Raqi Muhammad Ali

Raqi Muhammad Ali

Share

18/05/2026

যাদু'কর ও শি,রকী রাক্বি যেভাবে চিনে সতর্ক হবেন:-

🔴এটা কি রুকইয়াহ শরইয়্যাহতে শর্তসমূহ রয়েছে যে, একজন রাক্বির পবিত্রতা(মূলত পবিত্রতা বলতে অনেকগুলো বিষয় চলে আসে) হওয়া আবশ্যক।আর আপনার মন্তব্য কি তাদের(রাক্বীদের ব্যপারে) যারা রুকইয়াহ তে অসংখ্য পদ্ধতি চর্চা করে যেটার মধ্যে রয়েছে রুকইয়াহ, আর তারা এই বিষয়ে দাবি করে:- সালেহ আল ফাউজান হাফি:- বলেন-

هل يشترط في الرقية الشرعية أن يكون الراقي على طهارة؟ وما هو تعليقكم حول الرقى الشرعية في هذا الوقت الذي كثر فيه الرقاة ولكنهم يدَّعون في ذلك؟

واب: الرقية الشرعية لا تحتاج إلى طهارة إلا إذا كان سيقرأ من القرآن فيكون متطهرًا من الجنابة طهارة من الحدث الأكبر، لا يقرأ شيئًا من القرآن لا في رقية ولا في غيرها وهو عليه جنابة وأما الرقية الشرعية فهي ما توفرت فيها الشروط: أن تكون من كتاب الله ومن سنة رسوله - صَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- أو من الأدعية الشرعية. وأن يكون الراقي ذا عقيدة صحيحة ما يكون مبتدعًا أو مشركًا أو ساحرًا أو كاهنًا، يكون عقيدته سليمة. ثالثًا: أن يعتقد أن الشفاء من الله وليس من الرقية وإنما الرقية سبب من الأسباب إن شاء الله نفعت وإن شاء لم تنفع. ورابعًا: أن تكون بألفاظ عربية تفهم لا تكون بتمتمات أو بألفاظ أعجمية لا تفهم لا بد أن تكون بلغة عربية واضحة.
রুকইয়াহ শরইয়্যাহ তে পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না(সাধারনত যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না তখন তার জন্য পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়,অর্থাৎ:- যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না সেটা রাক্বি হোক বা রোগী হোক উভয়ের জন্য তখন এটা শর্ত নই যে,তাকে তখন পবিত্র হতে হবে(নাপাক থাকা অবস্থা থেকে),তথা রাক্বী যখন রুকইয়াহ চর্চা করবে তখন তারজন্য পবিত্রতা হওয়াটা আবশ্যক শর্তসমূহের মধ্যে একটি শর্ত।), [এটা শুধু রুকইয়াহ সম্পৃক্ত অবস্থার জন্য করা ফতওয়া তে বলা হয়েছে,অবশ্যই - ফরজ ইবাদত সহ সর্ব প্রকার নাপাক থেকে একজন মুসলিমকে সাথে সাথে পবিত্র হতে হবে] তবে অনেক মহিলা যারা দীর্ঘস্থায়ী অপবিত্রতায় থাকে,সেসব জিনের রোগী যখন তেলাওয়াত করবে কুরআন থেকে তখন (চিকিৎসার মূলনীতি থেকে উক্ত মহিলা তেলাওয়াত করতে পারবে রুকইয়াহ তে)

তবে যখন সেসময়ে কুরআন থেকে আয়াত পড়বে রুকইয়াহ এর জন্য, তখন অবশ্যই পবিত্র হতে হবে সকল ধরনের অপবিত্রতা থেকে, যেগুলো অপবিত্রতার অন্তর্ভুক্ত। তেলাওয়াত করাই যাবে না,কুরআন থেকেই কিছুই রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে এবং এর বাহিরেও রুকইয়াহ তে কোনোরকম গয়রি(তেলাওয়াত ব্যতীত কিছু পড়া যাবে না) যখন তাদের উপর জানাবাত(অপবিত্র বিষয় লক্ষনীয় থাকবে)। এবং যখন সেসব শর্তসমূহ যেগুলো রুকইয়াতে রয়েছে সেগুলোর মধ্যে পালন করলে :- তখন (একজন রাক্বির জন্য) রুকইয়াহ বৈধ হবে:-

১.রুকইয়াহ হতে হবে 'আল্লাহর কিতাব দিয়ে এবং রাসূল সাঃ সুন্নাতের মাধ্যমে। (রাসূল স. যেগুলো করে গিয়েছে জিন ও যাদু সহ রুকইয়াহ চর্চা করার ক্ষেত্রে সেগুলো হচ্ছে রুকইয়াহ এর শর্ত)।
২.আর রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে স্পষ্ট সেটা দোয়া হতে হবে যেটা শরীয়তসম্মত বা শরীয়তে বর্নিত দোয়াগুলো।
৩.এবং একজন রাক্বির (আকিদ্বা বিশ্বাস:- অবশ্যই সর্বক্ষেত্রে সহীহ হতে হবে)।
৪.একজন রাক্বি (মুশ রিক - তথা শিরককারী হতে পারবে না) [ওসব জিন পূজা,রী যারা জিনের সাহায্যে চিকিৎসা করে বা আল্লাহর সাথে যেকোনো বিষয়ে শিরক করে থাকে মূলত সেসব রাক্বিরা রাক্বি নয় বরং তারা মুশ-রিক এজন্য ফাউজান হাফি: বলেছেন 'মুশ-রিক রাকি হতে পারবে না'।
৫.একজন রাক্বি বিদআতি হতে পারবে না। [যেসব রাক্বি বিদআত করে,পাশাপাশি রুকইয়াহ করে এটাও বলে থাকে মূলত ওসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় মূলত ওসব রাক্বি মূলত বিদআতি রাক্বি যেই রাক্বিকে ইসলাম সমর্থন করে না] এজন্য যেসব রাক্বি কুরআন ও হাদীসের বাহিরে যেকোনো কর্ম করবে যেগুলো বিদআত সেসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় বরং সেসব রাক্বি লকবধারিরা মূলত (বিদআতি)।
৬. একজন রাক্বি যাদুকর হতে পারবে না(একজন রাক্বি সে রুকইয়াহ করে থাকে এটা দাবি করে, অথচ সেই রাক্বি কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করে না বা হাদীসের দোয়া পড়ে না - এবং যাদু কর্ম সংঘটিত করার কাজে রাক্বি নাম দেওয়া ব্যক্তিূদেরর মিল পাওয়া যায় : যেমন:- যাদু চর্চা করা,জোড়ে জোড়ে মন্ত্র পড়া,তাবিজ দেওয়া,নকশা দেওয়া,ফেরেশতার কাছে সাহায্য চায়,অপবিত্র অবস্থায় কুরআন এর অবমাননা করা হয় শরীয়ত বিরোধী অনেক কর্মের সাথে লিপ্ত যেগুলো কুফরীর সাথে সামন্জ্যপূর্ন সেসব যাদুকররা মূলত রাক্বি হতে পারবে না।
৭.একজন রাক্বি গনকের মত ভবিষ্যৎ বানী বা অদৃশ্যের কথা বলতে যাবে না. [যারা গনকবাদী চর্চা করে এমন বিস্তৃত কর্ম যেসব ব্যক্তির মধ্যে আছে অথচ সেসব ব্যক্তি নিজেকে রাক্বি দাবি করে মূলত সে রাক্বি নয় মূলত সে ব্যক্তি গনক যার কাছে গেলে ৪০ দিন সালাত কবুল হবে না। (যেমন গনকরা বলে থাকে রোগীদের ব্যপারে:- তোমাকে কালি দিয়ে বান মারা হয়েছে,তোমার উপর অমুক সমস্যা আছে তমুক সমস্যা আছে' এরকম অদ্ভুত অদ্ভুত সমস্যা গনকরা আগেই বলে দিবে রোগীদের 'মূলত যারা এরকম বলে তারা রাক্বি নয় বরং তারা গনক) আর গন*কদের কাছে ইসলামে হারাম।

-বরং একজন রাক্বির আকিদা সর্বক্ষেত্রে নিরাপদ থাকতে হবে (যেরকমটা রাসূল সাঃ এর ছিলো এবং সাহাবীদের রা: ছিলো সেরকম থাকতে হবে)

৮. একজন রাক্বিকে এই বিশ্বাস অবশ্যই রাখতেই হবে সবসময় যে, সকল সুস্থতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, রুকইয়াহ তে না(মানে একজন রোগী এই বিশ্বাস করবে না যে,তাকে রুকইয়াহ সুস্থ করতেছেন বরং রোগী এই বিশ্বাস করবে যে, তাকে আল্লাহই সুস্থতা দান করেছে)বরং সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে রুকইয়াহ একটি উপায় বা পদ্ধতি মাত্র। যেটার মাধ্যমে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের কাউকে সুস্থতা লাভ করে আবার কেউ সুস্থতা লাভ করে না। (মূলত আল্লাহ এটা সর্বোচ্চ ভাবে বুঝিয়েছে যে, সুস্থতা এটা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে সেরকম যেরকমটা সাধারণত হয়ে থাকে। এখন একজন মুমূর্ষু ব্যক্তি যার মৃত্যু নির্ধারিত কোমো এক রোগের মাধ্যমে মূলত সে ব্যক্তির তো মৃত্যু হবেই, যদি সে ব্যক্তি যতই চিকিৎসা করুক না কেনো - কারন প্রত্যেকের জন্য মৃত্যু নির্ধারিত। তবুও ব্যক্তি চেষ্টা করে যাবে আল্লাহর উপর ভরসা করে রুকইয়াহ করার মাধ্যমে যাতে আল্লাহ সুস্থতা দান করে, তখন অনেক ব্যক্তিতার তাক্বদির অনুযায়ী সুস্থ হবে আর অনেক ব্যক্তি তাক্বদির অনুযায়ী মৃত্যুবরন করবে,মূলত একজন রাক্বি এবং রোগী এই আকিদ্বা বা বিশ্বাস রাখবে যে 'মহান আল্লাহই সুস্থতা দাতা এবং তিনিই সুস্থতা দান করেন এবং তিনিই যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন")।

৯.আর রাক্বি যেই শব্দ তেলাওয়াত করবে সেটা স্পষ্ট আরবী ভাষা হতে হবে। কোনোরকম অনারবী ভাষায় হতে পারবে না। কারন আরবী লফজ(শব্দ)রুকইয়াহ তে হতে হবে, এটা স্পষ্ট বিষয়।

[আর মূলত আরবী ভাষার মূলে রয়েছে রুকইয়াহ চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত যেটা স্পষ্ট নির্দেশ করে যে, সেটা কুরআন এর আয়াত এবং হাদীসের দোয়া,কারন এটাই কুরআন ও হাদীস দ্বারা স্পষ্ট বিষয়]

বুঝার স্বার্থে সংযুক্তি:-[রুকইয়াহ শরই্যায়হ তে পবিত্র হওয়ার প্রয়োজন নেই,(এটা দ্বারা বিস্তৃত বিষয়কে বুঝানো হয়েছে)।

১.যখন একজন ব্যক্তি নাপাক অবস্থায় থাকবে, তখন সেই ব্যক্তি যদি রোগী থাকে,তখন তাকে চিকিৎসার মূলনীতি থেকে কয়েকটি বিষয় আসবে:-

-নাপাক ব্যক্তি যাদের ঘনঘন জিন ও যাদুর প্রভাবে ওযু ভেঙ্গে যায় (মূলত সেসব পেশেন্ট মুখস্থ তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ, সেই পেশেন্ট এর রুকইয়াহ করারত অবস্থায় বারবার পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন দরকার নেই)। কারন রোগের কারনে বারবার ওযু ভেঙ্গে গেলে সেটার দায়ভার রোগী নিবে না, কারন রোগীর কন্ট্রোল অনুযায়ী স্বাভাবিক অবস্থায় রোগীর শরীর থেকে অস্বাভাবিক - আনকন্ট্রোল বিষয় নির্ঘত হলে যেখানে পবিত্রতা জরুরি[তখন চিকিৎসা কেন্দ্রীল বিষয়ে,পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়]।

আরো অনেক উদ্দেশ্য আছে (ওসব রোগীদের জন্য যারা নিজে নিজে রুকইয়াহ চর্চা করে ] তাদের উপর গোপন অনেক রোগ যেগুলোর প্রভাবে বারবার নাপাক হয়,সেসব মাসআলাতে রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজনে (কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করা প্রয়োজনীয়, সেখানে পবিত্রতা হওয়া শর্ত নয়) মূলত তখন সুস্থতার জন্য মূল হচ্ছে, 'তেলাওয়াত করে যাওয়া'

দ্বিতীয় :- পয়েন্টে যেটা সালেহ আল ফাউজান হাফি : বলেছেন:-

১.যখন কেউ ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন বড় ধরনের সকল নাপাক থেকে পবিত্র হতে হবে। [পবিত্র হওয়া এক বিষয় আর ওযু করে পবিত্র হয়ে সালাত পড়া বা ফরজ ইবাদত করা আরেক বিষয়)।

এমন অপবিত্রতা যেটার উপস্থিতিতে সকল ফরজ সালাত বাদ হয়ে যায়।যেমন :- ছেলেদের স্বপ্নদোষ, মেয়েদের পিরিয়ড, সহবাস ইত্যাদি। এসব বিষয় হলে তখন সেগুলো বড় ধরনের অপবিত্রতার অংশ।তখন একজন মুসলিম এসব নাপাকি থেকে পবিত্র হতে হবে, এই পবিত্র হওয়াকে একজন মুসলিম এর জন্য আম বিষয়, যেটা সকলের হতে হবে।।

-পক্ষান্তরে সালাত পড়তে গেলে ওযু লাগবে,ক্বুরআন পড়তে গেলে ওযুর প্রয়োজন রয়েছে (মূলত ওযু হচ্ছে পবিত্রতা সেসব আমল সম্পাদনা করার জন্য যেগুলো ওযু ব্যতীত কবুল হবে না)।

-আর রুকইয়াহ তে একজন রাক্বি বা রোগী যে রুকইয়াহ চর্চা করে মূলত তাকেই শরঈ পরিভাষায় রাক্বি বলা হয় (মূলত ওসব রোগী বা রাক্বির বড় ধরনের অপবিত্রতা থাকতে পারবে না:- বিশেষ করে রাক্বির ওরুপ অপবিত্রতা যেটার ফলে পবিত্রতা হওয়াকে বাঁধাগ্রস্থ করে মূলত তখন সে ব্যক্তি মূল রাক্বি না হয়ে মূলত রোগীর কাতারে পড়বেন)। আর রোগীদের জন্য ক্ষেত্রবিশেষে নাপাকি রোগকে দূর করার জন্য রুকইয়াহ করার সময় 'জরুরত এর বিধান অনুযায়ী পবিত্রতা হওয়া ছাড়াও তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

২.এজন্য যারা রাক্বি(চিকিৎসক হবে) তাদের জন্য এটা আবশ্যকীয় শর্ত যে, রাক্বিকে সর্বদায় পবিত্র থাকতে হবে এবং বড় ধরনের জানাবাত(অপবিত্রতা হতে) যেগুলো করলে গোসল ফরজ হয়, সেসব বিষয় থেকে পবিত্র থাকতে হবে সর্বদায়। যাতে করে রাক্বি যখন ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন, রাক্বীর মধ্যে নাপাকির কোনো কিছুই অবশিষ্ট না থাকে।

রাক্বী হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে 'সর্বধরনের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকা।

🖊️Muhammad Ali

Founder & CEO Quranic Healing Bd
Founder & CEO Raqi Muhammad Ali

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Gazipur
Dhaka