Sonicium Quantum Lab
11/06/2026
With Mejbah Ahammad – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
11/06/2026
হেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা: সোনিসিয়াম কোয়ান্টাম ল্যাবের উদ্ভাবনী গবেষণা
তারিখ: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
বাংলাদেশের প্রথম কোয়ান্টাম স্টার্টআপ সোনিসিয়াম কোয়ান্টাম ল্যাব সম্প্রতি হেপাটাইটিস বি ভাইরাস (HBV) চিকিৎসা নিয়ে একটি নতুন বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণধর্মী আর্টিকেল প্রকাশ করেছে, যা ভবিষ্যৎ চিকিৎসাবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিতে পারে। বহু বছর ধরে হেপাটাইটিস বি বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দীর্ঘমেয়াদী হেপাটাইটিস বি সংক্রমণে ভুগছেন। এই ভাইরাস দীর্ঘ সময় শরীরে অবস্থান করতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে লিভার সিরোসিস, লিভার ফেলিউর বা লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
বর্তমান চিকিৎসা পদ্ধতিতে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলেও সম্পূর্ণ নির্মূল এখনও কঠিন। এই বাস্তবতায় সোনিসিয়াম কোয়ান্টাম ল্যাবের গবেষণা নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। গবেষণায় দেখানো হয়েছে, ভাইরাসের বাইরের সুরক্ষামূলক কাঠামো বা ক্যাপসিড লক্ষ্য করে চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নত করা গেলে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর সমাধান পাওয়া যেতে পারে।
বর্তমান চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা: কেন রোগ পুরোপুরি সারে না?
বর্তমানে হেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় ব্যবহৃত এনটেকাভির (Entecavir), টেনোফোভির (Tenofovir) ইত্যাদি ওষুধ ভাইরাসের প্রতিলিপি তৈরির প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। অর্থাৎ ভাইরাস নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ার গতি কমে যায়। এতে রোগীর শারীরিক অবস্থা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং লিভারের ক্ষতি কমে।
তবে বড় সীমাবদ্ধতা হলো, এই ওষুধগুলো ভাইরাসের আগে থেকে তৈরি হয়ে থাকা সুরক্ষামূলক ক্যাপসিড কাঠামোকে সরাসরি অপসারণ করতে পারে না। ফলে শরীরের কিছু কোষে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় অবস্থায় লুকিয়ে থাকতে পারে। চিকিৎসা বন্ধ হলে আবারও ভাইরাস সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এ কারণেই অনেক রোগীর দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন হয়।
সোনিসিয়াম কোয়ান্টাম ল্যাবের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভবিষ্যৎ চিকিৎসায় শুধুমাত্র ভাইরাসের বৃদ্ধি থামানো নয়, বরং তার সুরক্ষিত কাঠামোকে দুর্বল করার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।
ক্যাপসিড কী এবং কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?
ভাইরাসের ভেতরে থাকে তার জিনগত উপাদান, যা ডিএনএ আকারে সংরক্ষিত থাকে। এই ডিএনএকে সুরক্ষা দেয় একটি প্রোটিন-নির্মিত আবরণ, যাকে বলা হয় ক্যাপসিড। এটি ভাইরাসের জন্য ঢালস্বরূপ কাজ করে।
এই ক্যাপসিড যদি অক্ষত থাকে, তাহলে ভাইরাস দীর্ঘ সময় কোষের ভেতরে টিকে থাকতে পারে। কিন্তু যদি ক্যাপসিডের স্থিতিশীলতা কমিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে ভাইরাসের অভ্যন্তরীণ গঠন দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা সহজে মোকাবিলা করতে পারে।
এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই নতুন গবেষণায় Capsid Destabilization Therapy বা ক্যাপসিড স্থিতিশীলতা ভাঙার থেরাপির সম্ভাবনা আলোচনা করা হয়েছে।
কোয়ান্টাম প্রযুক্তির ব্যবহার: নতুন প্রজন্মের গবেষণা পদ্ধতি
সোনিসিয়াম কোয়ান্টাম ল্যাবের বিশেষত্ব হলো তারা উন্নত কম্পিউটেশনাল মডেল, কোয়ান্টাম-অনুপ্রাণিত বিশ্লেষণ এবং স্ট্রাকচারাল ডাটা ব্যবহার করে ভাইরাসের জটিল আচরণ বোঝার চেষ্টা করছে।
গবেষণায় HBV-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন ইন্টারফেস অংশ বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যেখানে ছোট আকারের উপযুক্ত অণু প্রবেশ করতে পারলে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সহজভাবে বলা যায়, বাইরে থেকে শক্তিশালী মনে হলেও ভাইরাসের এই সুরক্ষামূলক গঠনে এমন কিছু সূক্ষ্ম অঞ্চল রয়েছে, যেগুলো সঠিকভাবে লক্ষ্য করতে পারলে তার স্থিতিশীলতা কমে যেতে পারে।
এই ধরনের বিশ্লেষণে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-অনুপ্রাণিত পদ্ধতি ভবিষ্যতে ওষুধ আবিষ্কারকে আরও দ্রুত ও নির্ভুল করতে সহায়তা করতে পারে।
ভবিষ্যতের ওষুধ কেমন হতে পারে?
গবেষণায় এমন কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে, যা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অ্যান্টি-HBV ওষুধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যেমন:
ছোট ও সুনির্দিষ্ট আণবিক আকার
কোষের ভেতরে প্রবেশের উপযোগী রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য
ভাইরাসের ক্যাপসিডের নির্দিষ্ট অংশে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা
মানবদেহে নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত কার্যকারিতা
এ ধরনের যৌগ ভাইরাসের বাইরের কাঠামোকে দুর্বল করে দিতে পারে, যার ফলে প্রচলিত ওষুধের সাথে মিলিয়ে আরও ভালো ফল পাওয়া সম্ভব হতে পারে।
কেন এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ?
হেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় বহু বছর ধরে প্রধান লক্ষ্য ছিল ভাইরাসের সংখ্যা কমানো। কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারছেন, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ভাইরাসের সুরক্ষিত অবস্থানকেও লক্ষ্য করা দরকার।
সোনিসিয়াম কোয়ান্টাম ল্যাবের এই গবেষণা সেই দিকেই একটি আধুনিক পদক্ষেপ। এটি দেখাচ্ছে, ভবিষ্যতের চিকিৎসা শুধু ভাইরাসের বৃদ্ধি থামাবে না, বরং ভাইরাসের টিকে থাকার কৌশলও দুর্বল করতে পারে।
যদি পরবর্তী পর্যায়ের ল্যাব গবেষণা, ক্লিনিক্যাল যাচাই এবং নিরাপত্তা পরীক্ষা সফল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে হেপাটাইটিস বি চিকিৎসায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়
বাংলাদেশের প্রথম কোয়ান্টাম স্টার্টআপ হিসেবে সোনিসিয়াম কোয়ান্টাম ল্যাব এমন একটি আন্তর্জাতিকমানের গবেষণা ভাবনা সামনে এনেছে, যা দেশের প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের সক্ষমতাকে নতুনভাবে তুলে ধরে।
বাংলাদেশ থেকে উদ্ভাবনী গবেষণা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, বায়োমেডিকেল মডেলিং এবং ভবিষ্যৎ ওষুধ উন্নয়নের মতো বিষয়ে কাজ হওয়া নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক বার্তা। এটি নতুন প্রজন্মের বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা এবং গবেষকদেরও অনুপ্রাণিত করবে।
বাস্তবায়নের আগে কী কী ধাপ বাকি?
যেকোনো নতুন চিকিৎসা ধারণার মতোই, এই গবেষণার ক্ষেত্রেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ রয়েছে:
1. ল্যাবরেটরিতে প্রোটিন স্তরে যাচাই
2. ভাইরাস কাঠামোর ওপর কার্যকারিতা পরীক্ষা
3. নিরাপদ যৌগ নির্বাচন
4. প্রাণীভিত্তিক প্রাথমিক গবেষণা
5. মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল
অর্থাৎ এটি একটি আশাব্যঞ্জক গবেষণা দিকনির্দেশনা, তবে বাস্তব ওষুধে রূপ নিতে আরও সময়, পরীক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
উপসংহার
বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। হেপাটাইটিস বি দীর্ঘদিন ধরে একটি কঠিন স্বাস্থ্যচ্যালেঞ্জ হলেও আধুনিক কম্পিউটেশনাল বিজ্ঞান, কোয়ান্টাম-অনুপ্রাণিত বিশ্লেষণ এবং ভাইরাস কাঠামো-কেন্দ্রিক গবেষণা ভবিষ্যতে নতুন সমাধান এনে দিতে পারে।
#হেপাটাইটিসবি #সোনিসিয়ামকোয়ান্টামল্যাব #নতুনসম্ভাবনা #চিকিৎসাবিজ্ঞান #গবেষণা #জনস্বাস্থ্য #লিভারসিরোসিস #স্বাস্থ্যসেবা #বাংলাদেশ
24/05/2026
🖥️ লোকাল সিস্টেমে চালান এআই — ইন্টারনেট ছাড়াই
আপনার অফিসের কম্পিউটারেই এখন চলবে শক্তিশালী AI।
কোনো ক্লাউড নয়। কোনো সাবস্ক্রিপশন নয়। কোনো ডেটা লিক নয়।
✅ একবার সেটআপ — আজীবন ব্যবহার
✅ ৫০+ স্টাফ একসাথে ব্যবহার করতে পারবেন
✅ বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায়
✅ আপনার কোম্পানির ডেটায় কাস্টমাইজড
Sonicium Quantum Lab — বাংলাদেশের প্রথম Quantum AI Research Company
📍 গুলশান · বনানী · উত্তরা — কর্পোরেট প্যাকেজ এখন উপলব্ধ
👉 ফ্রি কনসালটেশন পেতে এখনই Message করুন
20/05/2026
Join us for the official launch event of Kepler Q-Max, the latest Quantum AI model developed by Sonicium Ltd� through the innovative resear
Join us for the official launch event of Kepler Q-Max, the latest Quantum AI model developed by Sonicium Ltd through the innovative research division, Sonicium Quantum Lab.
North South University Varendra University Mejbah Ahammad MD Hussain Billah Bangladesh ICT & Innovation Network Nasrullah Masud
18/05/2026
প্রেস রিলিজ
বাংলাদেশের ৮৫ কিউবিটের Kepler Q-Max V3.0 মডেল উন্মোচন করলো
ঢাকা, বাংলাদেশ — বাংলাদেশের উদীয়মান কোয়ান্টাম গবেষণা প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন প্রজন্মের কোয়ান্টাম মেশিন লার্নিং সিস্টেম Kepler Q-Max V3.0 উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, এটি একটি ৮৫ কিউবিট ভিত্তিক QAOA (Quantum Approximate Optimization Algorithm) চালিত উন্নত কোয়ান্টাম এআই মডেল, যা বাস্তব IBM Quantum হার্ডওয়্যারে সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে।
সাম্প্রতিক প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, Kepler Q-Max V3.0 মডেলটি IBM-এর ibm_marrakesh কোয়ান্টাম ব্যাকএন্ডে পরিচালিত হয়েছে এবং এতে IBM Heron r2 কোয়ান্টাম প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মডেলটি ৪৫৫,৭৪০ স্যাম্পল বিশিষ্ট একটি বৃহৎ ডেটাসেট বিশ্লেষণ করেছে এবং পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ৯৫.৭৮% টেস্ট একুরেসি অর্জন করেছে। একইসাথে মডেলটির ট্রেনিং একুরেসি ছিল ৯৯.৪৩%।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, Kepler Q-Max V3.0 শুধুমাত্র একটি পরীক্ষামূলক সফটওয়্যার নয়; বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ Hybrid Quantum Machine Learning Framework, যেখানে Quantum Optimization, Variational Circuits এবং Classical Optimization একত্রে কাজ করে। পুরো সিস্টেমটি QAOA ভিত্তিক একটি বহুপদী কোয়ান্টাম আর্কিটেকচারের উপর নির্মিত।
গবেষণা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, মডেলটিতে মোট ৮৫টি কিউবিট ব্যবহার করা হয়েছে এবং সার্কিট ডেপথ ছিল ১১। পাশাপাশি ২,৮০৫টি ট্রেইনেবল প্যারামিটার ব্যবহৃত হয়েছে। কোয়ান্টাম সার্কিটের Fidelity 0.9987 এবং Measurement Fidelity 0.9991 রিপোর্ট করা হয়েছে, যা বাস্তব কোয়ান্টাম হার্ডওয়্যারে একটি উচ্চমানের কার্যকারিতা নির্দেশ করে।
-এর গবেষণা বিভাগ জানায়, এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল Quantum Artificial Intelligence-কে বাস্তব শিল্প ও গবেষণামূলক ব্যবহারের দিকে এগিয়ে নেওয়া। বিশেষভাবে, বড় আকারের ডেটাসেটের উপর Quantum Optimization প্রয়োগ এবং Real Quantum Processing Unit (QPU)-এ কার্যকর এক্সিকিউশন নিশ্চিত করাই ছিল প্রকল্পটির মূল ফোকাস।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী Hussain Billah বলেন,
> “বাংলাদেশ থেকে Quantum AI গবেষণায় আন্তর্জাতিক মানের অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। Kepler Q-Max V3.0 আমাদের জন্য শুধু একটি প্রযুক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে উন্নয়নশীল দেশ থেকেও বাস্তব Quantum Infrastructure ব্যবহার করে উচ্চমানের গবেষণা পরিচালনা সম্ভব।”
তিনি আরও জানান, দলটি শুধুমাত্র মডেল তৈরি করেই থেমে থাকছে না; বরং Quantum Verification, Hardware Integrity এবং Reproducibility-এর মতো বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। গবেষণা প্রতিবেদনে ব্যবহৃত SHA-256 ভিত্তিক Verification Hash, IBM Job Reference এবং Hardware Validation Section-কে এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
Kepler Q-Max V3.0-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর Multi-Platform Compatibility। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মডেলটি Qiskit, PennyLane এবং PyTorch-এর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করতে সক্ষম। এছাড়াও AWS Braket এবং Azure Quantum-এর মতো প্ল্যাটফর্মেও এর সম্ভাব্য সমর্থন রয়েছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় Quantum Machine Learning নিয়ে বাস্তব হার্ডওয়্যার ভিত্তিক গবেষণা এখনও সীমিত। সে বিবেচনায় -এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আঞ্চলিক প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে Quantum Optimization, Drug Discovery, Financial Modeling, Cybersecurity এবং Advanced AI Systems-এর মতো ক্ষেত্রে এই ধরনের গবেষণার ব্যবহারিক সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা দলে কর্মরত বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, Kepler Q-Max সিরিজের ভবিষ্যৎ সংস্করণে আরও উন্নত Quantum Error Mitigation, Dynamic Circuit Optimization এবং Large-Scale Quantum Neural Architecture সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি Quantum-Classical Hybrid Computing-এর উপর একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজও চলছে।
এদিকে, গবেষণা সংশ্লিষ্ট মহলে ইতোমধ্যে Kepler Q-Max V3.0 নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালে পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ, arXiv প্রিপ্রিন্ট সাবমিশন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সম্মেলনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে।
মনে করছে, Quantum Computing আগামী দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হিসেবে বিশ্ব অর্থনীতি, চিকিৎসা গবেষণা, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। আর সেই ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিগত রূপান্তরের অংশ হিসেবেই তারা বাংলাদেশ থেকে একটি শক্তিশালী Quantum Innovation Ecosystem গড়ে তুলতে চায়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, Kepler Q-Max প্রকল্পের আরও বিভিন্ন গবেষণা ফাইল, Hardware Ex*****on Verification, Benchmarking Data এবং Quantum Workflow Documentation ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে।
অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে Quantum Machine Learning, Hybrid AI Infrastructure এবং Advanced Computational Research নিয়ে কাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের দিকেও অগ্রসর হচ্ছে।
North South University Mejbah Ahammad Varendra University MD Hussain Billah Centrist Nation TV
আরও তথ্যের জন্য:
Sonicium Quantum Lab Official
Website https://soniciumquantumlab.com
যোগাযোগ:
[email protected]
Dhaka, Bangladesh
12/05/2026
বাংলাদেশের কোয়ান্টাম বিপ্লব: Hantavirus-এর বিরুদ্ধে বিশ্বের প্রথম ১৩৫-কিউবিট ড্রাগ ডিসকভারি উদ্যোগ
বিশ্ব যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের নতুন যুগে প্রবেশ করছে, তখন বাংলাদেশ থেকেও উদ্ভব হয়েছে এক সাহসী বৈজ্ঞানিক উদ্যোগ। Sonicium Quantum Lab সম্প্রতি Hantavirus-এর বিরুদ্ধে quantum-assisted drug discovery নিয়ে একটি গবেষণা প্রকাশ করেছে, যেখানে বাস্তব IBM Quantum Hardware ব্যবহার করে antiviral drug candidate শনাক্ত করার দাবি করা হয়েছে।
গবেষণাটি নেতৃত্ব দিয়েছেন Hussain Billah। এটি Zenodo-তে DOI সহ প্রকাশিত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে citeable scientific record হিসেবে সংরক্ষিত।
গবেষণা DOI:
https://doi.org/10.5281/zenodo.20137044
কেন এই গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ?
প্রথাগত drug discovery process অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ। একটি নতুন ওষুধ বাজারে আনতে প্রায় ১০–১৫ বছর সময় এবং বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। বিশেষ করে RNA virus-এর ক্ষেত্রে দ্রুত mutation হওয়ার কারণে কার্যকর antiviral therapy তৈরি করা আরও কঠিন হয়ে যায়।
এই প্রেক্ষাপটে quantum computing-ভিত্তিক molecular simulation নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। কারণ quantum computer theoretically এমন molecular interaction simulate করতে পারে যা classical supercomputer-এর জন্য অত্যন্ত জটিল।
Sonicium Quantum Lab-এর গবেষণায় ১৩৫ qubit ব্যবহার করে Hantavirus-এর protein target analysis, molecular docking, ADMET prediction এবং quantum chemistry simulation পরিচালনা করা হয়েছে।
কী ব্যবহার করা হয়েছে এই গবেষণায়?
গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে IBM-এর Heron R2 Quantum Processor (ibm_fez) ব্যবহার করে। মোট ১৫৬ qubit-এর মধ্যে ১৩৫ qubit সক্রিয়ভাবে computational workflow-এ অংশ নেয়।
IBM Quantum Job ID:
d8083qlpa59c73b6mao0
Verification SHA-256 Hash:
62148baf65aa80fb7a396a123497b1f318af370e00a3e86afe295db8eefd3f2c
এই cryptographic hash গবেষণার computational integrity যাচাইয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
গবেষণার মূল quantum framework ছিল Variational Quantum Eigensolver (VQE):
E(θ)=⟨ψ(θ)|H|ψ(θ)⟩
এই algorithm molecular ground-state energy estimate করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং quantum chemistry-তে near-term quantum device-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ approach হিসেবে বিবেচিত।
Reported ground-state energy ছিল:
E = -79.813070 Ha
কোন virus target করা হয়েছে?
গবেষণায় target করা হয়েছে Hantavirus Pulmonary Syndrome সম্পর্কিত viral protein structure। বিশেষ করে Hantavirus Nucleocapsid Protein (PDB: 5FSG) প্রধান target হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই protein viral RNA encapsidation এবং replication-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গবেষণা দল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ antiviral target শনাক্ত করেছে:
- Nucleoprotein
- RNA-dependent RNA Polymerase (RdRp)
- Viral Glycoprotein (Gn/Gc)
কোন ড্রাগ ক্যান্ডিডেট পাওয়া গেছে?
Quantum-enhanced virtual screening-এর মাধ্যমে কয়েকটি promising therapeutic candidate শনাক্ত করা হয়েছে:
- Favipiravir
- Ribavirin
- Monoclonal Antibodies
- Peptide Inhibitors
রিপোর্ট অনুযায়ী Monoclonal Antibody এবং Peptide Inhibitor group সবচেয়ে শক্তিশালী binding affinity দেখিয়েছে (-9.20 kcal/mol)। অন্যদিকে Favipiravir comparatively lower toxicity profile প্রদর্শন করেছে।
Quantum Machine Learning কীভাবে কাজ করেছে?
গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে Advanced Quantum v3 নামে একটি Quantum Machine Learning model, যার claimed accuracy 96.2%।
এই model ব্যবহার করা হয়েছে:
- molecular descriptor encoding
- docking prediction
- feature extraction
- antiviral target prioritization
- ADMET analysis
Quantum feature encoding-এর জন্য ZZFeatureMap এবং amplitude encoding ব্যবহার করা হয়েছে।
এটি কি বাস্তব ওষুধ?
গবেষণাটি বর্তমানে computational stage-এ রয়েছে। অর্থাৎ:
- এটি wet-lab validated drug নয়
- clinical trial সম্পন্ন হয়নি
- এটি AI/Quantum-predicted therapeutic candidate
তবে computational discovery modern drug development-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ।
বাংলাদেশের জন্য এর গুরুত্ব কী?
এই গবেষণা শুধুমাত্র একটি antiviral project নয়; এটি বাংলাদেশের deep-tech capability-এরও একটি প্রতীক।
কারণ:
- Quantum computing infrastructure access
- Large-scale molecular simulation
- AI-driven biomedical research
- Cryptographically verified computational workflow
যদি ভবিষ্যতে laboratory validation সফল হয়, তাহলে বাংলাদেশ South Asia-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ quantum-assisted biomedical research hub হিসেবে পরিচিতি পেতে পারে।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
Sonicium Quantum Lab জানিয়েছে যে তারা ইতোমধ্যে pharmaceutical collaboration নিয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে:
- wet-lab validation
- antiviral assay
- molecular dynamics simulation
- toxicity analysis
- biological testing
পর্যায়গুলোতে অগ্রসর হতে চায়।
উপসংহার
Quantum computing এখনও বিকাশমান প্রযুক্তি। কিন্তু এই গবেষণা দেখাচ্ছে যে উন্নয়নশীল দেশ থেকেও advanced computational drug discovery পরিচালনা করা সম্ভব।
বাংলাদেশের জন্য এটি শুধু একটি বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদন নয়; বরং এটি একটি ঘোষণা—দেশটি এখন শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারকারী নয়, বরং cutting-edge scientific innovation-এর অংশীদার হওয়ার পথেও এগোচ্ছে।
11/05/2026
🌍 Progress against hepatitis is real — but we’re not there yet.
💚A new WHO report shows that global efforts are saving lives, but hepatitis B and C still caused *1.34 million deaths in 2024*.
👉 Every day, over *4,900 people get newly infected*.
👉 Around *287 million people* are living with hepatitis worldwide.
*The good news:*
📉 New hepatitis B infections dropped by 32% since 2015
👍🏾 Deaths from hepatitis C fell by 12%
💉 Vaccines are working, protecting over 95% of people
*But gaps remain:*
⚠️ Less than 5% of people with hepatitis B get treatment
🚨 Only 20% of hepatitis C cases have been treated
🤷🏽 Many people don’t even know they are infected
*The tools exist:*
✅ Vaccines
✅ Treatment
✅ Even cures (for hepatitis C!)
💬 The message is clear: *Hepatitis can be eliminated — but we must act faster.*
Learn more ➡️ https://bit.ly/4tGFpCE
Click here to claim your Sponsored Listing.
12/05/2026