The Power Narrative
20/06/2025
আই এস আই ও তালেবান: বন্ধুত্ব-শত্রুর সমীকরণ
—পর্ব: ১
সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের সময় আফগানিস্তানের প্রধান প্রতিরোধ শক্তি হিসেবে যাঁরা লড়াই করেছিলেন, ইতিহসে তাঁরা মুজাহিদ নামে পরিচিত । তৎকালীন সময়ে তারা সোভিয়েত ইউনিয়নের ইসলামবিরোধী কমিউনিস্ট মতাদর্শের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের মুসলিম সমাজকে রক্ষা ও একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠিত হয়।
তৎকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চলমান কোল্ড ওয়ারের উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি মুজাহিদদের সহায়তায় এগিয়ে আসে যেটি তারা অপারেশন সাইক্লোন কোড নামে পরিচালিত করে। আমেরিকার সাথে যোগ দেয়, পাকিস্তান, সৌদি আরব, আমেরিকা ও ব্রিটেন।
সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আফগান মুজাহিদদের লড়াইকে সহায়তা করতে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ‘অপারেশন সাইক্লোন’ নামে অভিযান পরিচালনা করে। এর জন্য তারা পাকিস্তানের ভূখণ্ড ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সাহায্য নেয়। কারণ পাকিস্তান হচ্ছে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এই অভিযানের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি পাকিস্তানে অস্ত্র সরবরাহ করে এবং সৌদি আরব অর্থ সহায়তা দেয়। এরপর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এই অস্ত্র ও অর্থ ব্যবহার করে নিজ দেশে এবং আফগান-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে মুজাহিদদের প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করে।
দীর্ঘ ১০ বছর যুদ্ধের পর আফগানিস্তানের মাটিতে সোভিয়েত ইউনিয়ন পরাজিত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নকে পরাজিত করার পিছনে সহায়ক শক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান, সৌদি আরব, আমেরিকা ও ব্রিটেন। [১]
যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৮৪ সালে ওসামা বিন লাদেন আফগানিস্তানে প্রবেশ করে এবং সোভিয়েতের বিরুদ্ধে মুজাহিদদের সাথে যুদ্ধে যোগ দেয়।
যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আল-কায়েদাও যোগ দেয় এবং আফগান মুজাহিদদের সাহায্য করে। তখন এ সংস্থাটির নাম ছিল মাক্তাব আল-খাদামাত বা আফগান সার্ভিসেস ব্যুরো যার প্রধান কার্যালয় ছিল পাকিস্তানের পেশোয়ারে। ১৯৮৮ মাক্তাব আল-খাদামাত আল-কায়েদা নাম ধারন করে।
আল-কায়েদার সহ প্রতিষ্ঠাতা শেখ আব্দুল্লাহ ইউসুফ আল আজ্জাম এর ছেলে হুদাইফা আজ্জাম আল জাজিরার এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
❝ওসামা বিন লাদেন ছিলেন মাক্তাব আল-খাদামাত এর অন্যতম প্রধান সহকর্মী। সংগঠনটির প্রতিটি কার্যক্রমে ওসামা বিন লাদেন তাঁর নিজস্ব অর্থ দিয়ে সহায়তা করতেন।❞ [২]
তাই ওসামা বিন লাদেনের পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানে ঘন ঘন যাতায়েত ছিল। এভাবেই ওসামা বিন লাদেনের সাথে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সম্পর্ক শুরু হয়। [৩]
মাক্তাব আল-খাদামাত ছিল একধরনের লজিস্টিকস কেন্দ্র, যার মাধ্যমে আরব ও অন্যান্য দেশ থেকে সোভিয়েত বিরোধী যোদ্ধারা আফগানিস্তানে যুদ্ধে যোগ দিত।
সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে মূলত এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য ছিল ধনী আরব দানশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ সাহায্য নিয়ে সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং আফগান মুজাহিদদের সাহায্য করা।
পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সাবেক কর্মকর্তা এবং বিশেষ বাহিনী এসএসজি-র সদস্য ব্রিগেডিয়ার সুলতান আমির তারার, যিনি কর্ণেল ইমাম নামে বেশি পরিচিত, তিনি নিজ হাতে তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা মোল্লা ওমর ও তার অনুসারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। কর্নেল তারার ছিলেন সেই বিরল ব্যক্তি, যিনি প্রকাশ্যে তালেবানের প্রতি সমর্থন জানাতেন এবং এজন্য তাকে অনেকে “গডফাদার অব দ্য তালেবান” বলে অভিহিত করেন। [৪]
তিনি আল জাজিরার সাক্ষাৎকারে বলেন,
তিনি যখন সোভিয়েত বিরোধী যুদ্ধে আফগান মুজাহেদদেরকে সাহায্য করছিলেন, তখন জানতে পারেন যে, এক ধনী আরব(ওসামা বিন লাদেন) সেখানে এসেছেন, যিনি আরব যোদ্ধাদেরকে সাহায্য করছেন, তাদের জন্য রাস্তাঘাট এবং বাসস্থান নির্মাণ করছেন। [৫]
সেসময় পাকিস্তানের শাসক ছিল সামরিক শাসক জেনারেল মুহাম্মদ জিয়াউল হক। তার সরকার আল কায়দা এবং গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর মাধ্যমে সোভিয়েত বিরোধী আফগান মুজাহিদদের সকল প্রকার সাহায্য করত।
তবে ১৯৮৮ সালে জিয়াউল হকের মৃত্যুর পর পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসেন বেনজির ভুট্টো। তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পর নীতিগত দিক থেকে ভিন্ন অবস্থান নেয়, যার ফলে আল-কায়েদার সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। এরপর আফগানিস্তানে পূর্বের মতো সমর্থনও বন্ধ করে দেয় বেনজির সরকার।
তাই বিন লাদেন আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে সে সময়ের বিরোধী নেতা নওয়াজ শরীফের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন, যিনি বেনজির ভুট্টোর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
সাবেক পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তা খালিদ খাজা আল-জাজিরাকে বলেন,
❝নওয়াজ শরিফ সৌদি আরব, আরব আমিরাত সরকারের পাশাপাশি বিন লাদেনের কাছ থেকেও নিয়মিত অর্থ সাহায্য পেতেন। তিনি দাবি করেন, নওয়াজ শরিফ প্রায়ই বিন লাদেনের কথা ইঙ্গিত করে খালিদকে বলতেন, “আমার পৃষ্ঠপোষক কোথায়? আমি তার সাথে দেখা করতে চাই।”❞[৬]
নওয়াজ শরিফের সাবেক অনুবাদক আলি মোহর বলেন,
❝নওয়াজ শরিফ ও বিন লাদেন দুজনের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল খালিদ খাজার। তিনি আফগান জিহাদের একজন প্রবল সমর্থক ছিলেন এবং নওয়াজ শরিফের পক্ষ থেকে প্রায়ই বিন লাদেনের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। যখন ভুট্টোর প্রথম সরকার পেশোয়ারে থাকা আরব মুজাহিদদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে, তখন খালিদই প্রথম বিন লাদেনকে বলেন, নওয়াজ শরিফকে সহযোগিতা করে ভুট্টো সরকারকে হটাতে হবে ।❞ [৭]
- ইউসুফ ইমাম
রেফারেন্স কমেন্ট বক্সে
19/06/2025
ইসরাইলের হিব্রু ইউনিভার্সিটির ভূরাজনীতি বিষয়ক পরিচালক ও প্রভাষক এক বিবৃতিতে বলেছেন,
“ইরানের সামরিক অভিযান শেষ হলে আমরা পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে ফেলার পদক্ষেপ নিব।”
18/06/2025
🔰🔰Khorramshahr-4 🔰🔰
🎯Khorramshahr-4 or Kheibar (খোররামশহর-৪) হচ্ছে ইরানের 🇮🇷একটি অত্যাধুনিক মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (MRBM)। এটি মূলত Khorramshahr সিরিজের চতুর্থ সংস্করণ এবং ২০২৩ সালে উন্মোচন করা হয়।
✅✅ Khorramshahr-4 Missile Specifications (Confirmed & Estimated):
⭕️Type: Tactical (MRBM) Medium-Range Ballistic Missile
⭕️Manufacturer: Iran
⭕️In Service: 2023
⭕️Operational Range: প্রায় 2,000 km (up to 4,000 km confirmed by Iranian MOD)
⭕️Warhead Capability : প্রায় 15,00 কেজি (conventional বা nuclear capable design)
⭕️Warhead Type: High-explosive / fragmentation / possibly nuclear capable, MIRV
⭕️Engine: New generation liquid-fuel engine (naming: “Arvand”)
⭕️Speed : Mach ১৬-১৮ (Reentry phase) উচ্চ গতি এবং MIRV থাকার কারণে এটি বেশ anti-interception ক্ষমতা রাখে (air defense bypass)
⭕️Structure: Single-stage, maneuverable reentry vehicle (MaRV), সহ
⭕️Guidance System: Inertial navigation system (INS) + possible terminal correction
⭕️Accuracy: 10–30 m CEP
🎯 এটি nuclear-capable design রাখে (যদিও ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরমাণু অস্ত্র থাকার ঘোষণা নেই)।
আজকে ইসরায়েলে 🇮🇱 হামলায় ইরান 🇮🇷 Kheibar or Khorramshahr-4 ব্যবহার করেছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।
17/06/2025
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট Dr. Arif Alvi ইসরায়েলের ইরানের প্রতি সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন রাত ২ টার দিকে ইসরায়েল ও পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি লেখা পোস্ট করেন।
তবে রহস্যজনকভাবে কিছু সময় পরই তিনি পোস্টটি সরিয়ে ফেলেন।
তার সেই পোস্টের হুবহু বাংলা অনুবাদ নিচে তুলে ধরা হলো:
গাজার গণহত্যাকারী নেতানিয়াহু আবারও যুদ্ধ শুরু করেছে! এটা কি তার পরিকল্পনায় হচ্ছে? তারা ইরানে বোম মেরে পাপেট সরকার বসিয়ে ইসরায়েল প্রেমী কল্পণারাজ্য বানাতে চায়, যারা তেলআবিবকে কৃতজ্ঞতার চিঠি পাঠাবে। কি যুক্তি
কারণ, একটি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় তো বিদেশি সামরিক বাহিনীর হাতে শহরগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়া, তাই না?
ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, কিংবা সেইসব দেশকে শুধু জিজ্ঞেস করুন যারা বিদেশি আগ্রাসনের শিকার হয়েছে।
নেতানিয়াহু ভাবে, ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ যেন একটি জাদুকরী কাঠি, তা যতটা জোরে ঘুরানো হবে, মুহূর্তেই ইরানিরা নিজের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বসবে।
আমাদের উর্দুতে একটা প্রবাদ আছে:
“এই আহাম্মক হাকিমের ওষুধ উল্টো কাজ দেবে।”
নেতানিয়াহু এবং গাজার গণহত্যাকারীরা হয়তো জানে না—এখন ইরানিরা আরও দৃঢ়ভাবে বিপ্লবী গার্ডদেরকে আলিঙ্গন করবে এবং নতুন উদ্দ্যমে ‘ইসরায়েলের মৃত্যু হোক’ বলে স্লোগান দেবে।
তবে এটাও ভালো যে, সে এখনো বুদ্ধির বদলে বুটের গোড়ালি দিয়ে চিন্তা করে, আর এ কারণেই সে আবারো ব্যর্থ হবে। গাজার রক্তাক্ত হত্যাকাণ্ডের পর আমাদের ইরানি ভাইয়েরা যেন তাদের নিজেদের ওষুধই এখন তাদের মুখে তুলে দিচ্ছেন।
তবু কীই-বা আসে যায়, শতাব্দীর ব্যর্থ সাম্রাজ্যবাদ যদি আরেকটি ভয়াবহ ভুলের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়!
ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদ যে স্বপ্ন দেখেছে,
সম্ভব, একদিন সেই স্বপ্নের ব্যাখ্যাই বদলে যাবে।
যদি তেহরান হয়ে ওঠে পূর্ব বিশ্বের জেনেভা,
তবে হয়তো পৃথিবীর ভবিতব্যই পাল্টে যেতে পারে।
— (আল্লামা ইকবাল)
🔴 ব্রেকিং নিউজ:
ইরানি টিভির দাবি — ইরান একটু আগে তেল আবিব ও হাইফার দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করেছে !
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের বরাতে জানা গিয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক খবরে বলা হয়েছে— তেহরান একাধিক দিক থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে।
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি দেশজুড়ে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ ও সমাবেশও চালানো হচ্ছে। মূল টার্গেট করা হয়েছে ইসরায়েলের প্রধান শহর তেল আবিব ও সমুদ্র বন্দর হাইফাকে।
16/06/2025
ইসরায়েল ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষিপ্তে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান আজ এক বার্তায় জানিয়েছেন—
তুরস্কের প্রতিরোধ ক্ষমতা এখন এমন এক স্তরে পৌঁছাতে চলেছে, যা আগামী দিনে আর কোনো প্রতিপক্ষ সহজে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না।
এরদোয়ান বলেন—
“আমরা এখন মধ্য ও দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনায় আছি। আমাদের লক্ষ্য এমন বাস্তব এবং নির্ভরযোগ্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় যথেষ্ট হবে।”
তিনি আরও বলেন—
“আমরা এমন এক উৎপাদন পর্বে প্রবেশ করেছি, যেখানে অস্ত্রের সংখ্যাই আমাদের প্রতিরোধকে শক্তিশালী করে তুলবে।”
এরদোয়ান তাঁর বক্তব্যে শুধুমাত্র অস্ত্রের সংখ্যাকে নয়, বরং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সামগ্রিক শক্তিকে প্রতিরোধের মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন—
“রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিকভাবে শক্তিশালী না হলে কোনো প্রতিরোধই টিকবে না। আপনি দুর্বল হয়ে পড়বেন এবং একটি সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবেন।”
বক্তব্যের শেষভাগে এরদোয়ান ওসমানি আমলের শাসকদের মতো এক আবেগঘন উক্তিতে বলেন:
“আমরা লজ্জায় বাঁচার চেয়ে মরতে রাজি। অপমানে মাটির ওপরে বেঁচে থাকার চেয়ে, সম্মানের সঙ্গে মাটির নিচে ঘুমানো ভালো।”
12/06/2025
আজারবাইজান বিমানবাহিনী সম্প্রতি পাকিস্তান থেকে কেনা ৪০টি JF-17 Block 3 যুদ্ধবিমান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ১০টি পাকিস্তানি নিজস্ব প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান MFI 17 Super Mushshak সংগ্রহ করেছে।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অভিজ্ঞ সদস্যরা আজারবাইজান বিমানবাহিনীর পাইলটদের MFI 17 Super Mushshak বিমানে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।
10/06/2025
চীন পাকিস্তানকে ৪০টা আধুনিক পঞ্চম প্রজন্মের J-35 স্টেলথ জেট, KJ-500 AWACS, HQ-19 প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণের পরিশোধ সময় বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
আজারবাইজান পাকিস্তানের সাথে ৪.৬ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে এবং ৪০টা JF-17 জেট কিনতে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
পাকিস্তান ও ইরানের বাণিজ্য এখন ৩ বিলিয়ন থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হবে।
হুয়াওয়ে পাকিস্তানের এক লাখ মানুষকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আইটি শিক্ষায় সাহায্য করবে।
26/05/2025
আজারবাইজান পাকিস্তানের তৈরি ১৬ টি JF-17 Thunder Block III যুদ্ধবিমান রিসিভ করেছে। ২০২৪ এর সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান আর আজারবাইজানের ভিতরে ১.৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়।
নতুন করে আজারবাইজান আরো ২৪টি নতুন যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে যার মোট মূল্য (৪০টি) ৪.২ বিলিয়ন ডলার।
এই যুদ্ধ বিমান চীন ও পাকিস্তানের যৌথভাবে উন্নয়নকৃত। কিন্তু পাকিস্তান এর শেয়ার বেশি।
22/05/2025
পঞ্চম প্রজন্মের J-35A stealth fighter বিমান চীনের আকাশে উড়তে দেখা গিয়েছে।
15/05/2025
২০২৫-২৬' অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঙ্কের বাজেট নির্ধারিত হয়েছে― প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঙ্কের বাজেট ছিল ৪২ হাজার কোটি টাকার।
বাজেটের পঞ্চাশ শতাংশের বেশি বেতন ভাতা রক্ষণাবেক্ষনের পেছনে ব্যয় হওয়ায় সাধারণত বাংলাদেশ নতুন অস্ত্র কিনতে যথেষ্ট পরিমাণ টাকা পেত না। তবে এবারের বাজেটের ফলে সামরিক বাহিনীর হাতে অন্ততপক্ষে অস্ত্র কেনাকাটার জন্য ২০-২৫ হাজার কোটি টাকা থাকছে।
জানা গেছে, এবারের সামরিক বাজেটে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য নতুনভাবে ছয়টি ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়াকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এই অঞ্চলে ভারতের ফ্লিটে থাকা ফ্রেঞ্চ টেকনোলজির স্করপিয়ান ক্লাস ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন বিবেচনায়। অন্যদিকে বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের জন্য সর্বোচ্চ এক স্কোয়াড্রন মাল্টিরল কমব্যাট এয়ারক্রাফট কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এদিকে আগস্ট থেকে নভেম্বরের মাঝেই বাংলাদেশে জয়েন্ট প্রোডাকশন ফ্যাক্টরি গড়ে তোলার কাজ শুরু করছে তুরস্কের দুটি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বায়কার এবং রকেটসন।
এর আগে বাংলাদেশ নতুন অস্ত্রসামগ্রী কিনতে মিডলম্যান হিসেবে বিভিন্ন কনসালটেন্সি বা লবিং ফার্মের শরণাপন্ন হত; যেখানে বাংলাদেশকে খরচ করতে হত বেশ বড় অঙ্কের টাকা। তবে এখন থেকে যেকোনো ধরনের অস্ত্র কেনার জন্য জি২জি বা গভর্মেন্ট টু গভর্মেন্ট ডিল হবে। এতে করে অতিরিক্ত টাকা নষ্ট হবেনা।
তবে বাংলাদেশের এই সামরিক বাজেট বৃদ্ধির একটি পলিটিক্যাল পারস্পেক্টিভও রয়েছে। যারা বাংলাদেশকে ড্যামেজ কন্ট্রোল এবং এক্সপেরিমেন্টাল হাব মনে করে― ইহা তাদের জন্য শক্ত বার্তা।
©️
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ISPR জানিয়েছে তারা মোট-
ফ্রান্সের ৩টি Rafale যুদ্ধ বিমান
ফ্রান্সের ১টি Mirage-2000 যুদ্ধ বিমান
রাশিয়ান ১টি Su-30 যুদ্ধ বিমান
রাশিয়ান ১টি Mig-29 যুদ্ধ বিমান
ইসয়ায়েলি ১টি UAV(ড্রোন)
ইসয়ায়েলি ৮৪টি Heron কামিকাজে ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
1216