Build Survey Consultancy

Build Survey Consultancy

Share

28/05/2026

Build Survey Consultancy পরিবারের পক্ষ থেকে পবিত্র Eid al-Adha এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক আমাদের জীবন, প্রতিষ্ঠিত হোক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও মানবতা।
🌙 ঈদ মোবারক 🌙

26/05/2026
25/05/2026

⛔স্ত্রী মারা গেলে যদি ছেলে না থাকে তাহলে ঐ স্ত্রীর সম্পত্তি কে কে পাবে? ডিটেইল তথ‍্য সহ👇

বাংলাদেশে (মুসলিম পারিবারিক উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী) কোনো স্ত্রী মারা গেলে তার সম্পত্তি কারা পাবে, তা নির্ভর করে তিনি কাদের রেখে গেছেন তার উপর। ছেলে না থাকলেও অন্য উত্তরাধিকারী থাকলে তারা অংশ পায়। নিচে সহজভাবে ব্যাখ্যা করছি।

১) স্ত্রী মারা গেলে স্বামী কত পাবে?

যদি মৃত স্ত্রীর কোনো সন্তান না থাকে (ছেলে বা মেয়ে কেউ না থাকে), তাহলে স্বামী পাবে:

মোট সম্পত্তির ১/২ (অর্ধেক)

আর যদি সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী পায় ১/৪।

২) স্ত্রী মারা গেলে এবং ছেলে না থাকলে কারা সম্পত্তি পাবে?

কেস–১: শুধু স্বামী আছে, সন্তান নেই

উদাহরণ:

স্ত্রী মারা গেছেন

সন্তান নেই

বাবা-মাও নেই

তাহলে:

স্বামী পাবে ১/২

বাকি অংশ যাবে অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের মধ্যে (যেমন ভাই-বোন ইত্যাদি)

কেস–২: স্বামী ও মেয়ে আছে, ছেলে নেই

যদি:

১ জন মেয়ে থাকে → মেয়ে পাবে ১/২

একাধিক মেয়ে → তারা সম্মিলিতভাবে পাবে ২/৩

স্বামী তখন পাবে ১/৪ (কারণ সন্তান আছে)।

কেস–৩: স্বামী, মেয়ে ও বাবা-মা আছে

ধরুন:

স্বামী

১ মেয়ে

বাবা

মা

তাহলে সাধারণভাবে:

স্বামী → ১/৪

মেয়ে → ১/২

মা → ১/৬

বাকি অংশ বাবা পাবেন

৩) যদি কোনো সন্তানই না থাকে

তাহলে উত্তরাধিকার সাধারণত এভাবে যায়:

স্বামী

বাবা-মা

ভাই-বোন

দাদা-দাদি / নানা-নানি

অন্যান্য নিকট আত্মীয়

৪) স্ত্রী নিজের অর্জিত সম্পত্তি হলে কী হবে?

যে সম্পত্তি:

স্ত্রী নিজে কিনেছেন,

চাকরির টাকায় করেছেন,

উপহার পেয়েছেন,

মোহরানা পেয়েছেন,

সবই তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে এবং মৃত্যুর পরে ইসলামী ফারায়েজ অনুযায়ী বণ্টন হবে।

৫) যৌতুক বা স্বামীর সম্পত্তি কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ত্রীর সম্পত্তি?

না।
স্বামীর নামে থাকা সম্পত্তি স্ত্রী মারা গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার উত্তরাধিকারীদের কাছে যায় না। যে সম্পত্তি স্ত্রীর নামে বা মালিকানায় ছিল, শুধু সেটাই বণ্টন হবে।

৬) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

সম্পত্তি বণ্টনের আগে:

দাফন-কাফনের খরচ,

দেনা-পাওনা,

বৈধ ওসিয়ত (সর্বোচ্চ ১/৩ পর্যন্ত)

এসব পরিশোধ করতে হয়।

একটি সহজ উদাহরণ

ধরুন একজন স্ত্রী মারা গেলেন। রেখে গেলেন:

স্বামী

২ মেয়ে

মা

মোট সম্পত্তি = ১২ লাখ টাকা

তাহলে আনুমানিক:

স্বামী → ৩ লাখ (১/৪)

২ মেয়ে → ৮ লাখ (সম্মিলিত ২/৩)

মা → ২ লাখ (১/৬)

