Life Style
সিরাজি বড় জাতের।
24/02/2015
প্রসঙ্গঃ আলামিন
৭১ টিভিতে কিছুক্ষণ আগে কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর এসে যা বলে গেলেন সেটা যদি সত্যি হয় তাহলে তো শাস্তি আলামিনের চেয়ে ম্যানেজমেন্টের বেশি হওয়া উচিত। আসিফের ভাষ্যমতে" আলামিন একটা ভাত পাগল ছেলে,অস্ট্রেলিয়ায় ৯টার দিকে সন্ধ্যা হয় ১১ দিকে ভাতের ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে ভাতের খোঁজে রাতে বেরিয়ে পড়ে,এটা এমন কোন ইস্যু না। অস্ট্রেলিয়ান মিডিয়া খেলা না হওয়ায় কোন খবর না পাওয়ায় এটাকে বড় ইস্যু বানানোর চেষ্টা করছে। আর আলামিন ও ওতো বুদ্ধিমান ছেলে না যে ফিক্সিং করবে।" আসিফের কথা যদি সত্য হয় তাহলে এর দায়ভার তো বোর্ডের উপর এসে পরে সবার আগে কারণ একেক সিরিজে একেকজনকে ম্যানেজার বানান,কোন প্লেয়ারের কোন খাবার ছাড়া চলে না সেটাই জানে না।বোর্ড পরিচালক ক্যাম ম্যানেজার সুজন সাহেব নিজেকে প্লেয়ারদের খুব কাছের মানুষ হিসেবে দাবি করেন কিন্তু ম্যানেজারের দ্বায়িত্বটাই তো ভালোভাবে পালন করতে পারলেন না। তাহলে প্রথম দিন ও হয়তো আলামিন ভাতের খোঁজেই বেরিয়ে পরেছিল কিন্তু জিঙ্গাসাবাদে ভাত খেতে বাইরে গেছিল এটা বললে অনেকে হাসাহাসি করবে এই ভেবেই হয়তো বলেননি। এক্ষেত্রে আলামিনের ভাত প্রিয়তার কথা টিম ম্যানেজম্যান্টকে না জানানোটাকেই তার ভুল দেখছি কিন্তু তার জন্য এতো বড় শাস্তি!!!!!! এরই মধ্যে অনেকে আলামিনের চরিত্র নিয়ে পোস্টমর্টেম ও করা শুরু করে দিয়েছেন,অনেক সাবেক ক্রিকেটারকে টক শোতে এসে এই বিষয়ে জিঙ্গেস করলে হাসাহাসি করতে দেখছি,তাহলে দুইয়ে দুইয়ে চার মিলালে আসিফের কথাই কি সত্যি?? তাহলে কি লঘু দন্ডে অতি গুরু শাস্তি এটা দেশের মানুষ জানতে পারলে বোর্ড আর ম্যানেজম্যান্টের মুন্ডুপাত করবে এই ভেবেই ঘটনাটা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা নাকি দল ঘোষণার পর এখন মনে হচ্ছে আলামিনের চেয়ে ওই কন্ডিশনে সফিউল ভালো হয়,প্রধান নির্বাচককে কিছূক্ষণ আগে তো এই বিষয়ে কথা বলতে অনেক উতফুল্ল মনে হলো। আসলেই পাপন বাহিনীকে দিয়ে যে সব ধরনের অন্যায় অসম্ভব কাজ ভালোমতো সম্ভব তাই মনে হয় আর একবার প্রমাণিত হলো। মাঝখান দিয়ে আলামিনের মতো ডেথ ওভারে ভালো বল করা একজন পেসারকে আমরা বিশ্বকাপে হারালাম.
19/02/2015
ভালবাসার গল্প:
"""""""""""""""
১৪ বছরের
একটি ছেলে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল,হঠাৎ
সে একটি মেয়ের ছবি রাস্তার
মাঝে পায়,ছবিটি তুলে এনে যত্নসহকারে বাড়িতে রাখে..
প্রতিদিন সে ছবিটা দেখত,মেয়েটির
চোখে যেন জাদু
আছে,দেখতে দেখতে ছেলেটি ছবির
মেয়েটির প্রেমে পড়ে যায়,কিন্তু
কোথায় সেই মেয়েকে পাবে?তবুও
সে আশায় থাকত! আর অনেক ভালবাসত!
একা একা ছবির সাথে কথা বলত!
কেটে যায় কয়েক বছর,তবুও
ভালবাসা কমেনি। কল্পনায়
তাকে নিয়ে ঘুরে বেড়াত,স্বপ্ন দেখত!
After 10 year
পারিবারিক বাধ্যতার
কারনে বিয়ে করে ছেলেটি..
একদিন তার স্ত্রী ছবিটি দেখতে পায়!
Wife:ছবিটা কোথায় পেয়েছ?
মেয়েটি কে?
»রাস্তায় পেয়েছি,মনে কিছু করনা!
সত্যি সত্যি আমি তার
প্রেমে পড়েছিলাম,খুব ভালবাসি! আজও
তার দেখা পাইনি!
wife:আরে এটাতো আমার ছবি,১০ বছর
আগে হারিয়েছিলাম!
সত্যিকারের
ভালবাসা কখনো বিফলে যায়না!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
1205