The Right Way To Go

The Right Way To Go

Share

26/04/2026

কুরআনের ৬টা আয়াতে শিফা — ৬টা রোগের ৬টা সমাধান

একটা কুরআনে ৬টা আয়াতে শিফা। ৬টা ভিন্ন রোগ। ৬টা ভিন্ন কষ্ট। আর ৬ জায়গাতেই আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন — শিফা শুধু শরীরের জন্য না, মানুষের পুরো জীবনের জন্য।

কখনো ভেবে দেখেছেন — আল্লাহ কেন কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় বারবার “শিফা” শব্দটা এনেছেন?

কারণ মানুষ শুধু জ্বর-সর্দিতে ভোগে না। মানুষ বুকের ব্যথায়ও ভোগে। মানুষ মানসিক অস্থিরতায়ও ভোগে। মানুষ শারীরিক রোগে ভোগে। মানুষ আত্মার শূন্যতায়ও ভোগে। মানুষ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায়ও ভোগে। মানুষ ঈমানের দুর্বলতায়ও ভোগে।

আর আল্লাহ চান — আপনি যখন এই রোগগুলোর মধ্যে পড়বেন, তখন যেন জানেন ঠিক কোন আয়াতের দিকে ফিরে যেতে হবে।

আমরা অনেক সময় শিফা মানে শুধু ওষুধ বুঝি। কিন্তু কুরআন শেখায় — শিফা কখনো বুকের জন্য, কখনো মনের জন্য, কখনো শরীরের জন্য, কখনো রুহের জন্য, কখনো দীর্ঘদিনের কষ্টের জন্য, কখনো ঈমানের দুর্বলতার জন্যও হয়।

আজকের পোস্টে সেই ৬টা আয়াত — ৬টা রোগের ৬টা সমাধান।

সূরা তাওবা ১৪ — যখন বুকের ভেতর জমে থাকা কষ্ট সারাতে হবে

অনেক মানুষের রোগ শরীরে না, বুকে। বাইরে স্বাভাবিক। ভিতরে ভাঙা। কারও অন্যায়ে বুক জ্বলছে। কারও অপমানে রাতের ঘুম নেই। কারও বিশ্বাসভঙ্গের ব্যথা বছরের পর বছর জমে আছে। কারও কষ্ট কাউকে বলা যায় না, শুধু বুকের ভেতর পাথরের মতো চেপে বসে থাকে।

আল্লাহ বলেন —

وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِينَ

উচ্চারণ: ওয়া ইয়াশফি সুদূরা কাওমিম মুমিনীন

অর্থ: “আর তিনি মুমিনদের বুকসমূহকে শিফা দান করবেন।”
(সূরা তাওবা: ১৪)

খেয়াল করুন — এখানে শিফা বলা হয়েছে সুদূর, অর্থাৎ বুকের জন্য। কারণ মানুষ অনেক সময় এমন ব্যথা বহন করে, যা রিপোর্টে ধরা পড়ে না, এক্স-রেতে দেখা যায় না, ডাক্তারও লিখে দিতে পারে না। কিন্তু আল্লাহ দেখেন। আল্লাহ জানেন। আল্লাহ বুকের জমে থাকা ক্ষতও সারিয়ে দিতে পারেন।

কখন পড়বেন? যখন বুক ভারী লাগে। যখন কারও আচরণে ভিতরটা জ্বলে। যখন অপমান, অন্যায়, রাগ, ব্যথা — সব একসাথে ভেতরে জমে আছে। যখন মনে হয় — “আমি কাউকে কিছু বলতে পারছি না, কিন্তু ভিতরে খুব কষ্ট হচ্ছে।”

সূরা ইউনুস ৫৭ — যখন মানসিক রোগে ভিতরটা অস্থির হয়ে গেছে

সব রোগ চোখে দেখা যায় না। কিছু রোগ আছে, যা শুধু মানুষ নিজে জানে। বাইরে হাসছে, ভিতরে কাঁদছে। সবাই ভাবছে ঠিক আছে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে মন ভেঙে যাচ্ছে। অকারণ ভয়, overthinking, anxiety, হতাশা, অস্থিরতা, সন্দেহ, দুশ্চিন্তা — এসবও রোগ। আর এই রোগে মানুষ খুব নিঃশব্দে ভোগে।

আল্লাহ বলেন —

يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُورِ

উচ্চারণ: ইয়া আইয়ুহান নাসু ক্বাদ জা-আতকুম মাওইযাতুম মির রাব্বিকুম, ওয়া শিফাউল লিমা ফিস সুদূর

অর্থ: “হে মানুষ, তোমাদের কাছে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে, আর যা বক্ষসমূহে আছে তার জন্য শিফা এসেছে।”
(সূরা ইউনুস: ৫৭)

এখানে আল্লাহ বলছেন — তোমার ভিতরের অদৃশ্য ব্যথারও শিফা আছে। মানসিক অন্ধকারেরও শিফা আছে। মনের জটেরও শিফা আছে। তোমার বুকের ভেতর যে ঝড়, কুরআন সেই ঝড়ের দিকও জানে।

কখন পড়বেন? যখন মাথা শান্ত থাকে না। যখন রাত জেগে চিন্তা করেন। যখন ঘুম আসে না। যখন মন বসে না। যখন ভিতরে ভিতরে সব কিছু জট পাকিয়ে গেছে। যখন মানুষের মাঝে থেকেও নিজেকে একা লাগে।

সূরা নাহল ৬৯ — যখন শারীরিক রোগে শরীর ভেঙে পড়েছে

আমরা অনেক সময় ভাবি — ইসলাম শুধু দোয়া শেখায়। কিন্তু ইসলাম আমাদের এটাও শেখায় যে, আল্লাহ শিফা শুধু আকাশ থেকে নামান না, তিনি দুনিয়ার উপায়ের মধ্যেও রাখেন। মধুর ভেতরে শিফা রেখেছেন। গাছপালার ভেতরে শিফা রেখেছেন। চিকিৎসার ভেতরে শিফা রেখেছেন। অর্থাৎ, বৈধ উপায় গ্রহণ করাও আল্লাহরই শিক্ষা।

আল্লাহ বলেন —

فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ

উচ্চারণ: ফীহি শিফাউল লিন্নাস

অর্থ: “এর মধ্যে মানুষের জন্য শিফা রয়েছে।”
(সূরা নাহল: ৬৯)

এ আয়াতে আল্লাহ মধুর কথা বলেছেন। কিন্তু এর শিক্ষা আরও বড়। আল্লাহ দেখাচ্ছেন — শারীরিক রোগেরও শিফা আছে। শরীরের যত্ন নেওয়াও দ্বীনের বাইরে না। চিকিৎসা নেওয়াও তাওয়াক্কুলের বিরুদ্ধে না। বরং শিফা আল্লাহর, আর উপায়ও আল্লাহর দেওয়া।

কখন পড়বেন? যখন শরীর ভেঙে যায়। যখন দুর্বল লাগে। যখন সাধারণ বা দীর্ঘ রোগে ভুগছেন। যখন মনে করিয়ে দিতে চান — “আমি চিকিৎসা নেবো, কিন্তু শিফা চাইবো আল্লাহর কাছেই।”

সূরা ইসরা ৮২ — যখন আত্মার ভেতর অন্ধকার জমে গেছে

মানুষের একটা সময় আসে, যখন বাইরে থেকে সব কিছু ঠিক, কিন্তু ভিতরে শান্তি নেই। নামাজ পড়ে, কিন্তু স্বাদ নেই। তাওবা করতে চায়, কিন্তু চোখে পানি আসে না। গুনাহে ক্লান্ত, কিন্তু ফিরে আসার শক্তি পাচ্ছে না। দুনিয়ার সব কিছু আছে, কিন্তু রুহে আলো নেই। এটাই আত্মার অসুস্থতা।

আল্লাহ বলেন —

وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ

উচ্চারণ: ওয়া নুনাযযিলু মিনাল কুরআনি মা হুয়া শিফাউঁ ওয়া রাহমাতুল লিল মুমিনীন

অর্থ: “আমি কুরআনের এমন কিছু নাযিল করি, যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।”
(সূরা ইসরা: ৮২)

খেয়াল করুন — এখানে আল্লাহ শুধু শিফা বলেননি, সঙ্গে রহমতও বলেছেন। কারণ আত্মার রোগ শুধু যুক্তিতে সারে না; সেখানে দরকার রহমত, দরকার নূর, দরকার আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া। কুরআন শুধু তথ্য না, কুরআন রুহকে জীবিত করার আলো।

কখন পড়বেন? যখন মনে হয় ভিতরটা শুকিয়ে গেছে। যখন গুনাহে ক্লান্ত। যখন আল্লাহকে চান, কিন্তু আগের মতো নরম হতে পারেন না। যখন মনে হয় — “আমি দূরে চলে গেছি, কিন্তু ফিরতে চাই।”

সূরা শুআরা ৮০ — যখন দীর্ঘমেয়াদী রোগে ধৈর্য ভেঙে যাচ্ছে

দীর্ঘ রোগ মানুষের শরীরের চেয়ে মনকে বেশি ক্লান্ত করে। একদিনের রোগ আলাদা। কিন্তু মাসের পর মাস, বছরের পর বছর।

ইবরাহীম (আ.) বলেন —

وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ

উচ্চারণ: ওয়া ইযা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফীন

অর্থ: “আর আমি যখন অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে শিফা দান করেন।”
(সূরা শুআরা: ৮০)

15/04/2026

যদি কেউ আপনার কাছে সাহায্য চায়, তবে এভাবে ভাবুন: তারা প্রথমে আল্লাহর কাছেই চেয়েছিল, আর আল্লাহ তাদেরকে আপনার ঠিকানা দিয়েছেন।🌸🤲🏼

10/04/2026

আমার বুকটা ভার হয়ে আছে খুব। সব সহজ করুন “ইয়া আল্লাহ”।

10/03/2026

লাইলাতুল কদর তালাশে রমাদানের শেষ ১০ রাতের জন্য এডভান্সড আমল প্ল্যান:

কুরআন তিলাওয়াত:

১. তিন বার সূরা ইখলাস (১২ আয়াত)
২. তিন বার সূরা ফালাক (১৫ আয়াত)
৩. তিন বার সূরা নাস (১৮ আয়াত)
৪. সুরাহ বাকারার শেষ ২ আয়াত
৫. সুরাহ মূলক (৩০ আয়াত)
৬. সুরাহ সিজদাহ (৩০ আয়াত)
৭. সুরাহ কদর ৫ আয়াত
৮. ২৯+৩০ পারা (৪৩১+৫৬৪)=৯৯৫ আয়াত

মোট: ১১০৭ আয়াত*

*[ আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতের সলাতে দশটি আয়াত তিলাওয়াত করবে, তার নাম গাফিলদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি (রাতের) সলাতে এক শত আয়াত পাঠ করবে, তার নাম অনুগত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে। যে ব্যক্তি সলাতে দাঁড়িয়ে এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করবে, তাকে অফুরন্ত পুরস্কার প্রাপ্তদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে।

সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৩৯৮
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস ]

যিকর:

১. সুব্‌হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী। × ৩

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهٖ عَدَدَ خَلْقِهٖ، وَرِضَا نَفْسِهٖ، وَزِنَةَ عَرْشِهٖ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهٖ

আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি— তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)

২. ইয়া রব্বি লাকাল হামদু কামা ইয়ামবাগি লিজালালি ওয়াজহিকা ওয়া লিআজিমি সুলতানিকা। × ১

يا رَبِّ لَكَ الحَمْدُ كما يَنْبَغِي لِجَلالِ وَجْهِكَ ولِعَظِيمِ سُلْطانِكَ

অর্থ : হে আমার প্রভু! তোমার সুউচ্চ মর্যাদা ও বিশাল রাজত্ব অনুপাতেই তোমার জন্য প্রশংসা।]

৩. আসতাগফিরুল্লাহ আল্লাযি (অথবা আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাযি) লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল ‘হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি × ১

৪. সায়্যিদুল ইসতিগফার (ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দোআ) × ১

اَللّٰهُمَّ اَنْتَ رَبِّيْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَاَنَا عَبْدُكَ

হে আল্লাহ্‌! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা।

আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা,

وَاَنَا عَلٰى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، اَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ

আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই।

ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু,

اَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَاَبُوْءُ بِذَنْبِيْ

আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ।

আবূউলাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী।

فَاغْفِرْ لِيْ فَاِنَّهٗ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ اِلَّاۤ اَنْتَ

অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।
ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা

৫. সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী × ১০০

৬. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" × ১০০

৭. আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি × ১০০০

৮. দুরুদ × ১০০০

৯. লা হাওলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ × ১০০

১০. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ × ১০০

১১. দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" × ১০০

১২. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল ‘আযীম × ১০০

১৩.সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লা-হি ওয়ালা ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াল্লা-হু আকবার × ১০০

১৪. সুবহানাল্লাহিল ‘আযীম ওয়াবিহামদিহী × ১০০

১৫. সাহাবি আবু উমামাহ আল বাহিলি (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি বসা অবস্থায় আমার ঠোঁট নাড়াচ্ছিলাম, এমন সময় রাসুল (ﷺ) আসলেন। তিনি আমাকে বললেন, ‘‘তোমার ঠোঁট নাড়াচ্ছো কেনো?’’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমি আল্লাহর যিকর করছি।’ তিনি বললেন, ‘‘আমি কি তোমাকে এমন কিছুর খবর দেবো না, দিন-রাত যিকর করেও যেটির সওয়াব পর্যন্ত তুমি পৌঁছাতে পারবে না?’’ আমি বললাম, ‘অবশ্যই।’
রাসুল (ﷺ) তখন বলেন, তুমি বলো—
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا فِي كِتَابِهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى خَلْقُهُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَي ماَ فِي خَلْقِهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ سَمَاوَاتِهِ وَأرْضِهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ
আল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা মা আ‘হসো কিতা-বুহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা মা ফি কিতা-বিহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা মা আ‘হসো খলক্বুহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আলা মা ফি খলক্বিহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লাহি মিলআ সামা-ওয়া-তিহি ওয়া আরদিহ্, ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি ‘আদাদা কুল্লি শাই ই। ওয়াল‘হামদুলিল্লা-হি মিলআ কুল্লি শাই ই।
অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, তার কিতাব যা গণনা করেছে তা সহকারে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, তার সৃষ্টি যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, তার সৃষ্টির মধ্যে যা কিছু আছে তা সহকারে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, তার আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ করে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, সকল কিছুর সংখ্যার সমপরিমাণ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, সব কিছুকে পরিপূর্ণ করে।
سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ مَا فِي كِتَابِهِ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى خَلْقُهُ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ عَلَي ماَ فِي خَلْقِهِ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ مِلْءَ سَمَاوَاتِهِ وَأرْضِهِ، وَ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ وَ سُبْحَانَ اللَّهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ
সুব‘হা-নাল্লা-হি ‘আদাদা মা আ‘হসো কিতা-বুহ্, ওয়া সুব‘হা-নাল্লা-হি ‘আদাদা মা ফি কিতা-বিহ্, ওয়া সুব‘হা-নাল্লা-হি ‘আদাদা মা আ‘হসো খলক্বুহ্, ওয়া সুব‘হা-নাল্লা-হি ‘আলা মা ফি খলক্বিহ্, ওয়া সুব‘হা-নাল্লা-হি মিলআ সামা-ওয়া-তিহি ওয়া আরদিহ্, ওয়া সুব‘হা-নাল্লা-হি ‘আদাদা কুল্লি শাই ই। ওয়া সুব‘হা-নাল্লা-হি মিলআ কুল্লি শাই ই।
অর্থ: আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, তার কিতাব যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তার কিতাব যা গণনা করেছে তা সহকারে। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, তার সৃষ্টি যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, তার সৃষ্টির মধ্যে যা কিছু আছে তা পরিপূর্ণ করে। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, তার আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ করে। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, সকল কিছুর সংখ্যার সমপরিমাণ। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি, সব কিছুকে পরিপূর্ণ করে।
اَللَّهُ أَكْبَرُ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ عَدَدَ مَا فِي كِتَابِهِ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ عَدَدَ مَا أَحْصَى خَلْقُهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ عَلَي ماَ فِي خَلْقِهِ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ مِلْءَ سَمَاوَاتِهِ وَأرْضِهِ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ وَاللَّهُ أَكْبَرُ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ
আল্লা-হু আকবার ‘আদাদা মা আ‘হসো কিতা-বুহ্, ওয়াল্লা-হু আকবার ‘আদাদা মা ফি কিতা-বিহ্, ওয়াল্লা-হু আকবার ‘আদাদা মা আ‘হসো খলক্বুহ্, ওয়াল্লা-হু আকবার ‘আলা মা ফি খলক্বিহ্, ওয়াল্লা-হু আকবার মিলআ সামা-ওয়া-তিহি ওয়া আরদিহ্, ওয়াল্লা-হু আকবার ‘আদাদা কুল্লি শাই ই। ওয়াল্লা-হু আকবার মিলআ কুল্লি শাই ই।
অর্থ: আমি আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করছি, তার কিতাব যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। আমি আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করছি, তার কিতাব যা গণনা করেছে তা পরিপূর্ণ করে। আমি আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করছি, তার সৃষ্টি যা গণনা করেছে সেই পরিমাণ। আমি আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করছি, তার সৃষ্টির মধ্যে যা কিছু আছে তা পরিপূর্ণ করে। আমি আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করছি, তার আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ করে। আমি আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করছি, সকল কিছুর সংখ্যার সমপরিমাণ। আমি আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করছি, সব কিছুকে পরিপূর্ণ করে।
[ইমাম তাবারানি, মু‘জামুল কাবির: ৮১২২, শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৫৭৫; হাদিসটিকে মুহাদ্দিসগণ সহিহ বলেছেন]

নামাজ:

১. ২ রাকাআত তাহিয়্যাতুল ওযু/তাহিয়্যাতুল মসজিদ নামাজ পড়া
২. জামাতে তারাবীহ ৮/২০ রাকাআত
৩. দুই রাকাত তওবার সালাত
৪. তাহাজ্জুদ/কিয়ামুল লাইল ৮ রাকাআত
৫. বিতর ৩ রাকাত

দুআ:

লাইলাতুল কদর প্রাপ্তির জন্য দুআ
জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতুল ফেরদৌস প্রাপ্তির দুআ করা
কবরের আযাব থেকে মুক্তির দুআ
উম্মাহর জন্য দুআ
বন্দি ও মুজাহিদদের জন্য দুআ
নিজের শহীদি মৃত্যুর জন্য দুআ
বারবার হজ্জ উমরাহ নসিব হওয়ার জন্য দুআ
নিজ পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধু বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী, সহকর্মী সকলের জন্য হেদায়াত ও আফিয়াতের (নিরাপত্তার) দুআ করা
জ্বীন, জাদু, বদ নজর জাতীয় সমস্যা থেকে আল্লাহ যেন সবসময় রক্ষা করেন এই দুআ করা
নিজের প্রয়োজন মাফিক দুআর লিস্ট তৈরি করে দুআ করা

আমল:

১. অন্তত একজন মুসলিমকে ইফতার করানো

২. অন্তত ১০ টাকা হলেও সাদাকাহ করা

৩. কদরের দুয়া পড়া:
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ : 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।

৪. আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে ১ মিনিট চিন্তাভাবনা করা

৫. ১ মিনিট আখেরাতের কথা স্মরণ করা

৬. কুরআনের ১ আয়াত তর্জমা/তাফসীর সহকারে পড়া ও অন্তত ২-৩ মিনিট চিন্তা ভাবনা করা

৭. ১ টা কুরআনের আয়াত মুখস্থ /হিফয করা

৮. ১ টা হাদিস ব্যাখ্যা সহ পড়া

৯. তাওহীদ সংক্রান্ত ১ পেইজ পড়া

১০. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের যেকোন প্রসিদ্ধ সিরাহ ১ পেইজ পড়া

১১. সেহেরীর সময়ে একান্ত ইস্তেগফার

Muhammad Rumy Ibn Yousuf ভাই

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka