Saif Saiful
25/03/2026
নবীন পাঞ্জাবির মালিক আজকে বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়ে চলে গেলেন।
দেশে ওনাকে ব্যবসা করতে দেয়া হয়নি।
ওনার অপরাধ উনি কম দামে মানুষের কাছে জামাকাপড় বিক্রি করতেন।
এজন্য ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এবং পাতি নেতারা মিলে পুলিশ ডেকে ওনাদের মগবাজারের শো-রুম বন্ধ করে দিয়েছে।
তাদের কথা হচ্ছে মার্কেটে ব্যবসা করতে হলে সাড়ে চার হাজার টাকার কমে পাঞ্জাবি ও দেড় হাজার টাকার কমে পাজামা বিক্রি করা যাবে না।
অথচ নবীন পাঞ্জাবি তিনশো টাকায়ও পাঞ্জাবি পাজামা বিক্রি করতো।
দোকান বন্ধ করে দেয়ার পরে উনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন৷
সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন ব্যবসাটা বন্ধ না করতে৷
কিন্তু সিন্ডিকেটের সামনে কেউ কিছু বলে নাই৷ উল্টো ওনাকেই হু'মকিধামকি দেয়া হয়েছে সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও সরিয়ে নেয়ার জন্য।
বেচারা বাধ্য হয়ে ব্যবসা গুটিয়ে দেশ ছেড়ে চলে গেলেন।
সাথে আরো কিছু মানুষকে পথে বসিয়ে গেলেন। কিছু প্রতিবন্ধী, হিজড়া সম্প্রদায় এবং মাদক থেকে ফিরে আসা লোকজনরাও কাজ করতেন তার কোম্পানিতে। এই মানুষগুলোর কর্মসংস্থানও আজ শেষ।
নবীন ভাই একজন প্রবাসী মানুষ। করোনার সময়ে দেশে এসে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। টার্গেট মানুষকে কম দামে মানসম্মত প্রোডাক্ট দেয়া।
কিন্তু সিন্ডিকেট তাকে আবার বিদেশেই পাঠিয়ে দিলো।
নবীন ভাই তো চলেই গেলেন। এখন এই ঘটনার পরে কি অন্য কেউ এই দেশে ভালো কিছু করার চিন্তা করবে?
সরকার এইসব সিন্ডিকেট ভাঙবে কবে!!
02/02/2026
এখানে জেফ্রি এপস্টেইনের ফাইলের নামগুলো দেশ ও পেশা অনুযায়ী গ্রুপিং করে সাজানো হলো, যাতে পড়তে সহজ হয়:
🇺🇸 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)
রাজনীতি ও ব্যবসা:
ডোনাল্ড ট্রাম্প
বিল ক্লিনটন
হিলারি ক্লিনটন
জর্জ ডব্লিউ. বুশ
জন কেরি
টেড কেনেডি
রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র
মাইকেল ব্লুমবার্গ
অ্যান্ড্রু কুমো
ল্যারি সামার্স
লিস উইক্সনার
লিওন ব্ল্যাক
গ্লেন ডুপিন
বিনোদন ও মিডিয়া:
মাইকেল জ্যাকসন
লিওনার্দো দি ক্যাপ্রিও
ক্যামেরন ডিয়াজ
ব্রুস উইলিস
কেভিন স্পেসি
হার্ভে ওয়াইনস্টাইন
উডি অ্যালেন
ক্রিস টাকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি:
ইলন মাস্ক
বিল গেটস
অপরাধ/কানুন:
অ্যালান ডারশোভিটজ
জেফ্রি এপস্টেইন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য (UK)
প্রিন্স অ্যান্ড্রু
মিক জ্যাগার
টনি ব্লেয়ার
গিসলিন ম্যাক্সওয়েল
ফিল কলিন্স
পিটার ম্যান্ডেলসন
লিন রটশিল্ড
মিনি ড্রাইভার
🇸🇦 সৌদি আরব
মোহাম্মদ বিন সালমান
🇮🇪ভারত
মোদী
🇶🇦 কাতার
হামাদ বিন জাসিম
🇦🇪 সংযুক্ত আরব আমিরাত
আবদুল্লাহ বিন জায়েদ
🇱🇧 লেবানন
সাদ হারিরি
🇪🇬 মিশর
আহমেদ আবু আল-গৈত
🇲🇦 মরক্কো
আল-তাইয়্যেব আল-ফাসি আল-ফাহরি
🇮🇱 ইসরায়েল
এহুদ বারাক
🇧🇭 বাহরাইন
খালিদ বিন আহমেদ আল খলিফা
🇵🇰 পাকিস্তান
মখদূম শাহ মহমুদ
🇫🇷 ফ্রান্স
জঁ লুক ব্রুনেল
🇪🇸 স্পেন
মিগেল আঞ্চেল মুরাতিনোস
🇨🇦 কানাডা
পিটার ডালগলিশ
🇳🇬 নাইজেরিয়া
হেনরি ওডিন আগোমোগুবিয়া
🇧🇩বাংলাদেশ
ড.মোহাম্মদ ইউনুস
এখানে সকলের নাম নেই,সকলের ছবিও নেই।
যতগুলো সম্ভব হইছে ততোগুলো একত্র করা হয়েছে।
©️
27/08/2025
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনগাথা, আজ তার মৃত্যুবার্ষিকী
বাংলার আকাশে যে কজন নক্ষত্র অমর হয়ে জ্বলছে, কাজী নজরুল ইসলাম তাদের মধ্যে উজ্জ্বলতম। তিনি শুধু কবি নন, ছিলেন গীতিকার, সুরকার, সংগীতশিল্পী, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক এবং সর্বোপরি মুক্তির চিরকালের কণ্ঠস্বর।
১৮৯৯ সালের ২৪ মে, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বাবা কাজী ফকির আহমেদ ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন, আর মা জাহেদা খাতুন ছিলেন ধর্মভীরু ও স্নেহময়ী নারী। দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া নজরুল ছোটবেলা থেকেই জীবনসংগ্রামের সাথে পরিচিত হন। অল্প বয়সেই পিতৃহারা হয়ে সংসারের দায়িত্ব নিতে হয়।
শৈশবে তিনি স্থানীয় মক্তবে পড়াশোনা করেন এবং পরে লেটো গানে (লোকগীতি দল) যোগ দিয়ে গান, কবিতা ও নাটকের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর কণ্ঠস্বর ও সুরের প্রতিভা লোকজনকে মুগ্ধ করত।
কৈশোরে তিনি কিছুদিন রেলওয়ে স্টেশনে রুটি বিক্রি করেন, আবার মসজিদে মুয়াজ্জিনের কাজও করেছেন। তবুও তাঁর মেধা ও জেদ তাঁকে পড়াশোনার দিকে টেনে নেয়। পরে স্কুলে ভর্তি হন এবং পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন।
প্রথমে তিনি মুসলিম সাহিত্যসমাজের ম্যাগাজিনে ছোট ছোট লেখা প্রকাশ করতে থাকেন।
১৯১৭ সালে, মাত্র ১৮ বছর বয়সে নজরুল ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলছে। তিনি ৪৯তম বেঙ্গল রেজিমেন্টে সৈনিক হিসেবে ভারতে ও বার্মায় দায়িত্ব পালন করেন। যুদ্ধের ফাঁকেই তিনি কবিতা, গান ও গল্প লিখতে শুরু করেন। সেনাজীবনে তাঁর ভেতরের বিপ্লবী মানসিকতা আরও শক্ত হয়।
যুদ্ধ শেষে তিনি কলকাতায় এসে সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন। ১৯২২ সালে প্রকাশিত “বিদ্রোহী” কবিতা তাঁকে রাতারাতি খ্যাতি এনে দেয়। এতে বিদ্রোহ, স্বাধীনতা, মানবতা, প্রেম এবং সাম্যের ডাক ছিল। মানুষ তাঁকে নাম দেয় “বিদ্রোহী কবি”।
নজরুলের লেখা শুধু বিদ্রোহের ডাক নয়, প্রেম, সৌন্দর্য ও মানবতার গানও বটে। তিনি লিখেছেন ইসলামী সংগীত, শ্যামা সঙ্গীত, ভক্তিগীতি, লোকগান, পল্লীগীতি—সব কিছুর মধ্যে তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী।
অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, দোলনচাঁপা, ফণিমনসা, সাম্যবাদী ইত্যাদি।
গল্প ও উপন্যাস: বাঁধনহারা, শিউলি মালা, ব্যথার দান ইত্যাদি।
৪,০০০ এরও বেশি নজরুলগীতি রচনা করেছেন।
তিনি শুধু কবি ছিলেন না, ছিলেন স্বাধিকার ও স্বাধীনতার কণ্ঠস্বর। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন। তাঁর পত্রিকা “ধূমকেতু” সরকার বাজেয়াপ্ত করে। ১৯২৩ সালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়। জেলে বসেও তিনি লিখেছেন অমর কবিতা “রাজবন্দীর জবানবন্দী”
১৯২৪ সালে তিনি প্রমীলা দেবীকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই ছেলে বেঁচে ছিলেন (কৃত্তিবাস ও অনিরুদ্ধ), তবে বেশিরভাগ সন্তানই অল্প বয়সে মারা যান।
১৯৪২ সালে নজরুল অজ্ঞাত এক স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হন, যা ধীরে ধীরে তাঁকে বাকশক্তি ও স্মৃতিশক্তিহীন করে তোলে। প্রায় ৩০ বছর তিনি নিস্তব্ধ জীবনে কাটান।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁকে ১৯৭২ সালে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তাঁকে জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়।
মৃত্যু
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
25/08/2025
ইয়েমেনে আগুন, কান্না আর মৃত্যুর মিছিল
ইয়েমেনের আকাশে আবারও আগুন ঝরছে। ইজরায়েলের টানা হামলায় একের পর এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে বসতি। ভেঙে পড়া বাড়ির নিচে চাপা পড়ে আছে শিশুদের লাশ, চারদিকে শুধু আর্তনাদ আর ধোঁয়ার গন্ধ।
এই হামলার সূচনা হয়েছিল কয়েকদিন আগে। হুথি যোদ্ধারা প্রথমে একটি ড্রোন পাঠায়, যা ইজরায়েলের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ফাঁকি দিতে সক্ষম হয়। এরপরই ইয়েমেন থেকে ছোড়া হয় ব্যালিস্টিক মিসাইল। ইজরায়েল ভেবেছিল মিসাইলটি মাঝ আকাশে ভেঙে গেছে আর টুকরোগুলো বিভিন্ন স্থানে পড়েছে। কিন্তু তদন্তে জানা যায়—এটা মোটেও সাধারণ মিসাইল ছিল না।
এটি ছিল এক নতুন ধরনের মিসাইল, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ক্লাস্টার মিউনিশন প্রযুক্তি। আকাশ ভেদ করে রি-এন্ট্রির সময় মিসাইলটি ভেঙে যায় একাধিক অংশে, প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
একজন স্থানীয় সাংবাদিক জানান, “আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম একটাই বিস্ফোরণ হয়েছে, কিন্তু দেখি একটার পর একটা আগুনের গোলা আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে। শিশুরা আতঙ্কে কাঁদছে, মায়েরা বুক চাপড়াচ্ছে।”
এই নতুন প্রযুক্তি ইজরায়েলের ভেতর আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি অংশ, প্রতিটি টুকরো কিংবা প্রতিটি ড্রোনকেই ধ্বংস করতে হবে তাদের। আর এভাবে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের স্টক দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রশ্ন উঠেছে—এই প্রযুক্তি ইয়েমেন পেল কোথায়? সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের ছায়া এখানে স্পষ্ট। ইয়েমেনের ভেতরে গোপন ঘাঁটি বা মিসাইল কারখানা ছাড়া এমন প্রযুক্তি তৈরি করা সম্ভব নয়।
কিন্তু প্রযুক্তির এই লড়াইয়ের ভেতরে চাপা পড়ে যাচ্ছে মানুষ।
সানার এক হাসপাতালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়া এক মা বলছিলেন, “আমার ছেলেটা শুধু রুটি আনতে গিয়েছিল, ফিরে এলো সাদা কাপড়ে ঢাকা হয়ে।”
ইয়েমেনের প্রতিটি ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসছে একই প্রশ্ন—এই আগুন কে নেভাবে? এই কান্না কে শুনবে?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Dhaka
3825