WB Contractual
🚨 একটা প্রশ্ন, যার উত্তর আজ লক্ষ লক্ষ অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী খুঁজছেন...
বর্তমানে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। অথচ সরকারি দপ্তরে কর্মরত অসংখ্য অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী এখনও অল্প বেতনে কাজ করে চলেছেন।
যেখানে বাজারের পণ্যসামগ্রী অনেক দাম দিয়ে কিনতে হয়, সেখানে অল্প বেতনে পুষ্টিকর খাবার কেনা কীভাবে সম্ভব?
আপনি কি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন পুনর্বিবেচনা করা উচিত?
💬 আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং ভিডিওটি শেয়ার করুন, যাতে এই প্রশ্নটি আরও মানুষের কাছে পৌঁছায়।
Team, WB Contractual
12/07/2026
সরকারি দপ্তরে কর্মরত হাজার হাজার অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে অল্প বেতনে কাজ করে চলেছেন। যেখানে বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে।
প্রশ্ন একটাই—
যেখানে সাধারণ মানুষই নিত্যপ্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাবার কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে অল্প বেতনে কর্মরত চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীরা কীভাবে নিজেদের ও পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবেন?
এটি শুধু একটি প্রশ্ন নয়, এটি হাজার হাজার কর্মীর বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি।
আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন, যাতে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকলের নজরে আসে।
Team,
WB Contractual
#বাংলার_চুক্তিভিত্তিক_কর্মচারী
রাজ্যের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের সম্পূর্ণ তথ্য সরকারের কাছে নেই।
এই পরিস্থিতিতে WB Contractual একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত প্রায় ৫ লক্ষ অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীর তথ্য সংগ্রহ করে তা রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা।
আমাদের বিশ্বাস, সঠিক তথ্য সরকারের কাছে পৌঁছালে ভবিষ্যতে বেতন বৃদ্ধি, ভাতা বা অন্যান্য সরকারি সুবিধা থেকে কোনো কর্মী যেন শুধু তথ্যের অভাবে বঞ্চিত না হন।
আপনি যদি একজন অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মী হন, তাহলে এই উদ্যোগে অংশ নিন। আর যদি আপনার পরিচিত কেউ থাকেন, তাহলে ভিডিওটি তাদের কাছেও পৌঁছে দিন।
🤝 একসঙ্গে থাকলে কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী হবে।
📢 ভিডিওটি Like, Share, Comment করুন এবং WB Contractual-এর সঙ্গে যুক্ত থাকুন।
#অস্থায়ী
সোশ্যাল মিডিয়াতে পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়ে অনেক ভুয়ো তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সকলকে অনুরোধ করবো এরকম পোস্ট এড়িয়ে চলুন, যতক্ষণ পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে কিছু জানানো হচ্ছে। Team, WB Contractual
একই দপ্তরে, একই দায়িত্ব পালন করেও শুধু নিয়োগের ধরন ভিন্ন হওয়ার কারণে সম্মান ও পরিচয়ে বৈষম্য থাকা উচিত নয়।
আমাদের বিশ্বাস—প্রতিটি কর্মীর কাজের মর্যাদা সমানভাবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিত।
আপনি যদি এই কথার সঙ্গে একমত হন, তাহলে পোস্টটি Like, Comment, Share করুন এবং আরও বেশি মানুষের কাছে এই বার্তাটি পৌঁছে দিন।
Team,
WB Contractual
10/07/2026
⚠️ অন্নপূর্ণা যোজনায় আশাকর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার, প্যারা টিচার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকা -সহ অস্থায়ী কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!
১. আন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন নিষ্পত্তির অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে একটি রিভিউ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
২. আবেদন যাচাই (Enquiry) শুধুমাত্র ১৯.০৫.২০২৬ তারিখের ২৪১১-WCD নোটিফিকেশন অনুযায়ী করতে হবে।
৩.তদন্তকারী কর্মকর্তার (Enquiry Officer) সুপারিশপত্র আপাতত পোর্টালে আপলোড করা বাধ্যতামূলক নয়, তবে অফিসে সিল-স্বাক্ষরসহ হার্ড কপি সংরক্ষণ করতে হবে।
৪. জনবল কম থাকলে ASHA, ICDS কর্মী, হেল্পার, সুপারভাইজার, CDPO, BLO-দের পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে তদন্তের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫. আবেদনের ডিজিটাইজেশন, তদন্ত, যাচাই ও অনুমোদন পর্যবেক্ষণের জন্য NIC একটি নতুন মনিটরিং (MIS) ব্যবস্থা চালু করবে।
৬. অফলাইন আবেদনকারীরাও শীঘ্রই পোর্টালে নিজেদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা (Status) দেখতে পারবেন।
৭. KMC-র ভেরিফায়ারদের তথ্যও পোর্টালে দেখানো হবে।
৮. প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য NIC প্রতিদিন অনলাইন বৈঠক (Google Meet) করবে।
৯. ব্যাংকের কারণে টাকা আটকে গেলে তার সঠিক কারণ পোর্টালে দেখানো হবে, যাতে দ্রুত সমস্যা সমাধান করা যায়।
১০. নাম বা আধার (Aadhaar) সংশোধনের জন্য পোর্টালে Edit-এর ব্যবস্থা করা হবে।
১১. পরে তদন্তে কেউ অযোগ্য প্রমাণিত হলে তার আবেদন বাতিল (Reject) করার ব্যবস্থাও রাখা হবে।
১২. ASHA Worker, Anganwadi Worker/Anganwadi Helper, Civic Volunteer, Para Teacher প্রমুখ সরকারি ক্ষেত্রে মাসিক সম্মানী/পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত কর্মীদের আবেদন পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত অনুমোদন করা হবে না।
১৩. সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী বা আয়করদাতার পরিবারের সদস্যদের আবেদনও আপাতত অনুমোদিত তালিকায় রাখা হবে না। এ বিষয়ে পরে আলাদা স্পষ্টীকরণ (Clarification) জারি হবে।
১৪. Cinchona Plantation Worker, GST প্রদানকারী পরিবার, ৩ বা তার বেশি ঘর এবং ৫০ ডেসিমেলের বেশি জমি থাকা পরিবার সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে; পরে এ বিষয়ে আলাদা নির্দেশ দেওয়া হবে।
১৫. ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে টাকা না পাওয়ার কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৬. BDO ও গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে প্রয়োজনে Help Desk খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
১৭. ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনগুলির তদন্ত ও অনুমোদনের কাজ ১০ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে শেষ করতে হবে।
১৮. সব অফলাইন আবেদন ১০ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে ডিজিটাইজ করতে হবে, যাতে যোগ্য আবেদনকারীরা জুলাই মাসের সুবিধা পান।
১৯. প্রতিদিন Google Meet-এর মাধ্যমে কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।
২০. শেষে মিটিং সমাপ্ত ঘোষণা করা হয় এবং সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
⚠️ সরকারি অফিসে কাজ, কিন্তু ৩ মাস বেতন বন্ধ! এই বাস্তবতা কি মেনে নেওয়া যায়? পশ্চিমবঙ্গে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের এই বঞ্চনার শেষ কোথায়?
একই সরকারি দপ্তরে সবাই নিয়মিত কাজ করছেন। স্থায়ী সরকারি কর্মচারীরা মাসের পর মাস সময়মতো বেতন পাচ্ছেন। কিন্তু একজন চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী শুধুমাত্র রিনিউয়াল/এক্সটেনশন অনুমোদন না হওয়ার কারণে টানা তিন মাস বেতন থেকে বঞ্চিত।
প্রশ্ন হলো— 👉 একজন কর্মী যখন প্রতিদিন অফিসে কাজ করছেন, তখন তার প্রাপ্য বেতন মাসের পর মাস আটকে থাকবে কেন? 👉 ফাইলের বিলম্বের দায় কি একজন কর্মচারী বহন করবেন? 👉 একজন মানুষের পরিবার, সংসার ও দৈনন্দিন খরচের কথা কি কেউ ভাববে না?
এই ভিডিওতে আমরা এই বাস্তব সমস্যার কথা তুলে ধরেছি। উদ্দেশ্য কাউকে দোষারোপ করা নয়; বরং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ন্যায্য প্রাপ্য নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা শুরু করা।
ভিডিওটি দেখুন, আপনার মতামত জানান, এবং বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে শেয়ার করুন যাতে আরও মানুষের কাছে পৌঁছায়।
Suvendu Adhikari Samik Bhattacharya Dilip Ghosh Agnimitra Paul BJP West Bengal ABP Ananda News18 Bangla TV9 Bangla
#অস্থায়ী #চুক্তিভিত্তিক
09/07/2026
পশ্চিমবঙ্গে সরকারি দপ্তরে কর্মরত প্রতিটি কর্মীর পরিচয় হওয়া উচিত তার পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ ও অবদানের ভিত্তিতে।
শুধুমাত্র কেউ অস্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক, দৈনিকভিত্তিক, ক্যাজুয়াল বা অনিয়মিত কর্মী বলে তার পরিচয় আলাদা হতে পারে না।
একই দপ্তরে, একই দায়িত্ব পালন করেও শুধু নিয়োগের ধরন ভিন্ন হওয়ার কারণে সম্মান ও পরিচয়ে বৈষম্য থাকা উচিত নয়।
আমাদের বিশ্বাস—প্রতিটি কর্মীর কাজের মর্যাদা সমানভাবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিত।
আপনি যদি এই কথার সঙ্গে একমত হন, তাহলে পোস্টটি Like, Comment, Share করুন এবং আরও বেশি মানুষের কাছে এই বার্তাটি পৌঁছে দিন।
Team,
WB Contractual
🚨 সুপ্রিম কোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় এখন দেশজুড়ে আলোচনায়!
২০২৬ সালের ২১ মে সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে—সরকার কোনো নীতি বেছে বেছে বা আংশিকভাবে প্রয়োগ করতে পারে না। একই অবস্থায় থাকা কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য করা যাবে না।
এই ভিডিওতে সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে—
✅ মামলাটি কী ছিল?
✅ সুপ্রিম কোর্ট ঠিক কী বলেছে?
✅ এই রায় কি পশ্চিমবঙ্গের চুক্তিভিত্তিক, অস্থায়ী, ক্যাজুয়াল ও দৈনিকভিত্তিক কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
✅ এই রায়ের ইতিবাচক ও সীমাবদ্ধ দিক কী?
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: এই ভিডিওটি শুধুমাত্র তথ্যভিত্তিক আইনি বিশ্লেষণ। এই রায় পশ্চিমবঙ্গের সকল চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী করার নির্দেশ দেয়নি। ভিডিওতে রায়ের প্রকৃত তাৎপর্য সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।
🎥 ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন, আপনার মতামত কমেন্টে জানান এবং মনে হলে অবশ্যই শেয়ার করুন, যাতে আরও বেশি চুক্তিভিত্তিক কর্মী এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারেন।
Team WB Contractual
WBContractual
আজ এই আবেদনপত্রটি শুধু একজন V.L.E. কর্মীর পদত্যাগের আবেদন নয়, এটি পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার স্বল্প বেতনভোগী অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নীরব আর্তনাদের প্রতিফলন।
আবেদনপত্রে তিনি লিখেছেন— ➡️ স্বল্প বেতনে সংসার চালানো অসম্ভব। ➡️ সপ্তাহে ৭ দিন কাজ, শনিবার-রবিবার ও ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন। ➡️ অতিরিক্ত পরিশ্রমের পরও নেই ন্যায্য সম্মান বা পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক। ➡️ এই অবস্থায় বাধ্য হয়ে চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
একজন কর্মী যখন নিজের ইচ্ছায় নয়, অভাবের কাছে হার মেনে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন, তখন সেটি শুধু ব্যক্তিগত ব্যর্থতা নয়—এটি আমাদের প্রশাসনিক ও সামাজিক ব্যবস্থার জন্যও একটি বড় প্রশ্ন।
আমরা সরকারের কাছে বিনীত আবেদন জানাই— ✅ চুক্তিভিত্তিক, অস্থায়ী ক্যাজুয়াল ও অন্যান্য অনিয়মিত কর্মীদের বাস্তব পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করুন। ✅ তাঁদের জন্য ন্যায্য ও জীবিকা নির্বাহযোগ্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করুন। ✅ দীর্ঘদিন ধরে কর্মরতদের চাকরির নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি কার্যকর নীতি গ্রহণ করুন।
একজন কর্মী যেন শুধুমাত্র দারিদ্র্য ও স্বল্প বেতনের কারণে নিজের কর্মস্থল ছাড়তে বাধ্য না হন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এই পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন, যাতে সরকারের কাছে এই বাস্তব চিত্র পৌঁছায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
711312