Js shema
05/12/2025
কখনোই আপনার স্ত্রীকে বলবেন না তুমি আমার জন্য কি করেছো।কারন আপনার স্ত্রী তার শরীরের সমস্ত সৌন্দর্য বিসর্জন দিয়ে দেয় শুধু মাএ আপনাকে বাবা ডাক শোনানোর জন্য। এর চেয়ে বড়ো স্যাক্রিফাইজ কি করতে পারবেন আপনি আপনার স্ত্রীর জন্য।কোটি টাকা দিয়েও তো এই ঋণ শোধ করতে পারবেন না।
05/12/2025
শীতের রাতে বাচ্চা সামলানো—এটা কেবল কাজ নয়, এটা মায়ের সবচেয়ে নরম আর সবচেয়ে শক্ত হৃদয়ের যুদ্ধ। ❄️🧡
ঠান্ডা বাতাসে সবাই যখন কম্বলের নিচে গভীর ঘুমে, তখনই একটা ছোট্ট কান্না মাকে টেনে তোলে। কাঁপতে কাঁপতে পানি গরম করা, বুকের কাছে জড়িয়ে ঘুম পাড়ানো, সারা রাত জেগে থাকা… এগুলো পৃথিবীর কাছে ছোট কাজ, কিন্তু মায়ের কাছে এগুলোই হলো তার সন্তানের প্রতি ভালবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
মায়ের এই নিঃস্বার্থ ত্যাগটাই শীতের রাতকে উষ্ণ রাখে, আর বাচ্চার মিষ্টি ঘুমটাই মাকে জাগিয়ে রাখে।
সব মায়েদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান—তাদের প্রতিটি রাতের জেগে থাকার ভরসা যেন সুখে ভরে ওঠে। 💛❄️
With Tesco Mo – I just got recognized as one of their top fans!
05/12/2025
আপনার স্ত্রীর ওপর কি আপনি ভীষণ বিরক্ত? সারাক্ষণ চিৎকার-চেঁচামেচি, চেহারায় রাগ, চোখে-মুখে ignorance — স্ত্রীর এই বিষয়গুলো নিশ্চয়ই আপনাকে কষ্ট দেয়, ভাবায়! কিন্তু কথা হলো, বউয়ের মেজাজ আর approach-এর এই পরিবর্তনগুলো নিয়ে আপনার ভাবনাগুলো কি আসলেই ইতিবাচক?
কখনো কি এই পরিবর্তনের কারণগুলো নিয়ে ভাবেন? নাকি অফিসের colleague, পাশের বাসার ভাবী, মেট্রো রেল স্টেশনে দেখা হওয়া অপরিচিতা সেই মহিলার আচরণের সঙ্গে নিজের বউয়ের তুলনা করেন? একবার ভাবুন তো—আজকে যার কণ্ঠ আপনার কাছে কর্কশ মনে হচ্ছে, একসময় তার কণ্ঠই হয়তো আপনার কাছে সবচেয়ে refined মনে হতো! যার আওয়াজ আজকে মাইকের মতো আপনাকে যন্ত্রণা দেয়, একসময় সেটাই আপনার অন্তর শীতল করতো!
