Abdur Rohman Bin Abdur Razzaq
28/05/2026
বড়পাথার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ, শাজাহানপুর, বগুড়ায় ঈদ-উল আযহার খুৎবার দৃশ্য, মাশাআল্লাহ।
মাঝেমধ্যে প্রচন্ড নিরব হয়ে যেতে ইচ্ছে করে। নিজের রাস্তায় আপন ধাঁচে পথ চলতে মন চায়। অহেতুক মন্তব্য আর অশালীন কথা চর্চা করতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ পাইনা আমি। মনে হয় নিশ্চুপ থেকেই এই সমাজের জন্য বেশি কিছু করা যাবে। তবে এটাও ভাবি এতো ঠেলাঠেলির আর কাদাছোড়াছুড়ির মাঝে আসলেই কোন নির্মল রাস্তা আছে কি না? এমন কোন পথ যা কাউকেই ডিস্টার্ব করবে না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ড. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমীর ড. মুজিবুর রহমানসহ তাঁদের সফরসঙ্গীগণ আজ শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গিপাড়া, পবা, রাজশাহীতে আগমন করেন।
সম্প্রতি প্রফেসর ড. আবুবকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া স্যার তাঁর একটি ফতোয়ায় বলেছেন, “যারা বলে, ‘কুরআনের আয়াত দিয়ে তাবিজ বানানো কিংবা তাবিজ দেওয়া হারাম না’—তারা পথভ্রষ্ট।”
প্রকৃতপক্ষে, স্যারের এই কথা বড়ো ধরনের ভুল। কারণ কুরআনি তাবিজ হারাম, না ‘হারাম না’—তা নিয়ে সালাফদের মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত মতভেদ ছিল। একদল সালাফ হারাম বলেছেন, আরেকদল সালাফ হারাম বলেননি। অর্থাৎ, এটি একটি পরিষ্কার ইজতিহাদনির্ভর মাসআলা। এই মাসআলায় কোনো একটি মতকে ‘ভ্রষ্টতা’ আখ্যা দেওয়া কিংবা কোনো একটি মত গ্রহণ করার কারণে প্রতিপক্ষকে ‘পথভ্রষ্ট’ বলা—চরম বাড়াবাড়ি।
·
শাইখ ইবনু উসাইমিন রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ১৪২১ হি.) উল্লেখ করেছেন, যেসব সালাফি দাবিদার ব্যক্তি ইজতিহাদনির্ভর মাসআলায় প্রতিপক্ষকে ‘পথভ্রষ্ট’ বলে, তারা নিজেরাই ‘সালাফি’ নয়।
মদিনার ফাকিহ ও উসুলবিদ শাইখ সুলাইমান আর-রুহাইলি হাফিজাহুল্লাহ (জ. ১৩৮৬ হি.) উল্লেখ করেছেন, সুন্নাহপন্থি গ্রহণযোগ্য উলামাদের কথাকে যারা অবলীলায় ‘ভ্রষ্ট কথা’ বলে দেয় এবং সেসব কথা যারা প্রচার করে, তাদেরকে সালাফিয়াত থেকে খারিজ করে দেয়—তারা জাহিল মুরাক্কাব (ডাবল ইগনোরেন্ট) এবং নিকৃষ্ট-জুলুমকারী; উম্মতের মধ্যে এদের অনিষ্ট অত্যন্ত ভয়াবহ ও বিপজ্জনক।
·
শাইখুল ইসলাম ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নাজদি রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ১২০৬ হি.) তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ ‘কিতাবুত তাওহিদে’ কুরআনি তাবিজের ব্যাপারে সালাফদের ইখতিলাফ বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন :
«التَّمَائِمُ: شَيْءٌ يُعَلَّقُ عَلَى الأَوْلَادِ عَنِ العَيْنِ، لَكِنْ إِذَا كَانَ مِنَ القُرْآنِ؛ فَرَخَّصَ فِيهِ بَعْضُ السَّلَفِ. وَبَعْضُهُمْ لَمْ يُرَخِّصْ فِيهِ، وَيَجْعَلُهُ مِنَ المَنْهِيِّ عَنْهُ؛ مِنْهُمُ: ابْنُ مَسْعُودٍ رضي الله عنه».
“‘তামাইম’ তথা ‘তাবিজ-কবচ’ হলো এমন কিছু—যা বদনজর থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে শিশুদের শরীরে ঝুলানো হয়। কিন্তু সেই তাবিজ যদি কুরআনের আয়াত দিয়ে লেখা হয়, তাহলে সালাফদের একদল এতে অনুমতি দিয়েছেন। আর অন্য একদল এতে অনুমতি দেননি; বরং কুরআনি তাবিজকেও নিষিদ্ধ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু।” [আন-নাজদি, কিতাবুত তাওহিদ, তাহকিক : আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম, পৃ. ১৪৪।]
বিস্তারিত আলোচনা পড়তে কমেন্টবক্স দেখুন।
আমার ফলোয়ার্সকে বলছি, আপনাদের সন্তানদের গৃহশিক্ষক কে চা-নাস্তা দেবেন এবং মাস শেষ হতেই তার সম্মানী একটি খামের মধ্যে করে দিয়ে দেবেন।
আজ chamber এ এক মা তার ১৩ বছরের মেয়েকে সাথে করে নিয়ে এসেছেন both breast এবং পেটের আলট্রাসনোগ্রাম করাতে।
মেয়েটি class 6 এ পড়ে, অবিবাহিত।
মহিলাটি জানালো কিছুদিন যাবত তার মেয়ের অস্বাভাবিকভাবে শারীরিক পরিবর্তন হচ্ছে।
যেমন-মেয়েটির তলপেট ভারি ভারি লাগছে, মাসিক বন্ধ ছয় মাস, Breast Enlargement with milk secretion.
আমি তলপেটে ultrasound probe ধরতেই দেখি চার মাসের বাচ্চা পেটে।
মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলাম তোমার বিয়ে হয়েছে কিনা
মেয়েটির উত্তরে না বলল।
মেয়েটিকে আবারো জিজ্ঞেস করলাম তোমার সাথে কেউ খারাপ কিছু করেছে কিনা।
মেয়েটি কিছুক্ষণ চুপ থেকে কাঁদতে কাঁদতে সবকিছু বলল।
ঘটনাটি হল ছয় মাস আগে কিছুদিনের জন্য মেয়েটি তার ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল।
ওখানে একজন বয়স্ক লোকের দ্বারা সে একাধিক বার mo**st হয়।
বয়স্ক লোকটি সম্পর্কে তার ফুপুর ভাসুর হয়।
লোকটি নাকি তার বাবার চেয়েও বয়সে বড়।
মেয়েটি তার ফুপুকে জানালে তাকে কসম কাটায় যেন সে তার মাকে এসব কথা না বলে ।
এজন্য এতদিন মেয়েটি কোনভাবেই তার মাকে বলে নাই ।
আমি মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলাম তাহলে আজ আমাকে কেন বললে!!
মেয়েটি সরল মনে উত্তর দিল, ফুপুতো শুধু মাকে বলতে নিষেধ করেছে, আপনাকে বলতে তো কসম কাটাই নাই।
কথাগুলো শুনতে শুনতে অজান্তেই চোখে পানি চলে আসলো ।
আমরা কোন দুনিয়াতে বসবাস করি যেখানে মেয়েরা কোন জায়গায় safe না .
নিজেদের কাছের মানুষকেই যদি বিশ্বাস করা না যায় তাহলে কাকে বিশ্বাস করা যাবে !!
এখন আমার প্রশ্ন, বাচ্চা মেয়েটির এখন কি হবে আর তার গর্ভে যে বাচ্চাটি আছে তার কি হবে !!!
আমাদের চারপাশে এমন অনেক মুখোশধারী নরপশু আছে যারা ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, মুখ ভর্তি দাড়ি কিন্তু অন্তরে জানোয়ার বিরাজ করে।
বাংলাদেশে এধরনের জানোয়ারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ।
😡😡
উঠুক স্লোগান
মহিলা মাদ্রাসা কোন পুরুষের আন্ডারে চলতে দেওয়া হবে না।
30/04/2026
‼️সুশীলরা দূরত্ব বজার রাখুন।।আর দুনিয়া সম্পর্কে অজ্ঞ মোল্লারা মন্তব্য করা থেকে দূরে থাকুন।
⛔এই জাতির কাছে ই_সলা!মের নাম ছাড়া কিছুই নেই, এই জাতির পরিবর্তন আ_ল্লাহর গ!য!ব ছাড়া অসম্ভব,
⛔১৫ বছর থেকে বলে আসতেছি হি_ন্দু শিক্ষক থেকে সা_বধান,
⛔ যে_সকল মু_সলিমরা তাদের মে_য়েদের হি_ন্দু শি_ক্ষকদের কাছে পড়তে পাঠায়, এক কথায় তারা তাদের ঘরের মেয়েদের যৌ!_ন চা-হিদা মে!টা!তে পাঠায়,
⛔চট্টগ্রামের এই ধা_র্মিক পরিবার থেকে শিক্ষা নাও জাতি, তোমরা ঈ_মান আনার পর ও কেমন করে অ_মু_সলিম
⛔তোমরা মহান আ_ল্লাহর বি_ধান ছুড়ে নিজেদের বানানো ধ_র্মে , যেমন করে চলতেছো, অচিরেই তোমরা লাঞ্চিত হবে,
29/04/2026
হানাফিদের মাযহাব ছড়িয়েছে কেবল তরবারী, লাঠির জোড়ে...
ইমাম সাখাভী লিখেছেন যে, কিছু হানাফি হাফেজ ইবনে হাজর আসকালানী (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করল,
❝ইমাম আবু হানিফা (রহ.) কতজন সাহাবির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন?❞
তিনি বললেন, শুধুমাত্র আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)-এর সাথে।
প্রশ্নকারী(হানাফিরা) বলল, আমাদের আলেমরা তো সাত বা চৌদ্দ (সাহাবি) পর্যন্ত বলে থাকেন।
তখন হাফিজ ইবনে হাজর বললেন, ❝তোমাদের সাথে কে দ্বীমত করতে )পারে? তোমরা তো তলোয়ার, বর্শা ও লোহার হেলমেট অধিকারী (অর্থাৎ ক্ষমতা ও শাসনের) আমি যা জানি, তাই তোমাকে বলেছি।❞
(الجواہر والدر السخاوی ۹۸۶/۳)
এখান থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, তাদের মাজহাবী গোড়ামি ও উগ্রতা কোন পর্যায়ে ছিল।
তারা এই বাতিল মাজহাবকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে জোর করে মানুষের উপর হানাফি মাজহাব চাপিয়ে দিত এবং তাদের আলেমদের বিরোধিতা করলে তাদের উপর চালানো হতো জুলুম। আর বর্তমানে দেওভন্ডরা তো তাদের উচ্ছিষ্ট অতএব এগুলো নতুন কিছু না বরং পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্য।
ঘটনা শুধু এই একটা না, ইতিহাসে এমন বহু নজির আছে। ইনশাআল্লাহ আপনাদের আগ্রহ থাকলে একে একে উল্লেখ করবো।
আল্লাহ আমাদের প্রতি রহম করুন।
(উল্লেখ্য, ইবনে হাজার আসকালি রহিমাহুল্লাহ "আবু হানিফা তাবেয়ী" এই দাবী থেকে পরবর্তীতে রুজু করেন)
28/04/2026
যারা ক্যামেরা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ভিডিও করছিল, তারা মৃত মহিলার লজ্জাস্থানটুকু পর্যন্ত কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়ার ন্যূনতম মানবতা দেখাল না।
যারা ধর্ষণ ও হত্যা করেছে, আর যারা সেই দৃশ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ধারণ করেছে—দু’পক্ষই মানুষ নামের কলঙ্ক, পশুত্বেরও নিচে নেমে গেছে।
অনেক ভয়াবহ ঘটনা দেখেছি, কিন্তু এমন নির্লজ্জ বর্বরতা এই প্রথম দেখলাম।
এ সমাজ যদি ধর্মের দিকে না আসে, তবে সামনে আরও অন্ধকার অপেক্ষা করছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.