Ruma Akter Riya
তবে,
প্রয়োজনে শেষে মানুষ যে আচরণ'টা করে মূলত ওইটাই তাদের আসল চরিত্র ❤️🩹
25/06/2025
প্রত্যেকটা মে'য়েই একটা মাইন্ড গেম খেলে, এটা তারা তাদের পার্টনারকে ইমোশনালি পরীক্ষা করার জন্য করে।
প্রিলেশনের ক্ষেত্রে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন মেয়েরা মাঝেমধ্যে হুটহাট মন খারাপ করে, কথা বলা কমিয়ে দেয়, অযথা রাগ করে, পুরোনো কথা টেনে আনে। এটা অহেতুক কিছু না বরং মেয়েদের মনের একটা সাইকোলজিক্যাল গেম।
একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবাসে বা সম্পর্কে জড়ায়, তখন সে নিশ্চিত হতে চায় তার পার্টনার মানসিকভাবে কতটা স্টেবল। সে দেখতে চায় ছেলেটা তার মুড সুইং, আবেগ বা সাময়িক দুর্বলতার সময়ে কেমন রিঅ্যাক্ট করে। অর্থাৎ ছেলেটার ধৈর্য, পরিস্থিতি সামলানোর ক্ষমতা কেমন।
এই ধরনের ইমোশনাল টেস্ট অনেক সময় মেয়েরা অবচেতনভাবেই করে। কারণ তাদের মস্তিষ্ক বায়োলজিক্যালি এমনভাবে তৈরি যে তারা এমন একজন পার্টনার চায়, যে শুধু ভালোবাসবে না, বরং বিপদে পাশে থাকবে, নিরাপত্তা দেবে।
তাই যখন মেয়েরা অদ্ভুতভাবে আচরণ করে, তা সবসময় “attitude” বা “drama” নাও হতে পারে। এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেটার জন্য পরীক্ষা হয়, এটা দেখার জন্য যে সত্যিই ছেলেটা ইমোশনালি স্ট্রং কি না।
এরকম পরিস্থিতিতে রাগান্বিত হয়ে breakdown না করে বরং চুপ থাকা উচিৎ।
তাই কোনো মেয়ে যদি হঠাৎ এরকম আনএক্সপেক্টেড আচরণ করে, এটার মানে এই না যে, সে সম্পর্ক নষ্ট করতে চায়, বরং সে বোঝার চেষ্টা করে, আসলেই আপনি তার জন্য Safe zone কি না। 🌸💖
©
সবচাইতে বড় দু'র্ভাগা ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। কবির চার বছরের শিশুপুত্র বুলবুল যে রাতে মা-রা গিয়েছিল, সে রাতে তার পকেটে একটা কানাকড়িও ছিল না। অথচ দা'ফন, কা'ফন, গাড়িতে করে দেহ নেওয়া আর গোর'স্থানে জমি কেনার জন্য দরকার ১৫০ টাকা। সে সময়ের ১৫০ টাকা মানে অনেক টাকা। হ'তদ'রিদ্র কবি এত টাকা পাবেন কোথায়?
বিভিন্ন লাইব্রেরিতে লোক পাঠানো হলো, কিন্তু টাকার ব্যবস্থা করা গেল না। শুধুমাত্র ডি.এম লাইব্রেরি দিল ৩৫ টাকা। কিন্তু তখনো যে অনেক টাকা লাগবে!
ঘরে শিশুপুত্রের লা-শ রেখে কবি গেলেন এক প্রকাশকের কাছে। নি'ষ্ঠুর প্রকাশক শর্ত দিলেন, এই মুহূর্তে কবিতা একটি লিখে দিতে হবে, তারপর টাকা! নিরু'পায় কবি তার মনের নীরব কা'ন্না লিখে দিলেন কবিতায়...
ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হ’য়ে আমার গানের বুলবুলি —
করুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝ'রা ফুলগুলি।।
©️ollected
13/05/2025
ধীরে ধীরে পানি গরম হতে থাকে, আর ব্যাঙও ধীরে ধীরে তার শরীরের ভেতর সেই উত্তাপ সহ্য করতে থাকে। সে ভাবে, "এটা তো এখনো সহ্য করা যাচ্ছে।"
কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয়। পানির তাপ এক সময় এত বেশি হয়ে যায় যে, তখন আর সহ্য করা যায় না। ব্যাঙ তখন বুঝতে পারে, "এখন আমার লাফ দিয়ে বাঁচা দরকার!"
কিন্তু হায়! তখন আর তার শরীরে কোনো শক্তি অবশিষ্ট নেই। কারণ সে তার সমস্ত শক্তি খরচ করে ফেলেছে আগের তাপমাত্রাগুলো সহ্য করার জন্য! তাই সে চাইলেও আর লাফিয়ে বের হতে পারে না। ধীরে ধীরে সে পানিতে সেদ্ধ হয়ে মারা যায়…
আপনি কি জানেন—ব্যাঙটা আসলে মারা যায়নি পানির তাপে, বরং মারা গেছে সময়মতো সিদ্ধান্ত না নিতে পারায়!
এই ঘটনাটাকেই বলা হয় "Boiling Frog Syndrome"।
এই গল্প আমাদের জীবনের সঙ্গেও হুবহু মিলে যায়।
আমরা অনেক সময় একের পর এক অন্যায়, অবহেলা কিংবা কষ্ট সহ্য করতে থাকি—ভাবি, “এখন না হয় মেনে নিচ্ছি, পরে কিছু একটা করব।”
কিন্তু যে সমস্যা শুরুতেই ঠেকানো যেতো, তা ধীরে ধীরে এমন ভয়াবহ রূপ নেয় যে তখন আর কিছুই করার থাকে না।
তখন আমাদের মনের শক্তিটাও থাকে না, সাহসটাও ক্ষয়ে যায়।
শিক্ষনীয়
তাই, জীবনে কখনো এমন পর্যায়ে পৌঁছাবেন না যেখানে লাফ দেওয়ার মতো শক্তিটুকুও থাকবে না।
সময় থাকতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করুন, প্রতিবাদ করুন, নিজের সম্মানকে রক্ষা করুন।
না হলে একদিন হয়তো আপনিও সেই “সেদ্ধ ব্যাঙ” হয়ে যাবেন, যে বাঁচতে চেয়েও বাঁচতে পারল না…
08/05/2025
Let’s sail beyond the horizon—together, forever!🩵🕊️
05/05/2025
এই সেই পৃথিবী কাঁপানো ছবি যা তোলার পর ফটোগ্রাফার নিজেই নিজেকে শে'ষ করেছিলেন!
ছবিতে একটি শকুন বসে আছে ক'ঙ্কা'লসার এক শিশুর মৃ' ত্যুর অপেক্ষায়, যেন মা' রা গেলেই সে ঝাঁপিয়ে পড়বে লক্ষ্যবস্তুর উপর! ছবিটি তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার।
১৯৯৩ সালের মার্চ মাস। দুর্ভিক্ষ পীড়িত সুদান। কোথাও একফোঁটা দানা নেই। ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর শিশুটি এক মুঠো খাবারের সন্ধানে আয়োদ শহর থেকে আধা মাইল দূরে জাতিসংঘের খাদ্য গুদামের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।
এক পর্যায়ে সে তার মৃ' তপ্রা' য় নিথর দে'হটি নিয়ে উবু হয়ে মাটিতে মাথা রেখে বসে পড়ে।
ঠিক তখনই একটা শকুন এসে লোলুপ দৃষ্টি হেনে শি'শুটির মাং' স ভ'ক্ষ' ণ করার জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে।
এই ছবি The New York Times এ প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে তো'ল'পা'ড় সৃষ্টি হয়। ১৯৯৪ সালে সেরা ফিচার ফটোগ্রাফির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার জিতে নেয় ছবিটি।
কিন্তু ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার পুরস্কার জেতার ৪ মাসের মাথায় মাত্র ৩৩ বছর বয়সে নিজেই নিজেকে শে'ষ করে বসেন। পরে জানা যায় ছবিটি তোলার পর থেকেই তিনি মা'ন সিকভাবে ভে'ঙে পড়েছিলেন! মৃ'ত্যু'র আগে ছবিটির বিষয়ে কেভিন কার্টার তার ডায়রিতে লিখেছিলেন :
"হে পরম করুণাময়, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি কোনও খাবার, তা সে যত খারাপ স্বাদেরই হোক না কেন আমি সেটা নষ্ট করব না, এমনকি আমার পেটে ক্ষুধা না থাকলেও না!
আমি প্রার্থনা করি, আমরা চারপাশের পৃথিবীর প্রতি আরো সংবেদনশীল হব এবং আমরা আমাদের ভেতরের স্বার্থপরতা এবং সংকীর্ণতা দ্বারা অন্ধ হয়ে যাব না।
আমি আরো প্রার্থনা করি, তুমি ওই ছোট্ট ছেলেটিকে রক্ষা করবে, পথ দেখাবে আর ওকে ওর দুঃখ থেকে মুক্তি দেবে। এই ছবি যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয় ওই শিশুটির তুলনায় তারা কতটা ভাগ্যবান, কারণ তোমার করুণা ছাড়া কারো ভাগ্যে একটি দানাও জোটে না। বিদায়!"
04/05/2025
কি সুন্দর!! রুচির প্রশংসা করতেই হয়!😩🤍
03/05/2025
তাশাহহুদের পর নবী মুবাশ্শির (ﷺ) নিজের উপর দরুদ পাঠ করতেন। (আহমাদ, মুসনাদ ৫/৩৭৪, হাকেম, মুস্তাদরাক) আর উম্মতের জন্যও তাঁর উপরের সালামের পর দরুদ পড়াকে বিধিবদ্ধ করেছেন। মহান আল্লাহর সাধারণ আদেশ রয়েছে, “--- হে ঈমানদারগণ! তোমরাও নবীর উপর দরুদ পাঠ কর এবং উত্তমরুপে সালাম পেশ কর।” (কুরআন মাজীদ ৩৩/৫৬)
আর মহানবী (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার উপর ১০ বার রহ্মত বর্ষণ করবেন।” (মুসলিম, মিশকাত ৯২১ নং)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, “---এবং তার ১০টি পাপ মোচন হবে ও সে ১০টি মর্যাদায় উন্নীত হবে।” (নাসাঈ, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক ১/৫৫০, মিশকাত ৯২২নং)
সাহাবাগণ তাঁকে বললেন, ‘আমরা আপনার উপর দরুদ কিভাবে পাঠ করব?’ তখন তিনি তাঁদেরকে দরুদ শিক্ষা দিলেন। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৯১৯-৯২০নং)
দরুদের শব্দবিন্যাস কয়েক প্রকার:-
১।اَللّهُمَّ صَلِّ عَلى مُحَمَّدٍ وَّعَلى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدُ، اَللّهُمَّ بَارِكْ عَلى مُحَمَّدٍ وَّعَلى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ।
উচ্চারণ:- আল্লা-হুম্মা স্বাল্লি আলা মুহাম্মাদিঁউঅআলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা স্বাল্লাইতা আলা ইবরা-হীমা অ আলা আ-লি ইবরা-হীম, ইন্নাকাহামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বা-রিক আলা মুহাম্মাদিঁউঅ আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা বা-রাকতা আলা ইবরা-হীমা অ আলা আ-লি ইবরা-হীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।
অর্থ:- হে আল্লাহ! তুমি হযরত মুহাম্মদ ও তাঁর বংশধরের উপর রহ্মত বর্ষণ কর, যেমন তুমি হযরত ইবরাহীম ও তাঁর বংশধরের উপর রহ্মত বর্ষণ করেছ। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত গৌরবান্বিত।
হে আল্লাহ! তুমি হযরত মুহাম্মদ ও তাঁর বংশধরের উপর বর্কত বর্ষণ কর, যেমন তুমি হযরত ইবরাহীম ও তাঁর বংশধরের উপর বর্কত বর্ষণ করেছ। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত গৌরবান্বিত। (বুখারী, মিশকাত ৯১৯নং)
01/05/2025
-তুমি পর্দা করো?
-জ্বি করি!
-তাহলে আজ একজনের মোবাইলে তোমার ছবি দেখলাম যে?
-কই নাতো! আমি কাউকে ছবি দিইনি!
-না দিলে ওরা পাবে কোত্থেকে? ওরা যেভাবে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে ছবিটা দেখছিল,যে কারোরই খারাপ লাগবে!
-ও আচ্ছা! আমার ফেসবুক আইডি থেকে নিয়েছে তাহলে।
-এ কেমন পর্দা! তুমি বোরখা গায়ে বাইরে যাবে কিন্তু ফেসবুক-ওয়াটসআপ-ইনস্ট্রাগ্রামে তোমার ছবি হাতে হাতে ঘুরবে! তোমাকে আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) এর ঘটনা বলেছি না?
-কোনটা?
-ভুলে গেছো। ঠিক আছে আবার বলছি! আম্মাজান বলেছেন:- “আমি মাঝেমধ্যে আমার ঘরে প্রবেশ করতাম। যেখানে নবীজি (সা.) শুয়ে আছেন। আমার আব্বাজান শুয়ে আছেন। কোনো পর্দা ছাড়াই! কিন্তু যখন উমারকে সেখানে দাফন করা হলো,আমি নিজেকে পুরোপুরি কাপড়ে মুড়িয়ে সে ঘরে যেতাম। উমরকে লজ্জা লাগতো যে!”
দেখো মা! তিনি একজন কবরবাসী মৃত মানুষের সামনেও পর্দাহীন যেতে লজ্জাবোধ করেছেন! আর তোমরা অফলাইনে পর্দা করলেও অনলাইনে অন্যরকম! আফসোস!
জাযাকাল্লাহু খইর
~শাইখ আতিক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ।
30/04/2025
পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স’ 😥
স্ক্যাবিস (Scabies) একটি ছোঁয়াচে ত্বকের রোগ। এটি Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র মাকড়সার (mite) কারণে হয়ে থাকে। এই মাকড়সা ত্বকের উপরিভাগে গর্ত তৈরি করে এবং ডিম পাড়ে, যার ফলে ত্বকে তীব্র চুলকানি এবং ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:
* তীব্র চুলকানি: বিশেষ করে রাতে চুলকানি বাড়ে।
* ফুসকুড়ি: ছোট ছোট লালচে দানা বা ফোস্কার মতো দেখা যায়।
* গর্তের চিহ্ন: ত্বকের উপর ছোট, আঁকাবাঁকা, ধূসর বা সাদা রঙের সরু রেখা দেখা যেতে পারে, যা মাকড়সার তৈরি করা গর্ত।
স্ক্যাবিস সাধারণত নিম্নলিখিত স্থানগুলোতে বেশি দেখা যায়:
* আঙুল ও পায়ের আঙুলের মাঝে
* কবজি
* কনুই ও হাঁটুর ভাঁজে
* বগলের নিচে
* কোমর
* নিতম্ব
স্ক্যাবিস অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং সরাসরি চামড়ার সংস্পর্শে আসা, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা কাপড়, বিছানা ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
যদি আপনার মনে হয় আপনার স্ক্যাবিস হয়েছে, তাহলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার সাধারণত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে ত্বকের নমুনা নিয়ে রোগ নির্ণয় করতে পারেন। স্ক্যাবিসের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ধরনের ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় যা মাকড়সা এবং তাদের ডিম ধ্বংস করে। পরিবারের সকল সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও একই সময়ে চিকিৎসা করানো উচিত, এমনকি তাদের লক্ষণ না থাকলেও। এছাড়া, ব্যবহৃত কাপড় ও বিছানা গরম পানিতে ধুয়ে বা ভালোভাবে পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।
শেয়ার করে সবাই কে জানিয়ে দিন.©
30/04/2025
Sotti e 🙂
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka