Icon Tutors Service

Icon Tutors Service

Share

22/01/2020

★ গল্প:-৩ "অভিযোগ"

লেখা: রাফি

((পর্ব-৩))

পরের দিন বাগানটা ঘুরে দেখলাম। একটা গোলাপ খুবই ভালো লাগলো। তাই গোলাপটা ছিঁড়ে নিলাম। যেই ছিঁড়লাম ঠিক তখনই পেছন থেকে একটা মেয়ের গলার শব্দ শুনতে পেলাম।
_এই ছেলে এখান থেকে ফুল ছেঁড়ার সাহস হয় কি করে তোমার?
_ আপনার ফুল মানে? (অবাক হয়ে)
_ মানে কি বুজাচ্ছি? ( নাক মুখ লাল করে)
_পাগল নাকি হুট করে এসে বলে আমার ফুল আবার বলে দেখাচ্ছি?
_ কি! এত বড় সাহস আমায় পাগল বলা!
_ সরি পাগল নয় পাগলী। আর হ্যাঁ ম্যাম এটা ডাক্তারের চেম্বার না।
_বদ পোলা পিডাইয়া মাথা ফাটামো। বেশি কথা বললে।
_ আপনাকে দেখতে তো আপেলের মত দেখা যায়। কিন্ত ম্যাম আপনার বিহেভ এমন লেবুর মত কেন?
_ কি বললি?? আম্মু ও আম্মম্মম্মম্মম্
মম্মম্মম্মম্মম্মম্মু।
_এই তোর আবার কি হয়েছে? কখন আসলি?
_দেখ আম্মু ও আমার লাল গোলাপ ফুলটা ছিঁড়ে নিয়েছে। আবার আমায় বলে আমার বিহেভ নাকি লেবুর মত ( কেঁদে কেঁদে )
_ তাই বলে কি কাঁদতে হয়? ( আন্টি)
এবার বুঝতে পারলাম এটা আন্টির মেয়ে সোহানা।
_ সরি আন্টি আমি বুঝতে পারিনি এটা আপনার মেয়ে। আর ফুলটা অনেক সুন্দর ছিল। তাই ছিঁড়েছিলাম সরি ম্যাম। আর এমন ভুল হবে না।
_ রাফি ব্যাপারনা। তাছাড়া সোহানার এটা প্রিয় গাছ তাই এমন রিএ্যাক্ট করেছে। ও একটু বেশিই জেদি।
_ বুঝতে পারছি আন্টি।
_ আম্মু এই ছেলেটা কে? ( সোহানা)
_ এটা রাফি পরিচয় বলতে শুধু ওর নাম। এর বাহিরে আর কিছুই নেই। ও এখন থেকে আমাদের বাড়িতেই থাকবে আর আমাদের পাশে থাকবে।
বিকালে ছাদে দাঁড়িয়ে আছি। আর ভাবছি নুসরাতের কথা। আমি ওকে ভুলতেই পারি না। ওর দেওয়া ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে ভাবছি মানুষ কত বেঈমান! কত স্বপ্ন আর কত আশা দেখিয়ে শেষে বলে গেল আমার তোমার সাথে থাকা সম্ভব না। ওর কি আমার কথা কখনো মনে পরে? হয়ত পড়ে না কারণ পড়লে হয়তো আমায় কোন ভাবে খোঁজ করতো অবশ্যই। নিজেকে খুব একা লাগে আজকাল। ইচ্ছে হয় এই জীবনের সমাপ্তি ঘটিয়ে দেই। বেঁচে আছি যেন একটা জীবন্ত লাশ হয়ে। এই সমাজে শরীর খুনের বিচার হয় কিন্তু মানুষ বেঁচে থাকার যে মন সেটা হত্যার বিচার হয় না। তাই তো নুসরাতের মত হত্যাকারীরা এই সমাজে হেসে খেলে ঘুরে বেড়ায়। কিন্ত আমি যে এই লড়াই জিততে চাই। আর যারা আমার সাথে কুকুরের মত ব্যবহার করেছে তাদেরও দেখাতে চাই। এসব ভাবতে ভাবতে আচমকা চোখ বেয়ে পানি পড়ে গেল। এমন সময় পেছন থেকে মেয়েলি কন্ঠে বললো।
_ এ কি? আপনি কাঁদছেন কেন।
পেছনের দিকে তাকিয়ে দেখি এটা সোহানা। আমি চোখের জল মুছে নিলাম।
_ ম্যাম কাঁদছি না বিকালের আকাশ দেখছি।
_ এই শুনেন আমি আপনার ছোট হই। আমাকে ম্যাম নয় সোহানা ডাকবেন। আর আপনি মিথ্যা বলবেন না আমার সাথে।
_ জী, আমি নিচে যাই আপনি থাকুন।
_ কেন আমি আসাতে খারাপ লাগছে নাকি?
_ না তেমন কিছু না।
_ তাহলে দাঁড়িয়ে থাকুন সন্ধ্যা পর্যন্ত আড্ডা দেব। আর সকালের জন্য আমি সরি।
_ ম্যাম সরির কি আছে আপনার জায়গা থেকে আপনি রাইট।
_ আবার ম্যাম সাথে আপনি ( রাগি গলায়)
_ সরি।
_বাদ দিন আপনি এত চুপচাপ থাকেন কেন?
_ ভালো লাগে তাই।
_ আপনার সম্পর্কে আম্মুর কাছ থেকে কিছু শুনেছি। তবে পুরানো সব ভুলে আগামী দিন থেকে আমার সাথে কলেজে যাবেন। আমি এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি।
_ আমার আর পড়ার ইচ্ছা নাই ।
_ এই ছেলে এত কথা বলবা না, আমার কথার উপর কথা বললে খুন করে ফেলবো।

চলবে,,,,,

14/01/2020

(5& last part)
আমি দৌরে তিতলির দরজার পাশে গিয়ে
তিতলিকে ডাকতে লাগলাম,,,
আমি- এই তিতলি দরজা খুল বলছি, পিল্জ
বোন দরজাটা খুল ৷
ওপাশ থেকে কোনো সারা শব্দ পেলাম
না,,
আমি- তিতলি পিল্জ আমাকে মাফ করে
দে ! সরি রে, দরজটা খুল পিল্জ ৷
এবারও কোনো সার শব্দ পেলাম না ৷
আমি ভয় পেয়ে গেলাম ভিতরে তিতলি কিছু
করে বসল নাতো ৷
আমি- দরজা ভাঙতে হবে !
এই বলে যেই দরজাটা জুরে ধাক্কা দিতে
যাব তখনই তিতলি দরজা খুলে বলল,,
তিতলি- কি হল ভাইয়া তোমরা সবাই
একসাথে, কিছু হয়েছে নাকী?
আমি দেখতে পেলাম তিতলির চোখ দুটো বিষন
লাল আর অনেক ফুলে আছে ৷
ওর চুল গুলো এলমেলো ৷
আমি নিশ্চিত হলাম তিতলি এতক্ষণ
কান্না করছিল ৷
আমি- এই তিতলি এতক্ষণ দরজা খুলছিলি
না কেন?
তিতলি- ঘুমিয়ে ছিলাম ভাইয়া তাই শুনতে
পারি নি ৷(মিথ্যা বলল)
আম্মু- অহহ..ঘুমিয়ে ছিলে ! আমরা আরও
ভয় পেয়ে গেছিলাম, ভেবেছিলাম তোমার
কিছু হয়েছে তাই দরজা খুলছ না ৷ আচ্ছা মা
ফ্রেশ হয়ে নিচে আস রাতের খাবার খেয়ে
তারপর শুয়ে পড় ৷ আহিয়া তুমি চল মা
আমার সাথে খাবারটা রেডি করি!
এই বলে সবাই চলে গেল ৷
আমি- তিতলি তুই কেন এরকম পাগলামী
করছিস?
তিতলি- আমি আবার কি করলাম ৷(একটু
হাসি দিয়ে)
আমি- তুই জানস না তুই কি করতেছিস ৷
তিতলি দেখ আমার প্রতি তর যেই ফিলিংস
সেটা আসলে ভালবাসা না ভাললাগা ৷ আর
ফ্রেশ হয়ে তাড়াতাড়ি নিচে আয় ৷
এই বলে আমি ওর রুম থেকে বেড়িয়ে যেতে
লাগলাম !
পেছন থেকে আহিয়া আমাকে ডাক দিল,,,
তিতলি- ভাইয়া দাড়াও ৷
আমি- বল কি বলবি?
তিতলি- ভাইয়া টিকেটের ডেট এগিয়ে দুই
দিনের ভিতরে একটা টিকেট কেটে দিতে
পারবে?
আমি- কেন রে, আর কয়েকটা দিন থেকে
যেতে পারতি?
তিতলি- না ভাইয়া, আমাকে যেতে হবে কিছু
কাজ আছে ৷
আমি- আচ্ছা ঠিক আছে, আমি দেখছি কি
করা যায় ৷...
পরে আরও দুইদিন তিতলি আমাদের
বাড়িতে থাকার পর,, আজ তিতলি ফিরে
যাচ্ছে আমেরিকায় ওর আম্মু আব্বুর কাছে

আমি ওকে ইয়ারপোর্টে এগিয়ে দিতে
আসলাম,,,
তিতলি যাওয়ার আগে আমাকে বলল,,
তিতলি- ভাইয়া আমার হয়তো আর
বাংলাদেশে আসা হবে না ৷
আমি- কেন রে?
তিতলি- আমি আর এদেশে এসে কারও
মায়ায় পড়তে চাই না ৷
আমি-.........(চুপ)
তিতলি- ভাইয়া যাওয়ার আগে তুমি আমার
একটা অনুরোধ রাখবে?
আমি- কি অনুরোধ বল?
তিতলি- আমি কি তোমাকে একবার জরিয়ে
ধরতে পারি ৷
আমি- হুম ধরবি,,,কিন্তু ভাই হিসেবে ৷
তারপর তিতলি আমাকে জরিয়ে ধরে বলতে
লাগল,,,
তিতলি- ভাইয়া তোমার বউটা কিন্তু
অনেক কিউট, আমি জানি
তোমার বউ তোমাকে অনেক ভালবাসে,
ভাবীটাকে কোনো দিন কষ্ট
দিয়না ভাইয়া, ভাবীকে নিয়ে সুখে থেক ৷
তারপর আমাকে ছেড়ে দিয়ে বলল,,,
যাই ভাইয়া, আর নিজের খেয়াল রেখ ৷
এই বলে তিতলি চলে যেতে লাগল ৷
কিছুদূর যাওয়া পর পিছন ফিরে একবার
আমার দিকে তাকাল তারপর ছোখ মুছতে
মুছতে আবার চলে যেতে লাগল ৷
আমিও চলে আসলাম বাড়িতে,,,
তারপর আহিয়ার রাগ আর দুষ্টি মিষ্টি
খুনসুটিতে কেটে গেল 2মাস !
আজকে আহিয়া বায়না ধরল যে আমাকে
নিয়ে ওদের বাড়িতে যাবে ৷
এই দুই মাসে একবারো ওদের বাড়িতে যাই
নি আহিয়া ৷
কিন্তু আমি যেতে পারব না ৷
আব্বু অফিসের কাজে দেশের বাইরে
যাওয়াতে, এখানে সারা অফিস আমাকেই
সামলাতে হবে ৷
তাই আমি আহিয়াকে বললাম আমি
ড্রাইভারকে বলে দিচ্ছি ওকে পৌছে দিয়ে
আসবে ৷
কিন্তু আহিয়া জেদ ধরে বসে আছে, যে
আমি না গেলে নাকি অ নিজেও যাবে না ৷
আমি বললাম,,
তুমি আজ যাও আমি কয়েকদিন পর না হয় যাব ৷
তারপর আহিয়া একরকম রাগ করেই চলে
গেল ৷
আমিও অফিসে চলে আসলাম,,,
রাতে অফিস থেকে ফিরে খেয়ে দেয়ে ঘুমতে
যাব তখন মনে পড়ল আহিয়ার কথা ৷
পাগলীটাকে একটা ফোন দেই,,,
ফোন দিলাম আহিয়াকে ,
রিং হচ্ছে কিন্তু আহিয়া ফোনটা তুলছে
না ৷
রিং হতে হতেই ফোনটা কেটে গেল ৷
আবার ফোন দিলাম,
এবার ফোনটা ধরল,,,
আমি- হ্যালো জান,,,,আমার বাবুটা, কি
করছ?
আমি আপনার জানও না বাবুও না,
আমি রুপা ৷
আমি- এই সালি,,আমার বউটা কই গো?
রুপা- আপনার বউ বলেছে আপনার সাথে
নাকি তার কথা নাই ৷
(আমি শুনতে পারলাম আহিয়া রুপাকে
কথাগুলা শিখিয়ে দিচ্ছে)
আমি ভাবলাম একটু মজা করে নেই !
আমি- আচ্ছা সালি আমার বউটা যখন
আমার সাথে কথা বলবে না তুমিই তাহলে
আমার বউ হয়ে যাও ৷
ওপাশ থেকে কিছু একটা ভাঙার আওয়াজ
পেলাম !
সাথে সাথে টুট টুট করে ফোনটাও কেটে
গেল ৷
তারমানে আহিয়া আমাদের কথা শুনছিল ৷
আমি তো মজা করতে গিয়ে আহিয়ার রাগ
আরও বাড়িয়ে দিলাম ৷
,,,,,
এরপরে এক সাপ্তাহ কাজের অনেক চাপ
ছিল !
সকালে ঘুম থেকে ওঠেই অফিস যাওয়া,
রাতে ক্লান্ত হয়ে অফিস থেকে ফিরে
খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়া ৷
আহিয়ার কথা মনে পড়লেও ওকে একবারো
ফোন দিতে পারি নাই এই আট দিনে ৷
আর আহিয়াও বাড়িতে ফিরার নামই নেয়
নাই !
এমনকি এক বারের জন্যও আমাকে নিজে
থেকে ফোন দেয় নাই ৷
যে মেয়েটা আমি অফিসে থাকলে ঘন্টায়
ঘন্টায় ফোন দিয়ে খুজ খবর নিত সেই
মেয়েই আজ আট দিন ধরে আমাকে একটা
ফোনও দেয় নাই ৷
বুঝলাম আমার উপর অনেক বেশিই রেগে
আছে আহিয়া ৷
,,,,,
আজ কাজের চাপ থেকে মুক্তি পেলাম ,
আব্বুও কাল ফিরে আসছে,,, রাত 11টা
অফিস থেকে বাসায় ফিরছি,,,
আজ আহিয়ার কথা খুব মনে পড়ছ ৷ ওকে
খুব দেখতে ইচ্ছে করতেছে ৷
আজ অনন্ত আহিয়াকে একটা ফোন দেই,,,
পরে মনে হল ফোন না দিয়ে ওদের বাড়িতে
গেলে কেমন হয়?
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম রাত 11:15
বাজে ৷ তার মানে ওদের বাড়িতে পৌছতে
পৌছতে 12টা বেজে যাবে, এত রাতে কি
ওদের বাড়িতে যাওয়া ঠিক হবে??
এসব ভাবতে ভাবতেই গাড়িটা ওদের বাড়ির
রাস্তার দিকে ঘুড়িয়ে নিলাম ৷
,,,,
আহিয়াদের বাড়ির বাইরে দাড়িয়ে আছি,,,,
কলিং বেল চাপ দিব কি দিব না এই নিয়ে
দ্বিধায় আছি ?
আর কিছু না ভেবে কলিং বেলে একটা চাপ
দিয়েই দিলাম ৷
আহিয়া এসে দরজা খুলল,,,
আহিয়া আমাকে দেখে হা হয়ে দাড়িয়ে আছে।

