Life Star LED
16/05/2025
সান্ডা (Monitor Lizard) আর গুইসাপ (Common Skink বা House Lizard) — এরা দুজনেই সরীসৃপ (reptile) হলেও এদের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে
সান্ডা (মনিটর লিজার্ড) — কিছু উপজাতি ও অঞ্চলে খাওয়া হয়, বিশেষ করে সাউথ এশিয়া (ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান) এবং সাউথ-ইস্ট এশিয়ার কিছু আদিবাসী গোষ্ঠীতে।
এর তেল (সান্ডার তেল) অনেক জায়গায় "ঔষধি গুণ" আছে বলে ধরা হয়, যদিও তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কম।
মাংসও খাওয়া হয়, যদিও এটি অনেক সময় আইনগতভাবে নিষিদ্ধ (কারণ মনিটর লিজার্ড অনেক দেশে সংরক্ষিত প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত)।
❌ যেটা খাওয়া যায় না বা খাওয়ার প্রচলন নেই:
গুইসাপ (House lizard বা Skink) – এটি খাওয়ার কোনো প্রচলন নেই, এবং এটি খাওয়া নিরাপদও নয়।
ছোট, পোকা-খেকো, অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া বা প্যারাসাইট বহন করে।
এটি কোনো সংস্কৃতি বা চিকিৎসায়ও ব্যবহার হয় না।
⚠️ সতর্কতা:
সান্ডা বা মনিটর লিজার্ড অনেক দেশে সংরক্ষিত প্রাণী, তাই শিকার বা খাওয়া আইনত দণ্ডনীয় হতে পারে।
বাজারে যেসব "সান্ডার তেল" পাওয়া যায়, সেগুলোর উৎস ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ।
স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও ঝুঁকি থাকে — বন্য প্রাণীর মাংস খেলে জুনোটিক রোগ (পশু থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায় এমন রোগ) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
Click here to claim your Sponsored Listing.