Mohammad Rabbi Siyam
10/02/2026
~~ শরীফ ওসমান হাদি হ/ত্যা/র বিচারের দাবিতে~~
26/01/2026
সহিহ বুখারি : ৫৬৪১
25/01/2026
শাবান মাস : রমজানের ট্রেনিং মাস ।
24/01/2026
রমাদানের আগাম প্রস্তুতি শুরু হোক শাবান মাসে সাধ্যমত বেশি বেশি রোযা রাখার মাধ্যমে।
23/01/2026
জুম্মার দিন দুআ কবুলের বিশেষ সময় কখন ?
22/01/2026
পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে সালাম বিনিময়ের পাশাপাশি মুসাফাহ করার মতো ফজিলতপূর্ণ সুন্নাহ যেন মিস না করি । রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) ইরশাদ করেন- পারস্পরিক সাক্ষাতে দুই জন মুসলিম মুসাফাহ করলে, তারা আলাদা হবার পূর্বেই তাদের সগীরা গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয় ।
••••••••{ সুনান ইবনু মাজাহ : ৩৭০৩ }••••••••••••
21/01/2026
ভবিষ্যতের কোন কথা কিংবা কাজের পূর্বে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা— ইসলাম ও মুসলমানদের ধর্মীয় রীতি যা আল্লাহ তা’আলা নিজেই শিখিয়েছেন। কুরআনে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন:
“তোমাদের কোন ইচ্ছা বাস্তবে রূপ নিবে না, যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।’’
[সূরা আত-তাকভির : ২৯]
মুমিন তার জীবনের প্রতিটি কাজেই আল্লাহকে স্মরণ করবে। সে নির্ভর করবে একমাত্র আল্লাহর উপর, নিজের শক্তি-সামর্থ্য ও অন্যান্য উপায়-উপকরণের ওপর নয়। তাইতো মুমিন ভবিষ্যতের কোনো কাজের কথা বলতে গিয়ে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলে। ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দের অর্থ- যদি আল্লাহ চান। অর্থাৎ যদি আল্লাহ চান তাহলে আমি অমুক কাজটি করব বা অমুক কাজটি হবে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক এটিকেট বা আদব।
কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তা’আলা নিজেই ইনশাআল্লাহ বলেছেন:
“প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তাঁর রসূলকে সত্য স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন- যা ছিল সরাসরি হক্ব। ইনশাআল্লাহ তোমরা পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে।”
[সূরা আল- ফাতহ: ২৭]
পাশাপাশি তাঁর প্রিয় হাবিবকেও তিনি ভবিষ্যতের কোন কাজের আগে ইনশাআল্লাহ বলার নির্দেশনা দিয়েছেন:
“ইনশাআল্লাহ বলা ব্যতিরেকে, কোনো জিনিসের ব্যাপারে কখনো একথা বলো না যে, আমি আগামীকাল এ কাজটি করবো৷ যদি ভুলে এমন কথা মুখ থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সাথে সাথেই নিজের রবকে স্মরণ করো এবং বলো, আশা করা যায়, আমার রব এ ব্যাপারে সত্যের নিকটতর কথার দিকে আমাকে পথ দেখিয়ে দেবেন৷”
[সূরা আল-কাহাফ: ২৩-২৪]
ইনশাআল্লাহ বলার মাধ্যমে বান্দার বিনয়, আকুতি এবং আল্লাহ তা’আলার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল প্রকাশ পায়। ভবিষ্যতের কোনো কাজের ইচ্ছা পোষণের ক্ষেত্রে, আল্লাহর নাম নেয়া থেকে বিরত থাকলে বান্দার ঔদ্ধত্য-অহংকার প্রকাশ পায়। যা তার কাজটাকে বরকতহীন বানিয়ে দেয়। তাই আমাদের উচিত— ভবিষ্যতের যে কোন কাজের আগে ইনশাআল্লাহ বলার অভ্যাস করা এবং আমাদের শিশুকিশোরদের এই কুরআনিক এটিকেটে অভ্যস্ত করে তোলা।
আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবাইকে পূর্ণ আস্থা ও অনুভূতির সাথে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলার এবং এটাকে আমাদের সবসময়কার অভ্যাসে পরিণত :করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
28/04/2025
কালিমার দাওয়াত দিয়ে গেলাম-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা:)
Click here to claim your Sponsored Listing.