Nazir Inan Foundation
04/05/2024
২৩ #রমাদানের_তারাবীহ
(লাইলাতুল ক্বদরের অধিকতর সম্ভাবনাময় বেজোড় রাত)
আজ ০২ এপ্রিল সোমবার, এশার নামাজের পর ২৩তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআনের ২৬তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।
২৬তম পারা (সুরা আহক্বাফ এর ১নং আয়াত থেকে সুরা যারিয়া’ত এর ৩০ আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো :-
•যে ব্যক্তি আল্লাহর পরিবর্তে এমন বস্তুর পূজা করে, যে কেয়ামত পর্যন্তও তার ডাকে সাড়া দেবে না, তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? তারা তো তাদের পুজা সম্পর্কেও বেখবর। [সুরা আহক্বাফ-৫]
•নিশ্চয় যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ; অতঃপর অবিচল থাকে। তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিত হবে না। [সুরা আহক্বাফ-১৩]
•যেদিন কাফেরদেরকে জাহান্নামের কাছে উপস্থিত করা হবে সেদিন বলা হবে, তোমরা তোমাদের সুখ পার্থিব জীবনেই নিঃশেষ করেছ এবং সেগুলো ভোগ করেছ। সুতরাং আজ তোমাদেরকে অপমানকর আযাবের শাস্তি দেয়া হবে; কারণ, তোমরা পৃথিবীতে অন্যায় ভাবে অহংকার করতে এবং তোমরা ছিলে সত্যদ্রোহী। [সুরা আহক্বাফ-২০]
•আমি তাদের দিয়েছিলাম, কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয়; কিন্তু তাদের কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় তাদের কোন কাজে আসল না। কেননা তারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করত এবং তাদেরকে সেই শাস্তি গ্রাস করে নিল, যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রুপ করত। [সুরা আহক্বাফ-২৬]
•তোমরা আল্লাহর দিকে আহবানকারীর কথা মান্য কর এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। তিনি তোমাদের গোনাহ মার্জনা করবেন এবং যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করবেন। [সুরা আহক্বাফ-৩১]
•যারা কুফরী করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে, আল্লাহ তাদের সকল কর্ম ব্যর্থ করে দেন। [সুরা মুহাম্মাদ-১]
•যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়, আল্লাহ কখনই তাদের কর্ম বিনষ্ট করবেন না। [সুরা মুহাম্মাদ-৪]
•আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক এবং কাফেরদের কোন অভিভাবক নাই। [সুরা মুহাম্মাদ-১১]
•পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর, যার স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল-মূল ও আছে তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি, অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে? [সুরা মুহাম্মাদ-১৫]
•যারা সৎপথ অবলম্বন করে আল্লাহ তাদের সৎপথে চলার শক্তি বৃদ্ধি করেন, এবং তাদেরকে মুত্তাকী হওয়ার শক্তি দান করেন। [সুরা মুহাম্মাদ-১৭]
•যখন কোন দ্ব্যর্থহীন সূরা নাযিল হয় এবং তাতে জেহাদের উল্লেখ করা হয়, তখন যাদের অন্তরে রোগ আছে, আপনি তাদেরকে মৃত্যুভয়ে মূর্ছাপ্রাপ্ত মানুষের মত আপনার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখবেন। সুতরাং ধ্বংস তাদের জন্যে। [সুরা মুহাম্মাদ-২০]
•তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ? [সুরা মুহাম্মাদ-২৪]
•হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না। [সুরা মুহাম্মাদ-৩৩]
•অতএব, তোমরা হীনবল হয়ো না এবং সন্ধির প্রস্তাব করো না, তোমরাই হবে প্রবল। আল্লাহই তোমাদের সাথে আছেন। তিনি কখনও তোমাদের কর্মফল হ্রাস করবেন না। [সুরা মুহাম্মাদ-৩৫]
•তোমরাই তো তারা, যাদেরকে আল্লাহর পথে ব্যয় করার আহবান জানানো হচ্ছে, অতঃপর তোমাদের কেউ কেউ কৃপণতা করছে। যারা কৃপণতা করছে, তারা নিজেদের প্রতিই কৃপণতা করছে। আল্লাহ অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্থ। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের পরিবর্তে অন্য জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, এরপর তারা তোমাদের মত হবে না। [সুরা মুহাম্মাদ-৩৮]
•তিনিই মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেন, যাতে তাদের ঈমানের সাথে আরও ঈমান বেড়ে যায়। [সুরা ফাতাহ-৪]
•আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি স্বাক্ষী রূপে, সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শনকারীরূপে। [সুরা ফাতাহ-৮]
•নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান। [সুরা ফাতাহ-১৪]
•মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও। [সুরা হুজুরাত-৬]
•যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ইনসাফ করবে। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে পছন্দ করেন। [সুরা হুজুরাত-৯]
•মুমিনরা তো পরস্পর ভাই-ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে, যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও। [সুরা হুজুরাত-১০]
•তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ ঈমান আনার পর তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ করা থেকে তওবা না করে তারাই যালেম। [সুরা হুজুরাত-১১]
•মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং কারও গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের মাংস খাওয়া পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরাতো একে ঘৃণাই মনে কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। [সুরা হুজুরাত-১২]
•নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক মর্যাদাসম্পন্ন, যে সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন। [সুরা হুজুরাত-১৩]
•তারাই মুমিন, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে জীবন ও ধন-সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ। [সুরা হুজুরাত-১৫]
•আমি মানুষ সৃষ্টি করেছি এবং তার মন নিভৃতে তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয়, সে সম্বন্ধেও আমি অবগত আছি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী থেকেও অধিক নিকটবর্তী। [সুরা ক্বাফ-১৬]
•দুই ফেরেশতা ডানে ও বামে বসে তার আমল লিপিবদ্ধ করে। সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তাই গ্রহণ করার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে। [সুরা ক্বাফ-১৭-১৮]
•যে আমার শাস্তিকে ভয় করে, তাকে কোরআনের সাহায্যে উপদেশ দান করুন। [সুরা ক্বাফ-৪৫]
•সেদিন আল্লাহভীরুরা প্রস্রবণ বিশিষ্ট জান্নাতে থাকবে। এমতাবস্থায় যে, তারা গ্রহণ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদেরকে দেবেন। কারন পার্থিব জীবনে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ; তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত, রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত, এবং তাদের ধন-সম্পদে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক ছিল। [সুরা যারিয়া’ত-১৫-১৯]
হে আল্লাহ! আমাদেরকে কূর'আনের আলোয় আলোকিত করুন। আল্লাহুমা আমিন।
১৯তম #রমাদানের_তারাবীহ
আজ ২৯ মার্চ ২০২৪, আজ শুক্রবার, এশার নামাজের পর ১৯তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ২২তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।
২২তম পারা (সুরা আহযাবের ৩১নং আয়াত থেকে সুরা ইয়া-সীনের ২১নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-
•তোমাদের মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে এবং সৎকর্ম করবে, আমি তাকে দুবার পুরস্কার দেব; এবং তার জন্য আমি সম্মানজনক রিযিক প্রস্তুত রেখেছি। [ সুরা আহযাব-৩১ ]
•নিশ্চয় মুসলমান পুরুষ, মুসলমান নারী, ঈমানদার পুরুষ, ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ, ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী, দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী, রোযা পালনকারী পুরুষ, রোযা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী পুরুষ, , যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী-তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার। [ সুরা আহযাব-৩৫ ]
•আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে না। কেহ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করলে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়। [ সুরা আহযাব-৩৬ ]
•মুহাম্মদ তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং সর্বশেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে সর্বজ্ঞাত। [ সুরা আহযাব-৪০ ]
•মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর। [ সুরা আহযাব-৪১ ]
•তিনিই তোমাদের প্রতি রহমত করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন-অন্ধকার থেকে তোমাদেরকে আলোয় নিয়ে আসার জন্য। তিনি মুমিনদের প্রতি পরম দয়ালু। [ সুরা আহযাব-৪৩ ]
•আপনি কাফের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের উৎপীড়ন উপেক্ষা করুন ও আল্লাহর উপর ভরসা করুন। আল্লাহ কার্যনিবার্হীরূপে যথেষ্ট। [ সুরা আহযাব-৪৮ ]
•আল্লাহ তাঁর নবীর প্রতি রহমত করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও তাঁর নবীর জন্য রহমতের দোয়া করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও। [ সুরা আহযাব-৫৬ ]
•যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিসম্পাত করেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি। [ সুরা আহযাব-৫৭ ]
•হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। [ সুরা আহযাব-৫৯ ]
•লোকেরা আপনাকে কেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহর কাছেই। আপনি কি করে জানবেন যে সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটেই। [ সুরা আহযাব-৬৩ ]
•তারা বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা আমাদের নেতা ও বড়দের কথা মেনেছিলাম, অতঃপর তারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল।
হে আমাদের পালনকর্তা! তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তি দিন এবং তাদেরকে মহা অভিসম্পাত করুন। [ সুরা আহযাব-৬৭,৬৮ ]
•কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ; সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে। [ সুরা সা’বা-৩ ]
•যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়, তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি। [ সুরা সা’বা-৫ ]
•যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল ঘুণ পোকাই, যা সোলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। যখন সোলায়মান মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে, জিনদের যদি অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান থাকতো, তাহলে তারা এই লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতো না। [ সুরা সা’বা-১৪ ]
•যেদিন তিনি তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন এবং ফেরেশতাদেরকে বলবেন, এরা কি তোমাদেরই পূজা করত? [ সুরা সা’বা-৪০ ]
•ফেরেশতারা বলবে, আপনি পবিত্র; আমরা আপনার পক্ষে, তাদের পক্ষে নই, বরং তারা জিনদের পূজা করত। তাদের অধিকাংশই শয়তানে বিশ্বাসী। [ সুরা সা’বা-৪১ ]
•অতএব আজকের দিনে তোমরা একে অপরের কোন উপকার ও অপকার করার অধিকারী হবে না। আর আমি জালেমদেরকে বলব, তোমরা আগুনের যে শাস্তিকে মিথ্যা বলতে তা আস্বাদন কর। [ সুরা সা’বা-৪২ ]
•বলুন, আমি তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না বরং তা তোমরাই রাখ। আমার পুরস্কার তো আল্লাহর কাছে রয়েছে। তিনি প্রত্যেক বস্তুরই দ্রষ্টা। [ সুরা সা’বা-৪৭ ]
•সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা এবং ফেরেশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহ; তারা দুই-দুই, তিন-তিন ও চার-চার পাখাবিশিষ্ট। তিনি তার সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা যোগ করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। [ সুরা ফাতির-১ ]
•হে মানুষ, নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে প্রতারণা না করে। এবং সেই প্রবঞ্চক যেন কিছুতেই তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রবঞ্চিত না করে। [ সুরা ফাতির-৫ ]
•তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকটি আবর্তন করে এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত। ইনি আল্লাহ; তোমাদের পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তাঁরই। তাঁর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটিরও অধিকারী নয়। [ সুরা ফাতির-১৩ ]
•যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, নামায কায়েম করে, এবং আমি যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারাই আশা করতে পারে এমন ব্যবসার যাতে কখনও লোকসান হবে না। [ সুরা ফাতির-২৯ ]
•আপনি আল্লাহর বিধানে কোন পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর রীতি-নীতিতে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না। [ সুরা ফাতির-৪৩ ]
•যদি আল্লাহ মানুষকে তাদের কৃতকর্মের কারণে পাকড়াও করতেন, তবে ভুপৃষ্ঠে চলমান কাউকে ছেড়ে দিতেন না। কিন্তু তিনি এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দেন। অতঃপর যখন সে নির্দিষ্ট মেয়াদ এসে যাবে তখন আল্লাহ হবেন তাঁর বান্দাদের সম্যক দ্রষ্টা। [ সুরা ফাতির-৪৫ ]
•আমিই মৃতদেরকে জীবিত করি এবং তাদের কর্ম ও কীর্তিসমূহ লিপিবদ্ধ করি। আমি প্রত্যেক বস্তু স্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষিত রেখেছি। [ সুরা ইয়া-সীন-১২ ]
•হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা রসূলগণের অনুসরণ কর। অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত। [ সুরা ইয়া-সীন-২০,২১ ]
হে আল্লাহ! আমাদেরকে এই রমাদানকে জান্নাতের উপলক্ষ্য করে দিন। আল্লাহুম্মা আমিন।
🌙 #রমাদানটিপস
১৬তম #রমাদানের_তারাবীহ
আজ ২৬ মার্চ ২০২৪, আজ মঙ্গলবার,
এশার নামাজের পর ১৬তম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ১৯তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।
১৯তম পারা (সুরা ফুরকানের ২১নং আয়াত থেকে সুরা নাম’লের ৫৯নং আয়াত পর্যন্ত) থেকে সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-
•আপনি কাফেরদের আনুগত্য করবেন না এবং কোরআনের সাহায্যে তাদের সাথে কঠোর সংগ্রাম চালিয়ে যান। [ সুরা ফুরকান-৫২ ]
•তিনিই সমান্তরালে দুই সমুদ্র প্রবাহিত করেছেন- একটি মিষ্ট, তৃষ্ণা নিবারক ও অপরটি লোনা, বিস্বাদ; উভয়ের মাঝখানে রেখেছেন একটি অন্তরায়, একটি দুর্ভেদ্য আড়াল। [ সুরা ফুরকান-৫৩ ]
