Islamic knowledge

Islamic knowledge

Share

23/05/2025

ঈদের সালাতের আগে বা পরে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের বিধান:

ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে কোন সুন্নাহ বা হাদিস পাওয়া যায় না। তবে কিছু কিছু সাহাবি থেকে বর্ণিত হয়েছে‌ যে, তারা ঈদের নামাজ পড়ে ফিরে আসার সময় একে অপরকে বলতেন,
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
“তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয় মিনকুম।”
অর্থ: ”আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের (নেক আমলগুলো) কবুল করুন।”
, قال محمد بن زياد : كنت مع أبي أمامة الباهلي وغيره من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ، فكانوا إذا رجعوا من العيد يقول بعضهم لبعض : تقبل الله منا ومنك ، وقال أحمد : إسناد حديث أبي أمامة إسناد جيد ” انتهى من ” المغني ” (2/130) .
এটি মূলত একটি দোয়া। এখানে দোয়া করা হয় যে, আল্লাহ যেন আমাদের নেক কাজগুলো কবুল করেন। শুভেচ্ছা জ্ঞাপনও মূলত এক ধরনের দোয়া ও কল্যাণ কামনা। তাই ঈদের পরেই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা উত্তম। কিন্তু এ বিষয়টি মূলত মানুষের রীতিনীতি এবং সামাজিকতা হিসেবে পরিগণিত। তাই যদি ঈদের আগে থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের প্রচলন থাকে তাহলে তাতে কোন সমস্যা নেই। কারণ এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, আনন্দ ও ভালোবাসা প্রকাশ। এটি ইবাদতের বিষয় নয়।
অতএব ঈদের সালাতের আগে বা পরে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনে কোন সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ। আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন বলেন,
أن المعايدة والتهنئة قبل العيد لا بأس بها
“ঈদের আগে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে কোন দোষ নেই

23/05/2025

যেখানে কেউ আশা রাখে না, সেখানেই ঘটে যায় অবিশ্বাস্য কিছু 🌸🤍

22/05/2025

কারো শারীরিক সৌন্দর্য বা হাই-লেভেলের চাকরি কিংবা ধনীঘরে জন্ম দেখে আফসোস করবেন না। কারণ, কোনটা নিয়ামত আর কোনটা গজব.....
আপনি সেটা জানেন না। কত লোক সৌন্দর্যের কারণে চরিত্র হারিয়েছে, উচ্চপদের চাকরি পেয়ে সততা গেছে, ধনাঢ্য পরিবারে জন্ম হওয়াতে জীবন ধ্বংস হয়েছে।

01/06/2023

স্বামীর একাধিক বিয়েকে অপছন্দ করা কি ঈমান ভঙ্গের কারণ

প্রশ্ন: অনেক মহিলাই স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে অপছন্দ করে। এতে কি তাদের ইমান নষ্ট হওয়ার বা মুনাফিক হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
▬▬▬▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: নিঃসন্দেহে আল্লাহর প্রতিটি বিধান মানুষের কল্যাণের জন্য। তাঁর প্রতিটি বিধানেই রয়েছে সুনিপুণ হেকমত ও সুগভীর প্রজ্ঞা।
সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং তাকে ভালোবাসে তার জন্য আবশ্যক হচ্ছে, আল্লাহর প্রতিটি বিধানের কাছে নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করা। এটি ঈমানের দাবি। ‌এর বিপরীতে আল্লাহর কোন একটি বিধানকে অপছন্দ করা বা ঘৃণা করা ঈমান ভঙ্গের অন্যতম একটি কারণ। আল্লাহ তাআলা বলেন,
ذَ ٰ⁠لِكَ بِأَنَّهُمۡ كَرِهُوا۟ مَاۤ أَنزَلَ ٱللَّهُ فَأَحۡبَطَ أَعۡمَـٰلَهُمۡ
“এটা এজন্যে যে, আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তারা তা অপছন্দ করেছে। কাজেই তিনি তাদের আমলসমূহ বাতিল করে দিয়েছেন।” [সূরা মুহাম্মদ: ৯] সুতরাং কেউ যদি মনে করে, ইসলাম পুরুষদেরকে একাধিক বিয়ের বিধান দিয়ে নারীদের প্রতি জুলুম করেছে, অথবা মনে করে, এই বিধানটি বর্তমান যুগে অনুপযোগী বা এটিকে কেউ ঘৃণার চোখে দেখে তাহলে সে ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত মুরতাদ ও কাফের বলে গণ্য হবে। তবে কেউ যদি আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান বজায় রাখে এবং এটিকে বৈধ মনে করে কিন্তু ব্যক্তিগত মানবিক দুর্বলতা ও অনিচ্ছার কারণে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করুক এটা না চায় বা তার দ্বিতীয় বিয়েকে অপছন্দ করে তাহলে তাতে সমস্যা নেই। এ কারণে সে ঈমান থেকে বের হয়ে যাবে না বা মুনাফিক বলে গণ্য হবে না। উদাহরণ হিসেবে, মানুষ রোগাক্রান্ত হলে অস্ত্রপাচার, ইনজেকশন নেওয়া বা ওষুধ খাওয়াকে স্বভাবগতভাবে অপছন্দ করে কিন্তু সুস্থতার স্বার্থে তা মেনে নেয়। অনুরূপভাবে জিহাদ তথা কাফেরদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া স্বভাবগতভাবে মানুষের অপছন্দনীয়। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন,
كُتِبَ عَلَیۡكُمُ ٱلۡقِتَالُ وَهُوَ كُرۡهࣱ لَّكُمۡۖ وَعَسَىٰۤ أَن تَكۡرَهُوا۟ شَیۡـࣰٔا وَهُوَ خَیۡرࣱ لَّكُمۡۖ وَعَسَىٰۤ أَن تُحِبُّوا۟ شَیۡـࣰٔا وَهُوَ شَرࣱّ لَّكُمۡۚ وَٱللَّهُ یَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ
“তোমাদের উপর কিতাল (যুদ্ধ) করাকে ফরজ করা হয়েছে যদিও তোমাদের নিকট তা অপছন্দনীয়। কিন্তু তোমরা যা অপছন্দ কর হতে পারে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং যা ভালবাস হতে পারে তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ জানেন তোমরা জান না।” [সূরা বাকারা: ২১৬]

অনুরূপভাবে, ঠাণ্ডার রাতে ঘুম থেকে উঠে অজু করে মসজিদে যাওয়া, সফরের কষ্ট, ক্লান্তি ও নানা রোগ-ব্যাধি সত্বেও পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা, নিজের সম্পদ থেকে জাকাত বের করে গরিবদেরকে দান করা, রমজান মাসে সারাদিন ক্ষুধা-পিপাসায় কাতর হয়ে রোজা রাখা ইত্যাদি মানুষের স্বভাবজাত অপছন্দনীয় বিষয়। কিন্তু তারপরও কেউ যদি আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক জাহান্নামের আগুনের ভয়ে এ কাজগুলো করে তাহলে তার জন্য রয়েছে অবারিত সওয়াব। ঠিক তদ্রুপ কোন নারী যদি স্বামীর একাধিক বিয়ের প্রতি অন্তরে কষ্ট অনুভব করার পরেও আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং স্বামীকে সন্তুষ্ট করার স্বার্থে তা মেনে নেয় তাহলে সে আল্লাহর কাছে সওয়াবের অধিকারী হবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু এর বিপরীতে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে স্ত্রী যদি তার প্রতি কোন ধরনের জুলুম-নির্যাতন করে, খারাপ আচরণ ও গালাগালি করে, তার গোপনীয়তা প্রকাশ, গিবত‌ ও আমানতের খিয়ানত করে, তাকে অপমান-অপদস্থ করে বা অন্য কোন ভাবে তাকে কষ্ট দেয় তাহলে সে মারাত্মক গুনাগার হবে।‌ এই বিষয়গুলো সাধারণভাবেই কবিরা গুনাহ। কিন্তু স্বামীর সাথে করা হলে তার ভয়াবহতা আরও বেশি। এক্ষেত্রে তার কর্তব্য হবে, আল্লাহর বিধানের প্রতি আত্মসমর্পণ এবং স্বামীর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেওয়া। তা করা সম্ভব না হলে এক বুক কষ্ট নিয়ে সংসার করা আবশ্যক নয়। ইচ্ছা করলে সে খোলা তালাক নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে। আল্লাহু আলম। উল্লেখ্য যে, কোন স্বামী যদি একাধিক বিয়ে করে তাহলে তার সকল স্ত্রীর মাঝে (রাতযাপন এবং খরচ এর ক্ষেত্রে) সমতা রক্ষা করা ফরজ। কেউ যদি তা করতে পারবে না বলে মনে করে তাহলে তার জন্য একাধিক বিয়ে করা হারাম।
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Jhenida?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Harishankarpur
Jhenida
7300