Korean Japanese Language Club

Korean Japanese Language Club

Share

06/01/2026

কোরিয়ান ভাষা শিখুন KJLC-তে! 🇰🇷📚
আপনি কি কোরিয়ান ভাষা শিখতে আগ্রহী? KJLC আপনার জন্য নিয়ে এসেছে কোরিয়ান ভাষার সকল ধরনের বই! একদম বেসিক থেকে অ্যাডভান্সড লেভেল পর্যন্ত—গ্রামার, ভোকাবুলারি, স্পিকিং, সব ধরনের বই এখানে পাবেন! নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ কালেকশন। দেরি না করে আজই চলে আসুন!

05/01/2026

🌸 জাপান: প্রকৃতির ক্যানভাসে আঁকা এক জীবন্ত কবিতা! 🏞️
​আপনি কি এমন এক স্বপ্নের দেশের কথা ভাবছেন যেখানে হাজার বছরের ঐতিহ্য আর আধুনিক স্থাপত্য মিলেমিশে একাকার? যেখানে বসন্তে চেরি ফুলের গোলাপি আভা আর শরতে ম্যাপল পাতার সোনালী রঙে সেজে ওঠে প্রকৃতি? তবে আপনার কল্পনার সেই দেশ হলো জাপান! 🇯🇵✨
​জাপানের প্রতিটি কোণায় লুকিয়ে আছে এক নান্দনিক সৌন্দর্য, যা শুধু চোখকেই নয়, মনকেও মুগ্ধ করে তোলে।
​🎨 জাপানের নান্দনিক সৌন্দর্যের কিছু ঝলক:
​১. চেরি ফুলের মন মাতানো দৃশ্য (সাকুরা): বসন্তকালে (মার্চ-এপ্রিল) জাপানের পার্ক, পাহাড় এবং নদীর ধারে চেরি ফুলের যে গোলাপি আভা দেখা যায়, তা এককথায় অবিশ্বাস্য। এটি কেবল একটি ফুল নয়, জাপানি সংস্কৃতির প্রতীক এবং জীবনের ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্যের উদযাপন।
​২. প্রাচীন মন্দির ও মঠের স্থাপত্য: কিয়োটো বা নারা-র মতো শহরে গেলে আপনি দেখতে পাবেন শত শত বছরের পুরনো বৌদ্ধ মন্দির এবং শিন্তো তীর্থস্থান। এদের কাঠের কারুকাজ, শান্ত পরিবেশ এবং বাগানগুলো এক অসাধারণ শান্তির অনুভূতি এনে দেয়।
​৩. পর্বতের নৈসর্গিক রূপ: আইকনিক মাউন্ট ফুজি থেকে শুরু করে জাপানি আল্পস—জাপানের পাহাড়গুলো প্রতিটি ঋতুতে ভিন্ন ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়। হাইকিং এবং স্কিইংয়ের জন্য এগুলি অসাধারণ।
​৪. বাঁশের বন (আরাশিয়ামা): কিয়োটোর আরাশিয়ামা বাঁশের বন এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা দেয়। সারি সারি উঁচু বাঁশের গাছের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়া এক জাদুকরী অনুভূতি।
​৫. ঐতিহ্যবাহী জাপানি বাগান: Zen Garden থেকে শুরু করে Tea Garden—জাপানি বাগানগুলো এক বিশেষ ধরণের সৌন্দর্য বহন করে, যা প্রকৃতি ও মানুষের সৃষ্টিশীলতার এক অপূর্ব মিশ্রণ।
আপনার স্বপ্ন পূরণ শুরু হোক KJLC-র সাথে!
​জাপানের এই অসাধারণ সৌন্দর্য কেবল ছবিতে নয়, বাস্তবেও অনুভব করা সম্ভব। আর এর প্রথম ধাপ হলো জাপানিজ ভাষা শেখা।

05/01/2026

জাপানে ভাষা স্কুলে ভর্তি হওয়া জাপানিজ ক্যারিয়ারের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। জাপানে পড়াশোনা বা ভালো বেতনের চাকরির পরিকল্পনা থাকলে ভাষা স্কুলে ভর্তি হওয়াটাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
​নিচে ধাপে ধাপে ভর্তির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া আলোচনা করা হলো:
​১. সময় নির্ধারণ (Intake)
​জাপানে সাধারণত বছরে চারটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। তবে সেশন অনুযায়ী আপনার পড়াশোনার মেয়াদ ভিন্ন হয়:
​এপ্রিল সেশন: ২ বছর মেয়াদী (সবচেয়ে জনপ্রিয়)।
​জুলাই সেশন: ১ বছর ৯ মাস মেয়াদী।
​অক্টোবর সেশন: ১ বছর ৬ মাস মেয়াদী।
​জানুয়ারি সেশন: ১ বছর ৩ মাস মেয়াদী।
​২. প্রয়োজনীয় যোগ্যতা
​শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম ১২ বছরের শিক্ষা সম্পন্ন হতে হবে (HSC বা সমমান)।
​বয়স: সাধারণত ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে (বেশি বয়সেও আবেদন করা যায়, তবে উপযুক্ত কারণ দেখাতে হয়)।
​ভাষা জ্ঞান: অন্তত ১৫০-২০০ ঘণ্টার জাপানিজ ভাষা শিক্ষার সার্টিফিকেট বা JLPT N5/NAT-Test 5Q পাস থাকা বাধ্যতামূলক।
​৩. ভর্তির ধাপসমূহ (Step-by-Step Process)
​ধাপ ১: স্কুল নির্বাচন ও ইন্টারভিউ
প্রথমে আপনার পছন্দের শহরের (যেমন: টোকিও, ওসাকা বা ফুকুওকা) একটি ভাষা স্কুল নির্বাচন করতে হবে। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ অনলাইনে আপনার ইন্টারভিউ নেবে। তারা মূলত আপনার পড়ার আগ্রহ এবং ভাষা জ্ঞান যাচাই করবে।
​ধাপ ২: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা
ইন্টারভিউতে পাস করার পর আপনাকে সব নথিপত্র স্কুলে পাঠাতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:
​একাডেমিক সার্টিফিকেট ও মার্কশিট।
​স্পনসরের আয়ের উৎস ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সাধারণত ১৫-২০ লক্ষ টাকা দেখাতে হয়)।
​পাসপোর্টের কপি ও ছবি।
​ধাপ ৩: COE (Certificate of Eligibility) আবেদন
স্কুল আপনার সব কাগজপত্র যাচাই করে জাপানের ইমিগ্রেশনে জমা দেবে COE-এর জন্য। এটি পেতে ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগে।
​ধাপ ৪: টিউশন ফি প্রদান ও ইনভয়েস
COE অনুমোদিত হলে স্কুল আপনাকে একটি ইনভয়েস পাঠাবে। তখন আপনাকে ৬ মাস বা ১ বছরের টিউশন ফি ব্যাংকের মাধ্যমে জাপানে পাঠাতে হবে। টাকা পাওয়ার পর স্কুল আপনাকে মূল COE পাঠিয়ে দেবে।
​ধাপ ৫: ভিসা স্ট্যাম্পিং
মূল COE এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আপনার দেশের জাপান দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ভিসা ইন্টারভিউ সফল হলে আপনার পাসপোর্টে ভিসা স্ট্যাম্প করা হবে।
​আনুমানিক খরচের ধারণা (২০২৬ অনুযায়ী)
খাতের নাম আনুমানিক খরচ (বিডিটি)
টিউশন ফি (১ বছর) ৫,৫০,০০০ - ৭,০০,০০০ টাকা
ডরমিটরি বা বাসা ভাড়া ২০,০০০ - ৩৫,০০০ টাকা (প্রতি মাসে)
খাবার ও অন্যান্য ১৫,০০০ - ২৫,০০০ টাকা (প্রতি মাসে)
কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস
​স্পনসর: স্পনসর সাধারণত বাবা, মা বা ভাই-বোন হলে সুবিধা বেশি। তাদের বার্ষিক আয় এবং সঞ্চয় স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।
​পার্ট-টাইম কাজ: জাপানে স্টুডেন্ট ভিসায় সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা কাজ করার আইনি অনুমতি থাকে (ছুটির সময় ৪০ ঘণ্টা)। এটি দিয়ে আপনার থাকা-খাওয়ার খরচ অনায়াসে উঠে আসবে।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

42/12 North Jatrabari
Dhaka
DHAKA1204

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00