Engineer KR Rifat
08/07/2026
বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা করত, আবার গুনাহে লিপ্ত হতো। এভাবে সে সত্তর বারের অধিক তওবা করেছে এবং প্রতিবারই তা ভঙ্গ করেছে।
জীবনের শেষ মুহূর্তে যখন তার মৃত্যু ঘনিয়ে এল, সে তার মাকে বলল,
"মা! দয়া করে হযরত হাসান বসরি রহ. এর কাছে যাও।
তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো, যাতে আমি শেষবারের মতো তার হাতে তওবা করতে পারি। হয়তো আল্লাহ আমাকে মাফ করবেন।"
বৃদ্ধা মা হাসান বসরি রহ. এর কাছে গেলেন এবং সালাম দিয়ে বললেন, "আমি আব্বাসের মা। আমার ছেলে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। সে আপনার হাতে তওবা নবায়ন করতে চায়।"
হযরত হাসান বসরি (রহ.) ভাবলেন, বারবার তওবা ভাঙলে মানুষের মনে পাপের প্রতি ভয় কমে যায়। তাই তিনি তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য এবং তার মনে সত্যিকার অনুশোচনা জাগানোর জন্য কঠোরতা দেখালেন। তিনি বললেন: "যাও, এমন লোকের আমার কোনো প্রয়োজন নেই, যে বারবার তওবা করে আর তা ভাঙে।"
মা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এসে ছেলেকে জানালেন: "বাবা! তোমার খারাপ কাজের কারণে শায়খ আসতে রাজি হননি।"
এ কথা শুনে আব্বাস আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল, "হে আমার ইলাহ! হে আমার মাওলা! শায়খ (হযরত হাসান বসরি রহ.) আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু তুমি আমাকে তাড়িয়ে দিও না। তুমি আমার আশা ভেঙো না।"
সে মাকে বলল: "মা! আমি মারা গেলে তুমি আমার কপালে পা রেখো এবং আমার গলায় রশি বেঁধে আমাকে বাজারের রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেও। আর বলবে, 'যে আল্লাহর অবাধ্য হয়, তার শাস্তি এটাই।' হয়তো আল্লাহ আমার এই অপমান দেখে দয়া করবেন।" এ কথা বলেই আব্বাস ইন্তেকাল করল।
মা যখন তার কপালে পা রাখতে উদ্যত হলেন, তখন তিনি যেন একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন, "থামো! সিজদার জায়গায় (কপালে) পা রেখো না। জেনে রেখো, আল্লাহ তা'আলা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন।" মা খুশি হয়ে তাকে গোসল দিয়ে দাফন করলেন।
সেদিন রাতে হযরত হাসান বসরি (রহ.) এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখলেন। কেউ তাঁকে বলছেন,
"হে হাসান! তোমাকে কিসে বাধ্য করল আমার বান্দাকে আমার রহমত থেকে নিরাশ করতে? আমিই তো তাকে সৃষ্টি করেছি এবং আমার রহমত সব কিছুকে ঘিরে আছে। আমার ইজ্জতের কসম! ভবিষ্যতে আর কখনো এমন করলে তোমাকেও ছাড় দেয়া হবে না।"
আল্লাহর রহমত মানুষের ধারণার চেয়েও বিশাল। কোনো পাপী বারবার তওবা ভাঙলেও তাকে নিরাশ করা উচিত নয়। আল্লাহ আমাদের সকলের গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমিন
[সূত্র: আয যাহরুল ফাতিহ- ইবনুল জাওযি রহ.]
28/06/2026
৪৭তম বিসিএস এ পররাষ্ট্র ক্যাডারে (মেধাক্রম- ০৩) সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তিনি ৪৫তম বিসিএস এ প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত। তিনি বিবি এডি। তিনি বুয়েট শিক্ষার্থী ছিলেন...
08/06/2026
''এই আমি খুব আবেগ প্রবণ, এই আমি খুব একা
এই আমি খুব ভালো মানুষ, এই আমি কিছুটা বাস্তব"।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী ছাত্রী সাবেকুন নাহার সনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ২৪ বছর পূর্ণ হয়েছে আজ।
২০০২ সালের ৮ জুন ক্ষমতাসীন দল বিএনপি-সমর্থিত ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির মধ্যে পড়ে বুলেটের আঘাতে নিহত হন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বুয়েট ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি মোকাম্মেল হায়াত খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের তৎকালীন ছাত্রদল নেতা মুশফিক উদ্দিন টগরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তারা প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বুয়েট ক্যাম্পাসে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকেন।
এ সময় সনি ক্লাস শেষে বুয়েটের হলে ফিরছিলেন। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মরহুম বেগম জিয়ার সরকার পারেন নি খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে। তারেক জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার কি খুনি ততকালীন ছাত্রদল নেতাদের শাস্তি নিশ্চিত করবে?
Click here to claim your Sponsored Listing.