White Devil

White Devil

Share

14/06/2025

https://www.facebook.com/profile.php?id=61577093797119

https://facebook.com/groups/1248523640281126/

The Dark Room All Hacking Service available, All sim Information service available all account Recover service available.

15/04/2022

এয়ারলাইনার এবং জাহাজ হ্যাকিং 🔥🔥

জাহাজ, বিমান, সাংবাদিক এবং (সম্ভবত) সামরিক বাহিনী যোগাযোগের জন্য যে ডিভাইসগুলির উপর নির্ভর করে থাকে সেগুলি ততটা নিরাপদ নয় যতটা আমরা ভেবেছিলাম ।

OActive কি ঃ

OActive হল একটি নিরাপত্তা পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান যার বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানর কে হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার এবং ওয়েটওয়্যার ইত্যাদির ভুলনেরাবিলিটি গুল দূর করার মাদ্ধমে সেবা দিয়ে থাকে ।।

OActive-এর Ruben Santamarta নামের একজন দেখিয়েছেন যে এই সিস্টেমগুলির অনেক গুল backdoor রয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণ বা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা কোন হ্যাকার সেটা হ্যাক করে নিলে পাসওয়ার্ড ফিরে পাওয়ার জন্য। যদিও backdoor প্রবেস এর জন্য কিছু উনমুতির প্রয়োজন হয়ে থাকে , তবুও তিনি সেগুলাকে বায়পাস করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আশ্চর্যজনকভাবে, Ruben Santamarta দাবি করেন যে তিনি ইনফ্লাইট ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে বিমান হ্যাক করতে পারেন, , তবে তিনি এটিও উল্লেখ করেছিলেন যে এই একই সিস্টেমের মাধ্যমে একটি জাহাজ বা এয়ারলাইনার যোগাযোগ করে থাকে । তার বক্তৃতায়, তিনি একটি SOS এর পরিবর্তে একটি ভিডিও স্লট মেশিন দেখানর জন্য একটি নটিক্যাল ডিস্ট্রেস বীকন হ্যাক করেছিলেন । এবং কি জাম্বো জেট ও একই ভাবে হ্যাক করা হয়ে থাকে এবং এটি সাধারন মানুষের কাছে সত্যিয় একটা উদ্বেগজনক ব্যাপার কারন এগুল অনেক এ অনেক ভাবে খারাপ কাজে ব্যাবহার করে অনেক এর ক্ষতি সাধন করতে সক্ষম ।
ধন্যবাদ সবায়কে পোর্ট টি সম্পূর্ণ পরার জন্য । এবং আশা করি আমার ভুল ক্রুটি ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ।
পোস্ট টা শায়ার করে আমাদের পাশে থাকবেন

আসসালামুয়ালাইকুম

10/04/2022

এমন কিছু কি আছে, যা লিনাক্সে করা যায় না, কিন্তু উইন্ডোজ-এ করা যায়?

হ্যা এ প্রশ্নের উত্তরে
আগে অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে কিছু বলি,

অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি ব্যবস্থা যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটিয়ে দেয়। যেমন ধরুন, ল্যাপটপে ওয়াইফাই ডিভাইস রয়েছে, তাই ল্যাপটপ দিয়ে ওয়াইফাই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি। আবার ধরুন ল্যাপটপে স্পিকার আছে সেখান থেকে আমরা শব্দ শুনতে পারি, কম্পিউটারের এই ওয়াইফাই ডিভাইস, স্পিকার ইত্যাদি হার্ডওয়্যার। এগুলো তো এমনিই কাজ করতে পারেনা, কাজ করার জন্য প্রয়োজন হয় নির্দেশনার, এই নির্দেশনা দেয়ার যে জায়গা, মানে যার মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেওয়া হয় তার নাম অপারেটিং সিস্টেম। অপারেটিং সিস্টেমের দায়িত্ব হার্ডওয়্যার (র্যাম, রম, হার্ডড্রাইভ ইত্যাদি) এবং সফটওয়্যার এর মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করে দেয়া, যাতে সফটওয়্যার দিয়ে সেই ডিভাইসগুলো ভালোভাবে ব্যবহার করা যায়।

উইন্ডোজ এবং GNU/Linux বা সংক্ষেপে লিনাক্স দুটোই অপারেটিং সিস্টেম।
নিশ্চয়ই বোঝাতে সক্ষম হয়েছি যে অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কাজটা কী? এটি শুধু হার্ডওয়্যারের সাথে সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটিয়ে দেয়। আর বাদ বাকি কাজ করে সফটওয়্যার।যেমন কোনকিছু লেখার জন্য টেক্সট এডিটর (ভিম, ইম্যাক্স, ন্যানো, নোটপ্যাড ইত্যাদি); আবার ভিডিও দেখার জন্য ব্যবহার করি বিভিন্ন ভিডিও প্লেয়ার ( VLC, KM Player ইত্যাদি) এগুলো হল সফটওয়্যার।

লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেমগুলো প্রধানত উন্মুক্ত সোর্সকোড (সফটওয়্যারগুলোর প্রোগ্রাম কীভাবে লেখা হয়েছে, কী লেখা হয়েছে) নীতি অনুসরণ করে, যেখানে কেউ ইচ্ছে করলে সেই সোর্সকোড পরিবর্তন করে নিজের পছন্দ মত করে নতুন কিছু তৈরী করতে পারে, এবং তা বিক্রিও করতে পারে ইত্যাদি), কিন্তু উইন্ডোজের ক্ষেত্রে এই সুযোগ নেই। সেখানে যে প্রোগ্রামগুলো ইন্সটল করা হয় তা সম্বন্ধে ব্যবহারকারীর কোন ধারণাই থাকে না যে সেটি কীভাবে কাজ করছে। অনেকটা সফটওয়্যার কোম্পানীর হাতের পুতুলের মত অবস্থা। বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করেই কাজ চালাতে হয়।

লিনাক্স যেহেতু ব্যবসার চেয়ে Knowledge শেয়ারকে বেশি গুরুত্ব দেয় তাই এটি অনেকটা কমিউনিটি নির্ভর, অর্থাৎ ব্যবহারকারীরাই একে অপরকে সহায়তা করে। এবং বিভিন্ন সেচ্ছাসেবক বিভিন্ন প্রোগ্রাম তৈরী করে, এবং সকলে মিলে সেসব প্রোগ্রামকে আরো সুন্দর করে ডেভেলাপ করে। এজন্য লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেমে উইন্ডোজের তুলনায় সফটওয়্যারের পরিমাণ কিছুটা কম। (যেমন ধরুন উইন্ডোজে PSpice সফটওয়্যার থাকলেও লিনাক্সে তা নেই [হ্যাঁ, বিকল্প সফটওয়্যার আছে, কিন্তু এটি নেই।])

এই যে ব্যপারটা, এরকম অনেক সফটওয়্যারই আছে যেগুলো লিনাক্সে নেই। কয়েকটা উদাহরণ যদি বলি, ধরুন নোটপ্যাড, কেএম প্লেয়ার, মাইক্রোসফট অফিস, উইন্ডোজ এজ, এডোবি ফটোশপ, এডোবি রিডার ইত্যাদি ক্লোজ সোর্স সফটওয়্যার এগুলো লিনাক্সে নেই, লিনাক্সে এগুলো চালানোও যায়না, কিন্তু এগুলোর বিকল্প সফটওয়্যার রয়েছে, যেমন ( gedit, ভিএলসি, লিব্রা অফিস, ফায়ারফক্স, Gimp, Evince ইত্যাদি)।

তো বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই, আবার দেখা হচ্ছে অন্য কোন পোস্ট এ, সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আমার জন্য দোয়া করবেন, আসসালামু আলাইকুম।

____________________

09/04/2022

বাংলায় সাবনেটিং । নেটওয়ার্কিং পর্বঃ ১

আমরা যারা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কোর্স শুরু করি বা শেখা আরম্ভ করি, তখন অনেকের মধ্যেই এক রকম চিন্তার উদয় হয় এই সাবনেটিং নিয়ে! পরীক্ষায় তো প্রবলেম দিয়ে দেয় এবং সেটার সল্ভ করার জন্য এই বিষয়ে ভালো আইডিয়া থাকা দরকার না হলে তালগোল পাকিয়ে ফেলাটা খুব অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। তো সহজভাবে আজ ১ম পর্বে আমরা শুধু এই সাবনেটিং কি সেটা দেখব।
শুরু করার পূর্বে চলুন নিচের এক্সাম্পলটা খেয়াল করি।
এইযে ধরুন ৬ জন বন্ধু মিলে একটা ১০ ইঞ্চির পিজ্জা অর্ডার দিলেন। এখন খাবার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে একে ৬টা আলাদা টুকরা করা হলো। এরপর ৬ জনের মাঝে বন্টন করে দেয়া গেল খুব সহজেই। এইযে একটা গোটা পিজ্জাকে ৬টি অংশে (কম বেশি হতে পারে) ভাগ করা হলো ধরে নেই এগুলা হলো “সাব পিজ্জা” !
তেমনি, একটা বড় নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট নেটওয়ার্কে ভাগ করার প্রক্রিয়াকে বলে “সাবনেটিং” ! আর ছোট্ট অংশগুলোকে বলা যেতে পারে “সাবনেটস/সাবনেটওয়ার্কস ”
কি খুব কঠিন ব্যাপার? না, একটু বুঝলেই সহজ।

