Sabar
সবাই যখন ছেড়ে যায়, তখন বুঝা যায়—আল্লাহই একমাত্র ভরসা.!🖤
08/06/2026
দাজ্জাল তো অনেক পরের কথা,
কোথাকার কোন আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাসী মুশরিক বা কাফের খেলোয়াড়। একটু পায়ের ভেলকি দেখায়, লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি মানুষ হুমড়ি খেয়ে তার ভক্ত হয়ে ঈমানি চেতনা, আমলি চেতনা, তাকওয়া-তাহারাত সব ধুয়ে বসে থাকে। 🖤
Sabar
27/05/2026
আরাফাতের ময়দানে এই গন উল্লাস দেখলেই মনে পড়ে যায় সে-ই গুহার কথা যখন নবী ভয়ে ছিল কে বিশ্বাস
করবে তার কথা!অথচ আজ লাখো মানুষের উত্তাল টেউ...
এই গনজোয়ার দেখলে কতটা খুশি হতেন প্রিয় নবী (ﷺ).!
একথা ভাবলেই তনু মন শিউরে উঠে আবেগে গর্বে আনন্দে খুশিতে......🤍🫀🎀
✍️
৩৬৫ দিনের এই ব্যস্ত জীবনে
আমরা কত ভুল করি, কত গুনাহে জড়িয়ে পড়ি।
তবুও আল্লাহ আমাদের জন্য রেখেছেন এক মহিমান্বিত দিন—
আরাফার দিন।
যে দিনে দোয়া কবুল হয়,
গুনাহ মাফ হয়,
আর রহমত ঝরে আকাশ ভরে।
বছরের শ্রেষ্ঠ দিনগুলোর একটি —
পবিত্র আরাফার দিন।
আলহামদুলিল্লাহ 🌸
এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
— Ammarul Hoque (Hafi.)
26/05/2026
আজ থেকে প্রায় সাড়ে ১৪০০ বছর আগের এক নিঝুম রাত।
হেরা গুহা থেকে ফিরে এসে আল্লাহর রাসূল ﷺ কাঁপছিলেন। অচেনা এক ভয়, প্রচণ্ড আবেগ আর নবুয়তের এক বিশাল দায়িত্বের ভারে তাঁর পবিত্র শরীর তখন থরথর করে কাঁপছে।
তিনি তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী, ইসলামের প্রথম অবলম্বন হযরত খাদিজাতুল কুবরা (রা.)-এর কাছে ছুটে গিয়ে চাদর গায়ে জড়িয়ে নিলেন। মনের গভীর আকুলতায় জিজ্ঞেস করলেন,"হে খাদিজা! আমাকে কে বিশ্বাস করবে?"
তখন পুরো মক্কায় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিলো না। কিন্তু খাদিজা (রা.) তাঁর হাত ধরলেন। সেই পরম মুহূর্তে, অটল বিশ্বাস আর শান্ত কণ্ঠে তিনি যে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন,
“আমি বিশ্বাস করবো! আল্লাহর কসম, তিনি আপনাকে কখনো লাঞ্ছিত করবেন না। আপনি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান...”
আর অন্তরের গভীর থেকে বিশ্বাস করেছিলেন, আজ আরবরা বিশ্বাস না করলেও, একদিন এই পুরো জাহান আপনার আনীত দ্বীনকে বিশ্বাস করবে... ইন শা আল্লাহ!🌻
আর আজ একবার তাকিয়ে দেখুন আরাফার ময়দানের এই অভূতপূর্ব, স্বর্গীয় দৃশ্যের দিকে! লক্ষ লক্ষ মানুষ, সব ভেদাভেদ ভুলে সাদা কাফনসদৃশ ইহরামে ঢেকে, এক আল্লাহর সামনে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে আছে।
লব্বায়েক আল্লাহুম্মা লব্বায়েক ধ্বনিতে মুখরিত আকাশ-বাতাস।
১৪০০ বছর আগে মক্কার এক নির্জন ঘরে যিনি একা দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “আমাকে কে বিশ্বাস করবে?”
আজ তাঁর উম্মত পৃথিবীর প্রতিটি কোণায়, প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গেছে। প্রতিদিন পাঁচবার আজানের ধ্বনিতে তাঁর নাম প্রতিধ্বনিত হয় পৃথিবীর আকাশে।🌻
এই তো সেই বিশ্বাসের এক মহিমান্বিত জয়যাত্রা। খাদিজা (রা.)-এর সেই অটল বিশ্বাস আজ সত্য হয়েছে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ! আমরা সেই মহান নবীর উম্মত হতে পেরে ধন্য। ❤️
25/05/2026
আল্লাহু আকবার,আরাফাতের ময়দানে হাজীদের ভিড়,🌸
লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্ নি’মাতা, লাকা ওয়াল মুলক লা শারিকা লাক!🤍
30/04/2026
ইল্লা মা শা আল্লাহ্, কত সুন্দর চিন্তা ভাবনা! এক ব্যাক্তি মোবাইলে তার স্ত্রীর নাম্বারটা "ওসিয়্যাতুল রাসূল" নামে সেভ করে রেখেছে
ওনার এক ছাত্র বেশ কৌতূহলী হয়ে এর কারণ জিজ্ঞেস করল। উত্তরে তিনি বললেন, ওসিয়্যাতুল রাসূল অর্থাৎ সেই নারী যার বাপ্যারে রাসূল (সা:) তার উম্মতকে হুশিয়ারী ভাষায় ওসিয়্যত করে গেছেন। কয়েক হাদিসে বিভিন্ন শব্দে বিভিন্নভাবে এ নির্দেশ দিয়ে গেছেন।
তো আমি "ওসিয়্যাতুল রাসূল" লিখে রাখলাম, কারণ যাতে কখনো এমন যেন না হয় যে ওনি কল দিলো আর আমি রেগে আছি। হতে পারে রাগবশত আমি ওনার ফোন ওঠালাম না অথবা কোনো কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে কল কেটে দিলাম, ভ্রুক্ষেপ করলাম না। তখন এই নামটা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিবে যে, স্ত্রীর সাথে সু-আচরণ করতে রাসূল (সা:) নির্দেশ দিয়ে গেছেন।
কথা – সংগৃহীত
"আপনার স্ত্রীকে রাণীর মর্যাদা দিন, বিনিময়ে তিনি আপনাকে রাজার মর্যাদা দিবেন।
সাফিয়্যা (রা.) ছিলেন, নবীজির অন্যতম স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পীঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো।
তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রা.) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় ওঠে বসতেন। [সহিহ বুখারি: ৪২১১]
আম্মাজান সাফিয়্যা (রা.) বলেন,❝একবার রাসূল ﷺ তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্বে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আমার উট বসে পড়ল, কারণ ওটা ছিল সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম
নবী ﷺ আমার কাছে আসলেন আর আমার চোখের জল নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।❞ [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৩৩৭]
সুবহানাল্লাহ!.....
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটি তাঁর স্ত্রীর সাহায্যে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পীঠে চড়েন!
কী অসাধারণ দৃশ্য! কী চমৎকার বিনয় ও ভালবাসা! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দেন
অন্য হাদিসে এসেছে, তিনি উঠের পীঠে তন্দ্রালু হয়ে পড়তেন, তখন নবীজি তাঁর মাথা ধরে রাখতেন! একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীর কাছ থেকে আর কী চায়?
একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রা.) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন?
কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।
হাদিসে এসেছে,❝রাসূল ﷺ যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃ*ত্যুশয্যায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রা.) বললেন
হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ মুখটিপে হাসলেন
রাসূল ﷺ তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেল।’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন?’ তিনি জবাবে বললেন,‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছ। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলছে।❞
[তবাকাতে ইবনে সা'দ: ৮/১০১]
জ্বী, এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীরা বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দিবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেখাবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃণা ফিরিয়ে দেবে।
Collected
হযরত মুহাম্মদ সাঃ একবার বলেছিলেন যে,
নিঃসন্দেহে শয়তান একবার আল্লাহকে বলেছিল, "হে আমার রব, আপনার সম্মানের কসম, যতক্ষণ আপনার বান্দার শরীরে নিঃশ্বাস থাকবে, ততক্ষণ আমি আপনার বান্দাকে পাপের দিকে ঠেলতে থাকবো।" উত্তরে আল্লাহ তায়ালা বলেছিল, "আমার সম্মান ও মর্যাদার কসম..
যতক্ষণ আমার বান্দা আমার কাছে মাফ চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করতেই থাকবো।"
সুবহানআল্লাহ..!!
Click here to claim your Sponsored Listing.