ReD Zone
11/01/2026
পার পাওয়া যাবে না
চামচামি কোরে কিন্তু পার পাওয়া যাবে না
আল্লাহ অলস দের আগুনে পোরায়ে
কোন অলস কে আল্লাহ আগুনে পোরান,,,?
নবির উপরেতো কেউ নাই, নবিই সবার উপর, তার পরে বাকিরা সবাই, রছুল, থেকে সুরু কোরে একজন আমানু পরজন্ত, এখন কার উপরে কে, তা একটু খুজলেই পেয় জাবেন।
খুজতে হবে আপনাকে, না খুজেই একজন হাতে তুলে দিল, আর আপনি নিয়ে নিলেন তা হবে না
কারন জারা খুজে না, তাদের থেকে ফাকিবাজ অলস আর নাই এই প্রিথিবিতে
কারা খুজে না,,,?
বিসসাসিগন খুজে না, তারা বিসশাস কোরে অন্নের ঘারে দোস দেয়ার নিখুত ফাকিটা দিয়ে থাকে।
তা কি ভাবে,,,?
নবির ধহাই থেকে সুরু কোরে, আজকের আউলিয়ার ধহাই পরজন্ত, জারা দিয়ে চোলেছে
এরা কারা,,,?
এরাই তারা, জারা গেয়ানি গুনির দরবারে গিয়ে, কিছু সব্দ শিখে আছে, কর্মের নামে, ঠুল্লু
গুরুর দরবারে জাবেন না তা নয়, বিসশাস কোরবেন না তা কিন্তু নয়, অবসশই করবেন, সেই সাথে চেখে দেখার দাইত্তটা আপনারি, কি দিল আর কি নিলেন।
মাথায়ে রাকবেন ল্যাব ছাড়া, এই জগতের মানুষ কিছু দেয় না, তার উপরে ফ্রিতে আপনাকে গেয়ান, দেয়া হোচ্ছে।
এখানেই ভুল,টা করি আমরা, ফ্রি গেয়ান পেয়ে আমারা একেক জন পন্দিতের রুপ ধারন কোরে বোসে আছি, আর ভাবছি আমি বর হেনুরেহ।
সব্দের খেলা শিখেই আমরা নিজেকে বর গেয়ানি ভাবতে সুরু করেছি, মনে মনে মন কলাও খাসছি।
এইরুপ মন কলা খাওয়া মানুষকেই, আল্লাহ অলস বলছেন
(ROW)
♨️............🖋️
জেনে রাখ, ক্ষতি কি
29/12/2025
মির্জা গালিব...
তসবি রেখে গালিব বলেন...
যিনি আমাকে হিসেব ছাড়া দেন
তাকে কেন গুনে গুনে ডাকবো...?
আজ ২৭ ডিসেম্বর, উর্দু ও ফার্সি সাহিত্যের আকাশে অমর এক নক্ষত্র মির্জা গালিবের জন্মদিন। তাঁর আসল নাম ছিল মির্জা আসাদুল্লাহ বেগ খান, তবে সাহিত্যজগতে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন “গালিব” নামে। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৭৯৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর মুঘল সাম্রাজ্যের আগ্রায়। তার মৃত্যু হয় ১৮৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে।
গালিব ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভাধর কবি, যিনি উর্দু ও ফার্সি ভাষায় গজল, শায়েরি এবং চিঠিপত্র রচনা করে অমর হয়ে আছেন। তাঁর কবিতা শুধুমাত্র প্রেম বা বেদনার গল্প নয়; এগুলো জীবনের গভীরতম দিক এবং ঈশ্বরের প্রতি এক চিরন্তন অনুসন্ধান।
মির্জা গালিবের কবিতার স্বরূপ
গালিব ছিলেন আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চিন্তার এক অনন্য প্রতীক। তার লেখায় উঠে এসেছে মানব হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা, বেদনা, এবং ঈশ্বরের সন্ধানের এক অন্তহীন পথ। তিনি প্রথাগত ধর্মীয় কাঠামোর বাইরে দাঁড়িয়ে ঈশ্বরের সাথে নিজের সম্পর্ক খুঁজে পেতে চেয়েছেন।
"ईमां मुझे रोके है जो खींचे है मुझे कुफ़्र,
काबा मेरे पीछे है कलीसा मेरे आगे।"
(অর্থ: বিশ্বাস আমায় থামিয়ে রাখে, কিন্তু অবিশ্বাস টানে সামনে,
পিছনে কাবা, সামনে গির্জা—আমি মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছি।)
এই শায়েরি তার আধ্যাত্মিক দোটানার পরিচয় দেয়। ঈশ্বরের প্রতি তার প্রেম ছিল সীমাহীন, তবে সেই প্রেমকে তিনি কোনও নির্দিষ্ট ধর্মীয় কাঠামোর মধ্যে বাঁধতে চাননি।
জীবনের দুঃখ এবং তার কবিতার প্রতিফলন
গালিবের জীবন ছিল দুঃখ-কষ্টে পরিপূর্ণ। তার সাতটি সন্তানই অল্প বয়সে মারা যায়। তিনি দারিদ্র্য, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং সামাজিক অস্থিরতার মধ্যেও নিজের সাহিত্য সাধনা চালিয়ে গেছেন। এই দুঃখবোধ তার কবিতাকে গভীর এক অনুভূতিতে ভরিয়ে দিয়েছে।
তার বিখ্যাত শায়েরি:
"हजारों ख्वाहिशें ऐसी कि हर ख्वाहिश पे दम निकले,
बहुत निकले मेरे अरमान लेकिन फिर भी कम निकले।"
(অর্থ: হাজারো ইচ্ছা আছে, প্রতিটি পূরণে প্রাণ দিতেও প্রস্তুত,
অনেক আশা পূর্ণ হয়েছে, তবু মনে হয় কিছুই হয়নি।)
এই শায়েরি যেন মানব হৃদয়ের চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা আর অতৃপ্তির কথা বলে। আমাদের চাওয়া আর পাওয়ার এই গভীর দ্বন্দ্বই ঈশ্বরের প্রতি আমাদের টান বাড়িয়ে দেয়।
জন্মদিনে বার্তা:
গালিব আমাদের শিখিয়েছেন, জীবন যতই কঠিন হোক, তা আসলে একটি অন্তর্দর্শনের পথ। তার শায়েরি আজও আমাদের বলে যায় জীবন সুন্দর
(ROW)
♨️,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,🖋️
Click here to claim your Sponsored Listing.