mr. hoque
10/12/2024
গল্পটা সবাই কে পড়ার অনুরোধ করলাম, হয়তো জীবনের মানে খানিকটা হলেও বদলাবে 🙏❤
টক ঝাল মিষ্টি ❤
(The show must go on)
বছর সত্তরের ভদ্রলোকটি আমার মতোই কলকাতা থেকে ভুবনেশ্বর যাচ্ছেন , পরনে পায়জামা পাঞ্জাবি , তার উপর জহর কোট চাপানো , কম্বলটাকে পায়ের উপর জড়িয়ে বাবু হয়ে বসে এক মনে মোবাইলে টাইপ করে চলেছেন ...মাঝে মাঝে ফিক ফিক করে হাসছেন। বেশ কয়েকবার আমার দিকে তাকিয়ে কি যেন দেখলেন আবার মোবাইলে মনোনিবেশ করলেন । কেন জানি না সেদিন 2nd AC ওই কামরাটি বেশ ফাঁকাই ছিল , ঠান্ডাটা একটু বেশিই লাগছিলো ।
রাত তখন এগারোটা হবে বাকিরা সবাই মোটামুটি ঘুমের দেশে পাড়ি দিয়েছে বা দেবে দেবে করছে । রাত একটার আগে আমার ঘুম আসবে না তাই আমি চাদরটাকে সারা গায়ে জড়িয়ে মোবাইলটাকে নাড়াচাড়া করছিলাম । ভদ্রলোকটি চোখ থেকে হাই পাওয়ারের চশমাটা খুলে আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কি ঠান্ডা লাগছে my son ..?
ভদ্রলোকটিকে দেখে আমার শিক্ষক বা প্রফেসর মনে হচ্ছিল .... বেশ একটা পারসোনালিটি তার সারা শরীরের ভাষায় প্রকাশ পাচ্ছিল , তার উপর ওনার মুখে my son কথাটি শুনে আমি একটু নড়েচড়ে বসলাম, বললাম তা একটু লাগছে । ভদ্রলোকটি বললেন এক্ষুনি লাস্ট কফিওয়ালা উঠবে একটু কফি খেয়ে নাও দেখবে ভালো লাগবে । ঠিক তাই দুজনেই কফি নিয়ে বসলাম , একে একে ধেয়ে এলো অতি পরিচিত কিছু প্রশ্ন ---কোথায় থাকো ? কি করা হয় ? সন্তান কটি ? তারা কিসে পড়ে ? কথায় কথায় ভদ্রলোকটি বললেন উনি ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটির বাংলার প্রফেসর ছিলেন । কিছুক্ষন দুজনেই চুপ, তারপর ভদ্রলোকটি শান্ত গলায় জিজ্ঞাসা করলেন কেমন লাগছে জীবনের স্বাদ ? বাড়িতে সময় দেওয়া হয় ? আমি কি বলবো তা ঠিক গুছিয়ে উঠতে পারছিলাম না । ভদ্রলোকটি আমাকে একটু আস্বস্ত করে বললেন আমি জানতে চাইছি জীবনটাকে মিষ্টি লাগছে না তেতো ?
আমি হাসতে হাসতে বললাম টক ঝাল মিষ্টি ...
সকালে নয়টায় অফিস, তারপর ফিরতে ফিরতে সেই রাত আটটা। বাকি সময়টুকু হয় আমার সাথে বউয়ের ঝামেলা নয়তো মেয়ের সাথে মেয়ের মায়ের ...সকালে ঘুম থেকে দেরি করে কেন ওঠা থেকে শুরু , homework কেন হয়নি ? খাবার কেন থালায় পড়ে ? স্কুলের ব্যাগ কেন গোছাওনি ? খাটের চাদর কেন লন্ড ভন্ড ? বইগুলো ঠিক জায়গায় নেই কেন ? পা না ধুয়ে কেন খাটে উঠেছ ? কত TV দেখবে ? একটা না একটা বিষয় নিয়ে লেগেই আছে , মাঝে মাঝে অতিষ্ট হয়ে মেজাজ যায় হারিয়ে ....
ভদ্রলোকটি ছোট্ট একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে কম্বলটি বুকের উপর তুলে বলল এটাই তো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় ...এটাকে অবহেলা কোরো না ....টক ঝাল মিষ্টির এই অতুলনীয় স্বাদটাকে কব্জি ডুবিয়ে চেটেপুটে খাও একেবারে হাতের নখ থেকে কুনুই পর্যন্ত । একটা সময় আসবে যখন ঘরে ঢুকে দেখবে চারিদিক নিঃশব্দ , বিছানার চাদরটা টান টান করে পাতা , মা-মেয়ের প্রতিদিনের খন্ডযুদ্ধ কোনো এক অলৌকিক ইশারায় চিরতরে অবসান ঘটেছে , মনে হবে চাদরটা দু হাত দিয়ে আবার লণ্ডভণ্ড করে অপূর্ণ যুদ্ধের দামামা বাজাই ...বইয়ের তাকটা পরিপাটি করে সাজানো হালকা সাদা ধুলোর আস্তরণ বইগুলোতে লেপ্টে আছে ...মনে হবে সব বইগুলো পরিষ্কার টেবিলটার উপর আছড়ে ফেলে অসমাপ্ত অঙ্ক গুলোকে ছোটো ছোটো হাত দুটো ধরে আর একবার কষাই ...সব কিছু ঠিকঠাক কিন্তু চারিদিক মরুভূমির নিঃসঙ্গতা , সন্তানের পরিচিত গন্ধকে একটিবার পাওয়ার আশায় এঘর ওঘর শুধু ঘুরপাক খাওয়া , বাড়ি থেকে বেরোবার সময় পেছনে নড়বে না কোনো আদুল হাতের টাটা , TVটা আপন মনেই চলতে থাকে কেউ কেড়ে নেয় না রিমোট টা অযথা বাহানায় , খাবার টেবিলেই শুকোতে থাকে এঁটো হাত, কেউ ছোবল দেয় না আর ডিমের কুসুমে , মোবাইলের ওপারে আদুরে আওয়াজ প্রতিদিন থেকে প্রতি সপ্তাহে, প্রতি সপ্তাহে থেকে প্রতি মাসে গিয়ে ঠেকবে , দুদিনের জন্য আসবে, যাবার সময় ব্যাগের ভিতর নিয়ে যাবে হাটি হাটি পা পা থেকে একটু একটু করে গড়ে তোলা সব স্বপ্ন ....দৃষ্টি শক্তি ধীরে ধীরে লোপ পাবে , বাড়বে শুধু ওষুধের সংখ্যা , অনিদ্রায় চোখ দুটো হয়ে উঠবে আরো নিশাচর ......
ভদ্রলোকটির প্রতিটি কথা ট্রেনের বিকট আওয়াজ পেরিয়ে বুকের ভিতর যেন তীরের মতো বিঁধছিল , আমি বললাম তাহলে বাঁচার উপায় ? ভদ্রলোকটি একটু ধরা গলায় বললেন শীতের ঝরা পাতার মতো যদি ঝরে পড়ো তবে কেউ ফিরেও তাকাবে না ... উপরে সবুজ পাতার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে অচিরে বিলীন হবে মাটির বুকে ...সবুজ পাতার মতো ফুটে উঠতে হবে ওই জীর্ণ বট বৃক্ষে । পুরোনো বন্ধুদের সান্নিধ্যের আগুনে মনটাকে সেকতে হবে ঠিক যেমন কনকনে শীতের রাতে কাঁপতে কাঁপতে এক টুকরো আগুনকে ঘিরে ধরে একটু ভালো লাগার উষ্ণতা সারা শরীরে মাখতে ইচ্ছা করে...
একমাত্র বন্ধুই পারে তোমার ক্ষয়ে যাওয়া জীবনে অফুরন্ত হাসির ফোয়ারা প্রলেপ লাগাতে , তাইতো আমি সময় অসময় চোখ রাখি ওই মোবাইলের ছোটো জানালায় ...তাতে ভেসে ওঠা পুরোনো বন্ধুর এক একটা শব্দ সবুজ পাতার ফাঁক দিয়ে ঠিকরে বেরিয়ে আসা এক একটি সূর্যরশ্মি। সযত্নে আগলে রেখো পুরোনো বন্ধুত্বকে । আজকের প্রতিদিনের কর্মযুদ্ধে হারিয়ে ফেলো না তাদের বন্ধুত্বের হাতছানি । আমি আজ যাচ্ছি আমাদের বন্ধুদের মিলন সমারোহে ....তিন মাস অন্তর অন্তর আমরা মিট করি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে । গান , বাজনা , হাসির কোলাহলে ডুবে থাকি দুদিন ...খুঁজে পাই বেঁচে থাকার অক্সিজেন ....
পরদিন ভোর বেলায় যখন ভুবনেশ্বর স্টেশনে নামলাম দেখলাম গোটা পনেরো সত্তর বছরের যুবক ভদ্রলোকটিকে ঘিরে ধরেছে ....হাসতে হাসতে তারা এগিয়ে চলেছে নতুন ভুবন গড়তে ...আমাকে দেখে ভদ্রলোকটি হাত নেড়ে বললো look my son এরাই আমার এক একটি সবুজ পাতা .....
জানি না ২০ বছর পর আমাদের ভবিষ্যৎ কি হবে ? জানি না মোবাইলে টাইপ করার শক্তি হাতে মজুত থাকবে কি না ? হয়তো ধীরে ধীরে চোখের দৃষ্টি আবছা হয়ে আসবে ...গ্রুপের গানের আসর হয়তো তখনো একই রকম ভাবে জমে উঠবে কিন্তু হঠাৎ করেই বেইমান হয়ে উঠবে আমার শ্রবণ শক্তি , আস্তে আস্তে শিথিল হবে আমার স্মৃতিশক্তির বাঁধন ....তবু থেমে যেন না যায় বন্ধুত্ব...❤
সংগৃহীত...
30/11/2024
(লেখা টা দারুন লাগলো তাই শেয়ার করলাম 👌)
'হুট' করে বুড়ো হয়ে যাব, 'পুট' করে মরে যাব। তার চেয়ে বরং 'চ্যাক' করে rucksack এর strap টা টেনে, 'স্যাট' করে জুতোটা বেঁধে, 'টুক' করে বেরিয়ে পড়ব।
কখনো 'সাইসাই' করে হাটাব, কখনো 'কুটুস কুটুস' করে
'ন্যাদোস' এর মতো হাটব;
কখনো 'খিলখিলিয়ে' দাঁত কেলিয়ে দৌড়াবো, কখনো জিভ বের করে 'ফ্যাচফ্যাচ' করে কাঁদতে কাঁদতে হামাগুড়ি দেব।
কখনো 'খসখস' করে চকচকে টাকা গুনে flight এর টিকিট কাটব ✈️ কখনো 'ঝনঝন' করে খুচরা coin গুনে ডিম-পাউরুটি খেয়ে রাত কাটাব।🥚🍞
'ঝপাং' করে পাহাড়ি নদী তে ঝাঁপ দেব, 'ধপাস' করে বরফে আছাড় খেয়ে কুমড়ো-পটাস হব।
হয়ত কোনো বড় Restaurant এ কালো suit আর পালিশ করা tan রঙের brouge বুট পড়ে knife fork এ 'টাক-টুং' আওয়াজ করে Italian dish খাব। ২৪ ঘন্টা পরই কাদা মাখা hiking shoe আর ঘেমো হাফপ্যান্ট পরে কোনো অজানা পাহাড়ি গ্রামে বসে 'চো-চো' করে রক্সি-তোংবা খেতে খেতে হিমালয়ের সাথে 'চুকুচুকু' প্রেম করবো।
🪀🪀 I don't want to die with huge bank balance... I want to die with golden memories ❤❤❤❤❤
🏥একদিন হসপিটালের বেডে শুয়ে থাকবে শরীরটা। হাজার একটা নল এঁকে বেঁকে প্রবেশ করবে সেই শরীরে। একটা ডিজিটাল স্ক্রিন সমানে মেপে যাবে হৃদস্পন্দন। ৫৫... ৪৮... ৩৫... ২১। বিপ... বিপ... বিপ...। একটানা একটা বেসুরো আওয়াজ। সেলাইন আর ইনজেকশনের গন্ধে ভরা সেই ৮/৮ এর চারদেওয়ালের মধ্যে থাকা শরীরটা এই যায়, কী সেই যায়। প্রিয়জনদের ব্যাকুলতা, নার্সদের অস্থিরতা, চাপা কান্নার রোল... কিন্তু শরীরটা এর কিছুই আন্দাজ করতে পারবে না। জীর্ণ চেহারা। শুকিয়ে যাওয়া মুখ। মাঝে মাঝে কেঁপে উঠবে একটা দুটো আঙুল। সারা শরীরে যন্ত্রণার ছাপ সুস্পষ্ট। অথচ সে শরীরের ঠোঁটে কোনও যন্ত্রণা থাকবে না বরং লেগে থাকবে একটা মৃদু হাসি। কেন?
কেউই কিছু ঠাহর করে উঠতে পারবে না। ঠাহর করতে গেলে পৌঁছাতে হবে তার বন্ধ দু'চোখের ভিতরে। সেখানে পৌঁছালে দেখা যাবে, জীর্ণ সে শরীরটা বসে আছে একটা পাহাড়ী হোম স্টের বারান্দায়। যেখানে সে গেছিলো তার যৌবনকালে, ওই যখন বছর তিরিশ বয়স। সে হোম স্টের বারান্দা থেকে চোখ মেললেই বিস্তৃত ভ্যালি। সবুজ পাহাড়। পাহাড়গুলোর পাদদেশে ঘন সবুজের জঙ্গল। সারি সারি পাইন গাছ উঁকি মেরে তাকিয়ে আছে। পাইনের জঙ্গলের ভিতর দিয়ে চলে গ্যাছে আঁকা বাঁকা পাহাড়ী রাস্তা। কুয়াশা ঢুকে সে রাস্তায় বিছিয়ে দিয়েছে মায়ার চাদর, ভালোবাসার ওম। নাম না জানা পাখির গান শোনা যায় সেদিক থেকে। পাশ দিয়ে তিস্তা বয়ে যায় তিরতির করে। তিস্তার বয়ে যাওয়ার আওয়াজের মধ্যে যে সুর আছে, তা পৃথিবীর কোনো গায়কের আয়ত্বে নেই। দূর উঁচু পাহাড় থেকে কে যেন বাঁশি বাজায়। আস্তে আস্তে সন্ধ্যা নেমে আসে। দূরের বাড়িগুলোতে একটা একটা করে আলো জ্বলে ওঠে। সেদিকে তাকালে মনে হয় মানুষ বৃথাই মাটির নিচে হীরে খুঁজে মরে।
ঠিক তখনই একটা শান্ত হিমেল বাতাস এসে ছুঁয়ে দিয়ে যাবে সে জীর্ণ শরীরের সমস্ত ক্ষত দাগ আর যন্ত্রণাগুলোকে। ধীরে ধীরে সে শরীর ফিরে পাবে তার যৌবন। শুকিয়ে যাওয়া মুখ, ঝরে পড়া গাল, ভেঙে যাওয়া চিবুক, শরীরে অসংখ্য নলের দাগ; কে যেন জাদুবলে ঠিক করে দেবে এক লহমায়। একটা বছর তিরিশের মানুষ একমুখ মুগ্ধতা নিয়ে বসে থাকবে সে বারান্দায়। আবার।
আর এদিকে ঠিক তখনই আস্তে আস্তে থেমে যাবে মনিটরের স্ক্রিন আর একটানা বিপ...বিপ...বিপ এর বেসুরো আওয়াজ। পৃথিবীর সব থেকে মধুর সমাপতন।
লেখা - ✍️✍️ সংগৃহীত
30/11/2024
মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে', তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন।বলতে চাইবেন না।
কথা বলতে চাওয়া ,দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা; তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই, "হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক। সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।
অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।
আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।
"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।
নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।
যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন একটা সুন্দর ভবিষ্যতের দায়ে। নিজের শান্তি বজায় রাখার জন্য একপ্রকার মরিয়া হয়ে উঠুন।
30/11/2024
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Burdwan
713125