Random Content
31/08/2025
রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে যেসকল স্মার্ট টিপস আপনাকে একদিন সাহায্য করতে পারে :)
১) অপরিচিত কোন ব্যাক্তির গাড়ি থেকে দূরে থাকুন । অপরিচিত কোন ব্যাক্তি যদি আপনাকে জোর করে তার গাড়ি তে উঠতে সে আপনাকে লিফট দিবে । তাহলে তার চেহারা যতোই মায়াবী হৌক যেই বয়সীই হৌক , যে জেন্ডারেরই হৌক না কেন আপনার ঠিকই জানা আছে পরের রুল , তাইনা ?
২) প্রটেকটিভ আইটেম সাথে রাখুন প্রতিদিন । নিজেকে বাচানোর অ্যাবিলিটি জোগার করুন । একটা পেপার স্প্রে বানানো কঠিন কিছু না । আপনার ব্যাগে পেপার স্পে এবং ফ্ল্যাশ লাইট রাখতে পারেন আপনার সিচ্যুয়েশন এর উপর ডিপেন্ড করে আপনি অ্যান্টি কাটার ও রাখতে পারেন অথবা লাইসেন্স প্রাপ্ত পিস্তল ।
৩) সেলফ ডিফেন্স শিখুন । আজকাল ইউটিউব থাকতে কোন প্রয়োজন নেই বাইরে সেলফ ডিফেন্স শিখার । আপনি রাস্তায় নিজেকে প্রটেক্ট করতে Bare Knuckle boxing, Wung Chun , Krav maga ,BJJ, Foul Tactis & No rules টাইপ্স টেক্টিস আয়ত্ব করতে পারেন । ট্রাস্ট মি ৩ মাসেই বস হয়ে উঠবেন ।
৪) কেও রাস্তায় আপনাকে ডিস্টার্ব করলে দয়া করে তার প্রতি দয়াশীল হবেন না । রাস্তা দয়াশীল মানুষ কে বেশী ভালনারেবল মানে । আপনি এদের ধমক দিয়ে ইগ্নোর করে চলে আসুন । কেও যদি কোন কিছু বিক্রি করার জোর চেষ্ঠা করে তাহলে এমন ভাব ধরুন যে জিনিস টা নোংরা দেখবেন আপনা আপনিই উক্ত লোক টি চলে যাবে।
৫) বন্ধু বলেই যে তাকে ট্রাস্ট করে যেখানে খুশী সেখানে চলে যাবেন তা হতে পারেনা । আজকাল বন্ধুরাই বেশী আরেক বন্ধুর ক্ষতি করে থাকে । তাই বিকেয়ারফুল উইথ ইউর ফ্রেন্ডস টু......।
৬) পরিচিত দের নাম্বার দরকারি নাম্বার সমূহ মুখস্ত রাখুন । কোনভাবেই সেলফোনের উপর ডিপেন্ড হবেন না । ইমার্জেন্সি সিচ্যুয়েশন এ সেলফোনের সময় কই ?
৭) পাবলিকলি রাখুন অনলাইন ডেটিং। আপনি যদি কাওকে অনলাইন অ্যাপ্সে পান তাহলে তার সাথে ডেটিং করতে কখনোই সিসি ক্যামেরা নাই এমন জায়গাইয় যাবেন না । সিসি ক্যামেরা সমৃদ্ধ এলাকা দিয়ে যাবেন ।
৮ ) আপনার প্রাইভেসি প্রটেক্ট করুন । এমন স্কিল অর্জন করুন যেভাবে নিজের পারসোনাল ইনফো শেয়ার না করা লাগে । নিজের এমন কিছু শেয়ার করবেন না যাকে আপনি চেনেন না ।
৯) কেও আপনাকে ধরলে বা বিপদে পরলে বাচান বা আমাকে হেল্প না করুন বলে বলতে পারেন আগুন আগুন।
এক রিসার্চে দেখা গেছে মানুষ "হ্যাল্প , হ্যাল্প "এসব শুনে খুব কমই আসে তার চেয়ে বেশী "আগুন আগুন" এসব শুনলে মিনিটে পুরো এলাকা ভরে যাবে । এতে আপনি রক্ষা পাবেন আপনার সাথে খারাপ কিছু হওয়া থেকে ।
১০) নিজেকে লো প্রফাইল রাখুন । গলায় গোল্ডের চেইন হাজারো জুয়েলরি পরে রাস্তায় বের হইয়েন না । এতে রাস্তার ত্রাস গুলো আপনাকে ভাববে হেটে যাওয়া মানি ব্যাগ । শো অফ করে দুনিয়াতে কোন লাভ নাই । এসব সাময়িক আপনাকে বড় করবে কিন্তু কোন একটা এক্সিডেন্ট একদম আজীবন আপনার ক্ষতি করবে । আজকাল গলা টান দিয়ে ছিন্তাই , ক ব্জি কেটে পার্স ছিন্তাই এসব ঘটনা অহরহ ঘটে ।
১১) ত্রাস হয় এরকম এলাকা দিয়ে গেলে আপনার মানি ব্যাগে অল্প কিছু টাকা রাখেন । আর বাকী টাকা আর ক্রেডিট কার্ড গুলো মোজার ফাকে গুজে রাখুন অথবা গোপন ব্যাগে রাখুন যা বের করতে আপনারই অনেক সময় লাগে । ছিন্তাই কারী খুব তাড়াতাড়ী ভাগতে চায় এতে আপনার শুধু মাত্র কিছু টাকা যাবে ।
১২) যেকোন বিপদের মুহুর্তে স্বাভাবিক নিশ্বাস নিন । মনে রাখবেন ঠান্ডা মাথায় ভাল বুদ্ধি নিতে পারবেন
30/08/2025
ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টের ওপর যা বই পড়েছি তার সামারি মোটামুটি এরকম:
১. আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করবেন না।
২. কখনো ঋণ করবেন না।
৩. আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ (১৫-২০%) বিনিয়োগ করুন। ইনডেক্স ফান্ড বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ।
নিচের এই পয়েন্টগুলো একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ :
১. প্রত্যেক মাসের বাজেট করুন।
২. ছয় মাসের ইমার্জেন্সি ফান্ড হাতে রাখুন।
৩. লোক দেখানোর জন্য কখনোই কোনো পণ্য কিনবেন না।
৪. যেই জিনিস আপনি নগদ টাকা দিয়ে কেনার ক্ষমতা রাখেন না, সেটা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কিনবেন না। ক্রেডিট কার্ড একটা ফাঁদ। এটা থেকে সাবধান।
৫. প্রয়োজন এবং বিলাসিতার মধ্যে পার্থক্য বুঝুন। 'ইমপালসিভ বায়িং' (এটা ছাড় দিয়েছে/দেখতে সুন্দর, কিনে ফেলি) থেকে দূরে থাকুন।
৬. Asset তৈরি করুন; Liability না।
(Asset হচ্ছে সেটা যেটা আপনার পকেটে টাকা ঢুকায়। আর Liability হচ্ছে সেটা, যেটা আপনার পকেট থেকে টাকা বের করে নেয়।)
বোনাস ফিলোসোফি:
১. আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতার ৮০% নির্ভর করে আপনার আচরণের ওপর। আপনি যদি দশ হাজার টাকা ম্যানেজ করতে না পারেন, আপনাকে দশ লাখ টাকা দিলেও আপনি পারবেন না।
২. আপনাকে আসলেই বদ্ধপরিকর হতে হবে, মানসিকভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হবেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
বিশ্বাস করুন, বড় বড় যত বই-ই লিখুক, ঘুরেফিরে কথা একই। ওপরের এই কয়টা পয়েন্টের সাথে আরো দুএকটা কমন কথাবার্তা এবং এগুলোই সেল করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। মজার ব্যাপার কী জানেন? এগুলা আসলে কাজ করে। বিশ্বাস হয় না? নিজে প্রয়োগ করে দেখুন।
03/06/2025
১৯২৯ সালে, এক ২৫ বছরের তরুণ ডাক্তার নিজের হাতে কাটাকুটি করে একটা ক্যাথেটার ঢুকিয়ে দিলেন নিজের হার্টে।
☕️ না ছিলো কারো অনুমতি, না ছিলো কারো তদারকি—শুধু একরাশ পাগলামো আর আত্মবিশ্বাস।
☕️মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন এক তত্ত্ব, যেটা কেউ বিশ্বাসই করত না।
☕️আর এই ‘পাগলামো’ই পরে কোটি কোটি প্রাণ বাঁচালো।
এই গল্পের নায়ক—ভেরনার ফোরসমান।
☕️মাত্র ২৫ বছর বয়সে, বার্লিনের কাছাকাছি এক ছোট্ট হাসপাতালের ইন্টার্ন ছিলেন।
☕️তাঁর মাথায় একটা অদ্ভুত ভাবনা এসেছিল—হার্টে সরাসরি না কেটে যদি ভেতর থেকে পৌঁছানো যায়?
