Tinker's Tea
13/06/2026
দিদিমার স্মৃতি ও শৈশবের স্বাদ।
তিন বন্ধু রাইসার স্টুডিও থেকে বেরিয়ে এক জীর্ণ বৃদ্ধাশ্রমে পৌঁছালো। সেখানে দিদিমা জানালার পাশে বসে শূন্যদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। দিদিমা স্মৃতিভ্রমের রোগী, কিন্তু তাকে দেখলেই কেন জানি মনে হয় তিনি সব জানেন। নীলা দিদিমার হাতে এক কাপ সাধারণ দুধ চা দিল। চায়ের কাপ হাতে নিতেই দিদিমার চোখে অদ্ভুত এক আভা ফুটে উঠল। তিনি ফিসফিস করে বললেন, "রহমত কোনো মানুষ নয় রে মা। সে হলো সময়ের প্রহরী। সে চায়ের মাধ্যমে মানুষের সবচেয়ে দামী জিনিস সময় চুরি করে। আমি যখন ছোট ছিলাম, আমি ওকে আমার শৈশবের এক বিকেল দিয়ে দিয়েছিলাম এক কাপ চায়ের বিনিময়ে। আজ আমি সব ভুলে গেছি, কিন্তু সেই চায়ের স্বাদ আজও আমার জিভে লেগে আছে।" দিদিমা হঠাৎ আবিরের হাত চেপে ধরলেন, "সাবধান! পরবর্তী টার্গেট হলো তোদের মধ্যে একজন। ১০ নম্বর চরিত্রটি এখনো আসেনি, সে আস গেলেই চক্রটি পূর্ণ হবে।" আবির ভয় পেয়ে গেল কে সেই ১০ নম্বর মানুষ?
পরের পর্বে থাকছে ১০ নম্বর চরিত্রের সন্ধান এবং রহমত চাচার আসল আস্তানার হদিস।রহস্যের প্রতিটি মোড় উপভোগ করুন এক কাপ চায়ের সাথে!গল্পের রোমাঞ্চ যেমন আপনার হার্টবিট বাড়িয়ে দেয়, আমাদের প্রিমিয়াম ব্লেন্ডের চায়ের কড়া লিকার আপনাকে দেবে এক অনন্য সতেজতা। আমাদের প্রতিটি চায়ের পাতায় মিশে আছে মানসম্মত স্বাদ আর বিশুদ্ধতার গল্প।অর্ডার করতে এবং রহস্যের আরও গভীরে যেতে।
আপনার পছন্দের প্রিমিয়াম চা অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন, অথবা WhatsApp করুন 01841690079 নম্বরে, অথবা ভিজিট করুন ওয়েবসাইডে www.tinkerstea.com।পরবর্তী পর্বের জন্য আমাদেরঅফিসিয়াল গ্রুপে জয়েন করুন।
12/06/2026
রাইসার মুখোশ ও দিদিমার ডায়েরি।
মায়ার দেওয়া সেই অদ্ভুত চা পান করার পর আবির, সায়ন আর নীলা নিজেদের এক অচেনা স্টুডিওর ভেতরে আবিষ্কার করল। চারদিকে ঝলমলে আলো। সামনে বসে আছেন অভিনেত্রী রাইসা। কিন্তু তার মেকআপ ধুয়ে একপাশে ঝুলে আছে, আর তিনি একনাগাড়ে এক কাপ কালো চা খেয়ে যাচ্ছেন। রাইসা তাদের দেখেও দেখছেন না। নীলা তার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই রাইসা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন।"আপনারা কি জানেন, এই খ্যাতির বিনিময়ে রহমত চাচা আমার কাছ থেকে কী কেড়ে নিয়েছে? আমার চোখের জল! আমি এখন চাইলেও কাঁদতে পারি না, শুধু এই চা খেলে এক ফোঁটা লোনা জল বের হয়।" রাইসা তাদের দিদিমার একটি পুরনো ডায়েরির পাতা ধরিয়ে দিলেন। সেখানে লেখা আছে, রহমত চাচার চায়ের দোকানে যে ১০ জন মানুষ নিয়মিত আসে, তারা সবাই একেকটি অনুভূতির প্রতিনিধিত্ব করে। জহির হলো 'ক্লান্তি', রাইসা হলো 'বিষাদ', আর মায়া হলো 'ভয়'। এই ১০ জনের অনুভূতি চুরি করেই তৈরি হয় রহমত চাচার 'অমর চা'। হঠাৎ স্টুডিওর সব আলো নিভে গেল। সায়ন দেখল অন্ধকারের মাঝে রাইসার ছায়াটি আলাদা হয়ে দেয়াল বেয়ে পালিয়ে যাচ্ছে!
