Experience With Sohrab.
✒️ অস্থিরতার চুপ হওয়া শিখলাম।
একাকিত্বকে গ্রহণ করলাম।
কেউ গুরুত্ব না দিলে, গুরুত্ব পাওয়ার আশা ছেড়ে দিলাম।
কেউ পাশে থাকবে কিনা —
সেই অপেক্ষাও বাদ দিলাম।
কারও কথায় মন খারাপ করা থামিয়ে দিলাম।
তারপর বুঝলাম —
জীবন এখন অনেক শান্ত, অনেক সহজ।
কারণ...
অবশেষে শিখেছি —
শান্তি কখনও অন্যের উপর নির্ভর করে না।
শান্তি লুকিয়ে থাকে
নিজের ভেতরে। 🕯️
হালাল রুজি জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ.....
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ لَحْمٌ نبَتَ منَ السُّحْتِ وكلُّ لحمٍ نبَتَ منَ السُّحْتِ كَانَتِ النَّارُ أَوْلَى بِهِ» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالدَّارِمِيُّ وَالْبَيْهَقِيُّ فِي شُعَبِ الْإِيمَانِ
২৭৭২। হযরত জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলিয়াছেনঃ যেই দেহের গোশত হারাম মালে গঠিত, উহা বেহেশতে প্রবেশ করিতে পারিবে না। হারাম মালে গঠিত দেহের জন্য দোযখই সমীচীন। —আহমদ, দারেমী ও বায়হাকী শোআবুল ঈমানে
—মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদীস নং ২৭৭২
অসম্ভব রকমের সুন্দর একটা হাদীস.......
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، وَبِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - وَهُوَ ابْنُ مُحَمَّدٍ - الدَّرَاوَرْدِيُّ عَنْ يَزِيدَ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " ذَاقَ طَعْمَ الإِيمَانِ مَنْ رَضِيَ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولاً "
৫৮। মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া ইবনে আবু উমর আল মক্কী ও বিশর ইবনে হাকাম (রাহঃ) ......... আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছেনঃ সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে যে রব হিসাবে আল্লাহকে, দ্বীন হিসাবে ইসলামকে এবং রাসুল হিসাবে মুহাম্মাদ (ﷺ) কে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিয়েছে।
—সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৮
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، - وَهُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ - عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامِ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ " .
উবাইদুল্লাহ ইবনে মু’আয (রাহঃ) ......... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, পাঁচটি বিষয়ের উপর ইসলামের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আর মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসুল-এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা, নামায কায়েম করা, যাকাত দেয়া, বায়তুল্লাহর হজ্জ করা ও রমযানের রোযা পালন করা।
হাদীসের ব্যাখ্যা:
ইসলামের আসল অর্থ হচ্ছে নিজেকে কারো কাছে সমর্পণ করে দেওয়া এবং সম্পূর্ণ তারই নির্দেশের অধীন হয়ে যাওয়া। আর মহান আল্লাহর প্রেরিত ও তাঁর রাসূলগণ কর্তৃক আনীত দ্বীনের নাম 'ইসলাম' এজন্যই রাখা হয়েছে যে, এখানে বান্দা নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করে দেয় এবং তাঁর সার্বিক আনুগত্যকে নিজের জীবন সাধনার কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে নেয়।
বস্তুতঃ এটাই হচ্ছে ইসলামের হাকীকত ও তাৎপর্য এবং আমাদের কাছে এরই দাবী করা হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন তোমাদের আল্লাহ্ তো একক আল্লাহ, সুতরাং তোমরা মুসলিম অর্থাৎ তাঁরই আজ্ঞাধীন হয়ে যাও। (সূরা হজ্জঃ আয়াত 08)
এই ইসলাম সম্পর্কেই বলা হয়েছে। তার চেয়ে উত্তম মানুষ আর কে হতে পারে, যে
নিজেকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করে দিয়েছে এবং সে এভাবে মুসলিম বান্দা হয়ে গিয়েছে।
(সূরা নিসা : আয়াত ১২৫)
এই ইসলাম সম্পর্কে ঘোষণা করা হয়েছে যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন দ্বীন অবলম্বন করতে চায়, তার পক্ষ থেকে তা কখনো গ্রহণ করা হবে না এবং সে হবে আখেরাতে চরম ক্ষতিগ্রস্ত। (সূরা আলে ইমরান : আয়াত ৮৫)
মোটকথা, ইসলামের মূল প্রাণশক্তি ও এর হাকীকত এটাই যে, বান্দা নিজেকে সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করে দেবে এবং সর্বক্ষেত্রে তাঁরই আজ্ঞাবহ হয়ে থাকবে।।
নবী-রাসূলদের আনীত শরীঅতসমূহে এই ইসলামের জন্য বিশেষ কিছু মৌলিক বিধি বিধানও থাকে, যেগুলোর অবস্থান এই মূল ইসলামের অবয়ব তুল্য। আর এই মূলের ক্রমবৃদ্ধি ও এর সজীবতা এ সকল বিধি-বিধানের দ্বারাই হয়ে থাকে। এই বিষয়গুলি সম্পূর্ণ অনুসৃত বিষয় হয়ে থাকে এবং এই বিষয়গুলো দ্বারাই বাহ্যত তাদের মধ্যে পার্থক্য করা হয়, যারা ইসলামকে নিজেদের জীবনবিধান বানিয়ে নিয়েছে আর যারা তা করেনি।
শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে ইসলামের যে সর্বশেষ ও পরিপূর্ণ জীবনবিধান আমাদের কাছে এসেছে, এর মধ্যে আল্লাহর একত্বতার বিশ্বাস, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রেসালতের সাক্ষ্য প্রদান, নামায, যাকাত, রোযা ও বায়তুল্লাহ শরীফের হজ্জকে ইসলামের স্তম্ভ ও মৌলিক বিষয় সাব্যস্ত করা হয়েছে। ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি জিনিসের উপর স্থাপিত।
যা হোক, ইসলামের পরিচয় সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে এই হাদীসে হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে পাঁচটি জিনিসকে উল্লেখ করেছেন, এগুলোই হচ্ছে ইসলামের বুনিয়াদ। আর এগুলোই মূল ইসলামের দৃষ্ট অবয়ব। এই জন্যই ইসলামের পরিচয় দিতে গিয়ে এই বিষয়গুলোর উল্লেখ করা হয়েছে।
এ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপকভাষায় ইসলামকে এমন একটি ইমারতের সাথে তুলনা করেছেন, যা কয়েকটি স্তরের উপর দাঁড়ানো থাকে। তিনি এখানে বলে দিয়েছেন যে, ইসলামের এই ইমারত ও সৌধ এ পাঁচটি জিনিসের উপরই প্রতিষ্ঠিত। তাই কোন মুসলমানের জন্য এ অবকাশ নেই যে, সে এইসব বিধি-বিধান পালনে কোন প্রকার শৈথিল্য প্রদর্শন করবে। কেননা, এগুলো হচ্ছে ইসলামের মূল খুঁটি।
মনে রাখতে হবে যে, ইসলামের অবশ্য পালনীয় বিষয়সমূহ এ পাঁচটি বিধানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর বাইরেও অনেক জরুরী বিধি-বিধান রয়েছে, যেমন আল্লাহর পথে জেহাদ করা, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করা ইত্যাদি। কিন্তু এ পাঁচটি বিষয়ের যে গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে, এ বৈশিষ্ট্য যেহেতু অন্য বিধানাবলীতে নেই, তাই ইসলামের ভিত্তিমূল কেবল এ পাঁচটি জিনিসকেই সাব্যস্ত করা হয়েছে।
আর ঐ সকল বৈশিষ্ট্য এবং গুরুত্ব উহাই, যা পূর্ববর্তী পৃষ্ঠাগুলোতে 'হাদীসে জিব্রাঈল' এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে লিখা হয়েছে। যার সারবস্তু এই যে, এই পঞ্চ রোকন ইসলামের জন্য দৃষ্ট অবয়বের মত। তাছাড়া এগুলোই আল্লাহর দাসত্বসুলভ এমন বিষয়, যা সত্তাগতভাবে কাম্য ও উদ্দেশ্য এবং এগুলোর অপরিহার্যতা কোন সাময়িক বিষয় ও কোন বিশেষ অবস্থার সাথে সম্পৃক্ত নয়; বরং এগুলো হচ্ছে মৌলিক ও স্থায়ী বিধি-বিধান । পক্ষান্তরে জেহাদ ও সৎ কাজের আদেশের বিষয়টি এমন নয়। কেননা, সেটা বিশেষ অবস্থা ও বিশেষ পরিস্থিতিতে ফরয হয়ে থাকে।
—সহীহ মুসলিম
"মানুষের সাথে ঠিক কী ব্যবহার করতে হবে?" এর উত্তর নির্ভর করে আপনি কোন প্রেক্ষাপটে বা সম্পর্কের ধরনের কথা বলছেন (বন্ধু, পরিবার, সহকর্মী, অপরিচিত, ইত্যাদি)। তবে সাধারণভাবে বললে, মানুষের সাথে ব্যবহার বা আচরণে কিছু মৌলিক গুণ সবসময়ই প্রযোজ্য:
১. শ্রদ্ধা (Respect):
সবার মতামত, বিশ্বাস, ও ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান দেখানো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
২. সহানুভূতি ও সহমর্মিতা (Empathy & Compassion):
অন্যের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা ও দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকা।
৩. সততা (Honesty):
সত্য কথা বলা, প্রতারণা না করা এবং বিশ্বাসযোগ্য হওয়া।
৪. শ্রবণ দক্ষতা (Active Listening):
শুধু নিজের কথা বলার বদলে অন্যের কথাও মনোযোগ দিয়ে শোনা।
৫. ধৈর্য ও সহনশীলতা (Patience & Tolerance):
সবাই আপনার মতো ভাববে না — সেই পার্থক্যকে মেনে নেওয়া।
৬. নম্রতা ও বিনয় (Humility):
নিজেকে সবসময় সঠিক ভাবা থেকে বিরত থাকা এবং অন্যের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া।
৭. দায়িত্বশীলতা (Responsibility):
নিজের কাজ ও কথার জন্য দায়বদ্ধ থাকা।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, আল্লাহ তা'আলা সব দোয়া শোনেন এবং তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানের ভিত্তিতে দোয়ার জবাব দেন। তবে কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী কিছু বিশেষ শ্রেণির মানুষের দোয়া আল্লাহ তা'আলা সরাসরি কবুল করে থাকেন বা দ্রুত কবুল করে থাকেন। নিচে সেসব ব্যক্তিদের উল্লেখ করা হলো:
---
📌 যাদের দোয়া আল্লাহ সরাসরি কবুল করেন:
1. মজলুম (অত্যাচারিত) ব্যাক্তি
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন:
“মজলুমের দোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না।”
— [সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম]
2. মাতা-পিতার দোয়া সন্তানদের জন্য
রাসূল (সা.) বলেছেন:
“তিনটি দোয়া প্রত্যাখ্যাত হয় না: মজলুমের দোয়া, সফররত ব্যক্তির দোয়া, এবং পিতামাতার দোয়া সন্তানদের জন্য।”
— [তিরমিযি, হাসান সহীহ]
3. রোজাদারের দোয়া ইফতারের সময়
হাদীসে এসেছে:
“রোজাদারের ইফতারের সময় তার দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না।”
— [ইবন মাজাহ]
4. ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া
এই ধরনের শাসকের দোয়া আল্লাহর কাছে অধিক গুরুত্ব পায়।
5. আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষাকারীর দোয়া
6. মুসলিম ভাইয়ের জন্য পেছনে করা দোয়া
হাদীস: “যে ব্যক্তি তার অনুপস্থিত ভাইয়ের জন্য দোয়া করে, ফেরেশতা বলে: ‘আমিন, এবং তোমার জন্যও অনুরূপ হোক।’”
— [সহীহ মুসলিম]
7. মকবুল হাজী বা উমরাহকারীর দোয়া
হজ ও উমরাহ পালনকারীদের দোয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে বিশেষ ফজিলত আছে।
8. রাত্রির শেষ প্রহরে (তাহাজ্জুদের সময়) দোয়া
হাদীস:
“রাত্রির শেষ তৃতীয় ভাগে আল্লাহ আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন: কে আছো আমার কাছে কিছু চাইবে, আমি তাকে দেবো?”
— [সহীহ বুখারী, মুসলিম]
✅ কিছু শর্ত যাদের কারণে দোয়া কবুল হয়:
১. হারাম খাদ্য বা উপার্জন না থাকা।
২. আন্তরিকতা ও বিনয়ের সাথে দোয়া করা।
৩. আত্মবিশ্বাস থাকা যে আল্লাহ কবুল করবেন।
৪. সবর ও তাওয়াক্কুল রাখা।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন।আমিন।
ফেসবুকে এমন একটা ট্রেন্ড চালু হয়েছে যে,আজাইরা পোজে ছবি দিয়ে বলে লিজেন্ডরা কোথায় এডিট করে দেন।চিন্তা ভাবনার অবনতিটা খেয়াল করবেন ।
হে কাবার মালিক, "আমাকে সুখ দিলে ঠিক ততটাই দিও যাতে মনে অহংকার জন্ম না নেয়।আবার দুঃখ দিলেও ততটাই দিও যাতে তোমার উপর থেকে বিশ্বাস না চলে যায়।"
এখন অন্যের ভালো দেখে আফসোস করিনা কারণ, "আমার চাওয়া পাওয়ার চেয়ে আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।"
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Matlab Bazar
3640