Dohan

Dohan

Share

29/04/2025

বলুন তো এই শুটকির কি নাম!

Photos from Dohan's post 29/04/2025

কোন মাছের চ্যাপা আপনার বেশি পছন্দ?

24/04/2025

গরম ভাত আর ঘ্রাণে ভরপুর একটুখানি শুটকি ভর্তা —দিলেই হয়ে যায় জম্পেশ এক বাঙালি ভোজ! শুটকি শুধু খাবার নয়, এ এক নস্টালজিয়া, এ এক স্বাদে মাখামাখি স্মৃতি।

23/04/2025

লইট্টা শুটকি: অল্প কথায় বেশি স্বাদ

লইট্টা শুটকি উপকূলের ঐতিহ্যবাহী খাবার, যা স্বাদে ও পুষ্টিগুণে অনন্য। গরম ভাতের সাথে এর ভর্তা বা ভুনা জিভে জল আনে। এটি প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং সহজে সংরক্ষণযোগ্য। যারা শুটকি ভালোবাসেন, তাদের জন্য লইটা শুটকি এক দারুণ অভিজ্ঞতা।

লইট্টা শুটকি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু পদ তৈরি করা যায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

* লইট্টা শুটকি ভর্তা
* লইট্টা শুটকি ভুনা
* লইট্টা শুটকি দিয়ে সবজি রান্না

প্রতিটি পদেই লইটা শুটকির নিজস্ব স্বাদ ও গন্ধ খাবারের আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে।

সংরক্ষণ পদ্ধতি: লইটা শুটকি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে এয়ারটাইট পাত্রে রাখলে এটি অনেক দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।

23/04/2025

যারা সমুদ্রের মাছ ভালোবাসেন, তাদের কাছে সামুদ্রিক শুটকি একটা বিশেষ পছন্দের খাবার। সমুদ্রের তাজা মাছ রোদে শুকিয়ে তৈরি হয় এই শুটকি, যা বহন করে সমুদ্রের নোনা বাতাস আর মাছের আসল স্বাদ।

সামুদ্রিক শুটকির অনেক প্রকারভেদ আছে - লইট্টা, চিংড়ি, ছুরি, রূপচাঁদা আরও কত কি! প্রতিটি শুটকির নিজস্ব স্বাদ আর বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো দিয়ে তৈরি ভর্তা, তরকারি কিংবা ভুনার স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো।

কে কে সামুদ্রিক শুটকি ভালোবাসেন? আপনাদের পছন্দের সামুদ্রিক শুটকি কোনটি এবং কীভাবে খেতে ভালোবাসেন, তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না!

#সামুদ্রিক_শুটকি #সি_ফিশ #শুটকি_প্রেমী #বাংলাদেশ #খাবার #ফুডি

23/04/2025

#চ্যাপা_শুটকি এটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন- চ্যাপা, চ্যাপা শুঁটকি, সিধল বা সিদঈল, হিদল (আঞ্চলিক নাম ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা অঞ্চল)

পুঁটি মাছের শুঁটকি এ পণ্য উৎপাদনের মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।শীতকালে যখন জলাশয়ের পানি কমে এসে প্রচুর পুঁটি মাছ ধরা পড়ে তখন মাছ শুকিয়ে প্রথমে শুঁটকি করা হয় এবং পরে সনাতন পদ্ধতির গাঁজন প্রক্রিয়া দ্বারা প্রস্তুত করা হয়।

চ্যাপা ভর্তা বা তরকারিতে আনে অসাধারণ স্বাদ। যারা শুটকি ভালোবাসেন, একবার চেখে দেখুন!
আপনার প্রিয় চ্যাপা শুটকি রেসিপি কোনটি?

#চ্যাপাশুটকি #শুটকি #বাঙালিখাবার #টেস্টি

06/12/2024
05/12/2024

শীতে ত্বকের যত্নে এলোভেরা একটি প্রাকৃতিক এবং কার্যকর উপাদান। এলোভেরা ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখে। শীতে ত্বকের যত্নে এলোভেরা ব্যবহারের কিছু উপায়:

1. এলোভেরা জেল সরাসরি ব্যবহার:
তাজা এলোভেরা পাতা কেটে তার ভেতরের জেল সরাসরি ত্বকে লাগান। এটি শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চার যোগায় এবং আরাম দেয়।

2. এলোভেরা ও নারকেল তেলের মিশ্রণ:
নারকেল তেলের সাথে এলোভেরা জেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এটি গভীরভাবে ত্বককে আর্দ্র করে এবং শীতের শুষ্কতা কমায়।

3. মাস্ক হিসেবে এলোভেরা:
এক চামচ এলোভেরা জেলের সাথে মধু ও এক চামচ দই মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। এটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ হবে।

4. এলোভেরা ও গোলাপজলের টোনার:
এলোভেরা জেলের সাথে গোলাপজল মিশিয়ে স্প্রে বোতলে রেখে টোনার হিসেবে ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের শুষ্কতা কমিয়ে সতেজতা নিয়ে আসে।

নিয়মিত ব্যবহার করলে এলোভেরা শীতে ত্বককে সুরক্ষিত এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

#শীতের_ত্বকের_যত্ন
#এলোভেরা_ব্যবহার
#প্রাকৃতিক_ত্বকের_যত্ন
#শুষ্কত্বকের_সমাধান
#ত্বকের_আর্দ্রতা
#শীতে_সুস্থ_ত্বক
#ত্বকের_মসৃণতা
#ঘরোয়া_উপায়
#প্রাকৃতিক_উপাদান

05/12/2024

সকালে খালিপেটে খেজুর খেলে যে উপকার পাবেন
খেজুরে আছে প্রচুর শক্তি, এমিনো অ্যাসিড, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। প্রতিদিন রোজায় আমাদের দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকতে হয় যার কারণে আমাদের দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন এই খেজুর আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি জোগান দিতে সাহায্য করে। সকালে খালিপেটে খেজুর খেলে যে উপকারগুলো হয় জানলে অবাক হতে হয়। চলুন একনজরে দেখে নেওয়া

কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট - খেজুরে কোনো কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। যার ফলে আপনি যখন সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করবেন তখন অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বিজাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

প্রোটিন - আমাদের শরীরের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। খেজুর হলো প্রোটিনসমৃদ্ধ। ফলে আমাদের পেশি গঠন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিন সরবরাহ করে।

ভিটামিন - খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন, বি১, বি২, বি৩ এবং বি৫। এ ছাড়া ভিটামিন এ১ এবং সি ভিটামিন পাওয়ার আরও একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে খেজুর। সেই সঙ্গে খেজুরে দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।

আয়রন - আয়রন মানবদেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খেজুর প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে এটা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিণ্ড, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ।

ক্যালসিয়াম - ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে। খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ - খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। এক গবেষণায় দেখা যায়, খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুঁকিটাও কম থাকে। খুব সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে খেজুর Abdominal ক্যানসার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি অনেক সময় ওষুধের চেয়েও ভালো কাজ করে।
ওজন হ্রাস - মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনও কখনও ডায়রিয়ার জন্যও এটা অনেক উপকারী।

সংক্রমণ - যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এ ছাড়া গলাব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠাণ্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।

রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ - প্রচুর মিনারেল সঙ্গে আয়রন থাকার কারণে খেজুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। তাই যাদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম তারা নিয়মিত খেজুর খেয়ে দেখতে পারেন।

কর্মশক্তি বাড়ায় - খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে খেজুর খুব দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সারাদিন রোজা রাখার পর রোজাদাররা যদি মাত্র ২টি খেজুর খান তবে খুব দ্রুত কেটে যাবে তাদের ক্লান্তি।
স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায় - খেজুর নানা ভিটামিনে পরিপূর্ণ থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনার গতি বৃদ্ধি রাখে, সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্রছাত্রী যারা নিয়মিত খেজুর খায় তাদের দক্ষতা অন্যদের তুলনায় ভাল থাকে।
হৃদরোগ প্রতিরোধ - খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা বিভিন্ন ধরনর হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর শরীরের খারাপ ধরনের কোলেস্টেরল কমায় (LDL) এবং ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।। খেজুরের উপকারিতাগুলো তো জানলেনই, তাই শুধু রমজান মাসেই নয়, আমাদের খেজুর খাওয়া উচিত সারা বছর, প্রতিদিন।

©ইশরাত জাহান, প্রধান পুষ্টিবিদ, বিআরবি হসপিটাল

04/12/2024

পানি পান করানোর অফুরন্ত সওয়াব

হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, সাদ ইবনে উবাদা (রা.) বলেন, (এক দিন) আমি (নবীজিকে) বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! কোন সদকা উত্তম? তিনি বলেন, পানি পান করানো। (নাসায়ি, হাদিস : ৩৬৬৫)

আর কেউ যদি পানি চেয়ে বসে, তাহলে তাকে পানি দেওয়ার সামর্থ্য থাকলে কোনোভাবেই নিষেধ করা যাবে না। কেননা নবীজি (সা.) কেউ পানি চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানাতে বারণ করেছেন। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আয়েশা (রা.) বলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! এমন কী জিনিস আছে, যা সংগ্রহে বাধা দেওয়া হালাল নয়? তিনি বলেন, পানি, লবণ ও আগুন।

আয়েশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! এই পানি সম্পর্কে তো আমরা জানি, কিন্তু লবণ ও আগুনের ব্যাপারে কেন বাধা দেওয়া যাবে না? তিনি বলেন, হে হুমায়রা! যে ব্যক্তি আগুন দান করল, সে যেন ওই আগুন দিয়ে রান্না করা যাবতীয় খাদ্যই দান করল। যে ব্যক্তি লবণ দান করল, ওই লবণে খাদ্য যতটা সুস্বাদু হলো তা সবই যেন সে দান করল। যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানকে এমন স্থানে পানি পান করালো, যেখানে তা সহজলভ্য, সে যেন একটি গোলামকে দাসত্বমুক্ত করল এবং যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানকে এমন স্থানে পানি পান করালো, যেখানে তা দুষ্প্রাপ্য, সে যেন তাকে জীবন দান করল। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৪৭৪)
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই অফুরন্ত সওয়াব অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

Want your business to be the top-listed Home Improvement Business in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Mymensingh