(বাস্তবে হিসাব সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে নির্দিষ্ট উত্তরাধিকারীর উপস্থিতির কারণে।)

#সম্পত্তি_বণ্টন #স্ত্রীর_সম্পত্তি_বণ্টন #পরিবারের_সম্পত্তির_বণ্টন #ভূমি_আইন

19/05/2026

"ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩"
*********************************************
এ আইনে মোট ২৭ টি ধারা রয়েছে।
ধারা-৪: ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ ও দন্ড।
অন্যের জমি নিজের দাবি করা, তথ্য গোপন করে কিংবা নিজের মালিকানার অতিরিক্ত কিংবা মিথ্যা পরিচয় দিয়ে কিংবা মিথ্যা বিবরণ দিয়ে কোন জমি বিক্রয় করা ভূমি প্রতারণা।
উক্ত অপরাধে অনধিক ৭ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার ফৌজদারি আদালতের। (ধারা-২২)। এ আইনে বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য।

ধারা-৫: ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ ও দন্ড।
মিথ্যা দলিল প্রস্তুত; অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে দলিল প্রস্তুত, স্বাক্ষর, সিলমোহর প্রদান; সম্পাদিত দলিলের কোন অংশ পরিবর্তন, বা উক্ত অসাধু কাজ করতে কাউকে বাধ্য করা ভূমি জালিয়াতি।
উক্ত অপরাধে অনধিক ৭ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার ফৌজদারি আদালতের। (ধারা-২২)। এ আইনে বর্ণিত অপরাধ অ-জামিনযোগ্য।

ধারা-৬(২): ভূমি বিষয়ক কোন কাজে উপস্থাপিত কোন দলিল প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত উল্লেখ করে তা বিচারের জন্য ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ করবে।

ধারা-৬(৩): কোন ব্যক্তির নামে সর্বশেষ খতিয়ান এবং দাখিলা না থাকলে তিনি উক্ত জমির দলিল সম্পাদন করতে পারবে না।

ধারা-৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দন্ড।
(১) যথাযথ দলিল বা মালিকানা ছাড়া কোন ব্যক্তি কোন জমি দখলে রাখতে পারবে না।
(২) বৈধ মালিককে আদালত বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত দখলচ্যুত করা যাবে না।
উক্ত অপরাধে অনধিক ২ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
তবে বৈধ দলিল আছে কিন্তু রেকর্ড নেই এমন ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধনের জন্য আদালতে মামলা করলে তাকে দখলচ্যুত কিংবা দখলে যেতে বাধা প্রদান করা যাবে না।

ধারা-৮: অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধার।
কোন জমির বৈধ মালিককে দখলচ্যুত করা হলে তিনি দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারবেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, বাদী ও বিবাদীর বক্তব্য গ্রহণ ও সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের বিষয় নিশ্চিত হলে দখল পুনর্বহালের আদেশ দিবেন এবং এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
কোনো দেওয়ানী আদালতে দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত কোন মামলা বিচারাধীন থাকলে একই বিষয়ে এ ধারার অধীন কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে বিচারাধীন মামলার কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করতে পারবে।
এ ধারার অধীন কোন আদেশ অমান্য করলে বা বাধা প্রদান করলে অনধিক ২ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন। (ধারা-১৫)।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার ফৌজদারি আদালতের। (ধারা-২২)।

ধারা-৯: ক্রেতা বরাবর বিক্রিত জমির দখল হস্তান্তর না করার দন্ড।
নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করা সত্ত্বেও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া জমির দখল হস্তান্তর না করা হলে
বিক্রেতা অনধিক ২ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার মোবাইল কোর্টের। (ধারা-২২)।

ধারা-১০: সীমানা বা ভূমির ক্ষতিসাধনের দন্ড।
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন বৈধ মালিকের জমির সীমানা কিংবা জমিতে অবস্থিত স্থাপনা, বৃক্ষ, ফসলের কোন ক্ষতি সাধন করে তবে তিনি অনধিক ২ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার মোবাইল কোর্টের। (ধারা-২২)।

ধারা-১১: সরকারি, আধা-সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান বা জনসাধারণের ব্যবহার্য ভূমির অবৈধ দখল বা ক্ষতিসাধনের দন্ড।
উপরোক্ত অপরাধে অনধিক ২ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার মোবাইল কোর্টের। (ধারা-২২)।

ধারা-১২: সরকারি, আধা-সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান বা জনসাধারণের ব্যবহার্য ভূমির অবৈধ ভরাট, শ্রেণি পরিবর্তনের দন্ড।
উপরোক্ত অপরাধে অনধিক ২ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার মোবাইল কোর্টের। (ধারা-২২)।

ধারা-১৩: মাটির উপরি-স্তর কর্তন ও ভরাটের দন্ড।
জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া যদি কোন ব্যক্তি আবাদযোগ্য জমির উপরি-স্তর কর্তন অথবা জমির মালিকের বিনা অনুমতিতে বালু বা মাটি দ্বারা ভরাট করেন তবে তিনি অনধিক ২ বছর জেল ও অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।
উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার মোবাইল কোর্টের। (ধারা-২২)।
তবে কোন ব্যক্তি তার প্রয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতিক্রমে নিজ মালিকানাধীন জমি হতে সীমিত পরিসরে বালু বা মাটি উত্তোলন করতে পারবেন।

ধারা-১৪: অপরাধ প্রতিরোধে ব্যবস্থা।
ধারা ১১, ১২, ১৩ এ বর্ণিত অপরাধে জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় আদেশ দিবেন। এ ধারার কার্যক্রম "সরকার এবং স্থানীয় সরকারের ভূমি ও ভবন (সম্পত্তি পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০"
এর আলোকে পরিচালিত হবে।

ধারা-১৫: আদেশ অমান্যে দন্ড।

ধারা-১৬: অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনার দন্ড।
যদি কোনো ব্যক্তি এ আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান করেন তবে তিনি প্রকৃত অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তির সমপরিমাণ দন্ডে দন্ডনীয় হবেন।

ধারা-১৭: অপরাধ পুন:সংঘটনের দন্ড।
এই আইনের অধীন কোন ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং একই অপরাধ পুনঃ সংঘটন করলে সংশ্লিষ্ট দন্ডের দ্বিগুণ দন্ড প্রাপ্ত হবেন। উক্ত দন্ড প্রদানের এখতিয়ার ফৌজদারি আদালতের। (ধারা-২২)।

ধারা-১৮: কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংঘটন।
ধারা-১৯: অপরাধের বিচার।
ধারা-২০: ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার।
ধারা-২১: সাক্ষীর সুরক্ষা।
ধারা-২২: ধারা ৪,৫,১৫,১৭ এ বর্ণিত অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধের বিচার মোবাইল কোর্টে হবে।

🖋️কামরুল ইসলাম
ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম।
১৯.০৫.২০২৪(পুনঃ পোস্ট)

18/05/2026

📜🏡 #জমি কি মূলে রেকর্ড হয়েছে জানতে চান? খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান সংগ্রহ করলেই জানতে পারবেন আসল সত্য! 🔍⚖️

আমাদের দেশে অনেকেই শুধু খতিয়ান হাতে পেলেই মনে করেন— “এই তো জমির মালিকানা প্রমাণ হয়ে গেলো!” 😌📄

কিন্তু বাস্তব সত্য হলো 👉 খতিয়ান মানেই চূড়ান্ত মালিকানা নয়। ⚠️

📌 খতিয়ান হলো শুধু একটি রেকর্ড। আর এই রেকর্ড কী মূলে হয়েছে, সেটা বুঝতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো — খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান। 🧾

📖 খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান কী? এটি হলো রেকর্ড প্রস্তুতের সময়কার প্রাথমিক নথি। এক কথায়, জমির “প্রথম খসড়া ইতিহাস”। 🏞️📚

এখানে জানা যায় 👇

✅ জমির রেকর্ড দলিল মূলে হয়েছে নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে 📜👨‍👩‍👧 ✅ কোন দলিল নম্বর ও সালের ভিত্তিতে রেকর্ড হয়েছে 🔢📅 ✅ পূর্বের মালিক কে ছিলেন 👤 ✅ কার নামে কত শতক জমি রেকর্ড হয়েছে 📏

👉 অর্থাৎ, ড্রাফট খতিয়ান ছাড়া জমির আসল ইতিহাস জানা প্রায় অসম্ভব। 😯

📌 উদাহরণ: ধরুন আপনার দাদার নামে সি.এস রেকর্ড আছে। কিন্তু তিনি কখনো জমি কেনেননি! 🤔

তাহলে রেকর্ড কীভাবে হলো? এর উত্তর পাবেন শুধুমাত্র ড্রাফট খতিয়ানে। ✅

সেখান থেকে বোঝা যাবে— জমিটি কোনো পুরনো দলিল মূলে রেকর্ড হয়েছে, নাকি পৈতৃক সম্পত্তির ভিত্তিতে হয়েছে। 🏡📜

⚠️ সমস্যা হলো, অনেকেই শুধু আপডেটেড খতিয়ান দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে যান। পরে দেখা যায় অন্য কেউ এসে দাবি করছে— “এই জমি আমার দাদার দলিল মূলে রেকর্ড!” 😟⚖️

তারপর শুরু হয় মামলা, বিরোধ আর দীর্ঘ ঝামেলা। 🚫📂

📢 তাই সচেতন হোন — আপনার জমির রেকর্ড দলিল মূলে হয়েছে নাকি উত্তরাধিকার মূলে, তা অবশ্যই যাচাই করুন। 🔍✅

🏢 কোথায় পাবেন? জেলা বা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে। 📍

📝 মনে রাখবেন — খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান হলো জমির জন্মসনদ। 🧾🏡 এটি ছাড়া জমির প্রকৃত ইতিহাস জানা অসম্ভব। ❗

#ভূমি 🏡 #খতিয়ান 📜 #ড্রাফট_খতিয়ান 🔍 ⚖️ 📚 🇧🇩

16/05/2026

ফ্ল্যাট কেনার আগে শুধু location দেখলেই হবে না চুক্তিপএের এই গুরুত্বপূন্য বিষয়গুলো ঠিক আছে কিনা না দেখলে ভবিষ্যতে বিপদ হতে পারে

আপনার কষ্টের টাকার সঠিক নিরাপত্তার জন্য- এই বিষয়গুলো অবশ্যই যাচাই করুন

14/05/2026

⚖️ পিতা যদি সব সম্পত্তি একজনকে দিয়ে দেন, তাহলে বাকিদের করণীয় কী?

অনেক সময় দেখা যায়, পিতা জীবিত অবস্থায় কিংবা মৃত্যুর আগে তার সব সম্পত্তি একজন সন্তান বা নির্দিষ্ট কাউকে লিখে দেন। তখন অন্য ওয়ারিশদের মনে প্রশ্ন জাগে— “আমাদের কি কোনো অধিকার নেই?” 🤔

চলুন সহজভাবে জেনে নিই 👇

📌 ১. প্রথমে দেখতে হবে সম্পত্তি কীভাবে দেওয়া হয়েছে

✅ হেবা বা দান (Gift)
যদি পিতা সুস্থ মস্তিষ্কে, স্বেচ্ছায় এবং আইন অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করে সম্পত্তি দান করেন, তবে মুসলিম আইনে সাধারণত তা বৈধ। এমনকি তিনি চাইলে একজন সন্তানকেও সব সম্পত্তি দিতে পারেন।

✅ অসিয়ত (Will)
যদি বলা হয়— “মৃত্যুর পর সব সম্পত্তি অমুক পাবে”, তাহলে মুসলিম আইনে মোট সম্পত্তির মাত্র ১/৩ অংশ পর্যন্ত কার্যকর হবে, যদি না অন্য ওয়ারিশরা সম্মতি দেয়।

⚠️ কখন মামলা করা যায়?

❌ যদি পিতাকে ভয় দেখিয়ে, প্রতারণা করে বা জোরপূর্বক দলিল করা হয়
❌ যদি দলিল রেজিস্ট্রি না করা হয়
❌ যদি পিতা মানসিকভাবে অসুস্থ থাকেন
❌ যদি হেবা করেও সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে না দেওয়া হয়

তাহলে অন্য ওয়ারিশরা আদালতে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।

📌 বাকি ওয়ারিশদের করণীয়

⚖️ দলিল বাতিলের মামলা
⚖️ ঘোষণামূলক মামলা
⚖️ বাটোয়ারা/বণ্টন মামলা
⚖️ নামজারি বাতিলের আবেদন

⏳ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
দলিল বাতিলের মামলা সাধারণত ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। তাই দেরি না করে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

