Beauty Tips

Beauty Tips

Share

31/12/2022

𝗪𝗶𝘀𝗵𝗶𝗻𝗴 𝘆𝗼𝘂 𝗮𝗻𝗱 𝘆𝗼𝘂𝗿 𝗳𝗮𝗺𝗶𝗹𝘆 𝗮 𝗵𝗮𝗽𝗽𝘆 𝗻𝗲𝘄 𝘆𝗲𝗮𝗿 𝗳𝗶𝗹𝗹𝗲𝗱 𝘄𝗶𝘁𝗵 𝗵𝗼𝗽𝗲, 𝗵𝗲𝗮𝗹𝘁𝗵, 𝗮𝗻𝗱 𝗵𝗮𝗽𝗽𝗶𝗻𝗲𝘀𝘀 - 𝘄𝗶𝘁𝗵 𝗮 𝗴𝗲𝗻𝗲𝗿𝗼𝘂𝘀 𝘀𝗽𝗿𝗶𝗻𝗸𝗹𝗲 𝗼𝗳 𝗳𝘂𝗻!
𝗛𝗮𝗽𝗽𝘆 𝗡𝗲𝘄 𝗬𝗲𝗮𝗿 𝟮𝟬𝟮𝟯 🎉

29/06/2022

ড্রাই স্কিন কেয়ার রুটিন | শুষ্ক ত্বকের সারাদিনের যত্নের ৫টি টিপস!

১. সকালের যত্ন

১ম ধাপ
সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে যে কাজটা করবেন তা হলো, ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে আপনার মুখ কয়েকবার ধুয়ে নিন। এতে আপনার মুখের ত্বক খুব দ্রুত রিফ্রেশড হয়ে উঠবে।

২য় ধাপ

তারপর একটি ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার দিয়ে আপনার মুখ আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। কেমিক্যাল জাতীয় ফেইস ওয়াশ ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করার ট্রাই করবেন কারণ প্রাকৃতিক উপাদানগুলোই ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো।

৩য় ধাপ

এবার আপনার মুখ আলতোভাবে মুছে নিয়ে একটি ভালো টোনার লাগিয়ে নিন। এক্ষেত্রে আপনি গোলাপজল ইউজ করতে পারেন কারণ এটি খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে।

ড্রাই স্কিন কেয়ার এর জন্য গোলাপ জল - fb.com/Shop.Sajsojja

৪র্থ ধাপ

এখন ময়েশ্চারাইজিং-এর পালা। আপনার ত্বকে ভালো কোন ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগিয়ে নিন। যতক্ষণ পর্যন্ত এটি ত্বকের সাথে ভালোভাবে মিশে না যায় ততক্ষণ আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করতে থাকুন কারণ ময়েশ্চারাইজিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ড্রাই স্কিন কেয়ার এর জন্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম - fb.com/Shop.Sajsojja

৫ম ধাপ

এবার সানস্ক্রিনের সময়। আপনি যদি বাড়ির বাইরে যান তবে বাসা থেকে বের হওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে একটি ভালোমানের সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। এসপিএফ ৩০ আছে কি না লক্ষ্য রাখবেন। বাইরে গেলে প্রতি কয়েক ঘন্টা পরপর পুনরায় সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন।

৬ষ্ঠ ধাপ

আপনি যদি মেকআপ ব্যবহার করতে চান তবে লাইট মেকআপ আপনার জন্য বেস্ট হবে। সেক্ষেত্রে আপনি ময়েশ্চারাইজার, বিবি ক্রিম এবং কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন মেকআপের ফলে ত্বক যেন অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়ে যায়।

২. দুপুরের যত্ন
১ম ধাপ

আপনার মর্নিং রুটিন আপনার ত্বককে ভালো সাপোর্ট দিবে অনেকক্ষণ পর্যন্ত। কিন্তু লাঞ্চের আগের টি ব্রেক-এ ত্বকে হালকা টাচ-আপ করে নেয়াটা ত্বকের জন্য ভালো হবে। এ সময় আপনি মুখে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে পারেন।

২য় ধাপ

মুখের যত্ন নিতে গিয়ে আপনার ঠোটের কথা ভুলে যাবেন না যেন। তাই আপনার সাথে একটি বাটার লিপ বাম সব সময় ক্যারি করুন এবং ঠোট শুষ্ক হয়ে যাওয়ার আগেই ঠোঁটে লিপ জেল লাগিয়ে নিন এবং ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখুন সারাদিন।

৩য় ধাপ

ত্বকের বাহ্যিক যত্ন নেয়ার পাশাপাশি আপনার এটাও খেয়াল রাখতে হবে যেন ত্বক ভেতর থেকে ময়েশ্চারাইজড থাকে। তাই আপনার সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া হচ্ছে কি না সেটা খেয়াল রাখুন। পানি সাথে না থাকলেও ফ্রেশ জুস বা তরল জাতীয় খাবার চালিয়ে যান।

৪র্থ ধাপ

ভিটামিন সমৃদ্ধ খাদ্য খান। এটা সাহায্য করবে আপনার ত্বকের কোমলতা ও আদ্রতা বজায় রাখতে। তাই অতিরিক্ত ভাজা পোড়া খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন এবং খাবার তালিকায় যোগ করুন কাঁচা ও তাজা ফলমূল ও সবজি।

৫ম ধাপ

এবার আপনার স্টাডি বা জব প্লেস ছেড়ে বাসায় যাওয়ার আগে আরেকবার মনে করে মুখে রাউন্ডভাবে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

৩. রাতের যত্ন
১ম ধাপ

যে কোন ধরনের ত্বকের জন্যই রাতের বেলার যত্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের মধ্যেই ত্বকের সর্বোচ্চ পরিবর্তনগুলো ঘটে থাকে তাই ঘুমানোর আগে যদি আপনি ত্বকের সঠিক পরিচর্যা করেন তাহলেই আপনার ত্বক থাকবে সুস্থ ও সুন্দর। তাই ঘুমানোর আগে ত্বকে সঠিক পণ্যের মাধ্যমে সঠিক যত্ন নিন।

২য় ধাপ

বাসায় ফিরে আসার পরে উষ্ণ পানি দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন এবং মুখের সব মেকআপ তুলে ফেলুন যে কোন মেকআপ রিমুভার বা তেল ইউজ করে।

৩য় ধাপ

তারপর সকালের নিয়মগুলো একইভাবে অনুসরণ করে আপনার মুখ পরিষ্কার করে মুখে ভালো একটি নারিশিং নাইট ক্রিম লাগিয়ে নিন। এটা সারারাত আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইড করবে।

৪র্থ ধাপ

এটা নিশ্চিত করুন যে আপনার যেন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টার একটা ভালো ঘুম হয়।

এছাড়াও, প্রতি সপ্তাহে একবার আপনার ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে এবং ত্বকে ময়েশ্চারাইজিং ফেইস মাস্ক ইউজ করতে ভুলবেন না যেন!

ড্রাই স্কিন কেয়ার রুটিন নিয়ে কিছু টিপস
১) বেশি গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে একেবারেই বিরত থাকুন। কারণ গরম পানি আপনার শুষ্ক ত্বক আরো শুষ্ক করে তুলবে। তাই চেষ্টা করুন নরমাল বা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করার।

২) প্রতিবার ত্বক পরিষ্কার করার পরে কখনোই ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম এবং লোশন লাগাতে ভুলবেন না কারণ এতে ত্বক আরো শুষ্ক হয়ে পড়ে।

৩) অতিরিক্ত কড়া গন্ধযুক্ত পারফিউম এবং কেমিক্যালযুক্ত পণ্য ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো ত্বককে আরো ড্রাই করে দেয়।

৪) সব সময় আরামদায়ক পোশাক পরার চেষ্টা করুন, এতে আপনার ত্বক ভালো থাকবে। সুতি, খাদি এগুলো ড্রাই স্কিনের জন্য বেস্ট চয়েজ।

৫) সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। কারণ এতে আপনার ত্বকের ট্যানিং বেড়ে গিয়ে ত্বক আরো ড্রাই হয়ে যাবে।

উপরে উল্লিখিত ড্রাই স্কিন কেয়ার রুটিন মেনে চললে কিছুদিনের মধ্যেই আপনার ত্বকের পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন। তাই আজ থেকে আর শুষ্ক ত্বক নিয়ে চিন্তিত না হয়ে আপনার ত্বকের যত্ন নিন এবং ত্বকের ময়েশ্চারাইজিং ধরে রাখা নিশ্চিত করুন।

ছবি- shutterstock
লিখেছেন - নাইমা আক্তার

27/06/2022

ত্বকের রুক্ষতা দূর করুন কেবল ৩টি উপাদানে!

আপনার ত্বক যদি শুষ্ক হয় তাহলে শুধু আপনি জানেন যে এই ত্বকের যত্ন কতটা কঠিন। এই ত্বকের জন্য সঠিক ময়েশ্চারাইজার কী হবে এটি নিয়েও আপনার চিন্তার অন্ত নেই। কেমন হয় যদি আপনি আপনার শুষ্ক ত্বকের যত্নে ঘরে বসেই ময়েশ্চারাইজার তৈরি করতে পারেন। আপনি তো বাজার থেকে সব সময় কিনতে পারেন কিন্তু ঘরোয়া পণ্য সব সময় নিরাপদ আর ভেষজ যা আপনার ত্বকের জন্য অবশ্যই বেশি উপকারি। আপনি বাজারেরর পণ্য ব্যবহার করলে এর সাথে অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করছেন কিন্তু ঘরোয়া ভেষজ পণ্য ব্যবহার করলে সহজেই পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন। ঘরে থেকেই শুষ্ক ত্বকের জন্য ভেষজ ময়েশ্চারাইজার তৈরি এমন কিছু কঠিনও নয়। আর এতে আপনার লাগবে সহজলভ্য কিছু উপাদান। আসুন আমারা এখন ঘরোয়া কিছু ময়েশ্চারাইজারের কথা জেনে নিই।
(১) অলিভ ওয়েল

বহুযুগ ধরে ত্বকের যত্নে অলিভ ওয়েল অনেক বেশী ব্যবহৃত হয়ে আসছে এমনকি এটা সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ওয়েল হিসেবেও বলা হয়ে থাকে। অলিভ ওয়েল শুধু ত্বকের চর্চায় নয় মজাদার রান্নায়ও খুব ব্যবহার করা হয়। এখানে আমারা এই প্রাকৃতিক তেলকে ময়েশ্চারাইজার এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করব। আপনি নিশ্চয় এমন ময়েশ্চারাইজার খুঁজে থাকেন যেটা আপনার ত্বক সজীব আর আদ্র রাখবে কিন্তু তেলতেলে করে তুলবে না। আর এমন ফল পেতে আপনাকে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করতে হবে। অলিভ অয়েলে যেমন অনেক অ্যান্টি – অক্সিডেন্ট আছে তেমনি এটি ত্বক নষ্ট হয়ে যাওয়া বা রুক্ষ হয়ে যাওয়া প্রতিরোধেও কার্যকর। তাই শুধু শীতে নয় সারা বছরইই আপনি ত্বকের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে অলিভ ওয়েল বিশ্বস্ততার সাথে ব্যবহার করতে পারেন।

কিন্তু কীভাবে তৈরি করবেন? যখন অলিভ ওয়েল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করবেন তখন এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ ওয়েল নিবেন। এই তেলে কোন সুপার ফিসিয়াল এজেন্ট নেই তাই শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী আর এতে আপনার অন্য কিছু মিশানোর দরকার নেই। এই তেল নিয়ে গোসলের আগে বা পরে আপনার ত্বকে ম্যাসাজ করুন । আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনি ত্বকের আমুল পরিবর্তন দেখতে পাবেন। তবে নিয়মিত ব্যবহার করবেন।

(২) অ্যালোভেরা জেল আর নারকেল তেল

অ্যালোভেরা তো প্রকৃতির জাদু। এটি অনেক অনেক কারণেই ত্বক পরিচর্যায় ব্যবহার করা হয়। ত্বক সুন্দর করা থেকে শুরু করে শরীরের ওজন কমানো -সবকিছুতেও অ্যালোভেরার ব্যবহার রয়েছে। এটা ত্বক আদ্র রাখতেও ভীষণ কার্যকর। তাই ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার তৈরিতে অ্যালোভেরা একটি আদর্শ। আপনার ত্বকে যদি অল্প ইনফেকশন থাকে তাহলে অ্যালোভেরা লাগিয়ে দিলে অল্পতেই ভালো হয়ে যাবে। এটা ত্বক উজ্জ্বল করতেও খুব ভালো ভুমিকা রাখে।

অ্যালোভেরার মতো নারকেল তেল অনেক কাজে বিশেষ করে শরীরের যত্নে ব্যবহার হয়ে আসছে বহুযুগ আগে থেকেই। নারকেল তেলের সবচেয়ে ভালো দিক হল নারকেল তেল স্টিকি না আর এটা ভিটামিন ই সমৃদ্ধ বিধায় এটি ত্বক আদ্র রাখে। আর এটা সব জায়গায় সবসময় খুব অল্প দামেই পাওয়া যায় তাই বাজারে যখন অনেক কসমেটিকস ছিল না তখন থেকেই এটি ময়েশ্চারাইজার হিসেবে গ্রাম বাংলায় যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে।

কীভাবে তৈরি করবেন? অ্যালোভেরা আর নারকেল তেল দুটোই ভালো ময়েশ্চারাইজার তাই এই দুটিকে আপনি মিশিয়ে আরও ভালো ময়েশ্চারাইজার বানাতে পারেন। প্রথমে অ্যালোভেরার ফ্রেশ পাতা বা ন্যাচার রিপাবলিক সুদিং অ্যান্ড ময়েশ্চার অ্যালোভেরা সুদিং জেল (৯২% অ্যালোভেরা এক্সট্রাক্ট সমৃদ্ধ ) নিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপরের শক্ত আবরন ফেলে দিয়ে ভিতরের নরম অংশ নিয়ে পেস্ট করুন। এই পেস্ট নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে জারে রেখে দিন। তবে সূর্যালোক থেকে দূরে রাখবেন।

ছবি – কসমেটিকডিজাইন.কম
লিখেছেন – রোকসানা আকতার

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Banani Model Town?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Banani Model Town
1213