Informations
ওষুধ ছাড়াই জ্বর-সর্দি-কাশি সারানোর উপায়
হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনে সর্দি, কাশি, জ্বরের কবলে পড়তে হচ্ছে অনেককে। এই সময়ে বিভিন্ন ভাইরাল ইনফেকশনে ভুগতে হয়। তবে এই জ্বর, সর্দি, কাশির চিকিৎসার বেশ কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে।
রসুন: বলা হয় রসুনের থেকে ভালো ওষুধ আর হয় না। রসুনের গুণাগুণ অনেক। ভাইরাল ফিভার, ঠাণ্ডা লাগার মতো অসুখের প্রতিরোধ করতে রসুন খুব উপকারী। শুধু ঠান্ডা লাগাই নয়, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ কোলেস্টেরল, হার্ট অ্যাটাক এবং স্টোক প্রতিরোধেও রসুন খুব কাজে দেয়। ৫ থেকে ৬ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। তারপর সেটা শুধু খেতে পারেন কিংবা স্যুপের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।
আদা: রসুনের মতোই আদাও খুবই উপকারী একটি ঘরোয়া উপাদান। অনেক রকমের রোগ প্রতিরোধ করতে আদা খুব উপকারী। জ্বর কমাতে এক কাপ আদার রসে মধু মিশিয়ে খান। সঙ্গে সঙ্গেই ফল পাবেন।
দারুচিনি: গলা ব্যথা, ঠাণ্ডা লাগা, কফ সারাতে দারুচিনি খুবই উপকারী। এতে অ্যান্টি ফাংগাল, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান রয়েছে। এক চামচ দারুচিনির গুঁড়ো মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তিন দিন দুই থেকে তিন বার খান।
তুলসী পাতা: জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা, ব্রঙ্কাইটিস, ম্যালেরিয়া এবং আরও অনেক রোগের উপশমকারী উপাদান হিসেবে তুলসী পাতার রস বেশ উপকারী। এতে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিবায়োটিক এবং আরও অনেক উপাদান রয়েছে। ৮ থেকে ১০টি তুলসী পাতা ভালো করে জলে ধুয়ে নিন। তারপর গরম জলে বেশ কিছুক্ষণ ধরে পাতাগুলো ফোটান। সেই ফোটানো জল এক কাপ করে রোজ খান।
ধনে বীজ: বিভিন্ন রান্নায় আমরা ধনে বীজ হামেশাই ব্যবহার করে থাকি। যে কোনও রান্নায় আলাদা স্বাদ যোগ করে এটি। শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ানোই নয়, ভাইরাল ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে এটি খুবই উপকারী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এটি সাহায্য করে।
06/06/2020
জেনে নিন ডায়াবেটিস রোগীর ফল খাওয়ার পরিমাণ
এখন চলছে ফলের মৌসুম। চারদিকে শুধু ফল আর ফল। নানা রংয়ের বিভিন্ন স্বাদের দেশি-বিদেশি ফলে ভরপুর। এই সময় কম বেশি সবাই ফল খেয়ে থাকেন। কিন্তু যারা রোগী বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে। তারা কি ফল খাবেন না? চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে তাদেরও ফল খাওয়া একেবারেই নিষেধ নয়। তবে ফলমূল খাওয়ার বেলায় তাদের হিসাব করে অর্থাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।
ডায়াবেটিস রোগীর খাবারের বেলায় ক্যালরী, শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট ইত্যাদি বিবেচনা করে খেতে হয়। এগুলো যে খাবারে কম থাকে সেগুলো রোগীর জন্য খাওয়া উত্তম।
এবার জেনে নেই ডায়াবেটিস রোগী দিনে কোন ফল কতটুকু খেতে পারবেন :
আম : সর্বত্র এখন আমের মৌ মৌ গন্ধ। এই ফলটি স্বাদে অতুলনীয়। খেতে সবারই মন চায়। ডায়াবেটিস রোগীও খেতে পারবেন। যার পরিমাণ ৩০ গ্রাম অর্থাৎ ছোট আমের অর্ধেক।
কাঁঠাল : জাতীয় ফল কাঁঠাল। পুষ্টিগুণে ভরপুর। কিন্তু যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা ৫০ গ্রাম কাঁঠাল খেতে পারবেন। মাঝারি আকারের ৩টি কোয়া।
লিচু : স্বল্প সময়ের ফল লিচু। ডায়াবেটিস রোগীরও মন চায় এই ফল খেতে। তবে তারাও খেতে পারবেন ৪০ গ্রাম লিচু। গুনে গুনে বড় আকারের ৬টা।
আনারস : এই ফলও খেতে পারবেন, তবে ৬০ গ্রাম। সাড়ে তিন ইঞ্চি মাপের এক অথবা দুই টুকরা।
তরমুজ : এই ফল খাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন না ডায়াবেটিস রোগী। তরমুজ খাবেন ১৫০ গ্রাম। ৩.৫ ইঞ্চি ×৩.৫ ইঞ্চি× ৬ ইঞ্চি সাইজের এক ফালি।
পেয়ারা : কাঁচা পেয়ারা বেশি খেতে পারবেন তবে পাকা পেয়ারা খেতে পারবেন ৪০ গ্রাম। অর্থাৎ বড় সাইজের ১টি।
পেঁপে : কাঁচা অবস্থায় যত খান বাধা নেই। ডায়াবেটিস রোগীরা ৬০ গ্রাম পাকা পেঁপে খেতে পারবেন। ৩.৫ ইঞ্চি ×২ .৫ ইঞ্চি মাপের এক টুকরা।
আতা ফল : গ্রাম বাংলার ফল আতা। ৩০ গ্রাম ওজনের মাঝারি সাইজের একটি ফল খাওয়া যাবে।
পাকা কলা : ডায়াবেটিস রোগী পাকা কলা খেতে পারবেন ২৫ গ্রাম। যা একটি কলার অর্ধেক।
বেদানা : বেদানা খেতে পারবেন ৪০ গ্রাম। একটি ফলের অর্ধেক।
মিষ্টি বরই : টক বরই বেশি পরিমাণে খেতে পারবেন এই রোগীরা। কিন্তু মিষ্টি বরই ২৫ গ্রাম খাওয়া যাবে। মাঝারি আকারের ৬টি।
কমলা : কমলা খাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন না। এই ফল ৬০ গ্রাম খাওয়া যাবে। মধ্যম আকারের একটি।
আপেল : ডায়াবেটিস রোগীরা মাঝারি সাইজের একটি আপেল খেতে পারবেন। যার ওজন হবে ৪০ গ্রাম।
মাল্টা : এই ফল খাবেন ৫০ গ্রাম। অর্থাৎ মধ্যম আকারের একটি।
নাসপাতি : ৪০ গ্রাম নাসপাতি খাবেন। এটিও মাঝারি সাইজের হতে হবে।
পাকা বেল : আধা কাপ পরিমাণ বেল খাবেন। যার ওজন হবে ৩০ গ্রাম।
মনে রাখবেন এই ফলগুলো একদিনে সব খাওয়া যাবে না। প্রতিদিন এর মধ্য থেকে একটি ফল খেতে পারবেন।
তথ্যসূত্র : বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির গাইড বই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
1217