Click & know
Song amar mollikabone jakhon | Download lyric in pdf Download lyric of song amar mollikabone jakhon available in pdf file. Print or view this Tagore creation online or offline.
১.রীট কি?
২. কয়টি বিষয়ের উপর রীট আবেদন দাখিল করা যায়?
৩. কে রীট দাখিল করতে পারে।
৪.রীট কোথায় দাখিল করতে হয়?
৫.রীট দাখিলের শর্ত কি?আমি
৬. কয় ধরনের রীট আছে?
৭. রীট এর উৎপত্তি কোথায়?
৮.রীট অমান্যের প্রতিকার কি?
৯.রীট কেন করা হয়?
১০. সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রীট করার কথা বলা হয়ছে।
১১. রীটকে কি মামলায় রূপান্তরিত করা যায়?
১২.একই বিষয়ে কি পূনরায় রীট করা যায়?
১৩.রীট দাখিলের কত দিনের মধ্যে অাদেশ প্রদান করা হয়?
১৫.রীট দাখিলে কোন কোন বিষয় গুলো অবশ্যই সংযুক্ত করতে হয়?
১৬.রীট এর সর্বশেষ পরিণতি কি হতে পারে?
১৭. রীট আবেদনকারীর তথ্য মিথ্যা প্রতিয়মান হলে আবেদনকারী কি কোন দন্ড পাবে?
১৮. রীট দাখিল করতে হলে কি পূর্বে অনুমতি নিতে হয়?
১৯.কোন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রীট দেয়া যায় না?
২০.বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে রীটের গুরুত্ব কতটুকু?
শেয়ার করে দিন
জমি কেনার আগে ও পরে করণীয়
জমি কেনার আগে অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে বিক্রেতার মালিকানা এবং জমির বিভিন্ন দলিল ভালোভাবে যাচাইবাছাই করতে হবে; নইলে পড়তে পারেন বিপদে, এমনকি প্রতারিতও হতে পারেন। জমির দলিলপত্র যাচাই না করে জমি কেনা উচিত নয়।
কী কী যাচাই করতে হবে:
১. জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করতে হবে।
২. জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।
৩. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিএস; এসএ; আরএস পরচা দেখাতে হবে।
৪. বিক্রেতা ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা ভায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত হতে হবে।
৫. বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যাঁর মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।
৬. জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার কাছে রক্ষিত মাঠ পরচা যাচাই করে দেখতে হবে।
৭. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে।
৮. বিক্রেতার কাছ থেকে সংগৃহীত দলিল, খতিয়ান/পরচা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী /স্বত্বলিপি রেজিস্টারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে।
৯. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে। জমির খাজনা বকেয়া থাকলে এবং বকেয়া খাজনাসহ জমি ক্রয় করলে বকেয়া খাজনা পরিশোধের দায় ক্রেতার।
১০. বিবেচ্য জমিটি সার্টিফিকেট মোকদ্দমা ভুক্ত কি না, কখনো নিলাম হয়েছে কি না, তা তহশিল অফিস / উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জেনে নিতে হবে। সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয়যোগ্য নয়।
১১. বিবেচ্য ভূমি খাস, পরিত্যক্ত/অর্পিত, অধিগ্রহণকৃত বা অধিগ্রহণের জন্য নোটিশকৃত কি না, তা তহশিল, উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।
১২. বিবেচ্য ভূমি কোনো আদালতে মামলা–মোকদ্দমাভুক্ত কি না, তা জেনে নিতে হবে। মামলাভুক্ত জমি কেনা উচিত নয়।
১৩. বিবেচ্য জমিটি সরেজমিনে যাচাই করে এর অবস্থান নকশার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে এবং দখল সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে বিক্রেতার মালিকানা ও দখল নিশ্চিত হতে হবে।
১৪. সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।
১৫. প্রস্তাবিত জমিটি ঋণের দায়ে কোনো ব্যাংক /সংস্থার কাছে দায়বদ্ধ কি না।
১৬. প্রস্তাবিত জমিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কি না, তা–ও দেখা প্রয়োজন।
আসন্ন বার কাউন্সিল পরীক্ষার এম সি কিউতে ধারা মনে রাখার সহজ টেকনিকঃ (পর্ব ২)
দন্ডবিধিতে শাস্তির ধারাসমূহ সহজে মনে রাখতে সবচেয়ে কম শাস্তিগুলো ধারাসহ একসাথে পড়ুন।
1⃣ ধারা ১৪৩। বেআইনী সমাবেশে যোগদানের শাস্তি ৬ মাস।
2⃣ ধারা ১৬০। কলহ কিংবা মারামারির শাস্তি ১ মাস।
3⃣ ধারা ৩৪১। অন্যায় বাধা বা নিয়ন্ত্রণের শাস্তি ১ মাস।
4⃣ ধারা ৪২৬। অনিষ্ট সাধনের শাস্তি ৩ মাস।
5⃣ ধারা ৪৪৭। অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি ৩মাস।
6⃣ধারা ৫১০। মাতাল ব্যাক্তির অসংলগ্ন আচরণের শাস্তি ২৪ ঘন্টা।
যে ধারাগুলোর শাস্তি ১ বছরঃ
1⃣ ধারা ৩০৯। আত্মহত্যার চেস্টা।
2⃣ ধারা ৩২৩। আঘাত।
3⃣ ধারা ৩৪২। অন্যায় আটক।
4⃣ ধারা ৪১৭। প্রতারণা।
5⃣ ধারা ৪৪৮। গৃহে অনধিকার প্রবেশ।
6⃣ ধারা ৫০৯। ইভটিজিং।
যে ধারাগুলোর শাস্তি ২ বছরঃ
1⃣ ধারা ১৪৭। দাঙ্গা হাঙ্গামা।
2⃣ ধারা ২১১। ক্ষতির উদ্দ্যেশ্যে মিথ্যা মামলা।
3⃣ ধারা ৪০৩। অপরাধজনক সম্পত্তি আত্মসাৎ।
4⃣ ধারা ৪৬৫। জালিয়াতি।
5⃣ ধারা ৫০০। মানহানি।
➡ চলবে...
Click here to claim your Sponsored Listing.