Work area communication
05/10/2025
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন কীভাবে
আয়কর আইনে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলসংক্রান্ত একটি বিশেষ আদেশ জারি হয়েছে। এ আদেশ অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছর থেকে সব ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এই নির্দেশনা গত ৪ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে এবং চলতি অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময়সীমা নির্ধারিত আছে আগামী ৩০ নভেম্বর।
যাঁদের অনলাইন রিটার্ন দিতে হবে না
নিচের শ্রেণির করদাতাদের ক্ষেত্রে অনলাইন রিটার্ন দাখিলে বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না। ১. ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতা, ২. সনদ দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অক্ষম করদাতা, ৩. বিদেশে কর্মরত ব্যক্তি ও ৪. মৃত করদাতার আইনগত প্রতিনিধি।
কোথায় ও কীভাবে দিতে হবে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এই নির্দেশনার আলোকে এখন থেকে প্রত্যেক করদাতাকে প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের অনেকের কাছেই অনলাইনে রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করার প্রক্রিয়াটি এখনো নতুন। তাই চলুন জেনে নিই, ধাপে ধাপে কীভাবে সহজেই অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যায়।
প্রথমে নিবন্ধন
অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে প্রথমে ভিজিট করুন এবং e-return অপশনে ক্লিক করুন। যদি আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করা না থাকে, তবে ‘I am not yet registered’ নির্বাচন করুন। এরপর আপনার কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। মোবাইলে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) কোড কনফার্ম করার পর পাসওয়ার্ড সেট করলেই নিবন্ধন শেষ হবে।
নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর সাতটি ধাপ অনুসরণ করেই আপনি আপনার আয়কর রিটার্নটি অনলাইনে ‘সাবমিশন’ করতে পারবেন।
আসুন জেনে নিই, অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ার জন্য কোন ধাপে কী কী করতে হবে।
প্রথম ধাপ: অ্যাসেসমেন্ট ইনফরমেশন
অ্যাসেসমেন্ট ইনফরমেশন ট্যাবে ক্লিক করলে আপনার অনলাইন ফরম খুলবে। এখানে স্বনির্ধারণী রিটার্ন জমা, প্রযোজ্য করবর্ষ ও আয়বর্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ থাকবে। এরপর আপনাকে আপনার আবাসী নাকি অনাবাসী, তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট আয়ের বর্ষে কোনো করমুক্ত আয় আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। কোন কোন উৎস থেকে আপনার আয় এসেছে, তা নির্বাচন করলে এই ধাপ শেষ হবে। এরপর তথ্যগুলো ‘সেভ ও কনটিনিউ’ করলে আপনাকে আরও কিছু বাড়তি তথ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হব। যেমন আপনার আয়ের অবস্থান, করছাড় ও কর রেয়াত সম্পর্কে তথ্য, আইটি ১০বি ফরমের তথ্য।
দ্বিতীয় ধাপ: আয়ের হিসাব
এই ধাপে আপনাকে আয়ের উৎসভেদে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে হবে, কোন খাত থেকে কত টাকা আয় হয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ। যেমন যদি আপনি একজন বেতনভুক্ত কর্মকর্তা–কর্মচারী হন, তবে কোথায় চাকরি করছেন, আপনার পদবি কী, বেতন ও ভাতা বাবদ কত টাকা পেয়েছেন এবং কোনো নগদবহির্ভূত সুবিধা পাচ্ছেন কি না—এসব তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
আবার যদি আপনার বেতনের পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র থেকে মুনাফা আয় হয়ে থাকে, তবে সে ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রের সম্পূর্ণ তথ্য দিতে হবে। যেমন রেজিস্ট্রেশন নম্বর, ইস্যুর তারিখ, সঞ্চয়পত্রের ক্রয়মূল্য, আয় বর্ষে পাওয়া মুনাফার পরিমাণ ও উৎসে কেটে নেওয়া করের পরিমাণ।
তৃতীয় ধাপ: বিনিয়োগ ও কর রেয়াত গণনা
দ্বিতীয় ধাপে আয়ের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে ‘সেভ ও কনটিনিউ’ করলে চলে আসবে রিটার্ন জমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বিনিয়োগ ও কর রেয়াত গণনা। এখানে আপনি বিভিন্ন বিনিয়োগের ধরন দেখতে পাবেন। আপনার বিনিয়োগ অনুযায়ী সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। যেমন জীবনবিমা প্রিমিয়াম, ডিপোজিট পেনশন স্কিম, অনুমোদিত সঞ্চয়পত্র ও সরকারি সিকিউরিটিজ, ইউনিট সার্টিফিকেট/মিউচুয়াল ফান্ড/ইটিএফ/যৌথ বিনিয়োগ স্কিম, তালিকাভুক্ত শেয়ার, সাধারণ প্রভিডেন্ট ফান্ড, স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড, অনুমোদিত অবসর ভাতা তহবিল, অনুমোদিত কল্যাণ তহবিল ও গ্রুপ বিমা প্রিমিয়াম, জাকাত তহবিল ও সর্বজনীন পেনশন স্কিম।
চতুর্থ ধাপ: খরচের বিবরণ
এই ধাপে আপনাকে সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে আপনার বিভিন্ন খরচের তথ্য প্রদান করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে বাড়িভাড়া, বাজার খরচ, যাতায়াত, পরিষেবা বিল, শিক্ষা খরচ, কর প্রদানের ব্যয়, উৎসব ভাতা বাবদ খরচ। সব প্রয়োজনীয় খরচের তথ্য পূরণ করে শেষে ‘সেভ অ্যান্ড কনটিনিউ’ বাটনে ক্লিক করলেই আপনি পরবর্তী ধাপে যেতে পারবেন।
পঞ্চম ধাপ: সম্পদ ও দায় বিবরণী
রিটার্ন দাখিলের সময় আপনার সব সম্পদ ও দায়ের সঠিক তথ্য প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধাপে প্রথমেই আপনাকে জানাতে হবে গত আয় বছরে আপনার মোট সম্পদ কত ছিল। মনে রাখবেন, এখানে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান ভবিষ্যতে জটিলতার কারণ হতে পারে।
সম্পদ বিবরণীতে যা যা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যেমন ব্যাংকে জমা অর্থ; সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ; শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড বা অন্য আর্থিক বিনিয়োগ; গচ্ছিত নগদ অর্থ, সোনা, হীরা, রত্ন ও মূল্যবান সামগ্রী; জমি, ফ্ল্যাট বা অন্য স্থাবর সম্পত্তি; আসবাব, ইলেকট্রনিকস ও যন্ত্রপাতি; ব্যবসায়িক মূলধন; বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত সম্পদ এবং ব্যবসার বাইরের অন্য তহবিল।
এ ছাড়া দায় বিবরণীতে আপনার ব্যবসার বাইরের সব দায়ের তথ্য দিতে হবে, যেমন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ; ব্যক্তিগত বা অনিরাপদ ঋণ; ক্রেডিট কার্ডসহ অন্যান্য বকেয়া; আপনার ঘোষিত সম্পদ ও দায়ের মধ্যে যেন কোনো অসামঞ্জস্য না থাকে, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, এ ক্ষেত্রে ভুল বা গরমিল থাকলে আপনার রিটার্ন নিরীক্ষায় পড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সম্পদ বিবরণী ফরম পূরণের সময় আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে সব তথ্য ও হিসাব সঠিকভাবে প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি।
সবকিছু ঠিক থাকলে ‘সেভ অ্যান্ড কনটিনিউ’ ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান।
ষষ্ঠ ধাপ: কর দায়
এই ধাপে আপনি জানতে পারবেন চলতি অর্থবছরে আপনার মোট কত টাকা কর নির্ধারিত হয়েছে। যদি আপনার দেওয়া অগ্রিম কর নির্ধারিত কর দায়ের চেয়ে বেশি হয়, তবে আপনাকে আর অতিরিক্ত কোনো কর দিতে হবে না। যদি অগ্রিম কর কম হয়, তবে অবশিষ্ট অংশ আপনাকে পরিশোধ করতে হবে।
এ পর্যায়ে আপনি ‘আপডেটেড ট্যাক্স পেমেন্ট স্ট্যাটাস’ নামের একটি কলাম দেখতে পাবেন। এখানে গিয়ে প্রদত্ত অগ্রিম করের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে কর পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা দিতে পারবেন। সবশেষে ‘ফাইনাল পেমেন্ট’ নামের কলামে যদি ‘পেয়েবল টাকা...’ প্রদর্শিত হয়, তবে বুঝতে হবে আপনি সম্পূর্ণ কর পরিশোধ করেছেন। তখনই আপনি আপনার অনলাইন রিটার্ন সফলভাবে জমা দিতে পারবেন।
ফয়সাল ইসলাম, আর্থিক খাতের বিশ্লেষক
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন কীভাবে এ বছর থেকে সব ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। রিটার্ন দাখিলের সময় শ.....
02/03/2024
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সিভিল কোর্ট কমিশনার ওবায়েদ
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।
➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।
➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।
➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।
➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।
➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।
➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।
➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।
➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।
❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।
ঢাকা তেজগাঁও সাতরাস্তা ভুমি অফিসে সকালে আবেদন করে বিকেলে ম্যাপ সংগ্রহ করতে পারবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1206