Splendid Science
09/11/2025
একবার ভাবুন তো—একটা পাখি, যার গলায় বিদ্ধ আছে বর্শা, তবুও সে উড়ছে… হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ফিরে আসছে নিজের দেশে!
শুনতে অবিশ্বাস্য লাগছে? কিন্তু এটা কোনো সিনেমার কাহিনি নয় — এটি ১৮২২ সালের এক বাস্তব ঘটনা, যা পাখিবিজ্ঞান আর মানুষের অন্ধবিশ্বাস, দুটোই চিরতরে বদলে দিয়েছিল।১৮২২ সালের আগে পর্যন্ত ইউরোপের বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন, শীত এলে পাখিরা নাকি কাদার নিচে ঘুমিয়ে পড়ে, অথবা অন্য প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়। আজ শুনে হাস্যকর লাগলেও, তখন এটা ছিল প্রতিষ্ঠিত ধারণা!ঠিক তখনই জার্মানিতে ধরা পড়ল এক আশ্চর্য সারস পাখি — যার ঘাড় ভেদ করে আছে এক বর্শা! বিশ্লেষণে দেখা গেল, বর্শাটি আফ্রিকান উপকূলের, অর্থাৎ পাখিটা ইউরোপ থেকে হাজার মাইল উড়ে আফ্রিকায় গিয়েছিল, সেখানে আঘাত পেয়েছিল, তারপর সেই বর্শা গলায় নিয়েই আবার ইউরোপে ফিরে এসেছে!এই এক ঘটনাই বদলে দিল পৃথিবীর ধারণা। বিজ্ঞানীরা প্রথম প্রমাণ পেলেন — পাখিরা হারিয়ে যায় না, তারা “পরিযায়ী”। তারা মৌসুম বদলের সঙ্গে সঙ্গে মহাদেশ পেরিয়ে যায় বাঁচার তাগিদে।আজ সেই সারস পাখিটিই ইতিহাসের অংশ — তার নাম দেওয়া হয়েছে “Pfeilstorch” (জার্মান ভাষায় অর্থ “তীর-বিদ্ধ সারস”)। এখনো সেটি সংরক্ষিত আছে জার্মানির Zoological Collection, Rostock University Museum-এ।একটা আহত পাখির অবিশ্বাস্য টিকে থাকার গল্পই আজ আমাদের শেখায়—প্রকৃতি কখনো থেমে থাকে না,প্রমাণ সবসময় লুকিয়ে থাকে তাদের মধ্যেই যারা অসম্ভবকে সম্ভব করে।
14/10/2025
ডোডো ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি স্তন্যপায়ীদের তুলনায় জটিল, কারণ পাখিরা ডিম থেকে জন্মায়। তাই স্তন্যপায়ীদের মতো তাদের ক্লোন করা সম্ভব নয়, তাই এই প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়ে। ফলে একাধিক প্রজন্ম তৈরি ও জিন সম্পাদনের মাধ্যমে প্রজনন করাই একমাত্র উপায়।
31/03/2025
With Numan Muttaki – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
25/03/2025
প্রায় ২৮ কোটি বছরের পুরনো এই ক্রিনয়েডগুলোর (Crinoid) ফসিলের সন্ধান মিলেছে বর্তমান অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চল থেকে।
#বিজ্ঞানপোকা
একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে যে পৃথিবীর গভীরে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন গ্যাস মজুত রয়েছে, যা এখন পর্যন্ত অব্যবহৃত রয়ে গেছে।এই শক্তি সম্পদ পৃথিবীকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শক্তি জোগাতে সক্ষম হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ (U.S. Geological Survey)-এর জিওফ্রি এলিসের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় বলা হয়েছে, এই লুকিয়ে থাকা মজুত এত বিশাল যে এটি আগামী ১,০০০ বছর ধরে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
এরই মধ্যে আলবেনিয়া এবং মালির মতো কিছু অঞ্চলে হাইড্রোজেনের মজুত শনাক্ত করা হয়েছে। তবে গবেষকরা মনে করেন, বিশ্বজুড়ে এমন আরও অনেক মজুত থাকতে পারে। যদিও এর বেশিরভাগই হয়তো অত্যন্ত গভীরে বা সমুদ্রের নিচে অবস্থান করছে, যা বড় পরিসরে উত্তোলনকে কঠিন করে তুলতে পারে।
তবু গবেষণায় বলা হয়েছে, অনুমানকৃত মোট মজুতের মাত্র ২% কাজে লাগালেই আগামী ২০০ বছরের জন্য বিশ্বে হাইড্রোজেনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে, যা নেট-শূন্য (net-zero) কার্বন নির্গমন লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়ক হতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet