Bijoy24.bd

Bijoy24.bd

Share

26/11/2025

জুলাই ২৪ বিপ্লব চেতনায় উদ্‌বুদ্ধ হয়ে ০৬ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসারগণ আল্লামা মোহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া তানহার, সিস্টেম এনালিস্ট এর বিরুদ্ধে নানাবিধ দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাকে সাধারণ সেবা ও কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্ব হতে অব্যহতি দিয়ে একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগে পদায়নের জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নিকট মৌখিক আবেদন জানান। ফলস্বরূপ, চতুর ও ধূর্ত ইয়াহিয়া তানহার পরের দিন নতুন ফন্দি আঁটে।

০৭ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ ইয়াহিয়া তানহার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে, তাঁর নিজস্ব নিয়ন্ত্রিত ও নির্বাচিত সিবিএ ২২১৫-এর সাংগঠনিক প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ কর্মচারী পরিষদ-২২১৪-এর প্রতিনিধিদের লেলিয়ে দিয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের নির্বাচিত সিবিএ কার্যালয় দখলের অপচেষ্টা করে। প্রধান কার্যালয়ের সাধারণ সেবা ও কল্যাণ বিভাগের সিনিয়র অফিসার সেলিম আহমেদ এতে প্রত্যক্ষ সহায়তা প্রদান করেন। জানা যায় সিনিয়র অফিসার সেলিম আহমেদ ইয়াহিয়া তানহারের সকল কুকর্মের নেপথ্যের মূল সহায়ক। ইয়াহিয়া তানহারের এই শঠতার বুদ্ধির পরিণতিতে ব্যাংকের কর্মপরিবেশে উদ্ভুত অচলাবস্থার সৃষ্টি হয় এবং ব্যাংকটি এক গভীর বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। একই দিন ইয়াহিয়া তানহার অপর সিস্টেম এনালিস্ট ফেরদৌস বিন আলিমকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং সে সহ ইয়াহিয়া তানহারের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী সকল এসপিওদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয় ইয়াহিয়া তানহারের ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগসমূহ উপেক্ষা করে ব্যবস্থা গ্রহণে গড়িমসি করেন এবং উল্টো তানহারের পক্ষ অবলম্বন করেন। কিন্তু তানহারের শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ, হুমকি ও দুর্নীতির তীব্রতায় আন্দোলন আরও জোরালো হয়। এই দাবীর মুখে নতি স্বীকার করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয় এক পর্যায়ে ০৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ তাঁকে প্রধান কার্যালয়ের বাইরে বদলির আদেশ জারি করেন। সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয়ের তানহারের পক্ষ অবলম্বন করার কারন হিসেবে ধারণা করা যায় যে এমডির বেশকিছু গোপন জিনিস তানহারের কাছে রয়েছে যার দ্বারা উনি প্রতিনিয়ত তাকে ব্ল্যাকমেল করছে।

অবশেষে পর্দার আড়াল থেকে মোঃ শাহেদ আলমগীর (সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট) মুখোশ খুলে আসল রূপে আবির্ভূত হন। শাহেদ আলমগীর, ১১ আগস্ট, ২০২৪ খ্রি. তারিখ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত এবং কোনরূপ নোটিশ প্রদান ছাড়া আইসিটি বিভাগ তালাবদ্ধ করার নির্দেশনা দেন। এই স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপের ফলে ব্যাংকের অনলাইন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। যা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারি চাকরি প্রবিধানমালা, ২০২২; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ (বাংলাদেশ); তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর পরিপন্থি ও শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

সি সি টিভির পর্যবেক্ষণে দেখা যায় ইয়াহ্ইয়া তানহার আইটির সবাইকে ডেকে বক্তৃতা দিয়ে সবাইকে অফিস ত্যাগ করতে বলে এবং সিবিএস সার্ভার ডাউন করার নির্দেশ দেয়। সবাই অফিস ত্যাগ করলে তানহার তার সহকর্মী তানুকা শারমিনকে নিয়ে বিল্ডিং এর ইমার্জেন্সি তথা পিছনের গেট থেকে অফিস ত্যাগ করে। অনুসন্ধানে জানা যায় পরের কয়েকদিন ইয়াহ্ইয়া তানহার তার আইটির মহিলা সহকর্মীর সাথে এবং শাহেদ আলমগীর লাভলি বেগম নামক একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে রাজারবাগ মোড়ে অবস্থিত গ্র্যান্ড সার্কেল ইন নামক হোটেল রাত যাপন করেন। এসবের প্রমান অনুসন্ধানকারী দলের হাতে রয়েছে।

১৪ আগস্ট, ২০২৪ শাহেদ আলমগীর ও তানহার হোটেলে অবস্থানকালীন নিজেদের দুর্নীতি ও অপকর্মকে ঢাকতে প্রকল্প হতে নিয়োগপ্রাপ্ত জনবলকে অন্যায়ভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে একটি বিভাজনমূলক, বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা তথ্য সম্বলিত ও উস্কানীমূলক ভিডিও বার্তা ফেসবুক লাইভে প্রচার করেন। তানহার, তানুকার সহযোগিতায় লিখিত সেই ভিডিও বার্তায় তিনি এসপিওদের কে অবৈধ, রক্তচোষা ঘোষণা করেন ও এসপিওদের কে প্রধান কার্যালয় হতে মেরে বিতাড়িত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শাহেদ আলমগীর ও ইয়াহ্ইয়া তানহার সম্মিলিতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রতিহিংসার বীজ ছড়িয়ে দেন এবং প্রতিষ্ঠানের জনবলকে দুটি পক্ষে বিভক্ত করেন। এছাড়াও শাহেদ আলমগীর এবং ইয়াহ্ইয়া তানহার শাখা ব্যবস্থাপকদের সাথে একাধিক জুম ‍মিটিং করেন এবং তাদেরকে প্রধান কার্যালয়ে এসে হামলা করতে নির্দেশ দেন। তাদের এই উস্কানির পরিণতিতে, ১৫ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত এসপিও, পিও, এসও এবং সিবিএ কর্মীদের উপর মাঠ পর্যায়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী লাঠি (ক্রিকেট স্ট্যাম্প) ও ছুরি নিয়ে হামলা চালালে প্রধান কার্যালয়ে এক অরাজক পরিবেশ তৈরি হয় এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। ।

একাধিক মিডিয়াতে এই সংবাদ প্রচারের পর ১৯ আগস্ট প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ তদন্তে আসেন। ২০ আগস্ট ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোঃ জামিনুর রহমান এর চুক্তি বাতিল করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ হতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

একটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরে এত বড় কেলেঙ্কারি ও নীতিমালা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটার পর, কেবল লোক-দেখানো কিছু অভ্যন্তরীণ তদন্তের সমাপ্তি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, কিন্তু সেইসব তদন্তের ফলাফল এখনো রহস্যের অন্ধকারে ঢাকা। একইভাবে, যে বহির্বিভাগীয় তদন্তগুলো (যদি আদৌ সেগুলো গুরুত্বের সাথে পরিচালিত হয়) চলছে, সেগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে। সবচেয়ে হতাশাজনক এবং সন্দেহের জন্ম দেওয়া বিষয়টি হলো—এত গুরুতর অপরাধের পরও সুনির্দিষ্ট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান বা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এটি কি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দোষীদের সুরক্ষা দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করছে না? কেন অভিযুক্তরা এখনও বিচারের আওতার বাইরে? কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো আন্দোলনকারীদেরই মিথ্যা মামলার শিকারে পরিণত করা হচ্ছে? এই আচরণ প্রমাণ করে যে, ব্যবস্থাপনা তাদের নিজেদের অন্যায়কে রক্ষা করতে এবং সত্যকে চিরতরে চাপা দিতে বদ্ধপরিকর।
তুলনামূলক বিশ্লেষণমূলক উপস্থাপনা

জুলাই ২৪ বিপ্লব চেতনায় উদ্‌বুদ্ধ হয়ে শাহেদ আলমগীর ও ইয়াহ্ইয়া তানহারের দুর্বার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে আন্দোলন এক নতুন ভোরের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এসেছিল, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি ও চেতনার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। এই পতনের জন্য শুধু কাঠামোর দুর্বলতা দায়ী নয়, বরং দায়ী দুটি প্রধান শক্তি: ১. বর্তমান দুর্বল, দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবস্থাপনা: যারা আন্দোলনের চেতনার প্রতি আন্তরিক নন এবং দুর্বল নেতৃত্ব দিয়ে সঙ্কটকে আরও বাড়িয়েছেন। ২. নীতি ও আদর্শ বিবর্জিত একদল সুবিধাভোগী মধ্যম সারির নেতৃত্ব (এসপিও, পিও, এসও): যারা আদর্শকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিগত ফায়দা লুটতে শুরু করেছেন, এবং তাদের সুবিধা অন্বেষণের অপচেষ্টা আন্দোলনের ভিত্তিকে দুর্বল করেছে। এই সুবিধা অন্বেষণকারী গোষ্ঠী নীতি ও শৃঙ্খলাকে উপেক্ষা করে নিজেদের পকেট ভরতে ব্যস্ত, আর ব্যবস্থাপনা তাদের এই অবৈধ কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। ফলস্বরূপ, আন্দোলনের সকল অর্জন আজ বিপন্ন এবং বিনষ্ট হয়ার দারপ্রান্তে। এই বিশ্বাসঘাতকদের অবশ্যই দায়বদ্ধতার কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।

17/11/2025

I gained 1,753 followers, created 293 posts and received 1,699 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

15/11/2025

‘তোকে গুলি করে মারব না, ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারব’

প্রকাশ্যে গুলি করে চট্টগ্রামে একের পর এক খুনের ঘটনায় উঠে আসছে তাঁর নাম। হত্যা মামলায় তাঁকে আসামিও করেছে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার। পুলিশ তাঁকে হন্য হয়ে খুঁজলেও থেমে নেই তাঁর অপরাধ। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘সন্ত্রাসী’ মোহাম্মদ রায়হানের বিরুদ্ধে। ওই ব্যবসায়ীকে রায়হান বলেন, ‘তোকে গুলি করে মারব না, ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারব।’

হুমকি পাওয়া ওই ব্যবসায়ীর নাম মো. একরাম। তিনি পাথরের ব্যবসা করেন। আজ সকালে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, গতকাল রাত আটটার দিকে তাঁকে ফোন করেন সন্ত্রাসী রায়হান। পরে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো খুদে বার্তায় তাঁকে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারার হুমকি দেন।
কেন হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তা জানতে চাইলে ব্যবসায়ী একরাম বলেন, গত ১৫ মার্চ ঢাকার একটি শপিং মলে ঘুরতে দেখে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি। এরপর সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্না এবং বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ তাঁকে হুমকি দেন। ওই হুমকির ঘটনায় তিনি পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেছিলেন। এরপর মামলা তুলে নিতে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নতুন করে হুমকির বিষয়ে থানায় মামলা কিংবা জিডি করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান ব্যবসায়ী একরাম।

sutra : prothomalo

11/11/2025

কার্যালয়ের সামনে পুলিশ সদস্যকে মা/রতে এলেন এনসিপি কর্মী.
https://youtube.com/shorts/jtQ6CDf00YU?feature=share

#বিএনপি ゚viralシfypシ゚viralシ

Telephone