BD SIM Operators
04/07/2019
বদলে যাচ্ছে সিম কার্ড, আসছে ই-সিম
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলে যাচ্ছে সিমের আকার-আকৃতি। বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। আর তাই প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ই-সিম। ই-সিম হল ইলেকট্রনিক-সাবসক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল। ই-সিম আকারে যে কোনো সাধারণ সিম কার্ডের চেয়ে দশ গুণ ছোট।
এই সিম অন্য সিমের মত ফোনে ভরা হয় না বরং যখন ফোন তৈরি করা হয় তখন একই সঙ্গে এই সিমও তৈরি করা হয়। এটিকে ফোনের হার্ডওয়্যারের মধ্যেই ধরা হয় এবং একে ফোনের বাইরে বের করা সম্ভব নয়।
ই-সিম ফোন হার্ডওয়্যারেরই একটি অংশ এবং অপারেটর প্রোফাইল ডাউনলোড না করা পর্যন্ত এটি অ্যাক্টিভেট হবে না। এতদিন পর্যন্ত আইফোনে অ্যাপেল স্মার্টওয়াচ কানেক্ট করার জন্য ব্লুটুথ ব্যবহার করা হত, কিন্তু এখন ই-সিমের সহযোগিতায় স্মার্টওয়াচ, ফিটনেস ব্যান্ড বা যে কোনো ওয়্যারেবল ডিভাইস সরাসরি মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ফোনে কানেক্ট করা যাবে।
ই-সিম ব্যবহার করে আপনি নানা ধরনের সুবিধা পেতে পারেন। বিশ্বে মোট ১৪টি নেটওয়ার্ক ই-সিম ফিচার সাপোর্ট করে। আপনি যখন কোনো দেশে ভ্রমণ করবেন তখন আর আপনাকে কোনো ধরনের টুরিস্ট সিম কার্ড কিনতে হবে না। বিশ্বের যেকোনো স্থানে গিয়ে এই ই-সিম কার্ড ব্যবহার করা যাবে।
17/01/2019
মোবাইল অপারেটরদের হুঁশিয়ারি দিলেন মন্ত্রী
16/জানুয়ারি/2019
জনগণের জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত না করলে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
বুধবার গুলশানে রবির কর্পোরেট অফিসে দেশে প্রথমবারের মতো ভয়েস ওভার লং টার্ম ইভোল্যুশনের (ভিওএলটিই) পরীক্ষামূলক ব্যবহার অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “জনগণের জন্য কোয়ালিটি সার্ভিস (মানসম্মত সেবা) নিশ্চিত করতে হবে। জনগণকে কোয়ালিটি সেবা দিতে হবে। আমরা কোয়ালিটি অব সার্ভিস গাইডলাইন দিয়েছি। কোয়ালিটির ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। কোয়ালিটি সার্ভিস না দিলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
কোনো অপারেটরের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, “এটি মনে হতে পারে যে, কেউ কেউ বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলেছে। কিন্তু বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করে যদি খারাপ সার্ভিস দেওয়া শুরু করে, তার চাইতে ছোট নেটওয়ার্ক তৈরি করে ভালো সার্ভিস দেওয়াটা ভালো।”
আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশে সব ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মাদারবোর্ড উৎপাদন করা হবে বলে জানান মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
প্রযুক্তির দিক দিয়ে দেশ অনেক এগিয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ঘোষণা করেছে, ২০২১ থেকে ২৩ সালের মধ্যে ফাইভ জি লঞ্চ করবে। পৃথিবীর কয়েক পার্সেন্ট দেশ সেটা চিন্তাও করেনি। এটি আমাদের বড় ধরনের সফলতার জায়গা।”
টেলিকম অ্যাক্ট, পোস্টাল অ্যাক্টসহ কয়েকটি নীতিমালা সংস্কারের কথাও জানান তিনি।
দেশের প্রতিটি বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার আশা প্রকাশ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, “কানেক্টিভিটি আমাদের এখনকার সময় ও সভ্যতার জন্য বড় ভিত্তি। আমরা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষকে কানেক্টেড করতে চাই।”
শহরের পাশাপাশি গ্রামে ৪.৫জি নেটওয়ার্ক সেবা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন মন্ত্রী।
সবাইকে ডিজিটালি দক্ষ করে গড়ে তোলা সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আমাদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শিশু থেকে বয়স্ক সবাইকে ডিজিটাল যুগের উপযোগী করা। শিশুদের প্রথম দিনের শিক্ষা থেকে শুরু করে সে যত উপরে উঠবে সে ডিজিটাল শিক্ষাটা উপভোগ করবে, সেটার মাধ্যমে সে শিক্ষিত হবে।
“আর যারা বিএ এমএ পাশ করে শিক্ষিত হয়েছে, তাদের ডিজিটাল দক্ষতা দিতে হবে।”
দেশে প্রথমবারের মতো ভয়েস ওভার লং টার্ম ইভোল্যুশন (ভিওএলটিই) প্রযুক্তির সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী কোম্পানি রবি। এর ফলে দেশের প্রথম অপারেটর হিসেবে ৪.৫জি নেটওয়ার্কে ভয়েস সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হল তারা।
টেলিযোযোগ মন্ত্রী রবি’র ৪.৫জি নেটওয়ার্কে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হককে ভয়েস কল দিয়ে ভিওএলটিই প্রযুক্তি পরীক্ষা করেন।
ভিওএলটিই প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকরা ভয়েস ও ডেটা উভয় সেবাই উপভোগ করতে পারবেন। এলটিই ডেটা নেটওয়ার্কে আলাদাভাবে ভয়েস সেবাকেও কার্যকর রাখে ভিওএলটিই প্রযুক্তি।
দেশব্যাপী বিস্তৃত রবি’র ৪.৫জি নেটওয়ার্কে ভিওএলটিই সেবা কার্যকর হলে গ্রাহকরা এইচডি (হাই ডেফিনিশন) ভয়েস কল উপভোগের পাশাপাশি দ্রুততর কল সংযোগের সুবিধা পাবেন।
বাণিজ্যিকভাবে ভিওএলটিই চালু করার জন্য রবির ইকো-সিস্টেম পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সেবাটি চালু হলে কোনো ধরনের বাড়তি মূল্য পরিশোধ ছাড়াই রবি’র ৪.৫ জি গ্রাহকরা দ্রুততম সময়ে ‘সবচেয়ে ভালো মানের’ ভয়েস সেবা উপভোগ করতে পারবেন।
এ সেবার জন্য আলাদা কোনো ডেটা চার্জ প্রয়োজন হবে না এবং ভয়েস কলের ক্ষেত্রে বর্তমান ট্যারিফ প্ল্যান বা প্যাকই বহাল থাকবে।
অনুষ্ঠানে রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বের সাথে বলতে পারছি যে, দেশের সবচেয়ে বড় ৪.৫জি নেটওয়ার্কে আমরা ভয়েস ওভার এলটিই ভিত্তিক ভয়েস সেবার সফল কারিগরি প্রস্তুতি শেষ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, এটি ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”’
অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে গ্রাহকদের ভয়েস ওভার এলটিই সেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসির কমিশনার (ইঞ্জিনিয়ারিং ও অপারেশন্স) রেজাউল কাদের, কমিশনার (স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট) মো. আমিনুল হাসান, হেড অব কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলমসহ রবির ব্যবস্থাপনা টিমের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1400