•তিনিই পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন মানুষকে, অতঃপর তাকে রক্তগত, বংশ ও বৈবাহিক সম্পর্কশীল করেছেন। তোমার পালনকর্তা সবকিছু করতে সক্ষম। [ সুরা ফুরকান-৫৪ ]
•আমি আপনাকে সুসংবাদ ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করেছি। [ সুরা ফুরকান-৫৬ ]
•আপনি সেই চিরঞ্জীবের উপর ভরসা করুন, যার মৃত্যু নেই এবং তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করুন। তিনি বান্দার গোনাহ সম্পর্কে যথেষ্ট অবহিত। [ সুরা ফুরকান-৫৮ ]
•তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের অন্তর্বর্তী সবকিছু ছয়দিনে সৃস্টি করেছেন; অতঃপর আরশে সমুন্নত হয়েছেন। তিনি পরম দয়াময়। তাঁর সম্পর্কে যিনি অবগত, তাকে জিজ্ঞেস করে দেখ। [ সুরা ফুরকান-৫৯ ]
•'রাহমান' এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম। [ সুরা ফুরকান-৬৩ ]
•এবং যারা রাত্রি যাপন করে পালনকর্তার উদ্দেশ্যে সেজদাবনত হয়ে ও দন্ডায়মান হয়ে; [ সুরা ফুরকান-৬৪ ]
•এবং যারা বলে, হে আমার পালনকর্তা, আমাদের কাছ থেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ; [ সুরা ফুরকান-৬৫ ]
•এবং তারা যখন ব্যয় করে, তখন অযথা ব্যয় করে না, আবার কৃপণতাও করে না এবং তাদের পন্থা হয় এতদুভয়ের মধ্যবর্তী। [ সুরা ফুরকান-৬৭ ]
•যারা তওবা করে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গোনাহকে পুন্য দ্বারা পরিবর্তত করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [ সুরা ফুরকান-৭০ ]
•বলুন, আমার পালনকর্তা পরওয়া করেন না যদি তোমরা তাঁকে না ডাক। তোমরা অস্বীকার করেছ, অতএব সত্বর নেমে আসবে অনিবার্য শাস্তি। [ সুরা ফুরকান-৭৭ ]
•আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।
যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?
তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।
ইব্রাহীম বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?
অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?
তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারাও এরূপই করত।
ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূঁজা করে আসছ।
তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?
তারা সবাই আমার শত্রু, বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত। [ সুরা শু’য়ারা- ৬৯-৭৭ ]
•যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,
তিনিই আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,
যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।
তিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর তিনিই পুনঃর্জীবন দান করবেন।
আমি আশা করি তিনিই শেষ বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।
হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর,
এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।
এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।
[ সুরা শু’য়ারা- ৭৮-৮৫ ]
•এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,
যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;
কিন্তু সে ব্যতীত, যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।
জান্নাতকে আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।
এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।
তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।
আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?
অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে। [ সুরা শু’য়ারা- ৮৭-৯৪ ]
•যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের দৃষ্টিতে তাদের কর্মকান্ডকে সুশোভিত করে দিয়েছি। অতএব, তারা উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়। [ সুরা নাম’ল -৪ ]
•হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমাকে সামর্থ দাও যাতে আমি তোমার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করেছ; এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকর্ম করতে পারি; এবং আমাকে নিজ অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মপরায়ন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর। [ সুরা নাম’ল -১৯ ]
•এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, না অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং যে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে জানুক যে, আমার পালনকর্তা অভাবমুক্ত মহানুভব। [ সুরা নাম’ল -৪০ ]
•তারা এক চক্রান্ত করেছিল এবং আমিও এক কৌশল করলাম। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি। [ সুরা নাম’ল -৫০ ]
হে আল্লাহ! আমাদেরকে কূর'আনের আলোয় আলোকিত করুন। আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the restaurant
Telephone
Website
Address
1216