Sultan Mahmud
বোলার সাকিব আল হাসান ⤵️ (তিন ফরম্যাটে মিলিয়ে)
⏩০ রানে ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৭০ বার!
⏩ ১ থেকে ৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ১৯৯ বার!
⏩ ১০ থেকে ১৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ১২৮ বার!
⏩২০ থেকে ২৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৮৮ বার!
⏩৩০ থেকে ৩৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৫৫ বার!
⏩৪০ থেকে ৪৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৩৬ বার!
⏩৫০ থেকে ৮৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৫৮ বার!
⏩৯০ থেকে ৯৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৭ বার!
⏩১০০ থেকে ১৪৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ১৭ বার!
⏩১৫০ থেকে ১৯৯ রান নেওয়া ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৫ বার!
⏩ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৫০৬ বার!
⏩বামহাতি ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ১৫৭ বার!
⏩ওপেনারদের আউট করেছেন ১৫৫ বার!
⏩তিনে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৮৯ বার!
⏩চারে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৭৯ বার!
⏩পাঁচে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৭৭ বার!
⏩ছয়ে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৬৪ বার!
⏩সাতে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৬২ বার!
⏩আটে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৪৮ বার!
⏩নয়ে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ৪২ বার!
⏩দশে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ২৭ বার!
⏩এগারোতে নামা ব্যাটসম্যানদের আউট করেছেন ২০ বার!
⏩টোটাল ওভার করেছেন ৪৮১০.৫ টি!
⏩মেইডেন দিয়েছেন ৫৬২ ওভার!
⏩টোটাল বল সংখ্যা ২৮৮৬৩ টি!
⏩রান দিয়েছেন ১৮৭০০ টি!
⏩উইকেট নিয়েছেন ৬৬৩ টি!
⏩৫ উইকেট ২৪ বার!
⏩১০ উইকেট ২ বার!
⏩৩৫৮ ক্যাচ উইকেট!
⏩১৩৬ বোল্ড উইকেট!
⏩১১৯ এলবিডব্লিউ উইকেট!
⏩৪৯ স্টাম্পিং উইকেট!
⏩১ হিট উইকেট!
আমাদের জীবন্ত কিংবদন্তী খন্দকার সাকিব আল হাসান!❤️
©
01/03/2023
একটুখানি সুখের আশায় কত কিছু করলাম
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বাড়ি গাড়ি গড়লাম।
গ্রামের পরে গ্রাম কিনিয়া হইলাম জমিদার
সুন্দরী বউ ঘরে এনে সাজাইলাম সংসার।
গড়লাম রঙিন দালান কোঠা গড়লাম বালাখানা
জোগাড় করলাম হীরা মতি মুক্তা সোনাদানা।
রাজপ্রাসাদে লক্ষ টাকার জাজিম পেতে শুই
কেন জানি ঘুম আসে না একলা জেগে রই।
জগতের সব অস্থিরতা মাথায় করে ভর
বুকে ওঠে থেকে থেকে বিষণ্ণতার ঝড়।
বিশ্বভুবন লাগে বড় তিক্ত বিষাদময়।
ধন-দৌলত আর প্রাচুর্য কে ও তুচ্ছ মনে হয়।
একলা জেগে ছটফট করি স্তব্ধ নিঝুম রাত
নিল জোছনা জানালা দিয়ে বাড়িয়ে দিলো হাত।
মুছে দিল চোখে উঠা বিষন্নতার জল
জোছনা জলে দুঃখরা সব হয়ে গেল তল।
আকাশ ভরা তারার মেলা ফুল ফুটেছে বনে
পূর্ণিমা চাঁদ করছে খেলা সাদা মেঘের সনে।
উদাস আঁখি হারিয়ে গেল হাজার তারার ভীড়ে
মেঘের দেশে চাঁদের দেশে সুখ সাগরের তীরে।
হাজার রঙের ফুল ফুটেছে বকুল চাপার বনে
দখিন হাওয়া সেথায় যেতে আঁচল ধরে টানে।
প্রেমের টানে ফুল বনে যাই গন্ধে ভরি বুক
মুগ্ধমনে আঁচল ভরে কুড়াই যত সুখ।
মাটির গায়ে সবুজ চাদর আকাশ ভরা নীল
দিঘির জলে হাঁসের খেলা দূর গগনে চিল।
তারা আমায় ডেকে বলে আয়রে ছুটে আয়
দুঃখে ভরা প্রাসাদ ছেড়ে সুখের দুনিয়ায়।
সকল ফেলে হারিয়ে যাই আউল-বাউল বেশে
জোছনা জোনাক চন্দ্র তারা ফুল পাখিদের দেশে।
প্রকৃতিতেই সুখ খুঁজে পায় বৈরাগী এ মন
বাড়ি গাড়ি যোগাড় করলাম শুধু অকারণ।
বটের ছায়ায় মাথা রেখে শীতল হাওয়ার বুকে
সকল ফেলে ঘুমাই আমি মহা শান্তি সুখে।
ফুলের সুবাস অঙ্গে পড়ি জোছনা বেজে খাই
টাকার অভাব থাকলে ও আমার সুখের অভাব না।
প্রকৃতির সুখ
ফেরদৌস আহমেদ
ছবি সংগৃহিত
একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ দিলো।
মাত্র শুঁকিয়ে যাওয়া পুকুরটিতে কাঁদা ছাড়া কোনো
পানি ছিল না। গরুর পেছন পেছন বাঘটিও ঝাপ দিল। বাঘ ও গরু কাঁদায় গলা পর্যন্ত আটকে গেল।
বাঘ রেগে মেগে বলে, "কিরে হারামী তুই আর লাফ দেয়ার জায়গা পেলি না? ডাঙায় থাকলে তোকে না হয় একটু কুড়মুড় করে খেতাম। এখনতো দুজনেই
মরব রে।" গরু হেসে বলে, "তোমার কি মালিক আছে? বাঘ রেগে বলে, বেটা আমি হলাম বনের রাজা। আমার আবার মালিক কে। আমি নিজেইতো বনের মালিক। গরু বলে তুমি এখানেই দুর্বল। একটু পর আমার মালিক আসবে। এসে
আমাকে এখান থেকে তুলে নিয়ে যাবে। আর তোমাকে পিটিয়ে মারবে। বাঘ বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে রইল। ঠিকই সন্ধ্যা বেলায় গরুটির মালিক
এসে বাঘটার মাথায় বাঁশ দিয়ে কয়েকটা বাড়ি দিয়ে মেরে গরুটিকে টেনে তুলল। গরু হাসতে হাসতে বাড়ি চলে গেল আর বাঘটি মরে একা একা পড়ে রইল।
মূলকথাঃ আমরা যারা মালিকের উপর ভরসা করি আমাদের উপর যত বড় বিপদই আসুক না কেনো,
আমাদের মালিক ( আল্লাহ ) ঠিকই আমাদেরকে রক্ষা করবেন। হয়তো সন্ধ্যা পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করতে হবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন আমীন।
- Sultan Mahmud
24/01/2023
🔴 *রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর*
জীবনে যত দুঃখ বহন করেছেন.........
১. তের বছর বয়সে মাতৃহারা হন।
২. তাঁর বিয়ের রাতে ভগ্নিপতি মারা যান।
৩. চারমাস পরে আত্মহত্যা করেন যার প্রেরণা ও ভালোবাসায় তিনি কবি হয়ে উঠেছেন, সেই নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী।
৪. ১৯০২ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী ২৯, মারা গেলেন l রবীন্দ্রনাথ তখন একচল্লিশ।
৫. দুই মেয়ের বিয়ের সময় শর্ত ছিল জামাইদের বিলেতে ব্যারিস্টারি ও ডাক্তারি পড়াতে বিলেত পাঠালেন। কিন্তু স্কিছুদিনের মধ্যেই রেনুকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বাঁচানো গেলনা তাঁকে।
৫. ১৯০৫-এ চলে গেলেন পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৭. ১৯০৭ কনিষ্ঠ পুত্রের (১২ বছরের) কলেরায় মৃত্যু।
৮. ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ নোবেল পেলেন l
৯. ১৯১৮ বড়মেয়ে বেলি অসুস্থ, বেলাকে প্রতিদিন গাড়িতে করে দেখতে যেতেন কবি। বাবার হাত ধরে মেয়ে বসে থাকত বিছানায়। আর তখন রবীন্দ্রনাথের জামাই শরৎ টেবিলের ওপর পা তুলে সিগারেট খেতে খেতে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন। একদিন বেলাকে দেখতে গিয়ে মাঝপথে শুনলেন সে মারা গেছে। মেয়েকে শেষ দেখা না দেখে ফিরে এলেন বাড়ি। পুত্র রথীন্দ্রনাথ লিখেছেন বাড়িতে এসে তিনি কাউকে বুঝতে দিলেন না কি শোকে, কি অপমানে, কি অসহ্য বেদনার মধ্য দিয়ে তিনি সন্তানকে হারিয়েছেন।
১০. কবির ছোটমেয়ে মীরার বিয়ে দিয়েছিলেন নগেন্দ্রনাথের সঙ্গে যাকে বিলাতে কৃষিবিজ্ঞানী করার জন্য প্রতিমাসে সেইসময় পাঁচশ টাকা করে পাঠাতেন, আর নগেন্দ্র চিঠি লিখে আরও টাকা পাঠানোর তাগাদা দিতেন। প্রত্যুত্তরে কবি লিখতেন, আমার জমিদারী থেকে প্রতিমাসে পাঁচশ টাকাই পাই, তার পুরোটাই তোমাকে পাঠাই। সেই নগেন্দ্র বিলাত থেকে ফিরে দুই সন্তান সহ মীরাকে পরিত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান। কবির তিন জামাই যাদের প্রত্যেককে বিদেশে পড়িয়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা প্রতেকেই কোন না কোন ভাবে কবিকে দুঃখ দিয়েছেন। সারাজীবনে কবি দুঃখ পেয়েছেন বারেবারে, অপমানিত-উপেক্ষিতও হয়েছেন অসংখ্যবার।
১১. আর্জেন্টিনার কবিপ্রেমী লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পর সাথে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে কুৎসা করে সংবাদপত্রও প্রকাশিত হয়েছে।
১২. কবি তখন ৬৪, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিক l কবির নোবেল প্রাপ্তি নিয়েও কিছু লোক তাঁকে ব্যাঙ্গও করেছিলেন। চিঠি লিখে কবির কাছে জানতে চাইছেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার টেকনিক, সেক্ষেত্রে ভাবী পুরস্কারপ্রাপক কবিকে অর্ধেক টাকা দিতেও রাজি।
Click here to claim your Sponsored Listing.