BNSAR

BNSAR

Share

09/02/2026

🌸 বিয়ের পর স্ত্রীর জন্য আমার যে দ্বীনি শর্তাবলি থাকবে......

১। বিনা ওজরে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ত্যাগ করা যাবে না।
২। ফরজ রোজা অবশ্যই পালন করতে হবে এবং সামর্থ্য হলে নফল রোজা রাখার চেষ্টা করতে হবে।
৩। শরিয়াহ অনুযায়ী পূর্ণ পর্দা বজায় রাখতে হবে; মাথা ও শরীর ঢেকে চলতে হবে।
৪। প্রয়োজন ছাড়া পর-পুরুষের সাথে মেলামেশা বা অপ্রয়োজনীয় কথা বলা যাবে না।
৫। পর-পুরুষের সামনে উচ্চস্বরে কথা বলা, অপ্রয়োজনীয় হাসাহাসি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬। স্বামীর ন্যায্য ও শরিয়াহসম্মত নির্দেশ মান্য করতে হবে।
৭। কারো গীবত করা বা গীবতের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা যাবে না।
৮। মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া স্বামীর সম্মতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।
৯। কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টা করতে হবে।
১০। ফজরের পর সূরা ইয়াসিন, রাতে সূরা মুলক এবং মাগরিবের পর সূরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াত করার চেষ্টা করতে হবে।
১১। সময় পেলে ইসলামিক বই, কুরআন-হাদিস ও দোয়া-আমলের কিতাব পড়তে হবে।
১২। নিজের ছবি অন্য কারো মোবাইলে তোলা বা সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
১৩। গান, নাটক, সিরিয়াল ও অশালীন কন্টেন্ট পরিহার করে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত, ইসলামিক বয়ান ও ওয়াজ শোনতে হবে।
১৪। সবার সাথে উত্তম ব্যবহার করতে হবে এবং মেহমানদের যথাসম্ভব সুন্দরভাবে আপ্যায়ন করতে হবে।
১৫। স্বামীর সম্পদ ও ঘরের আমানতের হেফাজত করতে হবে।
১৭। পরিবারের সম্মান ও গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে।
১৮। অপচয় ও অপব্যয় থেকে বেঁচে চলতে হবে।
১৯। সন্তান হলে তাদের দ্বীনি তরবিয়তে মনোযোগী হতে হবে।
২০। স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজের ইজ্জত ও চরিত্র হেফাজত করতে হবে।

⚠️ একটি গুরুত্বপূর্ণ নসিহত (খুব জরুরি)
ইসলামে স্ত্রী বন্দি নয়, বরং আমানত।
এই শর্তগুলো তখনই বরকতের হবে যখন—
স্বামী নিজেও নামাজি, পর্দার সহযোগী ও দ্বীনের উপর থাকবে।শর্ত মানানোর আগে নিজে আমল করবে ভালোবাসা, রহমত ও হিকমাহ দিয়ে সংসার চালাবে

📖 “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে-ই, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।” (তিরমিজি) "

09/02/2026

🤍💫 বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে করা যায় এমন সুন্দর অঙ্গীকারসমূহঃ-

১। আমি তোমার সাথে সদাচরণ করব
— রাগ, কষ্ট বা ভুলের মাঝেও সম্মান বজায় রাখব।
২। আমি তোমাকে কখনো জুলুম করব না
— কথা, আচরণ বা কাজে অন্যায় করব না।
৩। আমি তোমার ভরণপোষণের দায়িত্ব নেব
— খাবার, পোশাক ও বাসস্থানে অবহেলা করব না।
৪। আমি তোমার সম্মান ও ইজ্জত রক্ষা করব
— মানুষ বা পরিবারের সামনে অপমান করব না।

৫। আমি তোমার দোষ গোপন রাখব
— তোমার দুর্বলতা কখনো অন্যের কাছে প্রকাশ করব না।
৬। আমি তোমার কথা মন দিয়ে শুনব
— তোমার অনুভূতিকে তুচ্ছ করব না।
৭। আমি রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখব
— গালি, চিৎকার বা হাত তোলা থেকে দূরে থাকব।
৮। আমি তোমাকে সময় দেব
— কাজের ব্যস্ততার মাঝেও তোমার গুরুত্ব কমাব না।
৯। আমি তোমার পরিবারের সম্মান রাখব
— তোমার বাবা-মাকে নিজের বাবা-মার মতো সম্মান করব।

১০। আমি তোমার ভালো দিকগুলো মনে রাখব
— শুধু ভুল নয়, গুণগুলোও দেখব।
১১। আমি তোমাকে দ্বীনের পথে সহযোগিতা করব
— নামাজ, পর্দা ও ভালো আমলে সাহায্য করব।
১২। আমি তোমাকে তুলনা করব না
— অন্য কারো সাথে তোমার তুলনা করে কষ্ট দেব না।
১৩। আমি সন্দেহ নয়, বিশ্বাস গড়ে তুলব
— প্রমাণ ছাড়া বদগুমানি করব না।
১৪। আমি তোমার স্বপ্ন ও চাওয়াকে সম্মান করব
— হালাল সীমার মধ্যে তোমার ইচ্ছাগুলোকে মূল্য দেব।

১৫। আমি ক্ষমাশীল থাকার চেষ্টা করব
— ছোট ভুলে বড় শাস্তি দেব না।
১৬। আমি তোমাকে একা ফেলে দেব না
— দুঃখে-সুখে পাশে থাকব।
১৭। আমি আমাদের ঘরকে শান্তির জায়গা বানাব
— যেখানে নিরাপত্তা ও ভালোবাসা থাকবে।
১৮। আমি তোমার সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেব
— একতরফা কর্তৃত্ব দেখাব না।
১৯। আমি আল্লাহকে ভয় করে তোমার হক আদায় করব
— কারণ তুমি আমার আমানত।
২০। একাধিক বিয়ের বিষয়ে তোমার অধিকার সম্মান করব
— শরিয়তের সীমা ও ন্যায় বজায় রাখব, অন্যায় সিদ্ধান্ত নেব না।
২১। আমি জান্নাতের সাথী হওয়ার নিয়তে তোমাকে গ্রহণ করেছি
— দুনিয়ার জন্য নয়, আখিরাতের জন্য।

Want your business to be the top-listed Media Company in Tangail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Tangail