Linear ICT
09/03/2015
Online Earning: ইন্টারনেটে কাজ করে উপার্জনের টাকা কিভাবে হাতে পাবেন
Online Earning: ইন্টারনেটে কাজ করে উপার্জনের টাকা কিভাবে হাতে পাবেন
26/01/2014
এগিয়ে যাচ্ছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা
এগিয়ে যাচ্ছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অর্থ আয়ের দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছেন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ২০১২ সাল থেকে ২০১৩ সালে কাজ অনলাইন মার্কেপ্লেসে কাজ পাওয়ার হার ১০২ ভাগ বেড়েছে। ২০১৩ সালে সর্বমোট ২২,০৯৭ টি কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যেখানে ২০১২ সালে এই সংখ্যাটি ছিল মাত্র ১০,৯৬১টি।
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার সম্পর্কে ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান প্রথম আলো ডটকমকে
জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সার মার্কেটে দারুণ অগ্রগতি হয়েছে দেশের ফ্রিল্যান্সারদের। কাজ পাওয়ার পাশাপাশি আয়ের দিকে থেকেও এগিয়েছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা।
সাইদুর মামুন খান দাবি করেছেন, ২০১২ সালে ইল্যান্স ডট কমে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় ছিল প্রায় ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৩ সালে এসে এদেশের ফ্রিল্যান্সাররা মোট আয় করেছে প্রায় ২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা আরও ভালো করবেন বলে আশাবাদী তিনি।
ইল্যান্স ডট কমে সাধারণত দুইভাবে বিভিন্ন দেশের র্যাঙ্ক ঠিক করা হয়। একটি হচ্ছে আয়ের উপর ভিত্তি করে এবং আরেকটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার ভিত্তিতে।
ইল্যান্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ ১৭০টি দেশের মধ্যে ৭ নম্বর অবস্থানে আছে। আর আয়ের দিক দিয়ে আছে ১৩ নম্বর অবস্থানে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের শুরুতে আয়ের দিক দিয়ে বাংলাদেশ ছিল ১৪ নম্বর অবস্থানে।
সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, গত বছর দারুণভাবে কাজ করার মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশকে ১৩তম অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশে বর্তমানে ইল্যান্সে রেজিস্টার্ড ফ্রিল্যান্সার আছে প্রায় ৫৬ হাজার, যার মধ্যে প্রায় ২৬ হাজার ফ্রিল্যান্সার ইল্যান্সে যোগ দিয়েছেন ২০১৩ সালে।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতা ও দক্ষদের সম্পর্কে সাইদুর আরও জানান, অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে ২০১৩ সালের একজন সফল ফ্রিল্যানসার শরিফ মোহাম্মদ শাহজাহান। ৩৬ বছর বয়সী শরিফ কয়েক বছর আগে ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে নিজের এলাকা সাভারে একটি ফটোগ্রাফি স্টুডিও চালাতেন। তাঁর ছবি সম্পাদনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এখন নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে ১২ জনের একটি দল নিয়ে কাজ নিয়মিত কাজ করছেন
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অর্থ আয়ের দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছেন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ২০১২ সাল থেকে ২০১৩ সালে কাজ অনলাইন মার্কেপ্লেসে কাজ পাওয়ার হার ১০২ ভাগ বেড়েছে। ২০১৩ সালে সর্বমোট ২২,০৯৭ টি কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যেখানে ২০১২ সালে এই সংখ্যাটি ছিল মাত্র ১০,৯৬১টি।
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার সম্পর্কে ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান প্রথম আলো ডটকমকে
জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সার মার্কেটে দারুণ অগ্রগতি হয়েছে দেশের ফ্রিল্যান্সারদের। কাজ পাওয়ার পাশাপাশি আয়ের দিকে থেকেও এগিয়েছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা।
সাইদুর মামুন খান দাবি করেছেন, ২০১২ সালে ইল্যান্স ডট কমে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় ছিল প্রায় ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৩ সালে এসে এদেশের ফ্রিল্যান্সাররা মোট আয় করেছে প্রায় ২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা আরও ভালো করবেন বলে আশাবাদী তিনি।
ইল্যান্স ডট কমে সাধারণত দুইভাবে বিভিন্ন দেশের র্যাঙ্ক ঠিক করা হয়। একটি হচ্ছে আয়ের উপর ভিত্তি করে এবং আরেকটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার ভিত্তিতে।
ইল্যান্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ ১৭০টি দেশের মধ্যে ৭ নম্বর অবস্থানে আছে। আর আয়ের দিক দিয়ে আছে ১৩ নম্বর অবস্থানে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের শুরুতে আয়ের দিক দিয়ে বাংলাদেশ ছিল ১৪ নম্বর অবস্থানে।
সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, গত বছর দারুণভাবে কাজ করার মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশকে ১৩তম অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশে বর্তমানে ইল্যান্সে রেজিস্টার্ড ফ্রিল্যান্সার আছে প্রায় ৫৬ হাজার, যার মধ্যে প্রায় ২৬ হাজার ফ্রিল্যান্সার ইল্যান্সে যোগ দিয়েছেন ২০১৩ সালে।
ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতা ও দক্ষদের সম্পর্কে সাইদুর আরও জানান, অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে ২০১৩ সালের একজন সফল ফ্রিল্যানসার শরিফ মোহাম্মদ শাহজাহান। ৩৬ বছর বয়সী শরিফ কয়েক বছর আগে ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে নিজের এলাকা সাভারে একটি ফটোগ্রাফি স্টুডিও চালাতেন। তাঁর ছবি সম্পাদনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এখন নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে ১২ জনের একটি দল নিয়ে কাজ নিয়মিত কাজ করছেন
26/01/2014
১০০ জন পাবেন আউটসোর্সিং পুরস্কার
দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) চলতি বছর ১০০ জনকে আউটসোর্সিং পুরস্কার দেবে। গতকাল শনিবার ঢাকায় বেসিস মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের ‘বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড-২০১৪’ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়। সম্মেলনে বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান বলেন, ঢাকা মানেই তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ নয়; ঢাকা মানেই ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রসার নয়। দেশের সবগুলো উপজেলায় তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে যাওয়াই বেসিসের লক্ষ্য।
বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম ফাহিম মাশরুর সম্মেলনে বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই পুরস্কার একধরনের পথ প্রদর্শকের কাজ করবে। পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান, রপ্তানির পরিমাণ ও সামাজিক ভূমিকা গুরুত্ব পাবে। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর আহ্বায়ক শাহ্ ইমারউল কায়ীশ, বেসিসের সহসভাপতি উত্তম কুমার পাল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান।
ইমারউল কায়ীশ জানান, ৬৪টি জেলায় একজন করে সফল ফ্রিল্যান্সার বা তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাকে দেওয়া হবে এই পুরস্কার। আরও ছয়টি আলাদা বিভাগে (ওয়েব অ্যাপলিকেশন ডেভেলপমেন্ট, এসইও ও অনলাইন বিপণন, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিকস ডিজাইন, ব্লগিং, মোবাইল অ্যাপলিকেশন) তিনজন করে ১৮ জনকে উদ্যোক্তা হিসেবেও পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিভাগে ১৫টি এবং নারী বিভাগে তিনটি পুরস্কার রয়েছে। অনলাইনে বেসিসের ওয়েবসাইটে (www.basis.org.bd) এ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। নিবন্ধন চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রর্যন্ত। পুরস্কার দেওয়া হবে আগামী মার্চ মাসে। ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে বেসিস
দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) চলতি বছর ১০০ জনকে আউটসোর্সিং পুরস্কার দেবে। গতকাল শনিবার ঢাকায় বেসিস মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের ‘বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড-২০১৪’ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়। সম্মেলনে বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান বলেন, ঢাকা মানেই তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ নয়; ঢাকা মানেই ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রসার নয়। দেশের সবগুলো উপজেলায় তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে যাওয়াই বেসিসের লক্ষ্য।
বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম ফাহিম মাশরুর সম্মেলনে বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই পুরস্কার একধরনের পথ প্রদর্শকের কাজ করবে। পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান, রপ্তানির পরিমাণ ও সামাজিক ভূমিকা গুরুত্ব পাবে। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর আহ্বায়ক শাহ্ ইমারউল কায়ীশ, বেসিসের সহসভাপতি উত্তম কুমার পাল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান।
ইমারউল কায়ীশ জানান, ৬৪টি জেলায় একজন করে সফল ফ্রিল্যান্সার বা তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাকে দেওয়া হবে এই পুরস্কার। আরও ছয়টি আলাদা বিভাগে (ওয়েব অ্যাপলিকেশন ডেভেলপমেন্ট, এসইও ও অনলাইন বিপণন, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিকস ডিজাইন, ব্লগিং, মোবাইল অ্যাপলিকেশন) তিনজন করে ১৮ জনকে উদ্যোক্তা হিসেবেও পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিভাগে ১৫টি এবং নারী বিভাগে তিনটি পুরস্কার রয়েছে। অনলাইনে বেসিসের ওয়েবসাইটে (www.basis.org.bd) এ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। নিবন্ধন চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রর্যন্ত। পুরস্কার দেওয়া হবে আগামী মার্চ মাসে। ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে বেসিস
23/01/2014
থ্রি-জি সেবা নিয়ে বিপাকে বিটিআরসি
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সেবার (থ্রি-জি) দাম, মান ও ব্যবহার নিয়ে বিপাকে পড়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক মূল্য কি হতে পারে তা নির্ধারণ করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। শেষ পর্যন্ত একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কেউ থ্রি-জি সেবা নেতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে পারে- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা। তারা থ্রি-জি সেবা পর্যবেক্ষণের অনুরোধ জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। ওদিকে চিঠি পেয়ে মন্ত্রণালয় একই বার্তা পাঠিয়েছে বিটিআরসির কাছে। জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) সমপ্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কেউ থ্রি-জি সেবা নেতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে পারে। এটা গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এনটিএমসি এ বিষয়ে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেয়। সব মিলিয়ে থ্রি-জি সেবা নিয়ে বিপাকে পড়েছে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দাম ও মান নির্ধারণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের সব প্রস্তুতি শেষ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। মোবাইল থ্রি-জির ক্ষেত্রে নীতিমালায় বলা আছে, এই সেবায় ইন্টারনেটের যে গতি গ্রাহকদের দেয়া হবে তার কমপক্ষে ৭০ শতাংশ নিশ্চিত করতে হবে। মূলত ইন্টারনেট গতির বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। এর আগে থ্রিজি সেবার গ্রাহকবান্ধব একটি মূল্য নির্ধারণে অপারেটরদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করা হয়েছে। বর্তমানে অপারেটররা বিভিন্ন গতিতে থ্রি-জি ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে। গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোন ৫১২ কেপিবিএস এবং এক এমপিবিএস গতির থ্রি-জি সেবা দিচ্ছে। এয়ারটেল ও বাংলালিংক এক এমপিবিএস, রবি এক থেকে তিন এমপিবিএস গতির থ্রি-জি সেবা দিচ্ছে। আর রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটক দিচ্ছে ২৫৬ কেপিবিএস থেকে সর্বোচ্চ ৪ এমপিবিএস থ্রি-জি সেবা। এদিকে থ্রি-জি সেবা পর্যবেক্ষণের বিষয় নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি। এ প্রসঙ্গে মোবাইল অপারেটররা জানিয়েছে, পরীক্ষামূলকভাবে থ্রি-জি সেবা চালুর পর থেকেই তো আমরা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছি। তাই নতুন করে কি ধরনের পর্যবেক্ষণ করা হবে তা আমাদের বোধগম্য নয়। গত বছরের অক্টোবর থেকে বেসরকারি চার মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল এবং বাংলালিংক পরীক্ষামুলকভাবে থ্রি-জি সেবা চালু করে। এর আগে সরকার নিয়ন্ত্রিত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থ্রি-জি সেবা চালু করে। বর্তমানে ১০ কোটির বেশি মুঠোফোন ব্যবহারকারী রয়েছে বাংলাদেশে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে কোন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই এই সুবিধার আওতায় পড়বেন। অবশ্য, থ্রি-জির সুবিধা নির্ভর করছে এর খরচের ওপর। বিটিআরসি জানিয়েছে, থ্রি-জি সার্ভিস গ্রহণের মাধ্যমে গ্রাহক ই-কমার্স, ই-ব্যাংকিং, ই-এডুকেশন, ই-কৃষি, ই-হেলথ, ই-গভর্নেন্স এবং টেলি করফারেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা পাবে। গত ৮ই সেপ্টেম্বর থ্রি-জি নিলামে অংশ নিয়ে বিটিআরসি থেকে ৪০৮১ কোটি টাকায় ২৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনে নেয় গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল ও বাংলালিংক। দেশে থ্রি-জি সেবার প্রথম নিলামে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম ওঠে ২ কোটি ১০ লাখ ডলার। ১ হাজার ৬২৩ কোটি টাকায় সর্বোচ্চ ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ নেয় গ্রামীণফোন। আর ৫ মেগাহার্টজ করে তরঙ্গ বরাদ্দ নেয় অপর তিন অপারেটর। এ জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে গুণতে হয়েছে প্রায় ৮১৬ কোটি টাকা করে। থ্রি-জি নীতিমালা অনুসারে অপারেটররা ১৫ বছরের জন্য এই লাইসেন্স পেয়েছে। এদিকে বিটিআরসির হাতে থাকা ৫০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের মধ্যে ১০ মেগাহার্টজ পেয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক। নীতিমালা অনুযায়ী, থ্রি-জির সঙ্গে ফোরজি ও এলটিই নেটওয়ার্ক সার্ভিস দিতে পারবে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো।
22/12/2013
ক্রেডিট কার্ড হ্যাক হলে কী করবেন
$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা সাইবার আক্রমণের শিকার হচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরেই। পশ্চিমা বিশ্বে ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার উপলক্ষ ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটার যে ধুম পড়ে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়তেই থাকে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড চুরি বা হ্যাক হওয়ার ঘটনা। ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি হয়ে গেলে তার পরিপ্রেক্ষিতে অতি প্রয়োজনীয় ৩ করণীয় বাতলে দিয়েছে বার্তা সংস্থা সিএনএন।
১. চোখ রাখুন ব্যাংক ব্যালান্সের উপর
ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড হ্যাক হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটি হচ্ছে ব্যাংক ব্যালান্সের উপর নজর রাখা। হ্যাকাররা অনেকসময়ই কার্ডের যথেষ্ট তহবিল আছে কি না তা নিশ্চিত হতে কয়েক সেন্ট পরিমাণের ছোট ছোট লেনদেন করে দেখে। ব্যাংক স্টেটমেন্টে ৬-১১ সেন্টের কোনো লেনদেন হলে ধরে নিতে হবে বেহাত হয়ে গেছে কার্ডের গোপন তথ্য।
২. কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন
ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড চুরি হয়ে গেছে, বা হ্যাক হয়ে গেছে নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করুন ব্যাংক এবং ক্রেডিট কার্ড প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। সাধারণত প্রতারণামূলক লেনদেন ঠেকাতে ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি এবং ব্যাংক উভয়েরই নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে। তবে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কোনো খবর পাওয়ার অপেক্ষা না করেই নিজে থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করাই শ্রেয়।
৩. পাল্টে নিন ক্রেডিট কার্ড এবং পিন
কার্ড হ্যাক হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টে ফেলুন পুরনো ক্রেডিট কার্ড এবং পুরনো পিন নম্বর। নতুন কার্ড হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠানে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিমাসে লেনদেন করেন সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজের অ্যাকাউন্টটি আপডেট করে নিতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Dhaka