পরের পর্বে থাকছে: ছায়াহীন রাইসার কী হবে? আর দিদিমা কি সত্যিই সব ভুলে গেছেন, নাকি তিনিও এই রহস্যময় খেলার একজন খেলোয়াড়?
আপনার পছন্দের প্রিমিয়াম চা অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন, অথবা WhatsApp করুন 01841690079 নম্বরে, অথবা ভিজিট করুন ওয়েবসাইডে www.tinkerstea.com।পরবর্তী পর্বের জন্য আমাদেরঅফিসিয়াল গ্রুপে জয়েন করুন।
11/06/2026
ইফতির সংকেত ও ডিজিটাল ধাঁধা।
মায়ার বাংলো থেকে পালানোর সময় সায়নের ল্যাপটপটা অনবরত বিপ্ বিপ্ শব্দ করছিল। আইটি স্পেশালিস্ট ইফতি, যে কি না সায়নের অনেক পুরনো বন্ধু, দূর থেকে তাদের ল্যাপটপে এক্সেস নেওয়ার চেষ্টা করছে। সায়ন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দেখল, ইফতি একটি বিশেষ কোড পাঠিয়েছে। কোডটি ডিকোড করতেই একটি অডিও ফাইল প্লে হলো। সেখানে ইফতির আতঙ্কিত কণ্ঠ শোনা গেল"সায়ন, যেখানেই আছিস পালা! তোরা যে চা খাচ্ছিস সেটা কোনো সাধারণ পাতা নয়। আমি সার্ভার হ্যাক করে দেখেছি, রহমত চাচা ডিজিটাল সিগন্যালের মাধ্যমে মানুষের মস্তিষ্কে চায়ের নেশা ঢুকিয়ে দিচ্ছে। রাইসা, সেই বিখ্যাত অভিনেত্রী, সেও এই চক্রের শিকার।"কথা শেষ হওয়ার আগেই ল্যাপটপের স্ক্রিন নীল হয়ে গেল। ঠিক সেই নীল রঙ, যেমনটা রহমত চাচার চায়ের লিকার! নীলা খেয়াল করল, তাদের বাংলোর বাইরে হাজার হাজার জোনাকি জড়ো হয়েছে, কিন্তু সেগুলো স্থির হয়ে আছে। যেন কেউ ড্রোন দিয়ে তাদের ওপর নজর রাখছে। মায়া আলমারি থেকে একটা পুরনো শিশি বের করে বলল, "এটা দিদিমার দেওয়া সেই বিশেষ ভেষজ চা। এটা খেলে আমরা সাময়িকভাবে অদৃশ্য হতে পারব। কিন্তু এর বদলে আমাদের জীবনের একটা প্রিয় স্মৃতি চিরতরে হারিয়ে যাবে। তোরা কি রাজি?"পরের পর্বে থাকছে: স্মৃতি হারিয়ে তারা কি পারবে রহমত চাচার হাত থেকে বাঁচতে? আর রাইসার গ্ল্যামার জীবনের পেছনে লুকানো অন্ধকার রহস্যটা কী?
আপনার পছন্দের প্রিমিয়াম চা অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন, অথবা WhatsApp করুন 01841690079 নম্বরে, অথবা ভিজিট করুন ওয়েবসাইডে www.tinkerstea.com।পরবর্তী পর্বের জন্য আমাদেরঅফিসিয়াল গ্রুপে জয়েন করুন।
10/06/2026
মায়ার ল্যাবরেটরি ও মধ্যরাতের চা।
জহির রিকশা থেকে অদৃশ্য হয়ে গেল মাঝরাস্তায়। আবির, সায়ন আর নীলা তখন গভীর জঙ্গলের পথে একা। ঠিক তখন সামনে দেখা গেল একটি ছোট বাংলো, যেখানে আলো জ্বলছে। তারা সেখানে আশ্রয় নিতে গেল। দরজা খুলল মায়া। সাদা অ্যাপ্রন পরা, চোখে চশমা। সে তাদের বসিয়ে কড়া লিকারের চা খেতে দিল। মায়া জানাল সে এখানে এক বিশেষ ধরণের চা নিয়ে গবেষণা করছে যা মানুষের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারে।
নীলা ডায়েরিটা বের করে মায়াকে দেখালো। মায়া ডায়েরিটা দেখেই ফ্যাকাশে হয়ে গেল। সে বলল, "এই ডায়েরি তো আমার বাবার! মি. ডি'সুজা আমার বাবা ছিলেন, যিনি এক বছর আগে এই চায়ের রহস্য খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ হন।" ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলোর বাইরে একটা ভারি পায়ের শব্দ শোনা গেল। কেউ একজন জানালা দিয়ে উঁকি দিচ্ছে। সায়ন ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলল। যখন সে ডিসপ্লেতে ছবিটা দেখল, তার রক্ত হিম হয়ে গেল। ছবির মানুষটা আর কেউ নয়, স্বয়ং রহমত চাচা, কিন্তু তার হাতে সাধারণ কেতলি নয়, মানুষের করোটি দিয়ে তৈরি একটি পাত্র! মায়া আর্তনাদ করে বলল, "পালাও! ও চলে এসেছে নীল চায়ের কাঁচামাল সংগ্রহ করতে!"
পরের পর্বে থাকছে: মায়ার বাবার অন্তর্ধানের সাথে রহমত চাচার সম্পর্ক কী? আর ইফতি নামের সেই আইটি স্পেশালিস্ট কেন তাদের ল্যাপটপে অদ্ভুত সংকেত পাঠাচ্ছে?
এভাবে প্রতিদিন একটি করে রহস্যময় পর্ব আমাদের পেজ বা গ্রুপে প্রকাশিত হবে।এই রহস্যময় রোমাঞ্চের সঙ্গী হতে চান?গল্পের রহস্য যেমন পরতে পরতে জমে ওঠে, আমাদের বিশেষ ব্লেন্ডের চায়ের স্বাদও ঠিক তেমনি আপনার মনে গেঁথে থাকবে। প্রতিদিনের এই গল্পগুলো পড়তে এবং সেরা চায়ের স্বাদ পেতে আজই আমাদের সাথে যুক্ত হোন।
আপনার পছন্দের প্রিমিয়াম চা অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন, অথবা WhatsApp করুন 01841690079 নম্বরে, অথবা ভিজিট করুন ওয়েবসাইডে www.tinkerstea.com।পরবর্তী পর্বের জন্য আমাদেরঅফিসিয়াল গ্রুপে জয়েন করুন।
09/06/2026
অন্ধকারে হাতড়ে সায়ন তার ক্যামেরার ফ্ল্যাশ জ্বালালো। দেখল নীলা এক কোণে জড়সড় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, আর তার পায়ের কাছে পড়ে আছে মি. ডি'সুজার সেই পুরনো ডায়েরিটা। ডায়েরির প্রথম পাতায় বড় বড় অক্ষরে লেখা"চা যখন রক্তবর্ণ ধারণ করে, বুঝবে সময় থমকে গেছে।" আবির দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল, কিন্তু দরজাগুলো যেন দেয়ালের সাথে মিশে গেছে। হঠাৎ ক্যাফের পেছনের জানালা দিয়ে একটি টর্চের আলো দেখা গেল। বাইরে দাঁড়িয়ে রিকশাচালক জহির।জহির চিৎকার করে বলল, "আপনারা এখনই বেরিয়ে আসুন, ওই চা খাবেন না!" জহিরের হাতে একটা পুরনো পিতলের কাপ, যা থেকে অদ্ভুত সোনালি আভা বের হচ্ছে। সেই আভার স্পর্শে ক্যাফের দরজাটা আপনাআপনি খুলে গেল। তিন বন্ধু দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে জহিরের রিকশায় উঠল। কিন্তু রিকশা চলতে শুরু করতেই সায়ন পেছনে ফিরে দেখল, ক্যাফেটা আর সেখানে নেই! সেখানে কেবল একটা বিশাল বটগাছ দাঁড়িয়ে। জহির রিকশা চালাতে চালাতে ফিসফিস করে বলল, "আপনারা আজ মায়ার জালে ফেঁসে যাচ্ছিলেন। রহমত চাচার নীল চা আপনাদের আত্মা কেড়ে নিত।" আবির কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, "কিন্তু জহির ভাই, আপনি জানলেন কীভাবে?" জহির রিকশা থামিয়ে মুখ ঘুরালো। তারা দেখল জহিরের চোখের মণি বলতে কিছু নেই, সেখানে কেবল টগবগ করে ফুটছে গরম চা!পরের পর্বে থাকছে: জহির আসলে কে? আর মায়া নামের সেই মেডিকেল স্টুডেন্ট কেন তাদের পিছু নিচ্ছে?
আপনার পছন্দের প্রিমিয়াম চা অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন, অথবা WhatsApp করুন 01841690079 নম্বরে, অথবা ভিজিট করুন ওয়েবসাইডে www.tinkerstea.com।পরবর্তী পর্বের জন্য আমাদেরঅফিসিয়াল গ্রুপে জয়েন করুন।
08/06/2026
পরিত্যক্ত ক্যাফে ও প্রথম সংকেত শহরের এক কোণে সায়ন খুঁজে পেয়েছিল এক পরিত্যক্ত ক্যাফে, যার নাম 'দ্য ব্লু টি লোটাস'। সায়ন পেশায় ফটোগ্রাফার, তাই রহস্যময় সব জায়গা তার পছন্দের। সে তার দুই বন্ধু আবির আর নীলাকে নিয়ে সেখানে পৌঁছালো। ক্যাফেটি ধুলোয় ঢাকা থাকলেও অদ্ভুতভাবে মাঝখানের একটা টেবিলে তিন কাপ ধোঁয়া ওঠা চা রাখা ছিল। যেন কেউ জানত তারা আজ আসবে।নীলা লেখিকা মানুষ, সে কাপের কাছে যেতেই লক্ষ্য করল চায়ের লিকারের ভেতর থেকে একটা গুনগুন শব্দ আসছে। সায়ন ক্যামেরা তাক করতেই লেন্সের ভেতর দিয়ে দেখল, ক্যাফের এক কোণে বসে আছেন মি. ডি'সুজা (অবসরপ্রাপ্ত ডিটেকটিভ), কিন্তু খালি চোখে সেখানে কেউ নেই! আবির সাহস করে এক চুমুক চা দিতেই তার চারপাশটা ঘুরতে শুরু করল। সে দেখল, রহমত চাচা (সেই পুরনো কারিগর) ডাইনিং এরিয়ায় এক জাদুকরী মশলা ছিটাচ্ছেন। হঠাৎ আবিরের হাতে থাকা কাপটি মেঝেতে পড়ে ভেঙে গেল। আর সাথে সাথেই ক্যাফের দরজাগুলো দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল। অন্ধকারে নীলার চিৎকার শোনা গেল, "আবির, সায়ন! দেখো, আমাদের ছায়াগুলো মেঝেতে নেই!পরের পর্বে থাকছে: অন্ধকার ক্যাফে থেকে তারা কি বের হতে পারবে? আর মি. ডি'সুজার সেই অদৃশ্য উপস্থিতির রহস্য কী?
আপনার পছন্দের প্রিমিয়াম চা অর্ডার করতে ইনবক্সে মেসেজ করুন, অথবা WhatsApp করুন 01841690079 নম্বরে, অথবা ভিজিট করুন ওয়েবসাইডে www.tinkerstea.com।পরবর্তী পর্বের জন্য আমাদেরঅফিসিয়াল গ্রুপে জয়েন করুন।
আপনার প্রতিদিনের চায়ের আড্ডায় নিয়ে আসুন শ্রীমঙ্গলের আসল স্বাদ!সরাসরি চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল থেকে সংগ্রহ করা ১০০% খাঁটি ও প্রাকৃতিক Tinker's Tea দিচ্ছে আপনাকে প্রতিটি চুমুকে সতেজতা আর মন মাতানো সুবাস।অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই চায়ে নেই কোনো কৃত্রিম রং বা ফ্লেভার,বরং আছে কড়া লিকার আর চমৎকার অ্যারোমা যা আপনার দিনকে করে তুলবে প্রাণবন্ত।
আজই আপনার প্যাকটি অর্ডার করতে আমাদের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ভিজিট করুন www.tinkerstea.com
31/05/2026
মা’রা খুব অল্পতেই খুশি হয়ে যান বিশেষ করে যখন উপহারটার সঙ্গে মিশে থাকে সন্তানের আন্তরিক ভালোবাসা।এই Mother’s Day, Tinker’s Tea নিয়ে এসেছে এমন একটি আয়োজন যা affordable, practical এবং emotional সবকিছুর সুন্দর এক মিশ্রণ।৳500 বা তার বেশি order করলেই পাচ্ছেন FREE Delivery, সঙ্গে একটি সুন্দর Surprise Gift।হয়তো সবসময় বড় gift দেওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু ছোট্ট একটি thoughtful gesture-ও মা’দের জন্য অনেক বড় আনন্দের কারণ হতে পারে।এক কাপ premium tea, একটু যত্ন, আর আপনার ভালোবাসা এই তিনটুকুই তাদের দিনটাকে special করে দিতে পারে।Order করতে inbox করুন Tinker’s Tea page এ।
WhatsApp / Call: 01841690079
Website: www.tinkerstea.com
28/05/2026
মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে সবসময় বড় আয়োজন লাগে না। ছোট্ট, মন থেকে দেওয়া একটা উপহারই তাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।এই Mother’s Day-তে Tinker’s Tea চায় আপনাকে সেই ভালোবাসা প্রকাশের সুন্দর একটা সুযোগ দিতে।
মাত্র ৳500 বা তার বেশি order করলেই থাকছে FREE Delivery এবং একটি specialSurprise Gift।আমরা জানি, budget সবসময় ইচ্ছার সঙ্গে মেলে না। তাই এমন কিছু তৈরি করেছি, যা reasonable budget-এর মধ্যেও meaningful gift হতে পারে।কারণ প্রতিদিনের এক কাপ premium tea শুধু একটি পানীয় নয়, এটি হতে পারে প্রতিদিন আপনার ভালোবাসা মনে করার একটি ছোট্ট উপলক্ষ।
Order করতে inbox করুন Tinker’s Tea page এ।WhatsApp / Call: 01841690079 Website: www.tinkerstea.com
27/05/2026
এই পবিত্র ঈদুল আযহায় Tinker’s Tea এর পক্ষ থেকে আপনাদের এবং আপনাদের পরিবারের জন্য রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া।সবাই ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন, আর ঈদের আনন্দ উপভোগ করুন।
Eid Mubarak from Tinker’s Tea.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1207
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 18:00 |
| Tuesday | 09:00 - 18:00 |
| Wednesday | 09:00 - 18:00 |
| Thursday | 09:00 - 18:00 |
| Saturday | 09:00 - 18:00 |
| Sunday | 09:00 - 18:00 |