Helal Abdur Rauf Afaz
আহলে মাসজিদে বিদআতীদের আক্রমণের বলিষ্ঠ প্রতিবাদ।
শিয়া রাফেদ্বীদের বাতিল আক্বীদাহ "রজ'আ " , Episode-8
সূরা কাউসারের তারকীব
জুমু'আ র খুতবা, তাং:15/11/24 ঈসায়ী।
বিষয়: আল্লাহর অলীর পরিচয় ও গুণাবলী
ছাহাবাগণ সম্পর্কে শিয়াদের আক্বীদা
#শেয়ার_করে_দিন
মানুষের ইচ্ছা-এরাদা মহান আল্লাহর ইচ্ছা-এরাদার অধীনস্থ
#শেয়ার_করে_দিন
খোদ শিয়া আলেমই একথা স্বীকার করছেন যে মাজুসী, ইহুদী মতবাদ ও খ্রিস্টান মতবাদ এই তিন মতবাদের সমন্বিত ফসল ইহুদীদের হল শিয়া মতবাদ।
#শেয়ার_করে_দিন
08/05/2024
খারাপ তাকদীরের পেছনে রহস্য
#শেয়ার_করে_দিন
খারাপ তাকদীরের পেছনে রহস্য│Helal Abdur Rauf Afaz #jummah ✧══ Helal Abdur Rauf Afaz ══✧🔷আল্লাহ তাআলা বলেন...“তুমি তোমার রবের দিকে (মানুষকে) আহ্বান জানাও” (সুরা কাসাস ৮৭) আসসালামু আলাইকুম,...
05/05/2024
#শেয়ার_করে_দিন
সম্মানিত শিক্ষকদের খেদমতে পেশ করলাম-
* ক্লাসের শুরুতেই বিভিন্ন দুআ এবং দুরূদ পড়ুন৷
১.ঘন্টা বাজার কমপক্ষে ১৫ মিনিট পূর্বে মাদরাসায় উপস্থিত হবেন।
২.নির্ধারিত সময়ের পূর্বে শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করবেন।
৩.ঘন্টা বাজার কমপক্ষে ১০ মিনিট পূর্বে শ্রেণি কক্ষে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করবেন।
৪.আপনার শ্রেণি হাজিরা খাতা, মার্কার, ডাস্টারসহ প্রয়োজনীয় সকল দ্রব্যাদি আপনার নিজ দায়িত্বে রাখবেন।
৫.শ্রেণি কক্ষে প্রবেশের সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের আপনি প্রথম সালাম দিবেন।
৬.আপনার ক্লাসের যে কোন সমস্যার কথা তাৎক্ষণিক অফিসে জানাবেন। (লাইট, ফ্যান, রুমে ময়লা, চেয়ার-টেবিল অপরিস্কার, আসন সংখ্যা অপর্যাপ্ত) ইত্যাদি ।
৭.বোর্ডটি ভালোভাবে পরিস্কার করে শ্রেণি, শাখা, উপস্থিতি, অনুপস্থিতি, তারিখ ইত্যাদি সুন্দরভাবে লিখুন।
৮.শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের সাথে সাথে ছাত্র ছাত্রীদের মনোযোগী করার জন্য প্রথমে উঠ-বস করাবেন, ( Stand Up- Sit Dawn)|
৯.একনজরে প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীর নির্ধারিত পোশাক, টুপি, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, হাতের নখ, দাঁত পরিস্কার, মাথার চুল ইত্যাদির দিকে নজর দিন।
১০.বৃহস্পতিবার/শনিবার কে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা দিবস ঘোষণা করুন।
১১.সংক্ষেপে সকল ছাত্র ছাত্রীদের সাথে কৌশল বিনিময় করুন। ( নাস্তা করেছে কিনা, গোসল করেছে কিনা, পারিবারিক ব্যক্তিগত, শারিরিক অবস্থা) ইত্যাদি ।
১২.গতকাল জোহর থেকে আজ ফজর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন, প্রয়োজনে শাস্তি দিন।
১৩.ডাইয়েরীতে দৈনন্দিন রুটিন অনুসরনের বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
১৪.প্রতিদিন একটি করে নতুন শব্দ শিক্ষা (আরবী/ইংরেজী) কর্মসূচি চালু করুন।
১৫.বিগত দিনে অনুপস্থিত অথবা ফেরারী ছাত্র ছাত্রীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন। ( দরখাস্ত গ্রহণ,বাসায় পাঠানো, অফিসে প্রেরণ, মৃদু শাস্তি ইত্যাদি। )
১৬.শ্রেণিকক্ষে কোন অভিভাবককে অবস্থান করতে দিবেন না।
১৭.অনুপস্থিত ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবককে তাৎক্ষণিক ফোন দেয়া।
১৮.ছাত্র-ছাত্রীকে আপনি সম্বোধন করুন।
১৯.হাজিরা খাতা সব সময় আপডেট ও পরিচ্ছন্ন রাখবেন।
২০.হাজিরা খাতায় অপ্রয়োজনীয় কোন কাগজ রাখবেন না।
২১.ছাত্র ছাত্রীদের বই খাতা সেলাই এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে তদারকি করুন।
২২.শ্রেণি কক্ষে প্রবেশের পূর্বে শিক্ষকের অনুমতি নেওয়া এবং শিক্ষকের সামনে না চলা, সিঁড়িতে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার প্রদান, শিক্ষককে দাঁড়িয়ে সম্মানসহ প্রাথমিক জ্ঞান দান করুন।
২৩.বাসায় বাবা, মা এবং বড় ভাই-বোনদের সালাম প্রদানে উৎসাহ দিন।
২৪.রাস্তার ডান পার্শ্বে চলা এবং পথিককে সালাম প্রদানে উৎসাহিত করুন।
২৫.সালাম প্রদান এবং উত্তরদান শিক্ষা দেওয়া।
২৬.বিলম্বে উপস্থিত ছাত্র ছাত্রীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন।
২৭.হোস্টেলে অবস্থারত ছাত্র ছাত্রী অনুপস্থিত থাকলে সাথে সাথে হোস্টেল সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন।
২৮.আপনার ক্লাসের সকল ছাত্র-ছাত্রীর বই, খাতা, ডাইয়েরী, বিভিন্ন রুটিন, শিট, প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন নোটিশসহ যাবতীয় বিষয় প্রাপ্তি নিশ্চিত করুন।
২৯.সম্ভব হলে ছাত্র ছাত্রীদের বাসা চেনা ও একাধিক মোবাইল নাম্বার সংগ্রহে রাখুন।
৩০.সকল ছাত্র ছাত্রীদের বাসার ঠিকানা আপনার নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ রাখার চেষ্টা করা।
৩১.অসুস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত ফোন করা এবং প্রয়োজনে বাসায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা।
৩২.আপনার ক্লাসের সকল ছাত্র ছাত্রীর পরীক্ষার Progress Report নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ রাখুন।
৩৩.পাঠদান শেষে সালাম দিয়ে বিদায় নিবেন।
Collected
03/05/2024
তাকদীরের সূক্ষ্ম বিষয় সমূহ
#শেয়ার_করে_দিন
@
তাকদীরের সুক্ষ মাসয়ালা│Helal Abdur Rauf Afaz #jummah ✧══ Helal Abdur Rauf Afaz ══✧🔷আল্লাহ তাআলা বলেন...“তুমি তোমার রবের দিকে (মানুষকে) আহ্বান জানাও” (সুরা কাসাস ৮৭) আসসালামু আলাইকুম,...
03/05/2024
“তারপর রহমান আরশের উপরে উঠেছেন”। সূরা ত্বাহা- ৫।
আল্লাহর এ মহান বাক্যটি অনেকের গলার কাঁটা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে,
১. যারা আরশকে সর্বোচ্চ সৃষ্টি মানে না, আরশকে পায়াবিশিষ্ট মনে করে না, এটি তাদের গলার কাঁটা।
২. যারা আরশের উপর সৃষ্ট কিছু আছে মনে করে, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা।
৩. যারা আরশের উপরে পরিবেষ্টন করার মত কিছু আছে মনে করে এটি তাদের গলার কাঁটা। কারণ আরশের উপর পরিবেষ্টন করার মত কিছু নেই।
৪. যারা আরশের উপরেও সৃষ্ট দিক খুঁজে এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা। অনুরূপ তাদের অবস্থাও ভীষন খারাপ যারা আরশের উপরে সৃষ্ট জায়গা রয়েছে মনে করে। সুতরাং আল্লাহ উপরে থাকলে দিক হয়ে যায় কিংবা জায়গার দরকার পড়ে এসব বক্তব্য অসার।
৫. যারা মনে করে উপরে থাকার অর্থ সৃষ্ট কোনো কিছুর উপরে সৃষ্টি থাকার মত আল্লাহ তাঁর আরশের উপর আছেন, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা। বস্তুত সৃষ্টির মাঝেও কোনো কিছু অপর কোনো কিছুর উপরে থাকার অর্থ যার উপর আছে সেটার সাথে স্পর্শ কিংবা লেগে থাকা আবশ্যক করে না, যেমন পৃথিবীর উপরে আসমান, কিন্তু সেটি পৃথিবীর সাথে কোথাও লেগে নেই বা পৃথিবী আসমানকেও বহন করছে না। এ যদি হয় সৃ্ষ্টি ও সৃষ্টির মাঝে উপরে থাকার অর্থে লেগে না থাকার প্রমাণ, তাহলে স্রষ্টা সৃষ্টির উপর লেগে থাকতে হবে কিংবা বোঝা বহন করতে হবে এমনটি উর্বর মস্তিষ্কের ফসল ছাড়া কিছুই নয়।
৬. যারা মনে করে আরশের উপরে থাকার কারণে আল্লাহ সীমাবদ্ধ হয়ে যাবেন, মাখলুক সদৃশ হয়ে যাবেন, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা।
৭. যারা মনে করে উপরে বলা যাবে না, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা। কারণ উপরে শব্দটি (‘আলা) শব্দের আসল অর্থ।
৮. যারা মনে করে আল্লাহ তাআলা নিজে কিছু করলে তিনি সৃষ্টসদৃশ হয়ে যাবেন, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা।
৯. যারা মনে করে আল্লাহ তাআলা বর্তমানে কিছু করেন না, করলে তিনি সৃষ্ট হয়ে যাবেন, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা।
১০. যারা মনে করেন আল্লাহ তাআলা কেবল আদিতেই সবকিছু করেছেন, এখন করেন না, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা।
১১. যারা মনে করে আল্লাহ তাআলার জন্য সিফাতে ইখতিয়ারিয়্যাহ (যখন ইচ্ছা যা ইচ্ছা তা করার বিষয়টি) সাব্যস্ত করা যাবে না, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা।
১২. যারা মনে করে আল্লাহর আফআলে লাযিমাহ থাকতে পারে না, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা।
১৩. যারা আল্লাহর আফআলে মুতাআদ্দিয়াকে কাদীম বা আদিতে সীমাবদ্ধ করে, এ আয়াত তাদের গলার কাঁটা। কারণ অপর আয়াতে “সুম্মা” শব্দটি এসেছে, যা দ্বারা এমন পরের সময়কে বুঝায় যার আগে কিছু সময় গত হয়েছে।
১৪. যারা আল্লাহর উপরে উঠা আর উপরে থাকা এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেনি, তারা এ আয়াতের অর্থ বুঝেনি।
১৫. অনেককে দেখা যায় “ইস্তেওয়া” এর অনুবাদ “মুস্তাওয়ী” দিয়ে করে তারা এ আয়াতের অর্থ বুঝেনি। সালাফী আকীদা সম্পর্কে খুব কমই জানে। তারা ফি’ল (করেছেন) ও মাফউল (কৃত) এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য জানে না। কর্ম আর অবস্থার মাঝে কী পার্থক্য সে সম্পর্কে তাদের জ্ঞান নেই। আগে ইস্তেওয়া ফি’ল সাব্যস্ত করে তারপর আল্লাহ সম্পর্কে মুস্তাওয়ী মাফউল দিয়ে সংবাদ দেয়া যাবে।
১৬. অনেককে দেখা যায় উলু আর ইস্তেওয়া এর মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না, তারাও আকীদায় মিসকীন।
কারণ উলু এর তিনটি অর্থ রয়েছে ১- উলুউয যাত (সত্তাগতভাবে উপরে থাকা)। ২- উলুউল মানযিলাহ (মর্যাদাগতভাবে উপরে থাকা)। ৩- উলুউল কাহর। (ক্ষমতার দিক থেকে উপরে)।
আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাআত তথা সালাফীরা তিন প্রকারের (উপরে থাকা) উলু আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করেন। জাহমি, আশআরী ও মাতুরিদীরা প্রথম প্রকার (উলুউয যাত) বা সত্তাগত উপরে থাকা স্বীকার করে না।
আর ইস্তেওয়া শব্দটি উলু এর প্রথম অর্থের সাথে জড়িত একটি ক্রিয়া বা কর্ম।
১৭. অনেককে দেখা যায় ইস্তেওয়া এর অর্থ সমাসীন বা বসা করে থাকেন, তা অবশ্যই ভুল। কারণ এ অর্থটি এখানে কোনো সালাফ বলেননি। তাছাড়া সমাসীন শব্দের মধ্যে ফি’ল এর অনুবাদ আসেনি।
১৮. অনেককে দেখা যায় ইস্তেওয়া এর অর্থ অধিষ্ঠিত বা অধিকৃত করে থাকেন তা বিশাল ভুল। এটাই নিষিদ্ধ ইস্তাওলা, যা মুতাযিলারা করত। আর এতে ফি’ল এর অর্থ না করে মাফউল এর অর্থ করা হয়েছে।
১৯. অনেককে দেখা যায় ইস্তেওয়া এর অর্থ সমুন্নত করতে। বস্তুত সমুন্নত শব্দটি সম+উন্নত এর সমষ্টি। যার মূল অর্থ ক্ষমতা ও মর্যাদা। (যা উলু এর পূর্বে বর্ণিত ২য় ও ৩য় অর্থ।) এ দুটি সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে তো দ্বিমতকারীদের সংখ্যা কম।
তাই এটাতে বর্তমান জাহমীরা অনেক খুশি। কারণ এর মাধ্যমে দুটি নিষিদ্ধ কাজ হয়েছে।
- উন্নত শব্দটি উলুউয যাত বা সত্তাগত উপরে বুঝানো হয়নি।
- এ আর এতে ফি’ল এর অর্থ না করে মাফউল এর অর্থ করা হয়েছে।
এ দুটিই মারাত্মক ভ্রষ্টতা।
২২. অনেককে দেখা যায়, উপরে না বলে উর্ধ্বে অনুবাদ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। তারা মূলত দুটি শ্রেণি,
- একদল লোক প্রতিশব্দ হিসেবেই সেটা ব্যবহার করে থাকেন, অর্থবিকৃতি করেন না, এতে কোনো সমস্যা নেই।
- আরেক দলের উদ্দেশ্য সঠিক না, তারা মনে করে উর্ধ্বে মানে “মুক্ত” করা যায়। তাদের আরেক দল উর্ধ্ব দ্বারা অর্থ বিকৃতির দিকে নেয়ার পঁয়তারা করে।
২১. অনেকে মনে করে থাকেন, আল্লাহর জন্য আরশের উপরে উঠা সাব্যস্ত করা হলে তো আল্লাহকে এর আগে নিচে মানতে হয়, এটাও ভুল। কারণ
- এটা নিষিদ্ধ নির্ধারণের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
- আল্লাহ আরশের উপর উঠেছেন এটাকে নিচ থেকে উপরে উঠেছেন এমনটি বলা বিনা দলীলে কথা বলা।
২২. অনেকে বলেন, আল্লাহ আরশের উপর উঠলে আগে কোথায় ছিলেন?
বস্তুত তারা কয়েক প্রকার ভুল করেছে।
- স্রষ্টা কর্তৃক কোনো কিছুর উপরে উঠাকে সৃষ্টির কোনো কিছুর উপরে উঠার মত মনে করে বসে আছে।
- তারা ধরণ নির্ধারণে প্রবৃত্ত হয়েছে।
- আল্লাহ সর্বদাই উপরে ছিলেন। সকল সৃষ্টির উপরে তিনি রয়েছেন, এটাই উলু, এটি তাঁর সত্তাগত গুণ। এরপর তিনি আরশের উপরে উঠেছেন এটা একটি কর্মগত গুণ যা তিনি করেছেন। সেটা তিনি উপরে থেকেই করেছেন।
২৩. অনেকেই আছেন যারা (আল্লাহ আরশের উপর উঠেছেন) এর মধ্যকার ‘উঠেছেন’, এ শব্দটি নিয়ে আপত্তি করে থাকেন।
বস্তুত এ আপত্তি আল্লাহর কর্মবাচক সিফাত সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে অনীহারই বহিঃপ্রকাশ। যা জাহমিয়া, মুতাযিলা, আশআরী মাতুরিদিয়াদের মধ্যকার কমন ভ্রষ্টতা। তারা অন্য সব সহ্য করতে পারলেও আল্লাহ কোনো কিছু করেছেন, দয়া করেছেন, আল্লাহ হেসেছেন, আশ্চর্য হয়েছেন, এগুলো কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি আর এখনো পারে না।
সুতরাং “আল্লাহ আরশের উপর উঠেছেন” এ অনুবাদই গ্রহণ করুন। অন্ধ তাকলীদ পরিহার করুন।
✍️শাইখুল আক্বীদাহ প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিজাহুল্লাহ
📗 পিএইচ.ডি (আক্বীদা) মদিনা ইউনিভার্সিটি, সৌদি আরব🇸🇦
🎤 প্রফেসর, আল-ফিকাহ্, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া 🇧🇩
03/05/2024
৪০০ থেকে ৫০০ টাকা না নামলে কেউ গরুর মাংস কিনবেন না প্লিজ।
একদম মার্কেটে কেউ যাবেন না প্লিজ। দাম কমাতে বাধ্য হবে।
গরুর মাংস, খাসির মাংস বয়কট নিয়ে সবাই পোস্ট দিন প্লিজ (এখানে প্রান্তিক চাষী নয় সিন্ডিকেট নিয়ে সমস্যা)
#শেয়ার_করে_দিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Opening Hours
| 09:00 - 17:00 |