Health tips

Health tips

Share

30/09/2025

শসা খেলে কি পেটের চর্বি কমে?

ওজন কমাতে চাইলে খাদ্যতালিকায় #শসা রাখার পরামর্শ দেন অনেক পুষ্টিবিদ। বিশেষ করে পেটের চর্বি কমানোর ক্ষেত্রে এই সবজিকে কার্যকর মনে করা হয়। কিন্তু সত্যিই কি শসা খেলে পেটের মেদ কমে যায়?

পুষ্টিবিদদের মতে, হ্যাঁ শসা পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

কারণ, শসায় প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি এবং এতে ক্যালোরির মাত্রা খুবই কম। ফলে একে বেশি পরিমাণে খেলেও #ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে না। বরং এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।

শসায় থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে সহায়তা করে। একইসঙ্গে শরীর থেকে দূষিত উপাদান বা টক্সিন বের করে দেয়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

শসা কেন ওজন ও চর্বি কমাতে কার্যকর

শসার পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় শরীর হাইড্রেটেড থাকে
কম ক্যালোরি যুক্ত হওয়ায় এটি ‘ডায়েট ফ্রেন্ডলি’ খাবার
ফাইবার থাকায় হজমে সাহায্য করে ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে
ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্য শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে
শুধু ওজন কমানো নয়, শসা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে সাহায্য করে। এতে থাকা #ভিটামিন এ, বি ও সি এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান শরীরকে রাখে সুস্থ ও চনমনে।

এছাড়া, শসায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের জন্যও উপকারী। এটি ত্বকের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ রাখে।

ওজন কমাতে ও পেটের #মেদ ঝরাতে শসা হতে পারে সহজ, উপকারী এবং স্বাস্থ্যকর একটি উপায়। তবে একে একমাত্র সমাধান ভাবা উচিত নয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত #পানি পান ও ব্যায়ামের সঙ্গে শসাকে অন্তর্ভুক্ত করলে ফল মিলতে পারে দ্রুত।

15/09/2025

সকালে পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা

সকালে খালি পেটে পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে নতুন করে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। রূপ ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে, শরীর সুস্থ রাখতে এবং মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে কাঠবাদাম একটি আদর্শ খাবার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পুষ্টিবিদদের মতে, কাঠবাদামে রয়েছে বিপুল পুষ্টিগুণ। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ডি, বি, ও ই, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। তবে এসব পুষ্টিগুণ সহজে শরীরে শোষিত করার জন্য কাঠবাদাম আগে পানি ভিজিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, সকালে পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়ার ১০টি বড় উপকারিতা:

মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

কাঠবাদামে রয়েছে রিবোফ্লেভিন ও এল-ক্যারনিটিন, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং আলঝেইমারসহ নানা মস্তিষ্কজনিত রোগের ঝুঁকি কমায়।

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে

প্রচুর প্রোটিন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের পর #কাঠবাদাম খেলে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক

বিশেষ করে কোলন ক্যানসার #প্রতিরোধে কাঠবাদাম কার্যকর। এটি কোলনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

কাঠবাদামে থাকা ফসফরাস ও সামান্য পরিমাণ #সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে

কাঠবাদাম খাওয়ার পর ক্ষুধা কমে যায়, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

খারাপ কোলেস্টেরল কমায়

কাঠবাদাম শরীর থেকে খারাপ #কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।

হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে

এতে থাকা ফসফরাস ও অন্যান্য মিনারেল হাড় ও দাঁত মজবুত করে এবং অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়

ফাইবার সমৃদ্ধ কাঠবাদাম হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়। এটি কার্ডিওভাসকুলার রোগীদের জন্যও উপকারী।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

#ভিটামিন-ই ও শক্তিশালী #অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কাঠবাদাম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

11/09/2025

যে কারণে খাবেন আদা চা

ক্লান্তি দূর কিংবা অতিথি আপ্যায়নে চায়ের জুড়ি নেই। তবে চায়ের সাথে #আদা ব্যবহার করতে পারেন। এতে রয়েছে দারুণ উপকারিতা।
হার্ট ভালো রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে:
নিয়মিত আদা চা পান করলে হার্ট ভালো থাকে এবং #রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। রক্ত জমাট বাঁধা নিয়ন্ত্রণ করে, কোলেস্টরল কমিয়ে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে:
আদায় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট আছে। এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে ও স্ট্রেস কমায়। আদা পানির বাষ্প নিলে বন্ধ নাক খুলে যায়।

মাথা ঘোরা কমে:
প্লেনে উঠলে বা পাহাড়ি রাস্তায় যদি মাথা ঘোরার সমস্যা থাকে, তা হলে আদা চা পান করলে সেটা কমে যায়।

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে:
যাদের টাইপ ২ #ডায়াবেটিস আছে, তাদের জন্য প্রতিদিন আদা চা পান করার সুফল অনেক। কারণ এই চা এইচবিএ১সি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। মস্তিষ্ক সচল রাখে এবং অ্যালঝাইমারের মতো রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ক্রনিক ইনফ্লেমেশন এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মানুষকে আরও বুড়ো করে তোলে। আর এটাই পরবর্তীকালে অ্যালঝাইমার নামক অসুখে রূপান্তরিত হয়। আদার মধ্যে উপস্থিত বায়ো-অ্যাকটিভ উপাদান এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট মস্তিষ্কের এই ইনফ্লেমেশন রোধ করে মস্তিষ্ক সচল ও সক্রিয় রাখে।

বদহজমের সমস্যা দূর করে:
পেটের উপরিভাগে ব্যথা বা অস্বস্তির কারণ হলো বদহজম। আদা চা এই সমস্যা দূর করে এবং তার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে সেটাও কম করতে সাহায্য করে। ঋতুস্রাবের সময় পেট ব্যথা কম করে। অনেক মহিলাই ঋতুস্রাবের সময় তলপেটের ব্যথায় ভোগেন। আদা চা হলো এর কার্যকরী সমাধান। আদা চায়ের সঙ্গে #মধু মিশিয়ে পান করলে আরাম পাওয়া যায়। তা ছাড়া গরম পানিতে আদা দিয়ে সেই পানি তোয়ালে ভিজিয়ে তলপেটে ধরলেও উপকার পাওয়া যায়।

স্ট্রেস কমায়:
আধুনিক যুগে আমরা কম-বেশি সকলেই স্ট্রেসের শিকার। আদার কড়া গন্ধ ও স্বাদ স্ট্রেস, টেনশন দুটোই দূর করে। ক্যানসার প্রতিরোধ করে। প্যানক্রিয়াস ও কোলোন ক্যানসারে দারুণ কাজ দেয় আদা চা। নিয়মিত আদা চা পানে এই জাতীয় ক্যানসারের কোষ সহজে ছড়িয়ে পড়ে না।

রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে:
আদা চায়ে আছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন ও মিনারেল। এগুলো রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং কার্ডিও ভাস্কুলার সমস্যা থাকলে সেটা দূর করে। ধমনীর চারপাশে মেদ জমতেও বাধা দেয় আদা চা। এটি একটি প্রাকৃতিক পেন কিলার। পেন কিলার না খেয়ে আদা চায়ের উপরে ব্যথা উপশমের জন্য ভরসা রাখা যেতে পারে। অস্টিয়ো আরথ্রাইট্রিস, #মাথা ব্যথা, ঋতুস্রাবের ব্যথা, গলা ব্যথা এবং পেশীর ব্যথার মতো নানা ব্যথার দূর করে এই চা।

ওজন কমায়:
আদা #চা পান করলে পেট অনেকক্ষণ ভর্তি থাকে, ফলে বাড়তি খাওয়া অনেক কম হয়। এতে ওজন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

08/09/2025

আকর্ষণীয় চোখ

কাকে বলে সুন্দর চোখ? এর জবাব পাওয়ার আগে খানিকটা জেনে নেওয়া দরকার। নন্দনতত্ত্ব বলছে, আমাদের মন এবং চোখকে যা পুলকিত করে তাই সুন্দর। আমরা তখন আমাদের ইন্দ্রিয় অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করি। প্রশ্ন হলো, সুখের এই অনুভব আসে কোত্থেকে? তাত্ত্বিকদের মতে, সৌন্দর্য হচ্ছে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত অংশগুলোর সুশৃঙ্খল বিন্যাস এবং সমগ্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পর্ক। যা সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সমানুপাতিক। আর তাই আমাদের চিত্তে জাগায় সমতা ও বৈচিত্র্যের বোধ।

চোখের বিভিন্ন অংশের পারস্পরিক সম্পর্কের ভারসাম্য থেকে এই সমতা সৃষ্টি হয়েছে। চোখের অভ্যন্তরের অংশ, যেগুলো আমরা দেখতে পাই। সেসবের সমন্বিত প্রকাশও জরুরি। দুই ধাপে এই সৌন্দর্য দৃষ্টিগ্রাহ্য। প্রথমত জন্মগত বা প্রাকৃতিকভাবে এবং দ্বিতীয়ত সেই চোখে প্রযুক্ত সৌন্দর্য উপকরণ যা ব্যবহারের পর চোখের মৌলিক সৌন্দর্য থেকে একটি অন্যতর লুকের সৃষ্টি হয়ে থাকে। বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে দ্বিতীয় ধাপটি বিবেচ্য।

অর্থাৎ প্রকৃতিপ্রদত্ত চোখের শেপ ও বৈশিষ্ট্যের সৌন্দর্য সৃষ্টির কাজটি চলে, তেমনি তাতে পরিবর্তনের প্রয়াস করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, চোখ ছোট হলে সেটি বড় করা, আইব্রাও পাতলা হলে তা ঘন করা।

কালের বিবর্তনে সুন্দরের ধারণা বদলায়। বদলে যাওয়া এ ধারণা দৃশ্যমান হলে তাকে আমরা ট্রেন্ড বলি। চোখের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। চোখের সাজে বিউটিশিয়ানদের যোজন-বিয়োজনে চোখ হয়ে ওঠে সমকালীন এবং ট্রেন্ডি। তারপরও সুন্দর চোখের কিছু চিরন্তন বিষয় আছে। মোটামুটি এ বিষয়গুলো পূরণ হলে যে কারও চোখ জোড়াকে আমরা সুন্দর বলে দাবি করতে পারি।

* দুচোখের মধ্যকার দূরত্ব হতে হবে একটি চোখের সমান। অর্থাৎ নাকের উপরের অংশ এবং এর দুপাশের জায়গা মিলিয়ে যেন একটি চোখের পরিসর থাকে।

* আমন্ড শেপ;

* দীর্ঘ ও ঘন আঁখিপল্লব;

* আইব্রাওর শুরু হতে হবে সেখানে, চোখ যেখানে শেষ হয়েছে।

* মণির আকৃতি চোখের সাইজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া চাই;

* মুখমণ্ডলের আকৃতি ও ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই;

* ফেসিয়াল ফিচারের অন্যান্য অংশের তুলনায় চোখের লুক সহজ ও প্রীতিকরভাবে দৃষ্টিগ্রাহ্য হতে হবে।

* অভিব্যক্তিতে অপাপবিদ্ধতার প্রকাশ থাকতে হবে; ইত্যাদি।

সৌন্দর্য জগতে এসব শর্তের কথা উল্লেখ থাকলেও একটি জনসমাজে চোখের আকার আকৃতির সঙ্গে যে জিনিসটি বেশি প্রাধান্য পেয়ে থাকে, তা হলো এর একটি সহজ ভাষা এবং আবেদন। কেননা এটি বলে দেয় আপনি কতটা মনোযোগী। আবার মনোযোগের ভান ধরলেও তা চোখের ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়ে যাবে সহজেই।

06/09/2025

শরীরে দ্রুত শক্তি পেতে কোন ফল কখন খাবেন

সারাদিনে নানান কারণে আমাদের শরীরে ক্লান্তি ভর করে। অফিসের কাজ, ক্লাস, কিংবা ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকলে শরীর অনেক সময়ই দুর্বল লাগে। এই সময় অনেকেই চা-কফির দিকে ঝুঁকেন। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, প্রাকৃতিকভাবে শক্তি পেতে সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সঠিক সময়ে সঠিক ফল খাওয়া।

তাহলে জেনে নিন কোন ফল কখন খেলে শরীরে দ্রুত শক্তি ফিরে পাবেন-

১. সকালে ঘুম ভাঙার পর – কলা
দিনের শুরুটা কলা দিয়ে করলে মন্দ হয় না। কলায় আছে প্রাকৃতিক চিনি গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ, যা শরীরকে তাৎক্ষণিক শক্তি দেয়। একই সঙ্গে পটাশিয়াম পেশি ও স্নায়ুর জন্য কার্যকরী। ফলে সকালে একটি কলা আপনাকে সারাদিন ধরে শক্তি সরবরাহ করবে।

২. দুপুরের আগে – আপেল
অফিসের ডেস্কে বসে বা ক্লাসের ফাঁকে এক টুকরো আপেল খেলে তাৎক্ষণিক শক্তি পাওয়া যায়। এতে আছে ফাইবার ও প্রাকৃতিক ফ্রুক্টোজ, যা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে। তাই হঠাৎ ঘুম ঘুম ভাব কাটাতে আপেল বেশ উপকারী।

৩. বিকেলে – কমলা বা মাল্টা
দুপুরের খাবারের পর শরীরে সাধারণত আলস্য ভর করে। বিকেলে একটি কমলা বা মাল্টা খেলে শরীরে ভিটামিন সি ও প্রাকৃতিক ফ্রুক্টোজ দ্রুত শক্তি যোগায়। এতে শরীর ফুরফুরে হয়, মনের ক্লান্তিও কমে।

৪. সন্ধ্যায় – আঙুর
দিনের কাজ শেষে সন্ধ্যায় শরীরটা কেমন ক্লান্ত লাগে, ম্যাজম্যাজ করে। তখন কয়েকটি আঙুর খেলে শরীর দ্রুত শক্তি পায়। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তবে আঙুরে যথেষ্ট পরিমাণ চিনি থাকে, তাই ডায়বেটিস রোগীরা পরিমাণ বুঝে খাবেন। বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. ব্যায়ামের আগে বা পরে – খেজুর
যারা জিম করেন বা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য খেজুর আদর্শ শক্তি বুস্টার। ব্যায়ামের আগে খেলে শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়, আর ব্যায়ামের পর খেলে শরীরের হারানো গ্লুকোজ পূরণ করে।

দ্রুত শক্তি পাওয়ার জন্য ফল খাওয়া শুধু স্বাস্থ্যকর নয়, শরীরের জন্য দীর্ঘমেয়াদেও উপকারী। তবে আপনার যদি কোনো দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা থাকে, যেমন – ডায়বেটিস, প্রেশার, লিভার ডিজিজ, কিডনি ডিজিজ, তাহলে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Mymensingh Baghara?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Mymensingh
Mymensingh Baghara
2240