📑 করণীয়:
✔️ দলিলের Certified Copy তুলুন
✔️ নামজারি কার নামে হয়েছে যাচাই করুন
✔️ অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন

⚠️ মনে রাখবেন, প্রতিটি মামলার পরিস্থিতি ভিন্ন হয়। তাই সঠিক তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।

#জমিজমা #হেবা #অসিয়ত #বাটোয়ারা #ওয়ারিশ #দলিল #আইন #বাংলাদেশ

13/05/2026

আসসালামু আলাইকুম।
বিল্ড সার্ভে কনসালটেন্সি পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
আমরা ভূমি সংক্রান্ত সকল ধরনের সমস্যা সমাধানে বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রদান করে থাকি। আমাদের অভিজ্ঞ টিমে দক্ষ আইনজীবী ও পেশাদার (আমিন)সার্ভেয়ার রয়েছেন, যারা সততা ও দায়িত্বশীলতার সাথে আপনাদের পাশে কাজ করে যাচ্ছেন।
আমাদের সেবাসমূহঃ
• ভূমি জরিপ ও পরিমাপ
•মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান অনুযায়ী জমির অবস্থান নির্ধারণ।
‎•AutoCAD ভিত্তিক ডিজিটাল নকশা ও ডকুমেন্টেশন।
‎•হিস্যা অনুযায়ী ভাগ-বণ্টন রিপোর্ট প্রস্তুতকরণ।
• জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই
• নামজারি ও ভূমি সংক্রান্ত পরামর্শ
• জমি ক্রয়-বিক্রয়ে সহায়তা
• ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে পরামর্শ
•মৌজা ম্যাপের অরজিনাল প্রিন্ট কপি সরবরাহ
আমরা সমগ্র কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলায় আন্তরিকতার সাথে ভূমি জরিপের কাজ করে থাকি।
আপনাদের আস্থা ও সন্তুষ্টিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

09/05/2026

📄🏡 বায়না দলিলের গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী জানুন! ⚖️

জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে বায়না দলিল (Agreement for Sale) খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।
ভুল করলে বড় আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন 😟 তাই আগে থেকেই শর্তগুলো জেনে রাখা জরুরি!

চলুন সহজভাবে দেখে নিই 👇

🔹 বায়না দলিলের শর্তাবলীঃ

1️⃣ ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি ⏳
📌 বায়না দলিল সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করতে হবে (আইন অনুযায়ী)

2️⃣ রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল 🏢
📌 নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলিল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিতে হবে

3️⃣ ১ বছরের মধ্যে বিক্রয় দলিল 📑
📌 বায়না দলিল রেজিস্ট্রির ১ বছরের মধ্যে চূড়ান্ত বিক্রয় দলিল করতে হবে

4️⃣ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে 💸
❌ প্রথম পক্ষ টাকা পরিশোধ না করলে
⚖️ দ্বিতীয় পক্ষ আদালতে মামলা করে বায়না বাতিল করতে পারবেন

5️⃣ দ্বিতীয় পক্ষ ব্যর্থ হলে ⚖️
❌ বিক্রয় দলিল সম্পাদন না করলে
📌 প্রথম পক্ষ আদালতে টাকা জমা দিয়ে চুক্তি কার্যকর করতে পারবেন

6️⃣ দখল গ্রহণের অধিকার 🚧
📌 প্রথম পক্ষ জমির দখল নিতে ও সাইনবোর্ড দিতে পারবেন

7️⃣ সাইট অফিস ও পরিকল্পনা 🏗️
📌 জমিতে সাইট অফিস ও মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা যাবে

8️⃣ উন্নয়ন ও প্লট বিভাজন 🏘️
📌 জমি উন্নয়ন ও প্লট আকারে ভাগ করা যাবে

👉 মনে রাখবেন, বায়না দলিল সঠিকভাবে না করলে ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি হতে পারে!

📢 পোস্টটি শেয়ার করুন—অন্যদের সচেতন হতে সাহায্য করুন 🙌

#বায়না_দলিল #জমি #ভূমি_আইন #বাংলাদেশ #সচেতনতা
#জমিরআইন #ভূমিসংক্রান্তবিধান

02/05/2026

শুধু রেকর্ডে বা খতিয়ানে নাম থাকলেই জমির মালিক হাওয়া যাই না! #জমিরআইন #দলিলসংশোধন

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka