AR Rouf Creation
মেজর জসিম আমার দেশকে বলেন,
ঢাকার নিউমার্কেট-সংলগ্ন পিলখানা গেটে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ৬০ সদস্যের সেনাদল নিয়ে প্রথম পৌঁছাই। কিন্তু আমাদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। উপর থেকে নির্দেশ আসে। নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে, ফায়ার ওপেন করা যাবে না।
জাতির কাছে প্রশ্ন— তাহলে কার অনুমতিতে ব্রিগেডিয়ার হাকিম এবং বর্তমান সেনাপ্রধান সেখানে উপস্থিত ছিলেন? স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, এই গণহ ত্যার সঙ্গে আওয়ামী লীগ, ব্রিগেডিয়ার হাকিম ও ওয়াকার জড়িত।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, মেজর জসিম জানান, যখন তিনি পিলখানার ভেতর লা শ উদ্ধার করছিলেন, তখন হঠাৎ একটি সিভিলিয়ান গাড়ি প্রবেশের চেষ্টা করে। সেনাবাহিনী তখন কাউকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছিল না। পরে মেজর জসিম জানতে পারেন, ওই ব্যক্তি নিজেকে নতুন ডিজি মঈনুল ইসলাম বলে পরিচয় দেন— সাবেক মেয়র আতিকের ভাই।
গত ২৪ ডিসেম্বর তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে এয়ারপোর্টে আটকে দেওয়া হয়। তার দেশত্যাগে সহায়তা করেছিল ওয়াকার। প্রশ্ন হলো, এত দ্রুত মঈনুল ইসলাম ডিজি হলেন কীভাবে? তাকে নিয়োগ দিল কে? জেনারেল শাকিলের তাজা রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন ডিজি ঘোষণা— স্পষ্টতই এটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল।
অথচ আজও মঈনুল গ্রেফতার হয়নি। ৬০০ দেশদ্রোহীকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েছে ওয়াকার। এখন ওয়াকারের সাম্প্রতিক মন্তব্যে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে— সে (র)-এর এজেন্ট।
এতোদিন চুপ ছিলাম। কিন্তু আজ ওয়াকার ‘মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা’ না বলে ‘ড. ইউনূস’ বলে সম্বোধন করেছে। একজন সিভিলিয়ান রাষ্ট্রপ্রধানকে এইভাবে সম্বোধন করতে পারেন, কারণ জনগণের ট্যাক্সেই সরকার চলে। কিন্তু ওয়াকার কীভাবে তাকে ‘ড. ইউনূস’ বলে সম্বোধন করল?
C..
হে আল্লাহ তুমি হামাস যোদ্ধাদের ওপর গায়েবি শক্তি দান করো এবং বিশ্বের সকল মুসলিমদের প্রথম কিবলা পবিত্র "আল-আকসা" মুক্ত করে দাও।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
6203