সবার চোখে সেটা ছিল পাগলের প্রলাপ। সিনিয়ররাও শুনে উড়িয়ে দেন।
☕️কিন্তু ফোরসমান দমলেন না।
অপারেশন করার সরঞ্জাম জোগাড় করলেন, আর দরকার ছিল একটা 'টেস্ট সাবজেক্ট'।
তখনকার নার্স গার্ডা ডিটজেনকে বললেন—"তোমার শরীরে করব এই পরীক্ষা।"
আসলে মিথ্যে বলেছিলেন।
☕️শেষ মুহূর্তে নার্সকে টেবিলে বেঁধে রেখে, নিজেই নিজের হাতে কাটলেন।
☕️লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া দিয়ে নিজের বাঁ হাতের কনুইয়ের পাশে কেটে ফেললেন চামড়া।
ভেতরের শিরায় ঢুকিয়ে দিলেন ক্যাথেটার।
ধীরে ধীরে ঠেলে নিয়ে যেতে লাগলেন, হার্টের দিকে।
☕️তখন কেউ জানত না—এই কাজ করলে সে মরে যাবে কিনা।
কিন্তু সে তো থামার লোক না।
ক্যাথেটার শরীরে রেখেই নার্সকে ছেড়ে দিলেন, আর দুজনে দৌড়ে গেলেন এক্স-রে রুমে।
☕️কারণ দরকার ছিল প্রমাণ!
ফ্লুরোস্কোপ মেশিনের নিচে দাঁড়িয়ে ক্যাথেটার ঠেলতে ঠেলতে দেখলেন—ঠিকঠাক হার্ট অবধি পৌঁছেছে!
☕️সেই সময় হাসপাতাল জুড়ে হুলুস্থুল কাণ্ড!
সহকর্মীরা ছুটে এসে তাঁকে আটকাতে চাইছিল,
কিন্তু ততক্ষণে তিনি এক্স-রে তুলে ফেলেছেন।
☕️নিজের শরীরে পরীক্ষা চালিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন—হার্টে না কেটেও পৌঁছানো যায়।
☕️কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়।
আরও দশ বছর পর, আমেরিকার দুই ডাক্তার—আন্দ্রে কুরনান্দ আর ডিকিনসন রিচার্ডস,
ফোরসমানের কাজ খুঁজে বের করেন।
তাঁরা সেই পদ্ধতিকে উন্নত করে দেখিয়ে দেন—এই ক্যাথেটার দিয়ে হার্টের প্রেসার মাপা, রোগ নির্ণয়, এমনকি চিকিৎসাও সম্ভব।
☕️ফোরসমানের পাগলামো যে আসলে ভবিষ্যতের পথ দেখিয়েছিল, সেটা প্রমাণ হয়ে যায়।
১৯৫৬ সালে—তিনজন একসঙ্গে পান চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার।
☕️যে কাজের জন্য চাকরি খোয়াতে হয়েছিল, সেটা-ই আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছে।
☕️আজকের আধুনিক কার্ডিওলজির ভিত গড়ে দিয়েছেন এই মানুষটা।
হার্টে ক্যাথেটার ঢুকিয়ে যা সম্ভব হয়েছে—তা চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব এনে দিয়েছে।
☕️শেষমেশ, ফোরসমান শুধু ডাক্তার ছিলেন না—
তিনি ছিলেন এক বিদ্রোহী, এক দুঃসাহসিক, আর এক ভবিষ্যৎদ্রষ্টা।
আর এসব করেছেন শুধু এই বিশ্বাসে—
"রোগীদের ভালো করার আরও ভালো উপায় নিশ্চয়ই আছে।"
(লেখা ও ছবি : সুতীর্থ ভট্টাচার্য এর wall থেকে সংগৃহীত )
সৌজন্যে - বং ডোজ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Savar
1343