আমাকে দেখে অনেক বেশি অবাক হয়েছে ৷
আমাকে যেরকম ভাবে দেখছে যেন আমি
কোনো এলিয়েন, ভূল করে পৃথিবীতে
ডুকে পড়েছি ৷
কিছুক্ষণ অবাক চোখে তাকিয়ে থাকার
পর,,,
অভিমানী সূরে বলল,,,
আহিয়া- কে আপনি? এত রাতে আমাদের
বাড়িতে কি করছেন?
আমি- আসলে আমি আমার বউটাকে
দেখতে আসছিলাম ৷
আহিয়া< অহহ..এখানে আপনার বউ থাকে না।আপনি হয়তো রাস্তা ভূলে এখানে চলে আসছেন।
আমি- কাওকে ডাক দিয়না
পিল্জ, তোমাকে দেখার জন্যই
এসেছিলাম ৷ তোমাকে দেখা হয়ে গেছে
তাই চলে যাচ্ছি ৷
আমি চলে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালাম,,
তখনই আহিয়া ওর আম্মুকে ডাক দিল,,,,
আহিয়া- আম্মু দেখে যাও কে এসেছে?
আমি- এই এই শাশুরি আম্মাকে আবার
ডাকছ কেন?
আহিয়ার আম্মু- কে আসছে রে আহিয়া?
আরে বাবা তুমি?
আহিয়ার আম্মুও আমাকে দেখে অনেক
অবাক হলেন ৷
আরে বাবা বাইরে দাড়িয়ে আছ কেন?
ভিতরে আস ৷
আমি- আমি বলছিলাম কি আম্মা আজ
চলে যাই ৷ কাল আবার আসব ৷
আহিয়ার আম্মু- কি বলছ কি বাবা? এত
রাতে কিভাবে যাবে?
তাছাড়া রাস্তা ঘাটের যা অবস্তা,,,
কখণ কোন দুর্ঘটনা ঘটে যায় তা কি বলা
যায় ৷
অতঃপর,,,বাধ্য হয়ে ঘড়ে ডুকলাম ৷
খাওয়া দাওয়া সেরে আহিয়ার রুমে ঘুমতে
গেলাম ৷
আমি রুমে ডুকার সাথে সাথেই আহিয়া
বালিশ হাতে নিয়ে বেরিয়ে যেতে লাগল !
আমি ওর হাত ধরে আটকালাম,,,,
আমি- কোথায় যাচ্ছ?
আহিয়া- আমি রুপার সাথে ঘুমাব
(অভিমানী সূরে)
আমি- তাহলে আমি কি একা ঘুমাব নাকি?
আহিয়া- এতদিন কিভাবে ঘুমিয়েছিলে?
তারপর আমি আহিয়ার দুই হাত ধরে
বললাম,,
আমি- পিল্জ আহিয়া যেও না আমি
তোমাকে ছাড়া ঘুমাতে পারব না ৷
তারপর আহিয়া হুট করে আমাকে জরিয়ে
ধরে কান্না করতে লাগল, আর বলতে
লাগল,,,
আহিয়া- তুমি একটা বদ ছেলে ৷ কিভাবে
পারলে আমাকে ছাড়া এতদিন থাকতে?
জান আমার কতটা কষ্ট হয়েছে এতদিন ৷
এবার ফুফিয়ে ফুফিয়ে কান্না করছে
আহিয়া !
আমি ওকে আমার বাহু থেকে ছাড়িয়ে ওর
চোখের পানি মুছে দিয়ে কপালে একটা চুমু
খেলাম,
তারপর বললাম,,
আমি- সরি গো বউ,,,এই যে কান ধরছি
1,2,3,
আহিয়া এবার একটা হাসি দিয়ে বলল,,,
কান ধরতে হবে না ৷
আমি আহিয়াকে বেডের উপর বসিয়ে ওর
মন নরম করার জন্য বললাম,,,
আমি- আচ্ছা আহিয়া আমাদের বেবি
কোনদিন হবে গো?
আহিয়া- যাহ দুষ্ট, সেটা আমি কিভাবে
বলব?(লজ্জা পেয়ে)
আমি- আচ্ছা তাহলে চল আমরা ম্যাচ
শুরু করে দেই ৷
আহিয়া আজকে আমরা ফুটবল খেলি !!
আহিয়া লজ্জা পেয়ে আমার বুকে মুখ
লুকাল !!!!!!!...
*সমাপ্ত*
(গল্পটা কেমন লাগল জানাবেন পিল্জ ৷

Want your school to be the top-listed School/college in Badda?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka
Badda
1212