তেমনি, একটা বড় নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট নেটওয়ার্কে ভাগ করার প্রক্রিয়াকে বলে “সাবনেটিং” ! আর ছোট্ট অংশগুলোকে বলা যেতে পারে “সাবনেটস/সাবনেটওয়ার্কস ”
কি খুব কঠিন ব্যাপার? না, একটু বুঝলেই সহজ। ছবিটা দেখলেই বুঝতে পারবেন।

প্রশ্ন হলো কি দরকার এই সাবনেটিং এর? আচ্ছা বিশাল একটা নেটওয়ার্ক ম্যানেজ করা সহজ নাকি একে আলাদা আলদা ভাগ করে ছোট করে ফেললে ম্যানেজ করা সহজ ? আর একই অর্গানাইযেশন এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর রিকোয়েরমেন্ট তো আলাদা হতে পারে তাইনা? তো এই সব কারণেই সাবনেটিং করে ফেলাটা বুদ্ধিমানের কাজ।
এই সহজ কঠিন নিয়ে একটা ভিন্ন এক্সাম্পল দেই। আমারা প্রায়ই বলিনা যে জিনিসটা পানির মতো সহজ! হ্যা, এই পানি যখন আমরা পান করি কত্তো ইজিলি তাইনা? আবার একই পানিতে সাঁতার কাটা কত্তো কঠিন (যারা এখনো শিখিনি তাদের জন্য)। তো এই সহজ কঠিন ব্যাপারটা সিচুয়েশনের উপর ডিপেন্ড করে।
তো, মূল প্রসঙ্গে আসি, পরবর্তী পর্বে আমরা টুকটাক আইপি এড্রেস নিয়ে একটু আলোচনা করব। এবং পর্ব আকারে লিখবো ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ সবাইকে । বেশি বেশি শেয়ার করবেন।

07/04/2022

HTML দিয়ে NASA হ্যাক?

আপনারা অনেকেই তো HTML দিয়ে নাসা হকার হওয়ার বিষয়টি নিয়ে মজা করেন। সো আজকে এই বিষয়ে একটু জেনে নেয়া যাক।
কয়েকদিন আগে PHP ল্যাঙ্গুয়েজের source code হ্যাক হয়ে গিয়েছিলো। বুঝতে পারছেন বিষয়টি? ইন্টারনেটের প্রায় ৮০% ওয়েবসাইট যেই ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাবহার করে তৈরি হয়েছে, সেই ল্যাঙ্গুয়েজের source code -ই হ্যাক করে পরিবর্তন করা হয়েছিলো!
তবে, PHP কিন্তু ওয়েবসাইট গঠনের মূল ল্যাঙ্গুয়েজ না। বরং, ওয়েবসাইটের মূল ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে- HTML। তারপরও অনেকেই মজা করে বলে থাকে, "HTML দিয়ে NASA হ্যাক করবা নাকি?" অনেক সময় এক্সপার্টরাও কথাটি বলে থাকেন; কিন্তু, তাদের উদ্দেশ্য HTML কে ছোট করা না। এরপরও কেউ যদি তাদের এই কথা শুনে HTML কে মূল্যহীন মনে করে, সেটা মারাত্মক ভুল।

খেয়াল করে দেখুন- ডার্ক ওয়েব (এবং সাধারণ ইন্টারনেট) -এর অল্পকিছু ওয়েবসাইট ব্যাতীত প্রায় সকল ওয়েবসাইট-ই তৈরি হয়েছে HTML দিয়ে। W3C এবং WHATWG নামক community দ্বারা এই ল্যাঙ্গুয়েজ maintain করা হয়ে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়েবসাইট (বিশেষ করে অনলাইন শপিং প্লাটফরম গুলো) REST API ব্যাবহার করে থাকে। যারা API সম্বন্ধে জানেন না, তাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছি-

API হলো এমন একটি প্রোগ্রাম, যেটি এক ওয়েবসাইটের data আরেক ওয়েবসাইটে প্রেরণ করতে ব্যাবহার করা হয়।

REST API এসব তথ্য প্রেরণের ক্ষেত্রে JSON, XML কিংবা, HTML হিসেবে প্রেরণ করে থাকে। তাই, বুঝতেই পারছেন- ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে ওয়েবসাইটের তথ্য প্রেরণ করা ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই HTML জড়িত থাকছেই।

