Ajgor Hossain
27/03/2026
মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন কত তারিখ, এটা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মেজর জিয়া আসলে কখনই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেনই বা কেন? তিনি কি ৭১-এ রাজনীতিবিদ ছিলেন? কোনো সেনা কর্মকর্তা যদি স্বাধীনতার ডাক দিতেন, তবে সেটা হতো সামরিক ক্যু।
আমাকে একটু বলেন, জিয়াউর রহমান কী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন? আর তিনি ডাক দিলেই বা বাংলাদেশের লোক ঝাঁপিয়ে পড়বে কেন? স্বাধীনতার পরিবেশ কি হঠাৎ করে ২৫ মার্চ শুরু হয়েছিল? ধরে নিলাম ২৬ তারিখ ঘোষণা দিয়েছিলেন মেজর জিয়া। ২৫ মার্চ নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কী কারণে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল?
বঙ্গবন্ধু নির্বাচনে জিতেছেন। বাঙালির অধিকারের পক্ষে কথা বলার জন্য তিনি ১২ বছরের বেশি জেল খেটেছেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চে দেশ স্বাধীন করার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। লাখ লাখ লোক বঙ্গবন্ধুর এক কথায় জীবন দিতে প্রস্তুত ছিল এবং যেকোনো সময় আন্দোলন-সমাবেশে ডাক দিলে ঝাঁপিয়ে পড়ত। বাংলাদেশের জনগণ বঙ্গবন্ধুকে জেল থেকে একপ্রকার ছিনিয়ে এনেছে। আর হঠাৎ করে কে এসে স্বাধীনতার ঘোষণা দিল আর দেশটা স্বাধীন হয়ে গেল! এটা অনেক বড় কৌতুক।
আমি অবাক হই- তিল তিল করে স্বাধীনতার পটভূমি তৈরী করা নাকি একটা ঘোষণা পত্রের মধ্যে আটকে আছে।
মেজর জিয়া শুধু বঙ্গবন্ধুর কথা পাঠ করেছেন। এভাবে পাঠ করলে যদি ঘোষক হওয়া যায়, তবে সব মুক্তিযোদ্ধারাই ঘোষক। মুক্তিযোদ্ধারা সবাই দেশ স্বাধীন করার ঘোষণা দিয়েই যুদ্ধে নেমেছেন। এম এ হান্নানও ঘোষক। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, এই দেশের স্বাধীনতার মহানায়ককে যদি কেউ অস্বীকার করে, তবে সহজভাবে বুঝতে হবে তারা স্বাধীনতা নিয়ে খুশি নয়। আওয়ামী লীগ দলকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং মানুষকে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে বঙ্গবন্ধু সারা বাংলাদেশ চষে বেড়িয়েছেন। তিনি মাইলের পর মাইল সাইকেল চালিয়ে জনগণের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
এ দেশের মানুষ ও মাটির প্রতিটি ইঞ্চি বঙ্গবন্ধুর কাছে ঋণী। এই ঋণ যেভাবে শোধ করা হয়েছে, তা মানব ইতিহাসের জন্যই একটি কলঙ্ক। এজন্যই আমি সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি রাজাকারদের, বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মিথ্যাচারকারীদের এবং বাংলাদেশবিরোধীদের।
পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র জাতি হচ্ছে বাঙালি, যাদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের স্বাধীনতা নিয়ে খুশি নয়। তাও আবার পাকিস্তানের মতো একটি অসভ্য দেশের ভাঙন তাদের হৃদয়ে ব্যথার পাহাড় তৈরি করেছে।
© collected
22/01/2026
স্কুলের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে বাবা দেখলেন—
ছোট্ট মেয়েটা দৌড়ে ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে।
ছোট পা দুটো ছুটছে, কিন্তু চোখভরা অজস্র স্বপ্ন।
সেই মুহূর্তে বাবার বুকের ভেতরটা হঠাৎ ভারী হয়ে উঠল।
মনে হলো—
এই দৌড়টা যেন কোনোদিন থেমে না যায়,
এই হাসিটা যেন টাকার অভাবে ম্লান না হয়।
কারণ জীবনে সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না,
কিন্তু সন্তানের পড়াশোনার ভবিষ্যৎটা আগেভাগেই সুরক্ষিত করা যায়।
👉 MetLife শিক্ষা বীমা আপনাকে সেই নিশ্চয়তা দেয়—
✔️ আজ কিছু সঞ্চয়, কাল সন্তানের নিশ্চিত শিক্ষা
✔️ অভিভাবক না থাকলেও সন্তানের পড়াশোনা থেমে যাবে না
✔️ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়—সব ধাপের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা
✔️ দায়িত্বের পাশাপাশি মানসিক শান্তি
আপনি তো একজন বাবা/মা—
বলুন তো,
ওর স্বপ্নগুলোকে কি ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেবেন?
নাকি আজই সুরক্ষিত করবেন?
📩 বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন
আজকের সিদ্ধান্তই আপনার সন্তানের আগামীকাল।
© Ajgor Hossain Likson
#শিক্ষাবীমা
20/12/2025
একটা ক্রিকেট টেপ টেনিস বলের দাম ছিল ২০ টাকা, ওসাকা টেপের দাম ১৫ টাকা। আমরা ১০-১২ জন মিলেও সেই ৩৫ টাকা জোগাড় করতে পারতাম না। কোনো না কোনো বড় ভাইয়ের শরণাপন্ন হওয়া লাগতো। সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে বড় দুর্যোগ বলতে, আমরা তখন বল হারানোকেই বুঝতাম। সারাদিনে যে কতবার ঘড়ির দিকে তাকাতাম, কখন আম্মা একটু ঘুমিয়ে পড়বে, আব্বু বাজারের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাবে, কখন ২:৩০-৩:০০ টা বাজবে, কখন খেলতে যাবো।
লুকিয়ে লুকিয়ে ব্যাট টা নিয়ে কীভাবে যে মাঠে যাবো!
এখন চাইলেই সময় ম্যানেজ করা সম্ভব। চাইলে দোকানের সব বল আর টেপ- ই হয়তো কিনে ফেলা সম্ভব। কিন্তু সেই সময়ের সবাইকে এই জীবনে আবার একজায়গায় জড়ো করা হয়তো আর সম্ভব না। আরিফ ভাই, সুজন ভাই, আব্বাস কাকা, শাওন কাকা, জুয়েল, রকি, রাকিব ভাই, রাফুল, মাহি, সিফাত, মেহরাজ, রুবেল, আজাদ সবাই নিজেদের মতো ব্যস্ত। সেই আজমির ভাইয়ের দোকান টা আছে, কিন্তু আজমির ভাই দোকানে নেই। খেলা শেষে বুটমুরির সেই আড্ডা টা-ও আজ নেই।
জুয়েল - আজাদ রা যে যার জীবন নিয়ে ব্যস্ত। কোদাল নিয়ে এসে একা একা পুরো মাঠ ঠিক করে না এখন আর কেউ। এখনো বিকাল হয়। এখনো ৩:০০ টা বাজে, এখনো মসজিদে আসরের আজান হয়। সেই সোনালী বিকাল আর আসে না। অস্তগামী সূর্য মনে করিয়ে দেয় সময় কিভাবে হারিয়ে যায় 🥹
#ক্রিকেট #ইমোশনাল
28/10/2025
💐
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka