Cybershop

Cybershop

Share

জমির পরিমাণ দলিলে বেশি কিন্তু রেকর্ডে কম হলে করণীয় 19/05/2025

জমির পরিমাণ দলিলে বেশি কিন্তু রেকর্ডে কম হলে করণীয় জমি ক্রয়ের পর দলিলে জমির পরিমাণ একটি থাকলেও, রেকর্ডে ভিন্ন পরিমাণ দেখা গেলে কী করা উচিত—এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ....

01/01/2025

১লা জানুয়ারী থেকে পুনরায় জমির অনলাইনের সকল কার্য্যক্রম চালু হয়েছে। সেবাগ্রহীতা/গণকে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হলো।

28/06/2024

দাগের সূচি

সাবেক দাগ ও হাল দাগ
জরিপের প্রধান কাজ হলো একটি মৌজার মৌজা ম্যাপ তৈরি করা। পূর্বেই বলা হয়েছে মৌজা ম্যাপে অসংখ্য ভূমি খণ্ড আঁকা থাকে এবং এসব ভূমি খন্ডের একটি দাগ নম্বর দেয়া হয়। সাধারণত একটি জরিপের অনেক বছর পর অপর একটি জরিপ পরিচালিত হয়। এত বছরের ব্যবধানে এবং জমির মালিকানা বদলের কারণে অথবা অন্যান্য কারণে জমির খণ্ড বা দাগসমূহের আকার/আকৃতি বা জমির পরিমাণ পরিবর্তিত হয়; আবার কখনও আকার/আকৃতি অপরিবর্তিত থেকে যায়। কখনও কখনও দেখা যায় যে পূর্ববর্তী জরিপের একটি বড় খন্ডের জমি (দাগ) পরবর্তী জরিপে ভেঙ্গে একাধিক খন্ডে (দাগে) পরিণত হয়। তখন নতুন জরিপে এই নতুন জমির খণ্ডগুলোকে চেনার জন্য পরিচিতি নম্বর (দাগ নম্বর) দেয়া হয়। ধরি, নেত্রকোণা জেলায় ১৯৬০-১৯৬২ সালে পরিচালিত এসএ জরিপে সাতপাই মৌজার একটি দাগ নম্বর ছিল ১০৩ এবং সেই দাগে জমির পরিমাণ ছিল ৮০ শতাংশ। ১৯৮০-১৯৮২ সালে নেত্রকোণা জেলায় পরিচালিত বিআরএস জরিপে সাতপাই মৌজার ১০৩ দাগটি ভেঙ্গে ৩টি খন্ডে পরিণত হয়েছে। এই তিনটি খণ্ডকে চেনার জন্য ২০৪, ২০৫ ও ২০৬ পরিচিতি নম্বর (দাগ নম্বর) দেয়া হয়েছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, বিআরএস ২০৪, ২০৫ ও ২০৬ দাগ তিনটি এসএ ১০৩ দাগ হতে এসেছে। এক্ষেত্রে বিআরএস ২০৪, ২০৫, ২০৬ কে হাল দাগ এবং এসএ ১০৩ দাগকে সাবেক দাগ বলা হয়। বিআরএস জরিপের যেহেতু নেত্রকোণা জেলায় অন্য কোন জরিপ হয়নি তাই এই দাগটি হাল দাগ। কিন্তু ভবিষ্যতে যখন পুনরায় কোন জরিপ হবে তখন বিআরএস দাগ হয়ে যাবে সাবেক দাগ এবং নতুন জরিপের দাগ হয়ে যাবে হাল দাগ। নেত্রকোণা জেলায় সিএস জরিপের পর এসএ জরিপ এবং তারপর বিআরএস জরিপ পরিচালিত হয়। তাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৯৮০ সালের পূর্বের অনেক দলিলে সাবেক দাগ হিসেবে সিএস দাগ এবং হাল দাগ হিসেবে এসএ দাগ লেখা থাকে।

Photos from Cybershop's post 27/06/2024

দলিল যার, জমি তার- জমি দখলে থাকলেই মালিক নয়, থাকতে হবে দলিলসহ জমির প্রয়োজনীয় দস্তাবেজ। এক্ষেত্রে বৈধ দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হলে কোনো ব্যক্তি কোনো ভূমি দখলে রাখতে পারবেন না। পাশাপাশি জমির মিথ্যা দলিল করলে হবে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান করা হয়েছে।
সেবা ও পরামর্শ পেতে সরাসরি যোগাযোগ করুন আমাদের অফিসে। আরিয়া কম্পিউটার মোক্তারপট্টি পাথরঘাটা বরগুনা। অথবা কল করুন 01310-499080

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Patharghata?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

03
Patharghata
8720