আবার, আপনি হয়তো ওয়াই-ফাই ব্যাবহার করেন। ওয়াই-ফাই রাউটারে switch থাকলেও wireless পদ্ধতিতে রাউটার থেকে যতো data আপনার ডিভাইসে আসছে, সেগুলো hub এর মতো ব্রডকাস্ট হয়; অর্থাৎ, আপনার জন্য পাঠানো data সেই রাউটারের রেঞ্জের মধ্যে সবখানে যেতে থাকে। অবশেষে আপনার ডিভাইসের সন্ধান পেলে আপনার ডিভাইসে সেই data পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আর, এই data গুলো কিন্তু HTML এর মাধ্যমেই ওয়েবসাইট থেকে আসবে। কিন্তু, রাউটার যখন এসব data ব্রডকাস্ট করবে, তখন খারাপ হ্যাকার আপনার রাউটারের এসব data -র copy নিতে পারবে। আর, যেকোনভাবে encrypted html তথ্যগুলো decrypt করতে পারলেই আপনার ব্যক্তিগত সকল তথ্য পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে।

এছাড়া, হ্যাকিং করার সময় ওয়েবসাইটের source code থেকে যেসব Javascript ফাইল বের করা হয়, সেগুলো তো HTML এর মধ্যেই থাকে! সেই সাথে, ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ওয়েবসাইটের সাথে আপনার ওয়েব ব্রাউজার যেই TCP প্রটোকলের মাধ্যমে connection তৈরি করে, সেই TCP প্রটোকল কিন্তু HTML এর মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত থাকে।

আবার, অনেক ওয়েবসাইট আপনার ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে পাঠানো HTML code (key:value) দিয়েই অনেক কিছু যাচাই করতে পারে। সেক্ষেত্রে, আপনার ওয়েব ব্রাউজারের এসব code তো আপনার নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। তাই, আপনি চাইলেই এসব পরিবর্তন করে দিয়ে অনেক sensitive তথ্য পেয়ে যেতে পারেন। বিশেষ করে, ওয়েব সার্ভার হ্যাকিং এর পর HTML এর প্রয়োজন হয়।

মূল কথা, ওয়েব হ্যাকিং এর প্রায় সবকিছু HTML এর মাধ্যমেই হচ্ছে। সেটা হোক প্রত্যক্ষ কিংবা, পরোক্ষ। HTML এর অনেক পদ্ধতিই পুরাতন। আর, এটাই সমস্যা। কারন, পুরাতন পদ্ধতিই সাইবার অপরাধীরা নতুনভাবে ব্যাবহার করে।

06/04/2022

Shark Jack Device

শার্ক জ্যাক হলো একটি পাওয়ারফুল পোর্টেবল নেটওয়ার্ক অডিটর যা পেন্টেস্টার এবং সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটরদের জন্য বিশেষভাবে অপ্টিমাইজড করে তৈরি করা হয়েছে।
এই ডিভাইসটিতে প্রিইন্সটল্ড Ultra Fast N-MAP Payloads রয়েছে যা আপনাকে খুব দ্রুত এবং সহজভাবে নেটওয়ার্ক রিকনিসেন্স করতে সাহায্য করবে।
এই ডিফল্ট পেলোডগুলো আপনার করা স্ক্যান রেজাল্টকে ডিভাইসটির রুট ডিরেক্টরিতে সেভ করে রাখবে। আরো বাড়তি একটি সুবিধা হলো এই ডিভাইসটিতে প্রিইন্সটল্ড পেলোডগুলোকে চাইলেই আপনি নিজের পেলোড দিয়ে রিপ্লেস করে নিতে পারেন। ব্যাশ স্ক্রিপ্টিং এর মাধ্যমে এই ডিভাইসটি প্রোগ্রাম করা হয়। ডিভাইসটিতে দুটো মোড রয়েছে।

Attack Mode
Arming Mode

এটাক মোডে ডিভাসটি DHCP নেটওয়ার্ক ক্লায়েন্ট হিসেবে কনফিগারেড হয়ে যায় এবং পেলোডগুলোকে এক্সিকিউট করে থাকে।
এবং আর্মিং মোডে ডিভাইসটি একটি স্ট্যাটিক আইপি এড্রেস এর সাথে কনফিগারেড হয়ে যায় এবং একটি SSH server চালু করে। এই আর্মিং মোডের সাহায্যে আপনি SSH দিয়ে এম্বেডেড লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের এক্সেস নিতে পারেন।

White Devil

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka