Oishik Tips
রক্তাল্পতা কি ?
ভারতে প্রতিবছর রক্তস্বল্পতার 1 কোটি ঘটনা ঘটে। অ্যানিমিয়া এক ধরণের রোগ। রক্তাল্পতায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে লাল রক্তকণিকা এবং হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি থাকে। রক্তের কোষগুলিতে অক্সিজেন পৌঁছনোর জন্য হিমোগ্লোবিন প্রয়োজন। যদি ব্যক্তির কোষগুলিতে পর্যাপ্ত রক্ত বা হিমোগ্লোবিনের অভাব থাকে তবে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন পায় না। অক্সিজেনের অভাবে ব্যক্তির মধ্যে ক্লান্তির লক্ষণ পাওয়া যায় । আপনার মনে যে প্রশ্নটি আসছে তা হল রক্তাল্পতা কী ? সুতরাং, আসুন আজ রক্তাল্পতা সম্পর্কে বিশদ জেনে নি ।
রক্তাল্পতা কী ? (What is Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) কী কারণে হয়? (What causes in Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর লক্ষণগুলি কী কী? (What are the Symptoms of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর চিকিৎসা কী? (What is the treatment of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতায় কী খাওয়া উচিত এবং কী এড়াতে হবে (অ্যানিমিয়া) ? (What to eat in Anemia and What to Avoid in Bengali)
রক্তাল্পতা কী ? (What is Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা একটি ব্যাধি। এটি ব্যক্তির শরীরে রক্তের অভাব বা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতির কারণে ঘটে। যার কারণে শরীরে অক্সিজেনের অভাব হয় এবং ব্যক্তি দুর্বল হতে শুরু করে। রক্তস্বল্পতা সহজেই মহিলা, শিশু এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা দিতে পারে।
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) কী কারণে হয়? (What causes in Anemia in Bengali)
অনেক কারণে অ্যানিমিয়া (রক্তাল্পতা) হতে পারে।
পেটের আলসার বা প্রদাহের কারণে রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।
মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মহিলারা রক্তাল্পতায় আক্রান্ত হন।
শরীরে ভিটামিনের অভাবে রক্তাল্পতা দেখা দিতে পারে।
শরীরে আয়রনের ঘাটতির কারণে রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তাল্পতা হতে পারে।
দীর্ঘস্থায়ী রক্তাল্পতা যেমন: ডায়াবেটিস, লুপাস, সংক্রমণ রক্তাল্পতার দিকে পরিচালিত করে।
বার্ধক্যজনিত কারণে শরীরে রক্তাল্পতা দেখা দেয়।
হেমোরয়েডস রোগের কারণে একজন ব্যক্তি রক্তাল্পতা বা রক্তাল্পতার অভিযোগ করেন ।(পাইলস থেকে মুক্তি পেতে আরও পড়ুন )
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর লক্ষণগুলি কী কী? (What are the Symptoms of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতার সমস্ত লক্ষণ বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে আলাদা আলাদা ভাবে প্রকট হয়। এগুলি বিভিন্ন ধরণের লোকের মধ্যে দেখা যায়।
বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়া।
ত্বক হলুদ হওয়া।
দুর্বল হওয়া।
মাথা ধরা । (আরও পড়ুন – ক্লান্তি কেন হয় )
মাথা ঘোরানো।
হাত পা ঠান্ডা হয়ে পড়া।
বুক ব্যাথা করা।
শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া।
হৃদস্পন্দনের দ্রুত হওয়া ।
রক্তাল্পতা (অ্যানিমিয়া) এর চিকিৎসা কী? (What is the treatment of Anemia in Bengali)
রক্তাল্পতা অ্যানিমিয়ার ধরণের ভিত্তিতে চিকিৎসা করা হয়।
যদি ভিটামিনের অভাবে রক্তাল্পতা দেখা দেয় তবে চিকিৎসকরা ভিটামিন সমৃদ্ধ ডায়েট গ্রহণের পরামর্শ দেন। কিছু ক্ষেত্রে, ডাক্তার ভিটামিন বি 12 এর ঘাটতি কাটাতে রোগীদের ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেন। এই ইঞ্জেকশনটি রোগীর অবস্থার উপর নির্ভর করে 1 মাস বা সারা জীবন ধরে নেওয়া যেতে পারে।
যদি আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতা দেখা দেয় তবে চিকিৎসক রোগীকে ডায়েটে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেন। যদি মাসিকের রক্তপাতের কারণে রক্তপাত না হয়ে অন্য কোনও কারণে রক্তপাত হয় তবে ডাক্তার শল্যচিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেন।
অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়ার চিকিৎসার জন্য, চিকিৎসক রোগীদের কোষগুলিতে লাল রক্ত বাড়ানোর জন্য রক্তের বিনিময় করার পরামর্শ দেন।
সিকেল সেল অ্যানিমিয়ার চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন, ব্যাথার ওষুধ, এবং কিছু ইনজেকশনের মাধ্যমে ব্যাথার জটিলতা হ্রাস করতে শিরাগুলির মাধ্যমে ইনজেকশনের ব্যবস্থা করা হয়।
অস্থি মজ্জার সাথে সম্পর্কিত অ্যানিমিয়া ওষুধের পরিপূরক, কেমোথেরাপি, অস্থি মজ্জা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
গুরুতর রক্তাল্পতা রক্ত সঞ্চালন বা প্লীহা অপসারণের কারণে হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে চলমান রোগজনিত রক্তাল্পতার চিকিৎসার জন্য, চিকিৎসকরা প্রথমে রোগ নিরাময়ের চেষ্টা করবেন। গুরুতর ক্ষেত্রে, রক্তের বিনিময় বা কৃত্রিম এরিথ্রোপ্রোটিন, হ’ল এক ধরণের প্রোটিন যা কিডনিতে ইনজেকশনের মাধ্যমে উত্পাদিত করা হয় ।
রক্তাল্পতার চিকিৎসা করার আগে, একজন ব্যক্তির সংক্রমণের চিকিৎসা করা উচিত। যাতে সংক্রমণ রক্তকে দূষিত না করে।
শরীর পরিষ্কার রাখার জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। যাতে রোগ শরীরে প্রবেশ করে না।
রক্তাল্পতায় কী খাওয়া উচিত এবং কী এড়াতে হবে (অ্যানিমিয়া) ? (What to eat in Anemia and What to Avoid in Bengali)
অ্যানিমিয়ায় পালং শাক, সয়াবিন, বিট, লাল মাংস, চিনাবাদাম মাখন, টমেটো, ডিম, বেদনা, রুটি, সিরিয়াল, বীজ এবং শুকনো ফল, সামুদ্রিক খাবার, আপেল, খেজুর ইত্যাদি খাবার অন্তর্ভুক্ত হয়
অ্যানিমিয়া রোগীদের, ট্যানিন জাতীয় খাবার যেমন কফি, গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি এবং আঙ্গুর, আঠালো সমৃদ্ধ খাবার, দই, দুধ, পনির ইত্যাদি খাবার এড়ানো উচিত।
যদি আপনি রক্তাল্পতা সম্পর্কে আরও তথ্য এবং চিকিৎসা পেতে চান তবে আপনার নিকটস্থ হেমাটোলজিস্ট চিকিৎসকের (Hematologist) সাথে সাথে যোগাযোগ করুন।
27/08/2022
বাসের রুটটা দেখে অবাক হবেন না। একসময় কোলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে লন্ডন যাওয়া যেত বাসে করে। তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস রুট ছিল কোলকাতা টু লন্ডন ভায়া দিল্লি। কোন ভারতীয় বা ব্রিটিশ কোম্পানি না, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের #অ্যালবার্ট_ট্যুর_কোম্পানি এই বাস চালাতো। প্রায় ২৫ বছর ধরে চলে এই বাস সার্ভিস।
১৯৫০ সালের প্রথম পর্যন্ত এই বাস সার্ভিস চালু ছিল। এই বাসের ভাড়া কোলকাতা থেকে লন্ডন ৮৫ পাউন্ড থেকে ১৪৫ পাউন্ড ছিল। বাস কোলকাতা ধর্মতলা থেকে ছেড়ে বেনারস, এলাহাবাদ, আগ্রা, দিল্লি,লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, কাবুল, কান্ধাহার, তেহরান, ইস্তানাবুল, যুগোস্লাভিয়া, বুলগেরিয়া হয়ে ইংল্যান্ড পৌছাত।
এই রাস্তা কমবেশি ২০৩০০ কিমি ছিল। ১১টি দেশ পার করে অবশেষে লন্ডন পৌছানো যেত।
#সংগৃহীত
23/11/2021
[সাইকোলজিক্যাল পোস্ট]
সবার জানা উচিত-
এমবিভার্ট (Ambivert)
আমাদের মাঝে কেউ কেউ ইন্ট্রোভার্ট হয় আবার কেউ হয় এক্সট্রোভার্ট অর্থাৎ কেউ খুব মিশুকে হয়(Extrovert) কেউ আবার নিজের মত একা থাকে(Introvert)। কিন্তু এদের মাঝামাঝি আরেক ভাগ আছে যারা কখনো ইন্ট্রোভার্ট আবার কখনো এক্সট্রোভার্ট।
এদেরকে বলা হয় এমবিভার্ট।
জীবনে চলার পথে সবচেয়ে বেশি সমস্যা এমবিভার্টদের হয়। যারা এমবিভার্ট তারা মাঝে মাঝে খুব হৈ চৈ করতে ভালোবাসে আবার মাঝে মাঝেই একা থাকতে ভালোবাসে।এরা সহজে সবার সাথে মিশে যায় কিন্তু তবুও এদের অনেক ফ্রেন্ড থাকেনা আবার এরা একদম একাও থাকেনা।
গুটিকয়েক ফ্রেন্ড নিয়েই এরা থাকে।
এদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো শত কষ্ট হলেও এরা মুখ ফুটে বলবেনা কিছু আপনাকে। বরং সেই কষ্ট সহ্য করেই হাসিমুখে থাকবে।
তাই এদের মন খারাপ হলেও সেটা মুখে না বলা পর্যন্ত আপনি সেটা ধরতে পারবেননা।
ওদের একটা আলাদা জগৎ থাকে।
নিজেদের চারপাশে এরা একটা দেয়াল বানিয়ে নেয়।সে
জগতে আপনি চাইলেই প্রবেশ করতেই পারবেননা।
বরং সেখানে প্রবেশ করার চাবি হচ্ছে আপনার ভালোবাসা আর ভরসা করার মতো ভালো ব্যবহার।
এমবিভার্টরা যাকে ভালোবাসে তাকে খুব মন দিয়ে
ভালোবেসে ফেলে। আর তাই কষ্টটাও বেশি পায়।
কিন্তু তবুও এরা আপনার খারাপ চাইবেনা কোনোদিন।এরা আপনার প্রতি ভরপুর ফিলিংস রেখেও আপনার থেকে নিদিষ্ট দূরত্ব চলবে আপনি চাইলেও সেটা বুঝাতে পারবেনা। এদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় কেউই এদের বুঝতে পারেনা।
কারণ যে মানুষটা ঠিক একটু আগেই অনেক খুশি ছিলো হঠাৎ করেই সে বদলে গিয়ে একা থাকতে চাইলে কেউই সেটা ভালোভাবে নিবেনা।
তখন বেশিরভাগই তাদের ভুল বুঝে। কেউই বুঝেনা এখানে এদের কোনো হাত নাই। কেউ চাইলেও এদের এই চেঞ্জ হওয়া আটকাতে পারবেনা।
এমবিভার্টরা মাঝে মাঝে নিজেদের ভীষণ একা ভাবে।কারণ মন খুলে কথা বলার মতো কেউ হয়তো নেই।
এদেরকে শামুক বলা যায়।
কারণ এরা বাহিরের দিকে শামুকের মতো শক্ত খোলস পরে থাকে কিন্তু এদের ভিতরটাও শামুকের শরীরের মতো নরম।
তাদের নিজেদের জগতে যদি আপনি একবার ঢুকে যেতে পারেন,তখন বুঝবেন সে আসলে আপনার চেনার চেয়েও কতটা অন্যরকম। তখন হয়তো আপনি তাকে আরও বেশি ভালোবেসে ফেলবেন।
কিন্তু প্রবেশ করার অধিকার পেয়েও আপনি যদি তার সেই ভরসা-বিশ্বাস একবার ভেঙে ফেলেন তখন তার সেই জগৎ টা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
সে তখন ভীষণ একা হয়ে যায়।
এমবিভার্টদের ঠকানো অনেক সহজ।
কারণ হাজারবার ঠকলেও এরা আপনার নামে একটা অভিযোগও করবেনা।কিন্তু সেই ঠকে যাওয়াই এদের ভীষণভাবে পালটে দেয়।
তখন তারা তাদের চারপাশের জগৎ টাকে আরও ধোঁয়াশা বানিয়ে ফেলে।
একদল মানুষ তখন তাদের ভুল বুঝে,ভাবে এরা ভাব নেয়। কিন্তু এরা হাসিমুখে এটার পিছনে থাকা সত্যিটা লুকিয়ে সব মেনে নেয়।
আপনাকে না জানিয়েই এরা আপনাকে সারাজীবন ভালোবেসে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে।
আপনি হয়তো কোনোদিন জানতেও পারবেননা দূর থেকে কেউ একজন সবসময়ই আপনার ভালো চায়।আর তার জন্যই দিনশেষে এরা ভীষণ একা,ধোঁয়াশার রাজ্যে ডুবে থাকা একদল মানুষ যাদের আমরা বলি এমবিভার্ট।
Click here to claim your Sponsored Listing.