Sick To Strong
21/09/2024
📍 Dr. Asif Nazrul | 26 September 2019
৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ!
বিপুল পরিমাণে ইলিশ ভারতে রপ্তানী করে তাদের কেন খুশী করা হচ্ছে?
সীমান্তে বাংলাদেশের মানুষ মেরে ফেলার জন্য?
অভিন্ন নদীর পানি থেকে আমাদের বঞ্চিত করার জন্য?
বাণিজ্য ভারসাম্য না রাখার জন্য?
কথায় কথায় বাংলাদেশ সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য?
📍 Bangladesh 2.0 | September 21, 2024
দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
©Short stories
20/09/2024
এমন ছাত্র সমাজ নিপাত যাক
20/09/2024
শিশুদের 'স্ক্রিন টাইম' নিয়ে মা-বাবাদের প্রচুর বেগ পেতে হয়। ইউকেতে NHS থেকে এ বিষয়ে বিশেষ দিক নির্দেশনা দেয়া রয়েছে যে কোন বয়সের শিশুরা কতটুকু স্ক্রিন টাইম পেতে পারে (NHS আবার সেটা জানিয়েছে WHO এর সাজেশন অনুসরণ করে)। এত কিছুর পরও যখন বাচ্চারা ৪ বছর পেরিয়ে যায় তখন স্ক্রিনের প্রতি তাদের একটা অবসেশন তৈরি হতে শুরু করে (বাংলাদেশে এই অবসেশনটা আমি আরো ছোট বেলা থেকে তৈরি হতে দেখেছি)। এ ক্ষেত্রে অনেক সময়ই অভিভাবকরা অসহায় বোধ করেন।
যারা নতুন মা-বাবা হয়েছেন অথবা যারা ইতোমধ্যে বাচ্চার স্ক্রিন টাইম নিয়ে চিন্তিত, তাদের জন্যে একটা সাজেশন শেয়ার করছি এই পোস্টে।
আমার ছেলেও ৫ বছর পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা স্ক্রিন দেখার সুযোগ পেতো। মাঝে মাঝে সেটা দুই ঘণ্টা বা তার কিছুটা বেশিও হতো, তবে আমরা সেটাকে এক ঘন্টায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করলে নিয়মিত সফল হতাম। কিন্তু বয়স ৫ পেরিয়ে যাবার পরে সেটা কঠিন হয়ে উঠতে শুরু করে। আমরা তাকে দিনে দুই ঘণ্টা স্ক্রিন টাইম দেই এখন।
তবে দুই ঘণ্টা স্ক্রিন টাইম দিলেও সময়টাকে যেন কার্যকর ভাবে সে ব্যবহার করতে পারে, সেজন্যে কিছু EdTech প্লাটফর্মের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দেয়ই আমরা। এই পোস্টে আমার দেখা তিনটা চমৎকার EdTech সাইটের কথা তুলে ধরবো। সব গুলো ফ্রি। সাবস্ক্রিপশন নেই। এ্যাডও নেই। EdTech নিয়ে কাজ করছে, এরকম ভালো গবেষকরা এই সাইট/প্লাটফর্ম গুলো তৈরি করেছেন।
এই সাইটগুলোর মধ্যে বিবিসির বাইটসাইজ অন্যতম (প্রথম কমেন্টে লিঙ্ক দেয়া রয়েছে)। বিবিসির এই EdTech প্লাটফর্মটা স্কুলের পড়ালেখা খুবই চমৎকার ভাবে বাচ্চাদের শিখতে সাহায্য করে। বাচ্চারাও এই সাইটটা বেশ পছন্দ করে।
আরেকটা সাইট হলো MIT এর স্ক্র্যাচ (যথারীতি প্রথম কমেন্টে লিঙ্ক দেয়া রয়েছে)। ছোট বেলা থেকে প্রোগ্রামিং এর প্রতি বাচ্চাদের আগ্রহ তৈরি করতে স্ক্র্যাচ (ওয়েবসাইট) এবং স্ক্র্যাচ জুনিয়ার (এ্যাপ) খুবই কার্যকরী একটা প্রোজেস্ট। MIT এর গবেষকটা এরা নিয়ে প্রচুর কাজ করেছে। তাদের সে কাজের সফলতা আমি আমার নিজের ছেলের মাঝেই দেখি প্রায়ই। সে স্ক্র্যাচ জুনিয়ার দিয়ে নিজে নিজেই চমৎকার 'প্রোগ্রামি' করে। বলতেও হয় না। নিজের আগ্রহে, নিজেই বসে পড়ে স্ক্র্যাচ জুনিয়ার নিয়ে।
আরেকটা সাইট হচ্ছে খান এ্যাকাডেমি কিডস। এটা এ্যাপ ভিত্তিক। বেশ ভালো এবং যথেষ্ট যত্ন করে তৈরি করা। প্রথম কমেন্টে লিঙ্ক দিয়েছি।
এই প্লাটফর্মগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্যে একটা বিষয় আবারো বিশেষ ভাবে উল্লেখ করবো। এই EdTech প্লাটফর্ম গুলো সীমিত স্ক্রিন টাইমকে কার্যকর করার উপকরণ মাত্র। এদের ব্যবহার যেন আবার স্ক্রিন টাইমকে অসীমে পরিণত না করে, সেদিকে বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। তা না হলে এই সাইটগুলোর ব্যবহারও হিতে বিপরীত হতে পারে।
সংযুক্ত ছবি প্রসঙ্গে: আমার স্টাডিতে ফারামিরের অজান্তে ছবিটা তোলা। এখানে সে ইউটিউব ফর কিডস দেখছিল। তবে ৫ মিনিটের মধ্যেই সে নিজে থেকে বিবিসির বাইটসাইজে সুইচ করে। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে বাচ্চাদের মধ্যে আগ্রহটা তৈরি করতে পারলে গাইড করাটা তুলনামূলক ভাবে সহজ হয়ে আসে।
©Niaz Chowdhury
19/09/2024
আর কোনদিন দেখা হবে না, আর বলাও হবে না বন্ধু কেমন আছো!
খুব একটা দেখা হতো না তোফাজ্জেলের সাথে, সৈয়দ ফজলুল হক ডিগ্রী কলেজে এইচ.এস.সি একসাথে পড়াশোনা করি। এইচ.এস.সি শেষ হওয়ার পর আমরা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ভর্তি হই।
ওর বাবা আবদুর রহমান মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় মারা গেলেন! বড়ভাই নাসির পুলিশ ইন্সপেক্টর দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন! মা দীর্ঘ রোগভোগের পর মারা গেছেন! বাকি ছিলে তুমি! বুকে এতটা পাথরচাপা কস্টনিয়ে তোর মস্তিষ্কে কাজ করার কথা নয়; এটিই তো স্বাভাবিক!!
হয়তো স্রস্টা চায়নি তোর এমনি করে বেঁচে থাকা!! কারন তুই-ই ছিলি পরিবারের শেষ এবং একমাত্র বেঁচে থাকা সদস্য!! এই নৃসংশতার অবসান হোক। এমন মৃত্যু কাম্য ছিল না।
তোর আত্মা শান্তি পাক।প্রার্থনা এমূহুর্তে এতটুকুই।
(বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলাধিন তালুকের চরদুয়ানী এলাকায় ওর বাড়ি। চরদুয়ানী বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন ওর বাবা। শৈশবটা বাজারেই কেটেছে ওর। গতকাল রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ওকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।)
তোফাজ্জলের বন্ধু পলাশ বৈরাগীর স্ট্যাটাস।
19/09/2024
19/09/2024
পি'টি'য়ে হ*ত্যা'র আগে তোফাজ্জলকে ভাত খেতে দিয়েছিল ঢাবি শিক্ষার্থীরা!! 'আগে মানুষ হয়ে দেখান!'
18/09/2024
সিজারের পর মায়ের বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য কিছু কার্যকর খাবার হতে পারে:
✅গাজর: গাজরে বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন এ থাকে, যা বুকের দুধের উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
✅সালমা মিশরি: এটি একটি আয়ুর্বেদিক উপাদান, যা বুকের দুধের পরিমাণ বাড়াতে সহায়তা করে।
✅জিরা: জিরাতে আয়রন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা দুধের উৎপাদনকে উত্সাহিত করতে পারে।
✅খেজুর ও বাদাম: খেজুর, কাজু, বাদাম, এবং আখরোট বুকের দুধের পুষ্টিগুণ বাড়াতে সাহায্য করে।
✅তিলের বীজ: তিলের বীজ ক্যালসিয়ামের সমৃদ্ধ উৎস, যা দুধের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
✅সবজি স্যুপ: মিক্সড ভেজিটেবল স্যুপ বিশেষত লাউ, মেথি, এবং শাকের স্যুপ বুকের দুধের উৎপাদন বাড়াতে পারে।
✅ফেনেল বীজ (মৌরি): এটি দুধ উৎপাদন বাড়াতে এবং হজম শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।
✅লেবু ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল: লেবু, কমলা, আনারসের মতো ফল বুকের দুধের মান এবং পরিমাণ উভয়েই উন্নত করতে পারে।
✅হলুদ: অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণাবলীসহ হলুদ দুধ উৎপাদনে সহায়ক হতে পারে।
✅তরমুজ ও অন্যান্য জলের ফল: তরমুজ, শসার মতো জলের ফল হাইড্রেশনে সাহায্য করে, যা দুধের উৎপাদন বজায় রাখতে সহায়ক।
এই খাবারগুলো নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে তা বুকের দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে।
©sick_to_strong
18/09/2024
জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারকে সাহায্য করতে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ গঠিত হয়েছে। সরকার থেকে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে।
এছাড়া আহত ও শহীদদের জন্য গঠিত এ ফান্ডে অনুদান দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শহীদ মীর মাহফুজুর রহমানের (মুগ্ধ) ভাই মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ)।
17/09/2024
সিজারিয়ান সেকশনের (C-section) পর মায়ের শারীরিক ও মানসিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি বড় সার্জারি। মায়ের সঠিক পুনরুদ্ধার এবং সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য কিছু বিশেষ যত্নের বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দিতে হয়। নিচে সিজারের পর মায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এবং সঠিক যত্নের পদ্ধতি তুলে ধরা হলো:👇
✅ বিশ্রাম: ৬-৮ সপ্তাহ ভারী কাজ এড়িয়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম।
✅পুষ্টিকর খাবার: প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান।
✅ব্যথা নিয়ন্ত্রণ: চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যথানাশক এবং গরম সেঁক।
✅ সেলাইয়ের যত্ন: সেলাই পরিষ্কার ও শুকনো রাখা এবং সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ।
✅হালকা ব্যায়াম: হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম, তবে চিকিৎসকের অনুমতি নিয়ে।
✅ মানসিক যত্ন: মানসিক সমর্থন ও প্রয়োজনে কাউন্সেলিং।
✅ বুকের দুধ খাওয়ানো: সঠিক পজিশনে দুধ খাওয়ানো এবং ল্যাকটেশন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।
✅ স্বাস্থ্য পরীক্ষা: নিয়মিত চিকিৎসকের ফলো-আপ ও কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে পরামর্শ নেওয়া।
©sick_to_strong
Bangali ra খুশি হলে খায়।
দুঃখ পেলে খায়।
বিয়েতে খায়।
বোর হলে খায়।
ঘুম আসলে খায়।
ঘুম ভাঙলে খায়।
জন্মদিনে খায়।
কেউ মারা গেলেও খায়।
এতো ভোজন রসিক জাতি পৃথিবীতে আরেকটি নেই।
..................
এ সম্পর্কে আমার বন্ধু ফাহাদ একটা মোটিভেশনাল কথা বলেছে - "বাঙালি খেয়েও বাঁচবে ৭০ বছর, না খেয়েও বাঁচবে ৭০ বছর। তাই খেয়ে মরা ভালো।"
তবে ডাক্তার হিসেবে আমি মনে করি বয়স ৪০ হলে আপনাদের খাওয়া কমানো দরকার।
কমপক্ষে ৪০ এর পর চিনি জাতীয় জিনিস একদম কমিয়ে ফেলা ভালো।
.....................
দীর্ঘদিন বাঁচার চেয়েও হাত-পায়ে মনে শক্তি নিয়ে বাঁচাটা জরুরি।
খাওয়া-দাওয়া বুঝে করলে শারীরিক আর মানসিক রোগের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়।
আপনি ৯০-১০০ বছর বাঁচতে পারবেন।
বুড়ো হবেন না।
....................
Being fit at 20 is good, but being fit at 45 is a social status.
তাই আমার বন্ধু ফাহাদের কথা শুনবেন না।
ফাহাদ একটা দুষ্টু ছেলে।
..........…....
Jai hok, ক্ষুদা লেগে গেল, একটা কিছু খেয়ে আসি।
©Dr. Kaushal
Click here to claim your Sponsored Listing.