Adv. Sanjay Kumar Shil
আইনজীবী হিসাবে ৮ম বর্ষে পদার্পন।
21/01/2025
ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ
১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।
২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।
©কপি-পেস্ট
08/05/2024
জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"
সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।।
পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।
শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!
হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।।
বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্চা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।
শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।।
"ফার্স্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্চা ফেল।।
- "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।।
-- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।"
হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।
শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।
হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !!
"গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।
ফার্স্ট সেশন অতিক্রান্ত।।
ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।।
দেখা গেলো - হাতি,, উট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্চা ফেল।।
বাঁদরের বাচ্চা টপার হয়ে গেছে।।
প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।।
সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্চার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।।
চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।।
এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!!
তারা মেনে নিতে পারলো না।।
-- "ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।।
শিখে নে, বাঁদরের বাচ্চার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।"
ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।।
সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র "সাঁতার" কাটা ছাড়া।।
প্রিন্সিপাল বললো -- "আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।"
মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।।
বাচ্চা বলে --" মা-গো,, দম নিতে পারি না,,
ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??"
মাছ বলে -- "চুপ কর বেয়াদব।।
এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।"
হাতি,, উট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্চাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।।
শিয়াল বলে --
"কি হয়েছে সেটা তো বলো ??"
হাতি বলে -- "এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।।
বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।"
শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।
শিয়াল বলো -- "তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই তো বুঝতে পারলাম না।।
শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।"
-- "উট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।"
-- "বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।।
ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।।
দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।।
সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবে।।
ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।।
ও মারা যাবে।।"
মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*
প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে।
আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা।
তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া।
তাহলেই দেখবেন,,
সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।
©কপি_পোস্ট
একজন সুন্দরি মেয়ে নাচতেছে। আপনি তার নাচ দেইখা ক্রাশ খাইলেন। এরপর তারে পটানোর চেষ্টা করলেন। এক সময় পইটাও গেল।
এরপর প্রেম বা বিয়া হইল। তারপর আপনি তারে অর্ডার দিলেন যে বোরখা পড়তে। সে যেন এইসব নাচ গান বন্ধ কইরা দেয়।
এই যে আপনারা মানুষের এক রূপ দেখে তাকে পছন্দ কইরা এরপর অন্য রূপে ট্রান্সফর্ম করতে চান, এই একটা কারণেই আপনাদের সংসার কিংবা প্রেম কোনোটাই টিকে না। আপনি যার নাচ দেইখা পছন্দ করছেন, তারে আরো নাচার জন্য উৎসাহ দিবেন। বোরখা পড়া মেয়ে পছন্দ হইলে বোরখা পড়া মেয়ের উপর ক্রাশ খাইবেন। বোরখা পড়া মেয়েরে প্রেমিকা বা বউ বানাবেন।
একই কথা মেয়েদের জন্যেও প্রযোজ্য। প্রেম বা বিয়ের আগে আপনি লোকটারে যেমন দেখছেন অমনই রাখেন। তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আপনার মতো মেন্টালিটিসম্পন্ন কার্বন কপি বানাইতে যাইয়েন না।
যে যেমন আছে তারে তেমন থাকতে দেন। প্রেম বা বিয়ের পর পার্টনারকে একটু শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে দেন। দেখবেন সে শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারলে আপনারও বিশুদ্ধ অক্সিজেনের অভাব হবে না।
©কপি_পোস্ট
08/03/2023
///"রত্নগর্ভা"///
রত্নগর্ভা - বেশ আপত্তিকর একটা শব্দ!
জীবনে প্রতিষ্ঠিত, ভালো অবস্থানে যাওয়া, সফল লোকজনের মাকে রত্নগর্ভা নামে আখ্যা দেয়া হয়। এই যেমন ধরুন, কোনো মায়ের চার সন্তানের দুইজন বড় ডাক্তার, একজন অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার, বাকি একজন সচিব- উনারা একেকজন একেকটা রত্ন; আর যে গর্ভে উনারা জম্মেছেন তা রত্নগর্ভ।
আর, যে সন্তানেরা ছোট চাকরি করে সংসার চালায়, গ্রামে কিংবা মফস্বলে ছোটো কাজ করে, রোদে পুড়ে ফসল ফলায় তারা কোনো রত্ন না, তাদের মা-ও তাই রত্নগর্ভা নয়। সেই মায়েরা কি তাহলে রত্নের বদলে আবর্জনা গর্ভে ধরেছেন? অথচ, একজনের জীবনে সাফল্যের পেছনে কাজ করে হাজারো ফ্যাক্টর। পৃথিবী আগাগোড়াই আনফেয়ার। সবাই সমান সুযোগ পায় না, সবার জীবনের রাস্তাও সমান না।
সফল সন্তানের সেই মায়েদের খাটো করা সম্ভব না; কিন্তু, সন্তানের বাহ্যিক সামাজিক সাফল্য বিচার করে এক মায়ের জরায়ুকে রত্নের আকর ঘোষণা দিয়ে, প্রকারান্তরে আরেকজনেরটা খাটো করাটা আপত্তিকর বটে।
প্রতিটা মায়ের কাছেই তার নিজের গর্ভ রত্নের আকর। সমাজের চোখে রত্ন না হলেও, মায়ের কাছে তার সন্তান তো সেরা রত্ন!
সব জরায়ুই রত্নগর্ভ, সব মা-ই রত্নগর্ভা!
©কপি_পেস্ট
Click here to claim your Sponsored Listing.