Ainkoo

Ainkoo

Share

16/09/2022

🌲ভগবানের সাথে তাঁর ভক্তের কোন সম্বন্ধই ছোট বা বড় নয়ঃ--
🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂
🌹লক্ষ্য যদি হয় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রাপ্ত হওয়া--সেক্ষেত্রে ভগবানের সাথে ভগবত ভক্তের সম্বন্ধ কোনটিই ছোট বা বড় নয়।
🌲যে ভগবত ভক্ত যে রসে মজে তার ভজন প্রণালীও তদনুরূপ হয়ে থাকে ।
🌹কোন ভগবত ভক্ত ভগবানকে প্রভু ভেবে তার হৃদয় মন্দিরে বসিয়ে দাস্যভাবে ভগবানকে সেবা করে থাকেন ।
🌹আবার কোন ভগবত ভক্ত ছোট্ট গোপলকে তার দুগ্ধপোষ্য শিশু ভেবে বাৎসল্য ভাবের সকল সেবাই প্রদান করে থাকেন। ঐ বাৎসল্য ভাবের ভক্তটি কখনোই ভাবেন না তার এই ছোট্ট শিশু গোপালই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ,আর তখন অনাদির আদি গোবিন্দ ভক্তের এই বাৎসল্য প্রেমরসে তুষ্ট হয়ে যান,এবং বাৎসল্য ভাবের ঐ ভক্তটির কাছ থেকে ভগবান বাৎসল্য প্রেমরস আস্বাদন করে থাকেন ।
🌹কোন ভগবত ভক্ত ভগবানকে তার খেলার সাথী তাঁর একান্ত সখা হিসেবে মনে করেন,ঐ সখ্যভাবের ভক্তটির কাছ থেকে ভগবান সখ্য প্রেমরস আস্বাদন করে পরম তৃপ্তি লাভ করে থাকেন ।
🌹আবার কোন ভক্ত ভগবানকে তার প্রিয়তম বলে মনে করে থাকেন এবং ভগবানকে তার সকল ধরনের প্রেমময়ী সেবা প্রদান করেন।-আর তখন এই মধুর রসের ভক্তটির কাছ থেকে ভগবান মাধুর্য্য প্রেমরস আস্বাদন করে পরম প্রীতি লাভ করে থাকেন ।।
🌹জয় নিতাই গৌরপ্রেমানন্দে হরিহরিবোল।।
🌹জয় শ্রীরাধে🙏👣🌹

🙏👣🌹🌿🌹🌿🌹🌿🌹🌿🌹🌿🌹

04/07/2022

হেলাতে জীবন রাখিও না আর, ধরিও চরণ যুগলকিশোর। আশি লক্ষ জনমও পরে পাইলে এমন মানব জনম ।এটাও যদি হেলাতে হারিয়ে ফেলো মিলিবে পশুরও জনম। পশুর জনমে না পারিবে জুড়ীতে হাত, ধরিতে চরণ ।উচ্চারিতে না পারিবে বদনে কৃষ্ণ নাম। তাইতো শোনার পরে বল। জানার পরে বল। যদি দরকার হয় বলো। কারণ বলাতেই শত্রু হয়, আর এই বলাতেই মিত্র হয়। বলাতেই মানুষ উপরে উঠে বলাতেই মানুষ নিচে নামে। বলাতেই মানুষ হালকা হয়। বলাতেই মানুষ ভারী হয়। বলাতেই মানুষ জ্ঞানের অগ্নিশিখা জ্বালে। বলাতেই মানুষ অজ্ঞানতায় ভরে যায়। এইজন্যই কি বলা উচিত ,কি বলা উচিত নয়, সেটা সঠিকভাবে জানতে হবে। এই বলাতেই মানুষ উদ্ধার হবে। এই বলাতেই মানুষ নরকে যাবে। তাই সময় থাকতে যুগবতার যুগলকিশোর এর নাম, কৃষ্ণ নাম, হরিনাম বলাই হল সর্বশ্রেষ্ঠ বলা।

02/06/2022

ভগবান কোথায় থাকেন?

একদিন নারদজী ভগবানকে খুঁজছিলেন। তিনি তো থাকেন বৈকুন্ঠে। কিন্তু বৈকুন্ঠে গিয়ে দেখলেন ভগবান বৈকুন্ঠে নেই। মা লক্ষ্মী আছেন।
নারদজী মাকে জিজ্ঞাসা করলেন,"মা প্রভু কোথায় গেলেন?" মা লক্ষ্মী বললেন,
"প্রভু কোথায় গেলেন আমাকে বলেই যান নি।"
নারদজী চিন্তা করছেন, "মা লক্ষ্মীকে ছেড়ে প্রভু চলে গেলেন। প্রভুর প্রিয়া তিনি। মনে হয় প্রভুর আর কেউ আছে যিনি প্রভুর প্রিয়। সেখানে গেছেন।"
নারদজী ঘুরতে ঘুরতে মান সরোবরের কাছে চলে এলেন। সেখানে বড় বড় যোগী তপস্যা করছিলেন গুহাতে বসে। নারদজী ধ্যানযোগে সকলের হৃদয়ে গিয়ে ভগবানকে খুঁজলেন। কিন্তু সেখানেও ভগবান নেয়।
"ভগবান কোথায় আছেন?" খুঁজতে খুঁজতে ঘুরতে লাগলেন।
ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীতে একটা ছোট গ্রামে এসে পৌঁছালেন। তিনি দেখলেন, সেখানে কীর্তন হচ্ছে।
শ্রীকৃষ্ণ গোবিন্দ হরে মুরারী
হে নাথ নারায়ণ বাসুদেবা।
কীর্তন চলছে নিরন্তর। নারদজী কীর্তনের শব্দ শুনলেন। নারদজী ভাবছেন "ভগবান বৈকুন্ঠে নেয়, যোগীদের হৃদয়ে নেয়। তিনি কি এখানে আছেন???"
নারদজী একটু গিয়ে দেখলেন কীর্তনের মধ্যে ভগবান আছেন কিনা। নারদজী দেখলেন পঞ্চাশ জন ভক্ত বসে আছে। আসনে উপরে সাক্ষাত ভগবান নারায়ণ বিরাজমান। নারদজীও বসে পড়লেন। নারায়ণ নারদজীকে দেখে হাসতে লাগলেন। নারদজী হাসছেন না।
ভক্তরা কীর্তন করে চলে গেলেন। নারদজী প্রভুর চরণে গিয়ে পড়লেন। আর ভগবানকে বললেন,"প্রভু আপনি কোথায় থাকেন, সত্যিকারে আপনার থাকার নিবাস কোথায় প্রভু একটু বললেন। আপনাকে বৈকুন্ঠে গেলাম, পেলাম না। যোগীদের হৃদয়ে দেখলাম পেলাম না। এখানে ভক্তরা কীর্তন করছে। ওখানে আপনাকে পেলাম। সত্যিকারে কোথায় থাকেন?"
প্রভু বললেন," নাহং তিষ্ঠামি বৈকুণ্ঠে যোগীনাং হৃদয়ে ন চ। মদ্ভক্তাঃ যত্র গায়ন্তি তত্র তিষ্ঠামি নারদ।।
নারদজী তুমি তো জানো। আমি ভক্ত ছাড়া থাকতে পারি না। যেখানে আমার ভক্তরা নিরন্তর কীর্তন করে। আমি সেখানে থাকি।
না আমি বৈকুন্ঠে থাকি, না আমি যোগীদের হৃদয়ে থাকি। আমি তো, ভক্ত যেখানে নিরন্তর আমার নাম কীর্তন করে আমি সেখানে অবস্থান করি নারদ। সেই স্থান আমার প্রিয় ।"
প্রভুর নাম যেখানে হয়, সেখানে ভক্তদের খুব কাছে ভগবান অবস্থান করে। কোনরূপে তিনি আছেন বসে কেউ বলতে পারে না। কারণ প্রভুর নাম প্রভুকে কাছে নিয়ে আসে।

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Hatiya?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Checked �
Hatiya
0381