আমাদের দেশের context-এ একটা মেয়ে যখন সংসার জীবনে প্রবেশ করে, তখন তার আগের পরিবার (নিজ পরিবার), ক্যারিয়ার, শখ-স্বপ্ন বলতে কিছু থাকে না। Husband-এর পরিবার হয়ে যায় তার পরিবার, husband-এর স্বপ্ন তার স্বপ্ন, husband-এর ক্যারিয়ার তার ক্যারিয়ার। নিজের ভালো লাগার বিপরীতে হওয়া অনেক বিষয় তারা এড়িয়ে যায়। এভাবেই বিবাহিত জীবনে একটা মেয়ে মানিয়ে নিতে শেখে।
মা হওয়ার পর শুরু হয় তার নতুন struggle। সংসারের কাজ, স্বামীর সবকিছু খেয়াল রাখা, একা হাতে বাচ্চা সামলানো — সবকিছু মিলিয়ে নিজের দিকে খেয়াল রাখার সময়ই তার হয় না। প্রসবত্তোর complications, postpartum depression, sleep deprivationসহ নানান জটিলতায় অনেকে নিজের মানসিক স্থিতি ধরে রাখতে পারে না। তখনই তার সমস্ত frustration তার আচরণে, কথা-বার্তায় প্রকাশ পায়। এরকম situation-এ একটা মেয়ের প্রয়োজন যত্ন, সাহায্য, প্রশংসা। অথচ আমরা স্বামীরা হয়ে উঠি judgmental। নিজের স্ত্রীকেই অচেনা ভাবতে শুরু করি। স্ত্রীর dull skin, rough hair, sloppy dressing দেখে অনেকেই স্ত্রীর প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে। বউদের চিৎকার মানে আমাদের কাছে কানের যন্ত্রণা, অথচ সেই চিৎকারের কারণ খুঁজে দেখি না। টাকা income করি বলে নিজেদের কাজকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি, আর স্ত্রীর সব কাজই মনে হয় দায়সারা। যদিও সব স্বামী একরকম নয়, তাই সবার offended হওয়ার কারণ নেই।
দিনশেষে আমাদের মনে রাখতে হবে, স্ত্রীর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর ভিত্তি করেই একটা সংসার সুন্দরভাবে চলে। আর একজন বিবেকবোধসম্পন্ন, supportive husband কখনোই স্ত্রীর রাগ বা হতাশায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখান না। কারণ তিনি জানেন,
04/12/2025
হযরত আলী (রাঃ) বলেন—
তুমি যদি তোমার স্ত্রীকে
সারা জীবনের জন্য সত্যিকারের
বন্ধু হিসেবে কাছে পেতে চাও?
তাহলে তোমার মনে একটি কবর
খুঁড়ে রাখো—
যেন তার সব ভুল–ত্রুটি সেখানে
দাফন করতে পারো।… 💕
love #
27/11/2025
মায়ে’রা কথা কম বলেন, কিন্তু যা বলেন—সেটা জীবনভর পথ দেখায়।
মা বলতেন—
ভালো-মন্দ দুটোরই বাস থাকে মানুষের ভেতর।
কিন্তু তুমি যদি শুধু মন্দটা দেখো,
তাহলে কাউকেই ভালো লাগবে না কখনও।
কারও সাথে মিশলে,
তার ভুল, তার খুঁত, তার দুর্বলতা—এগুলো বাদ দে;
যেটুকু ভালো আছে, সেটুকু ধরে রাখ।
মানুষের ভেতরের আলোটা চিনে নিতে শিখ।
দেখবি—
রাগ কমবে, ভুল বোঝাবুঝি কমবে,
আর সম্পর্ক টিকে থাকবে নরম, উষ্ণ, নিরাপদ হয়ে।
কারণ শেষ পর্যন্ত—
সম্পর্ক সুন্দর হয় ভালোটা দেখার চোখে,
আর ভালো থাকে ভালো রাখার মনোভাবে।
❤🙂
27/11/2025
কিছুদিন আগে ভাইরাল ভিডিও ১১ মাসের বাবুর মা জব হোল্ডার।
কাজের মেয়ে র কাছে বাবুকে রেখে অফিসে গিয়েছেন।
সিসিক্যামেরায় চেক করতে গিয়ে দেখলেন কাজের মেয়ে বাবুকে একটা থাপড় দিসে।
বাবু জোরে কান্না মেয়েটা নিয়ে অন্য রুমে গেল।
অসহায় মত কান্না চিতকার আর কাজের মেয়ের কোন সিমপ্যাথি নেই।
অনেক মায়েরা বাচ্চা মারে কিন্তু সবচেয়ে বেশি কস্ট তা রা পায়।
পরক্ষনেই ই বাচ্চাকে আদরে ভরিয়ে দেয়।
কাজের মেয়ের না আছে মায়া,অতটুকু বাচ্চা না পারে অভিযোগ করতে।
আমার মা সহ ৫ জন খালা।
সবাই সরকারি চাকরি করেন।
আমি কর্মজীবি মায়েদের স্টাগল খুব কাজ থেকে দেখেছি।
নিজেও স্টুডেন্ট মম ছিলাম।
আমার এমবিএ পরিক্ষা র সময় ওকে রেখে যেতাম বয়স্ক শাশুড়ী আর ওর বাবার কাছে।
আমার ৪ ঘন্টা যাওয়া আসার ৪ ঘন্টা পরীক্ষা মোট ৮ ঘন্টা খালি কান্না পেত।
সে সময় হরতাল কারনে কোন কোন দিন পরিক্ষা দিয়ে আসতে পারতাম না, নরসিংদীর কোন বাস নাই হরতালের কারনে।
শীতে সন্ধ্যা ৬ টা মানে রাত।
আমি আমাদের ঢাকার বাসায় রাতে থেকে ভোর ৬ টায় রওনা দিতাম।
বসায় এসে আরহাম কে দেখে কেঁদে দিতাম।
আমার মা স্কুলের শিক্ষিকা আমাদের ২ বোন পিঠাপিঠি ১ জন কে দাদীর কাছে রেখে যেতেন।
১ জন কে নিয়ে যেত, রাখত নামাজ
পড়ার রুমে। যেন ওনার কলিগরা এবং
হেট টিচার বিরক্ত না হয়।
একটু পর পর উকি দিয়ে আমার মা দেখত যে আমরা সেইফ আছি কিনা।
আমার ভাই বয়স ৬ মাস পর যখন জয়েন করে আম্মু টিফিন পিরিয়ডে বাসায় আসত।
মুরগী যেমন বাচ্চাদের পাখনার নিচে নিয়ে বসে তেমন থাকত ৩ ভাই বোন কে নিয়ে।
আমার মায়ের স্টাগল আমরাই জানি।
সেই ভাইরাল ভিডিও কমেন্ট বেসিক কথা হল কেন মেয়েদের বাচ্চা জন্ম দিয়ে ক্যারিয়ার গড়বে কেন চাকরি করতে হবে।
কেন চাকরি করবে না বলেন⁉️
আমার বাবা ২০১৮ সালে মারা গিয়েছে আমরা কখন অভাব বোধ করি নি। একমাএ মায়ের চাকরির কারনে।।
আপনি ক জনের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানেন⁉️
সারাজীবন একটা মেয়ে কত স্টাগল করে পড়াশোনা কত কস্ট করে।
নারীকে চাকরী দিবো কিন্তু
সে মা হতে পারবেনা!!
মা হবে এটা মেনে নিয়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি দিলেও সন্তান সাথে আনা যাবেনা।
এমন একটা পরিবেশ সব কর্মক্ষেত্রে বিরাজ করছে। কিন্তু কোন নারী তা স্পষ্ট করে, চিৎকার করে বলতে পারছে না। যদি চাকুরি খানা চলে যায়।
কোন ডে কেয়ার আপনারা দেন না⁉️
অন্যান্য রাষ্ট্রে তো ৩ বছর পর্যন্ত ও ম্যাটার্নিটি লিভ দেয়। আর আমাদের মাত্র ৬ মাস। এটলিস্ট ব্রেস্টফিডিং পিরিয়ড টা বা অন্তন ১ বছর ম্যাটার্নিটি লিভ কি দেয়া যায় না?
বিদেশে ওয়ার্ক ফ্রম হোম করে
কর্মক্ষেত্রে রাষ্ট্র নারী নিয়োগ দিলে সে একদিন মা হবে এটা কি তার অজানা?
নারী যদি মা হয় তবে
তার সন্তানকে কে দেখবে যদি
কর্মক্ষেত্র সন্তানবান্ধব না হয়!
নারী ডাক্তার হলে চিকিৎসা নিবেন,
নার্স হলে সেবা নিবেন, শিক্ষক হলে শিক্ষা নিবেন,
পাইলট হলে বিমান চালায়ে নিবেন, ব্যাংকার হলে টাকার হিসাব কষাবেন শুধু নিবেন না তার সন্তানকে!!
একজন মা সন্তান সংসার চাকরি সামলায় সে ফিনানশিয়ালি দ্বায়িত্ব নেয় আপনারা তাদের ব্লেম করেন❌
সবার জেগে ওঠা দরকার। জানতে চাওয়া দরকার বাচ্চাটা থাকবে কোথায়!
রাষ্ট্র কেন তার নাগরিকের দ্বায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে!
নারী শিশু বিষয়ক মন্এনালয় যে একটা সেক্টর এদের কাজ কি, কি করে⁉️
মাতৃত্বকে অবজ্ঞা করবেন না তাহলে নিজের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।
যেখানে ভিনদেশী নারীরা সন্তান কাঁধে নিয়ে সংসদে। সেখানে আমাদের কর্মস্থলে সন্তান কাঁধে থাকলে নাকি শিক্ষাকার্যক্রম ব্যাহত হবে।
রাষ্ট্রের উচিত অনতি বিলম্বে সব প্রতিষ্ঠানে নারীর সন্তানের জন্য উদ্যেগ গ্রহন করা।
বুয়ার কাছে আলমারির চাবি রাখতে পারবনা অথচ নিজের সন্তানকে রাখতে বাধ্য হচ্ছি আমরা সকল নারী।
27/11/2025
একজন ব্রেস্ট ফিড করানো মা তার নিজের শরীরে লক্ষ টাকার দুধ তৈরি করে! আমার বাচ্চা জন্মের পর থেকেই ফর্মুলা খায়। এখন তার বয়স এক বছর। এই এক বছরে মাসিক ১০ হাজার টাকার উপরে দুধ লেগেছে তার। এখন তারও বেশি লাগে। তার মানে এই এক বছরে সে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি দুধ খেয়েছে। একজন ব্রেস্ট ফিড করানো মা তার নিজের শরীরেই এতো টাকার দুধ উৎপন্ন করে! যে পুরুষের তার সন্তানের জন্য ফর্মুলা কিনতে হয় সেই পুরুষই জানেন একজন মা তার শরীরে ন্যাচারালিই কতো টাকার দুধ তৈরি করতে পারেন! কী বাঁচানো টাই বাঁচিয়ে দেয় একজন ব্রেস্ট ফিড করানো মা। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় তার শরীরে কতটা ক্ষয় হয়, কতটা সে দূর্বল থাকে, কতটা তার খাবারের চাহিদা তৈরি হয় সেটাও একজন পুরুষের বোঝা উচিত! তার সন্তানকে জন্ম দিয়ে, প্রায় দু বছর ব্রেস্ট ফিড করিয়ে, সন্তানের জন্য দিনের পর দিন নির্ঘুম রাত জাগা একজন মায়ের শারীরিক যত্নের পাশাপাশি মানসিক যত্নেরও প্রয়োজন হয়! আপনার স্ত্রীকে যত্ন করতে না পারেন অন্তত তার সাথে জাজমেন্টাল আচরণ করবেন না। সন্তানের কিছু হলেই সব দোষ বাচ্চার মায়ের উপর দিবেন না। আপনার সামনে অন্য কেউও যদি আপনার স্ত্রীকে ছোট করে আপনি তার প্রতিবাদ করুন। কৃতজ্ঞ হতে শিখুন।
copy post
27/11/2025
আমার সুখ খুঁজতে গেলে
আমার সন্তানের সুখটা নষ্ট হয়ে যাবে…
তাই নিজের সুখটা বিসর্জন দিয়ে সন্তানের
সুখটাই খুঁজে নিলাম।
আমি জানি, এই সন্তান বড় হয়ে একদিন আমাকে
বোঝা মনে করবে,
সেটা জানার পরও আমি সন্তানের সুখটাই খুঁজে নিলাম…
কারণ, "আমি মা" — আর মায়ের কোনো দুঃখ নেই।
সন্তানের সুখই মায়ের আসল সুখ।
তাই অল্প সুখ থাকলেও মায়ের মোনাজাতে
"তার সন্তান আগে থাকে"।
.fb vairalpost
26/11/2025
কনকনে ঠান্ডা ভোরে যখন পুরো পৃথিবী কম্বলের নিচে লুকিয়ে থাকে,
ঠিক তখনই একটি মানুষ—
বিনা অভিযোগে, বিনা বিরতিতে—
ঘুম ভেঙে উঠে দাঁড়ায়।
এই মানুষটার অন্য কোনো নাম নেই,
সে হলো মা।
নিজের হাত-পা জমে আসলেও
সবার জন্য গরম পানি রাখতে ভুলে না,
নিজের ঘুম ভাঙুক না ভাঙুক
সবার নাশতা ঠিকই প্রস্তুত থাকে।
এমন শক্তি, এমন মমতা—
কোনো বইয়ে শেখানো যায় না,
এটা জন্মগত,
এটা “মা” নামের ভেতরে লেখা অলৌকিকতা।
সত্যি বলছি—
ভোর পাঁচটার ঠান্ডা শুধু একজনই জয় করতে পারে,
আর সে হলো—
মা। 🤍
Copypost
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka