্বাস করা হতাে। যদি একজন মহিলার এসব গুণের অভাব থাকত, তাহলে ধরে নেয়া হতাে যে তার যোগ্যতা এবং দক্ষতার অভাব আছে। কিন্তু আজকে নারীরা জীবনের সর্বক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা আর তাদের পিতামাতা বা স্বামীর গৃহের চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ নয়। তারা রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কাজে পুরুষের পাশাপাশি থেকে কাজ করছে। উচ্চশিক্ষা লাভ করে তারা পাইলট, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, প্রশাসক এবং আরও অনেক কিছু হচ্ছে। তারা তাদের গুরুত্ব প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তারা শুধু তাদের পারিবারিক কাজই করে না, পরিবারের বাইরের কাজও করে। তারা জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। এখন এটি পুরুষের উপলদ্ধিতে এসেছে যে, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যাকে বাড়িতে অলস রেখে কখনাে দেশের সত্যিকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে, নারীরা আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশ ও সমাজ গঠনে তারাও আজ পুরুষের সমান অংশীদার
...........................................?
Read us on
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Monpura Bhola
Barishal
8360